বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৩৩ এম
লাইভগ্রুপ সি
স্কটল্যান্ড ০–১ ব্রাজিল
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬
পরবর্তী খেলাসমূহ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ সি] ভোর ৪টা
মরক্কো – হাইতি
মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ এ] সকাল ৭টা
মেক্সিকো – চেক প্রজাতন্ত্র
এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো
আরও পড়ুন
সাশ্রয়ী মূল্যে এআই স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা মেটার
হোয়াটসঅ্যাপ না খুলেই হোম স্ক্রিন থেকে পাঠানো যাবে ভয়েস মেসেজ, কীভাবে?
হোয়াটসঅ্যাপে বাড়ছে সাইবার হামলা, ৫ উপায়ে সুরক্ষিত রাখুন অ্যাকাউন্ট
এআই মানুষের বিকল্প নয় বরং বাড়াবে কর্মসংস্থান: জেফ বেজোস
বিজ্ঞান ও গবেষণার জগতকে বদলে দিতে আসছে ‘চ্যাটজিপিটি ফর সায়েন্স’
দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। তবে অনেক সময় ভালো ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করে ইন্টারনেটের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই রাউটারের অবস্থানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। অনেকেই রাউটারকে আলমারি, টিভির পেছন বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন, যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
রাউটার দীর্ঘদিন একটানা চালু থাকলেও এর কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা ভালো। এতে ডিভাইসটি নতুন করে কার্যক্রম শুরু করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির সমস্যা দূর হয়।
রাউটারের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাসার এক কোণে রাউটার রাখলে দূরের কক্ষগুলোতে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। এজন্য রাউটারকে যতটা সম্ভব ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে পুরো বাড়িতে তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পাওয়া যায়।
যদি এসব পদ্ধতিতেও সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারে একটি ছোট রিসেট বাটন থাকে, যা চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। এতে অনেক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর হতে পারে। তবে রিসেটের পর পুনরায় নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হবে।
এ ছাড়া রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই যে নতুন বা আরও ব্যয়বহুল প্যাকেজ নিতে হবে, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের সঠিক ব্যবহার, অবস্থান পরিবর্তন, পুনরায় চালু করা, রিসেট করা কিংবা নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে সংযোগের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় ‘রে-ব্যান’ ওয়্যারেবল ডিভাইসের অভাবনীয় সাফল্যের পর, প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা প্ল্যাটফর্মস এবং চশমা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসিলরলাক্সোটিকা যৌথভাবে নতুন এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন এই ‘মেটা গ্লাসেস’-এর প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯৯ মার্কিন ডলার। এর ফলে, এই স্মার্ট চশমা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে গত বছর বাজারে আসা ৮০০ ডলার মূল্যের ‘রে-ব্যান ডিসপ্লে’ চশমার তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে।
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা দীর্ঘদিন ধরেই ‘পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা ব্যক্তিগত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে ঢালছে শত শত কোটি ডলার। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উন্নত গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে এআই-এর সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
লাক্সোটিকার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হলেও, এটি প্রথম কোনো চশমার সিরিজ যা রে-ব্যান বা ওকলির মতো লাক্সোটিকার নিজস্ব সুপরিচিত ব্র্যান্ডের অধীনে বাজারে আসছে না। বরং এটি সরাসরি মেটার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে উন্মোচন করা হচ্ছে।
নতুন চশমাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন রঙ ও আকৃতিতে বাজারে আসবে। এর মধ্যে নজরকাড়া চারকোনা (রেকট্যাঙ্গেল) ডিজাইনসহ জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কাইলি জেনারের সঙ্গে যৌথ পার্টনারশিপে তৈরি একটি স্লিম ওভাল (ডিম্বাকৃতি) ফ্রেমের কালেকশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মেটার এই নতুন ডিভাইসগুলোতে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিজস্ব ‘সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস’ থেকে তৈরি প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ‘মিউজ স্পার্ক’। এই মডেলটির সহায়তায় চশমাটিতে উন্নত ‘মেটা এআই’ সেবা পাওয়া যাবে।
আন্তর্জাতিক ডেটা কর্পোরেশন-এর তথ্যমতে, গত বছর বিশ্বজুড়ে স্মার্ট চশমা সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৬ লাখ ইউনিট। এর মধ্যে এককভাবে মেটার দখলেই ছিল প্রায় ৭৬.১ শতাংশ বাজার। মেটার এই বিশাল সাফল্যই মূলত গুগল এবং অ্যাপলের মতো অন্য শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই ধরণের ডিভাইস তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
মেটার এই ঘোষণাটি এসেছে এমন একটি সময় যখন এক সপ্তাহ আগেই স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘স্ন্যাপ’ ২,১৯৫ মার্কিন ডলারের চড়া মূল্যে একটি অগমেন্টেড-রিয়েলিটি চশমা বাজারে ছেড়েছে।
যেখানে স্ন্যাপের চশমাটি ব্যবহারকারীর বাস্তব পৃথিবীর দৃশ্যের ওপর ডিজিটাল কনটেন্ট ফুটিয়ে তোলে, সেখানে মেটার চশমাটি মূলত টেক্সট বা লেখা প্রদর্শন এবং সরাসরি এআই ইন্টারঅ্যাকশনের ওপর জোর দেয়।
সূত্র: দ্য ডন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাকুল প্রিত সিং ফিটনেস সচেতন তারকাদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ পরিচিত।
তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং একটি ছোট ভুল যে কত বড় বিপদের কারণ হতে পারে, সে অভিজ্ঞতাই সম্প্রতি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি চ্যাট শোতে অংশ নিয়ে রাকুল প্রিত সিং তার ভয়াবহ ফিটনেস দুর্ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, জিমে ৮০ কেজি ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার না করায় কোমরে বেশ চোট পান। সেই আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, তাকে টানা ৪০ দিন বিছানায় থাকতে হয়েছিল।
সেই ঘটনার বিষয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, তিনি সাধারণত ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার করতেন। কিন্তু দুর্ঘটনার দিন সেটি পরেননি। আর সেই একটি ভুলই তার জীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি ডেকে এনেছে।
রাকুল প্রিত বলেন, সেই এক ভুলের কারণে আমার স্নিপড ডিস্ক হয়েছিল এবং ৪০ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এটি শুধু শারীরিক আঘাত ছিল না, মানসিকভাবেও আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল।
তিনি বলেন, হঠাৎ করেই আমি স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছিলাম না। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক চাপও আমাকে ভেঙে দিচ্ছিল।
অভিনেত্রী বলেন, সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে কাজ, ব্যায়াম ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল।
এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য স্বামী জ্যাকি ভগ্নানির প্রশংসাও করেন রাকুল।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল— ৮০ কেজি ওজন তোলার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় রাকুলের কোমরের নিচের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে তার স্নায়ুতন্ত্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।
চোট পাওয়ার পরও তিনি কিছু দিন ব্যথানাশক ও পেশি শিথিলকারী ওষুধের সাহায্যে পেশাগত কাজ চালিয়ে যান। তবে পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে যেতে হয়।
সম্প্রতি রাকুল প্রিত সিং অভিনীত রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘পতি পত্নি অউর ও দো’ মুক্তি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া বর্তমানে অপেক্ষায় আছেন তার নতুন সিনেমা ‘বিবান: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ মুক্তি নিয়ে। দীপক মিশ্র নির্মিত এ সিনেমায় তার সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করেছেন অভিনেত্রী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, মনীশ পাল, সুনীল গ্রোভার, শ্বেতা তিওয়ারি প্রমুখ। সিনেমাটি আগামী ২৬ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
এ অভিনেত্রীর হিন্দি সিনেমা দিয়ে অভিষেক হলেও সাফল্যের শুরুটা হয়েছিল তেলুগু সিনেমা দিয়ে। প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির একজন অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তামান্না ভাটিয়া মনে করেন, দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি ‘কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক’। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের এ মতামত জানান।
