১০:০২ পি.এম
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরানে হামলার হুমকি উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর সামনে একটি কঠিন বাস্তবতা উন্মোচন করেছে। তাদের উদ্বেগ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
সর্বশেষ সংঘাতের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় দেশের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতি ওয়াশিংটনের কয়েক দশকের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। ইরানকে হামলা থেকে বিরত রাখার পরিবর্তে, যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত সামরিক উপস্থিতি দেশটির জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু তৈরি করেছে।
গত সপ্তাহান্তে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মানামা সংলাপে নিরাপত্তা সম্মেলনে মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আলোচনায় এ উদ্বেগটি প্রাধান্য পেয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্যাংকক বিমানবন্দরের ট্যাক্সিওয়েতে আটকে গেল এমিরেটসের বিশাল এয়ারবাস এ৩৮০
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, চারজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউরোপীয় কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানে স্বল্প সময়ের নোটিশে হামলা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো করেছে। চলতি সপ্তাহেই এমন হামলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে থাকা আরেক ইউরোপীয় কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ‘যুদ্ধ আসন্ন। কেউই এই যুদ্ধ চায় না।’
সূত্র: আলজাজিরা
আরও পড়ুন: রজার্সের কৌশল ব্যর্থ, ৬০ শতাংশ ইহুদি ভোট এল-সায়েদের পক্ষে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন