ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নিমতলী-চুড়িহাট্টার মতো অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১ দফা সুপারিশ বাপার


নিমতলী-চুড়িহাট্টার মতো অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১ দফা সুপারিশ বাপার

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নিমতলী, চুড়িহাট্তা ও এফআর টাওয়ারের মতো অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১ দফা সুপারিশ করেছে।

এ সংক্রান্ত সুপারিশগুলো রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘নিমতলী ট্র্যাজেডি : অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড থামবে কবে?’ শীর্ষক সেমিনারে তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

১১ দফা সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে: আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিক গুদাম ও ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকারাখানাগুলোকে সম্পূর্ণ স্থানান্তর করতে হবে। জাতীয় রাসায়নিক নিরাপত্তার ব্যবস্থাপনা কাঠামো তৈরি করতে হবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে আধুনিকায়ন করতে হবে।

আইন ও বিল্ডিং কোডের কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল লাইসেন্সিং ও নিয়মিত নিরাপত্তা পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জন্য একটি জাতীয় ডেটাবেস ও প্রকাশ্য তালিকা তৈরি করতে হবে। ভবনের নিরাপত্তা সনদ বাধ্যতামূলক করতে হবে। জরুরি প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অগ্নিদুর্যোগমুক্ত এবং নিরাপদ নগরায়ণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। নগর অগ্নি ও রাসায়নিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

সেমিনারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম মন্তব্য করেন, সমাজের শিক্ষিত এবং ধনী শ্রেণির নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের মূলগত পরিবর্তন সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র আর্থিক লোভের কারণে কিছু লোক আবাসিক এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনের জন্য বাসা ভাড়া দেয়। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিমতলী-চুড়িহাট্টার মতো অগ্নিদুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে সচেতন হতে হবে। সচেতনতার পাশাপাশি বিল্ডিং কোডের নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ দরকার।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, দেশে যে কোনো দুর্ঘটনায় প্রথমেই ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করে। ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সঠিক নীতিমালা মানা হয় না। অনুমোদন ৫ তলা থাকলেও বন্ধন করা হয় ১০ তলা। এটি রাজউক জানলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়া হয় না। এখানে দেশের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আইনের কঠোর প্রয়োগের বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন: মতিঝিল আইডিয়াল কলোনিতে রাতভর জুয়ার আসর, উচ্ছেদে নামছে গণপূর্ত

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স দাবি করেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সঠিক নীতিমালা তৈরি করা উচিত। পরিবেশ এবং জনবান্ধবতার কথা চিন্তা করে ঢাকাকে আর সম্প্রসারণ করা উচিত নয়। সিটি গভর্নমেন্টের নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে আনা প্রয়োজন। পরিবেশ ও জনবান্ধব উন্নয়নশীল ঢাকা গড়তে সঠিক ও পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মূল প্রবন্ধে বাপার যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জমান মজুমদার মন্তব্য করেন, শিল্পায়নের প্রসার, রাসায়নিকভিত্তিক ব্যবসায়ের বিস্তার এবং নগর জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর সাথে সঙ্গেই নিরাপদ রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন, নগর পরিকল্পনা এবং আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে বিপুল পরিমাণ দাহ্য, বিস্ফোরক ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবহারের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এরই নির্মম পরিণতি ছিল ২০১০ সালের নিমতলী কেমিক্যাল ট্র্যাজেডি। নিমতলী, চুড়িহাট্তা, বনানীর এফআর টাওয়ার, সীতাকুণ্ড বিএম কনটেইনার ডিপো অথবা সাম্প্রতিক বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড, সবকিছুই বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়; বরং এটি নীতিগত ব্যর্থতা, দুর্বল নগর শাসন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার ধারাবাহিক প্রমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

টাঙ্গাইলের ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কের জামুর্কি এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ের মধ্যে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়, এবং সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়, যা যাত্রীদের জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করে।

অবরোধ কর্মসূচিতে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল, নাটিয়াপাড়া, সেহড়াতৈল, ইসলামপুর ও পড়াইখালী এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি মির্জাপুর উপজেলার মহেরা, জামুর্কি ও পাকুল্লা এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষও অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের দাবী, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেও কার্যকর কোনো সমাধান না পাওয়ার কারণে মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন।

পরে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। তাদের আশ্বাসের পর বিক্ষোভকারীরা প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হয়, তবে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

গোড়াই হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পীযূজ দে সজিব জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সাত দিনের সময় দিয়েছেন, এবং পরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়

বাগেরহাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সাড়ে চার কোটি টাকার বকেয়া পৌর কর আদায় করার উদ্দেশ্যে একটি ব্যতিক্রমধর্মী তিনদিনের কর মেলার আয়োজন করেছে।

রবিবার সকালে বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মেজবাহ উদ্দীন ফিতা কাটার মাধ্যমে এই কর মেলার উদ্বোধন করেন।

বাগেরহাট পৌরসভা চত্বরে তিনদিনের এই কর মেলা চলাকালীন, যদি কেউ বকেয়া পৌরকর পরিশোধ করেন তাহলে তাদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে, পৌরসভার কর্তৃপক্ষের এই ব্যতিক্রমধর্মী কর মেলার আয়োজনের ফলে নাগরিকরা বেশ খুশি। এই কর মেলায় পৌরকর আদায়ের মাধ্যমে পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মেজবাহ উদ্দীন জানান, বাগেরহাট পৌরসভায় মোট সাত কোটি ১৩ লাখ টাকার মধ্যে বর্তমানে বকেয়া পৌরকর রয়েছে চার কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বকেয়া পৌর কর সঠিকভাবে আদায় করা না গেলে পৌরসভার নাগরিকদের নাগরিক সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই পৌরসভাকে সচল রাখার জন্য পৌর কর আদায় করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, বকেয়া পৌরকর আদায়ে গতি বাড়ানোর জন্য আমরা এই তিন দিনের কর মেলার আয়োজন করেছি। মেলার সময়, পৌর কর পরিশোধ করলে নাগরিকরা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত নগদ ছাড় পেতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং

সিলেটের স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকসে অনুষ্ঠিত ইউনিট কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স-৩৬–এ ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর নির্মল সিং বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।

শনিবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে মেজর নির্মল সিংয়ের সম্মাননা অর্জনের তথ্য জানানো হয়।

এই কোর্সটি ১৭ সপ্তাহব্যাপী চলেছিল এবং গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে এটি শেষ হয়। কোর্সটিতে বিদেশি সামরিক কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদলসহ মোট ৫৯ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান একভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই: ত্রাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান একভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই: ত্রাণ মন্ত্রী

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একভাবে দৃষ্টিভঙ্গি করতে না পারার কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য, অন্যদিকে জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া ঘটনা ছিল একটি স্বৈরাচারবিরোধী স্বতঃস্ফূর্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলন।

দুটি আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব আলাদা হলেও সকল সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। তবে, কোনো ক্ষেত্রেই যেন বৈষম্য বা অসঙ্গতি সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি কথাগুলো বলেন।

সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক শহীদ সন্তানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি এবং ব্যাখ্যা করেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তার নিজের বাবা শহীদ হয়েছেন।

তিনি জানান, দেশের মুক্তির জন্য ৩০ লাখ মানুষ আত্মদান করেছিলেন এবং দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জত গেছে। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেরই আজও কোনো গেজেট জারি হয়নি, ইতিহাসের পাতায় তাদের নাম যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের নামের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে, যা খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দুই ঐতিহাসিক ঘটনাকে এক মঞ্চে দাঁড় করানো সমীচীন হবে না, কারণ উভয়ের লক্ষ্য ও প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে তাদের দল সরাসরি যুক্ত ছিল এবং এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনকেও তারা পূর্ণ সম্মান প্রদান করেন।

তিনি বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী লড়াইয়ের সময় রাজপথে নিহত ও আহতদের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বৈষম্য দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সম্প্রতি এক শোকার্ত মায়ের সঙ্গে কথা বলার স্মৃতি উল্লেখ করে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ১৭ বছরের লড়াইয়ের সময় মিছিলের মধ্যে পুলিশের গুলিতে ওই মায়ের সন্তান নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা করা হলেও, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ ও পঙ্গু হয়েছেন, তাদের তালিকা কোথায়? যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হলে সেটি হবে প্রকৃত বৈষম্য। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করে ক্ষতিগ্রস্ত, নিহত ও আহত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গেজেটভুক্ত করা হোক।

যদি এই বৈষম্যগুলো দূর করা যায়, তাহলে একটি সঠিক, সুন্দর ও সমতার বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%