তিনি বলেন, ‘সেখানে এক ধরনের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। সেটিকে কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক বলা যায়, আর সেই দৃষ্টিভঙ্গি নারীদের প্রতি খুব একটা ইতিবাচক বা প্রশংসাসূচক নয়। তবে আমি এর সংগীতনির্ভর দিকটি বুঝতে পেরেছিলাম। ওখানকার সিনেমায় তারকাসুলভ উপস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক থেকে দেখলে সিনেমা অনেক সময় বেশ সীমাবদ্ধ।’
তামান্না আরও বলেন, দক্ষিণী সিনেমায় নারীদের প্রতি এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যেটা খুব একটা ইতিবাচক নয়। সেদিক থেকে বলিউড তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে মূলত দুই ধরনের অভিনেতা-অভিনেত্রী আছেন। কেউ কেউ শিল্পঘেঁষা চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য পান, তাই সবসময় গ্ল্যামারাস গান বা নাচের অংশে তাদের দেখা যায় না। তবে বলিউড এ দুই ধরনের কাজেরই সুযোগ দেয়। আর যারা দুটোই করতে পারেন, তারাই শেষ পর্যন্ত সুপারস্টার হয়ে ওঠেন।
এ অভিনেত্রী জানান, এগুলো তার ব্যক্তিগত চিন্তা। অন্যদের অভিজ্ঞতা ভিন্নও হতে পারে। তিনি বলেন, যেসব অভিনেত্রী ১০-১৫ বছর বা এর বেশি সময় ধরে ক্যারিয়ার ধরে রাখতে পেরেছেন, তারা অভিনয়নির্ভর সিনেমার সঙ্গে নাচ-গানের ছবিতেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার ঘটনায় এক শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগে আসাদুজ্জামান ইমন নামে এক শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদকসহ আর্থিকভাবে দুজন জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে। তাদেরকে বহিষ্কারের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগী এবং তার সহপাঠীরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ, একই ব্যাচের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের আসাদুজ্জামান ইমন এবং দর্শন বিভাগের সাহানুর রহমান সানজু। তাদের মধ্যে আসাদুজ্জামান ইমনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ভুক্তভোগী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাঈম আহমদ সানি। তিনি জানান, গত ২২ জুন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ফুটবল খেলা দেখতে যান। সেখানে জাকসুর একটি রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠান চলায় খেলা সম্প্রচারে অসুবিধা হচ্ছিল। রাত পৌনে ১১টার সময় যখন খেলার পর্দা বন্ধ হয়ে যায়, তখন জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ ঘোষণা করেন, সবাই মঞ্চ থেকে নেমে না গেলে খেলা শুরু হবে না।
এসময় সানি দ্রুত খেলা চালুর পক্ষে কথা বললে কিরণ মঞ্চ থেকে নেমে এসে তাকে ধাক্কা দেন। এক পর্যায়ে কিরণ, ইমন ও সানজুসহ অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং একই সঙ্গে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন সানি। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে টিএসসির একটি ওয়াশরুমে আশ্রয় দিতে বাধ্য হন।
জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ বলেন, 'অতিরিক্ত দর্শকের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে আমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কেবল কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে তিনি আহত হয়েছেন শুনে সৌজন্যবশত আমি তার হলে খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা ও অপবাদমূলক।'
অন্য অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান ইমনও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, তারা সেসময় বাগ্বিতণ্ডা থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে অভিযুক্ত সাহানুর রহমান সানজুর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার (২৪ জুন) रात পৌনে ১০টায় পর্যন্ত ভুক্তভোগী এবং তার সহপাঠী ও হলের বন্ধুরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন। তারা জানান, অভিযুক্ত বাকিদের বহিষ্কারের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত উপাচার্যের কার্যালয় ত্যাগ করবেন না।
অন্যদিকে, এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান উপ-উপাচার্যবৃন্দ, রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সঙ্গে জরুরি প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন। রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