ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি, এমনটি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণে ‘মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই বর্ডারে কাউকে এনে পুশ-ইন করিয়ে দেওয়া এটি কোনো যথাযথ বা আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া নয়। তিনি আরও বলেন, যদি ভারতের কাছে এমন কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা থাকে, যারা অবৈধভাবে সেখানে অবস্থান করছে, তবে তারা কূটনৈতিক বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা সরবরাহ করতে পারে। বাংলাদেশ সরকার নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের জাতীয়তা যাচাই (ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন) করবে এবং সত্যতা সাপেক্ষে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত নিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৯, আটক ১২

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ১০ হাজার মানুষকে পুশব্যাকের যে দাবি করা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা বা দালিলিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশ সরকারের কাছে নেই।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের প্রতিটি সীমান্তে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা বিজিবি সফলভাবে প্রতিহত করছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে সীমান্তে এ ধরনের তৎপরতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে, মন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।

শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সর্বশেষ আপডেট জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ থেকে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী সেখানে মামলা দায়েরের পর আসামিদের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অসম্পন্ন তদন্ত কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যকার অপরাধী প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) সহকারে আসামিদের ফেরত পাওয়ার আবেদন ইতোমধ্যে পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ পক্ষ আসামিদের দ্রুত হস্তান্তরের বিষয়ে আশাবাদী।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে মার্কিন সাংবাদিক মারধরের শিকার

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের অবস্থান ও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের পর আবুধাবি থেকে বাংলাদেশ সরকারকে ইমেইলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। ওই বার্তায় পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সাথে মাত্র তিন দিনের মধ্যে সমস্ত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই সরকারের নিকট পাঠিয়েছে। কয়েকদিন আগে আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এই নথিপত্র ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে।

বর্তমানে বেনজীর আহমেদ সে দেশের ফেডারেল পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন, এটি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রত্যুত্তরের জন্য বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে

রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারা ফেরদৌস (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।

 শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ১৪ তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

 ফারা ফেরদৌস স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ছিলেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি (সিভিটিএস) বিভাগে এমএস ফেজ-বি’র তৃতীয় বর্ষের রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি খুলনা জেলার ফুলতলা থানার পয়গ্রাম এলাকায়। তিনি মো. আবদুর রশিদের মেয়ে।

 পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ডা. ফারা ফেরদৌস অবিবাহিত ছিলেন এবং তিনি আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪তলার ৮/এস নম্বর ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে একা থাকতেন। তবে, ঠিক কবে এবং কখন তার মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

 বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 শাহবাগ থানা-পুলিশ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লজ্জার রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ শেষ করল তিউনিসিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


লজ্জার রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ শেষ করল তিউনিসিয়া

তিউনিসিয়া বিশ্বকাপে হতাশাজনক এক অভিযান শেষ করল। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই হেরে যাওয়ার পাশাপাশি তারা নিজেদের নাম লিখিয়েছে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের পাতায়।

উত্তর আফ্রিকার এই দলটি দুর্বল রক্ষণভাগের কারণে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ভুগেছে। তিন ম্যাচে তারা মোট ১২ গোল হজম করেছে। এর মাধ্যমে তারা এক আসরের গ্রুপ পর্বে সর্বাধিক গোল হজমের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে।

এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরব এবং ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়া গ্রুপ পর্বে ১২টি করে গোল হজম করেছিল। এবার সেই বিব্রতকর তালিকায় যুক্ত হলো তিউনিসিয়ার নাম।

বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পরেই তিউনিসিয়া ফুটবল ফেডারেশন প্রধান কোচকে বরখাস্ত করে। নতুন কোচের অধীনে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগালেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। পরের দুই ম্যাচেও তারা হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি।

শুধু তিউনিসিয়াই নয়, স্বাগতিক কাতারও রক্ষণভাগের দুর্বলতায় ভুগেছে। গ্রুপ পর্বে তারা ১০ গোল হজম করে, এবং সবচেয়ে বেশি গোল খাওয়া দলের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ফুটবলে শক্তিশালী রক্ষণভাগই সফলতার অন্যতম ভিত্তি। সেখানে মাত্র তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করা দলের কৌশলগত ও রক্ষণাত্মক দুর্বলতার স্পষ্ট প্রমাণ। তিউনিসিয়ার এবারের বিশ্বকাপ অভিযান তাই শুধু হতাশার নয়, বরং রেকর্ড বইয়ে একটি বিব্রতকর অধ্যায় হিসেবেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে আইআরজিসির সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে আইআরজিসির সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান অনুমোদিত পথেই জাহাজ চলাচল করতে হবে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শুক্রবার (২৬ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কেবল তেহরান-নির্ধারিত পথই ব্যবহার করতে হবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই অঞ্চলে একমাত্র যে আইনটি কার্যকর, তা হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনীর আইন। অন্যদিকে, আইআরজিসি নৌবাহিনীর হুঁশিয়ারির পর হরমুজ প্রণালী থেকে তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ফিরতে বাধ্য হয়েছে।

এছাড়াও, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সতর্ক করে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই এই প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌ-চলাচলের কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। জাহাজ চলাচলের তথ্য-উপাত্ত (ট্র্যাকিং ডেটা) থেকে দেখা যায়, সমুদ্রপথে যান চলাচল যুদ্ধের আগের তুলনায় সামান্য কম পর্যায়ে রয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে তুলনায় শুক্রবার এই প্রণালী দিয়ে কম সংখ্যক জাহাজ চলাচল করেছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ওমান উপকূলের কাছে তাইওয়ানের পরিচালনায় থাকা একটি জাহাজে গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা পড়া ১১ হাজারেরও বেশি নাবিকের জন্য তাদের স্বেচ্ছায় সরে আসার কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

লএসইজি, মেরিনট্রাফিক এবং কেপলার-এর ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে অন্তত চারটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার—যার মধ্যে তিনটি অত্যন্ত বড় আকারের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা ভিএলসিসি অন্তর্ভুক্ত—উপসাগরীয় এলাকায় প্রবেশ করেছে। পাশাপাশি আরও দুটি সুপারট্যাঙ্কার তেল সংগ্রহের জন্য প্রণালীতে প্রবেশ এবং প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেলবাহী একটি জাহাজ ওমান উপকূল হয়ে বেরিয়ে গেছে।

কেপলারের তথ্যমতে, শুক্রবার উভয় দিক মিলিয়ে মোট ১৩টি ট্যাঙ্কার চলাচল করেছে। যেখানে গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২৪ এবং বুধবার ছিল ২৭। সংঘাত শুরুর সময়ে এই জলপথে দৈনিক গড়ে প্রায় ১২৫টি জাহাজের চলাচল ছিল। এএক্সএসমেরিন-এর পৃথক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২৪ জুন ড্রাই বাল্ক ক্যারিয়ারসহ মোট জাহাজ চলাচলের সংখ্যা ছিল ৬২টি। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর থেকে সর্বাধিক দৈনিক সংখ্যা হলেও, গত বছরের একই দিনে রেকর্ড করা সংখ্যার সাথে তুলনা করলে তা মাত্র ৫৩ শতাংশ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্যমতে, ‘অনুমতি ছাড়া’ হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করা অন্তত তিনটি বিদেশি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আইআরজিসি-র সতর্কবার্তার পর ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। এর আগে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি জাহাজ অজ্ঞাত কোনো বস্তু (প্রজেক্টাইল) হামলার শিকার হয়েছিল। এর ফলে, হরমুজ প্রণালীতে অবস্থানরত ১১ হাজার নাবিককে উদ্ধারের কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয় জাতিসংঘ।

তেহরান এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে ইরানের অনুমতি ছাড়া এই জলপথ দিয়ে চলাচলের বিরুদ্ধে একাধিকবার সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াইহাজারে আটক দুই যুবকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


আড়াইহাজারে আটক দুই যুবকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ডাকাতির ঘটনায় আটক সোনারগাঁ উপজেলার দুই যুবক মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে।

শুক্রবারের এই কর্মসূচি উপজেলাটির নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরনোয়াগাঁও জামে মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে আটকদের পরিবার, নারীরা, পুরুষেরা, শিক্ষার্থীরা এবং স্থানীয় অনেক বাসিন্দা অংশ নেন। দুই যুবক, রাকিব এবং সজিবের পরিবারের সদস্যদেরও তারা সমর্থন দেন।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, গত ১৯ জুন সোনারগাঁ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ডাকাতির একটি ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হন, তাদের মধ্যে কুমিল্লার মুরাদনগরের সহকারী কমিশনারও ছিলেন। ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় সোনারগাঁ উপজেলার চরনোয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা রাকিব ও সজিব।

মানববন্ধনের বক্তারা বলেন, রাকিব এবং সজিব সম্পূর্ণ নিরীহ ও সৎ স্বভাবের যুবক। তারা ঘটনার সময় এলাকায় ছিলেন না এবং ঘটনার চার দিন পর তারা তাবলিগ জামাতের চিল্লা থেকে ফিরে আসেন। বক্তাদের অভিযোগ, তাদেরকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে দুই যুবকের নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানান।

এদিন মানববন্ধনে মতিউর মাস্টার, জহিরুল ইসলাম, সজিবের মা জরিনা আক্তার, তার খালা বিলকিস আক্তার, মফিজুল ইসলাম, আহসান উল্লাহ, আলম মিয়া, ফরহাদ ও আমির হোসেনসহ আরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শুরু হয় চরনোয়াগাঁও থেকে এবং বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধন্ধী বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%