রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, জমির বিরোধের কারণে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব তথ্য দেন।
মন্ত্রী জানান, ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্ভুক্ত মানিকদি নামাপুরা এলাকায় এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। সেখানে ৩৫ কাঠা জমি নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওটি বিরোধপূর্ণ জমির ওপর অবস্থিত।
তিনি আরও জানান, এক পক্ষের সঙ্গে ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ’ নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানির সম্পর্ক রয়েছে। অন্য পক্ষের সঙ্গে একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার যোগসূত্র রয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রাতে একদল লোক জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের টিনশেডের স্টুডিওও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে কন্টেন্ট তৈরির কার্যক্রম চলছিল।
তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাজা কার্তুজের খোসা ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
চাঁদাবাজির সঙ্গে হামলার সম্পর্ক রয়েছে কিনা এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে এই তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তাদির এই ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন। তবে তিনি নিজে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে কেউ তার কাছে চাঁদা দাবি করেনি; ফলে এ ঘটনায় এখনও তার পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। যদি তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা দায়ের করেন, তবে আমরা বিষয়টি তদন্ত করতে পারব।
তিনি জানান, স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি উদঘাটনের জন্য আরও বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন হবে। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য ভবিষ্যতে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু মন্তব্য করেছেন যে, বান্দরবান শহরটি ছোট হলেও এটি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শহরটিকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, "সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলে বান্দরবানের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ নয়।"
আজ বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পর্যটন শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন, শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাঙ্গু নদীকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জনজীবনের মানোন্নয়ন বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময়, পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, শহরের যানজট নিরসন এবং স্থানীয় জনগণকে পর্যটকদের সঙ্গে মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানান, যাতে পর্যটন মৌসুমে পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন নির্বিঘ্ন হয়।
মন্ত্রী ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে পুরো শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রত্যেকের বাসাবাড়ির পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সব কাজে স্পষ্ট জবাবদিহিতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় থাকা উচিত।
মন্ত্রী সাচিং প্রু পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং পতিত জমিতে চাষাবাদের বিশেষ করে বান্দরবানের মাটিতে কফি ও কাজুবাদাম চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা উল্লেখ করে কৃষকদের উৎসাহিত করার নির্দেশ দেন।
তিনি পানির তীব্র সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য বৃষ্টি, ঝিরি, নদী ও লেকের পানি সংরক্ষণের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও জোর দেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক কল্যাণে দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান মন্ত্রী সাচিং প্রু।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম বাচ্চু।
এ ছাড়া সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যটন খাতের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভ্যানচালক সুমন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ২নম্বর আসামি মো. সুমন শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮ এবং বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার শিয়ালঘুনি ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সুমন শিকদার (২৪) কালেরকাঠি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. বাবুল হোসেন সিকদারের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি এলাকায় ভ্যানচালক সুমন শিকদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ওই এলাকায় রেগান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সুমনের বাকবিতণ্ডা ঘটে।
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলার নম্বর-১৯।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সুমনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালান। নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীকে কেন্দ্র করে মনা তালুকদারের সঙ্গে সুমনের বিরোধের কথাও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ থানার এসআই আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ ও বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে শিয়ালঘুনি ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে মামলার ২ নম্বর আসামি মো. সুমন শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বিরোধের কারণে ভাবী হামিদা খানম (৬০) কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা এবং নাতনী রুমা আক্তার সীমাকে (৪) হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মো. আজলু মিয়া (৪০) নামের আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। এছাড়াও, তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেরেনুর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা ও এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিরাই পৌরসভার নতুন বাগবাড়ী এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদা খানমের মেয়ের স্বামী মো. মফশ্বির আলী জানান, পৈতৃক সম্পত্তি কম দামে বিক্রি করার কারণে আসামি আজলু মিয়ার সঙ্গে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হামিদা খানমের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আজলু মিয়া হামিদার বসতঘরে ঢুকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালান। এ সময় হাতুড়ির আঘাতে ঘটনাস্থলেই হামিদার মৃত্যু ঘটে এবং শিশু সীমা গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আজলু মিয়াকে হাতুড়িসহ ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং আহতদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। শিশু রুমা আক্তার সীমাকে পরবর্তীতে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরদিন, ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আটক আজলু মিয়ার বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত আসামি আজলু মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে আজকের রায় প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ১৮তম ব্যাচে সারা দেশের ২০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মো. মহিউদ্দিন রুমান। এই সাফল্যের মাধ্যমে তিনি জুডিশিয়ারির সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার ফলে পরিবার, স্বজন, শিক্ষক, বন্ধুবান্ধব ও গ্রামবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
মো. মহিউদ্দিন রুমান রায়পুর উপজেলার চরমোহনা গ্রামের পাঁচ কড়ি মাতাব্বর বাড়ির সাবেক ইউপি সদস্য মো. শদুমিয়ার সন্তান।
মহিউদ্দিন রুমানের শিক্ষাজীবনও ছিল কৃতিত্বপূর্ণ। ২০২০ সালে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৭তম স্থান অর্জন করে আইন বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান। তিনি ২০২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি সম্পন্ন করবেন। বর্তমানে এলএলএম পড়াশোনা করছেন।
নিজের সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে মো. মহিউদ্দিন রুমান বলেন, "সফলতার অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এটি আমার জীবনের একটি লাইফ চেঞ্জিং মোমেন্ট ছিল। এই সফলতার পেছনে অনেকের অবদান রয়েছে। তবে বাবা-মা ও বড় ভাইয়ের অবদান অনস্বীকার্য। এছাড়া আমার অনেক শিক্ষক, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষী নানাভাবে এ সময়ে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।"
তিনি নিজের বেড়ে ওঠার পরিবেশকে সফলতার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "আমার বেড়ে ওঠার পরিবেশটাই ছিল একটি বড় বাধা। আমাদের গ্রামে শিক্ষার পরিবেশ নেই বললেই চলে। নেশা, জুয়া ও বখাটেপনায় জড়িয়ে অনেক ছেলেমেয়ে অকালে ঝরে পড়ে। এমন পরিবেশ থেকে উঠে এসে নিজের লক্ষ্য ধরে রাখা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে বাবার শাসন ও দিকনির্দেশনার কারণে সেই বাধা অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে।"
১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মহিউদ্দিন রুমান বলেন, প্রথমে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে প্রকাশিত ফলাফলটি সত্যিই তার। ফল প্রকাশের সময় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সমস্যা হচ্ছিল। পরে নিজে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফলাফল নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, "বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে এটা আসল রেজাল্ট কিনা। তখন ঘরে মা ও ছোট বোন ছিল। আনন্দে তাদের জড়িয়ে ধরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।"
সাবেক ইউপি সদস্য মো. শদুমিয়া বলেন, "আমি অত্যন্ত সৎভাবে জীবনযাপন করার চেষ্টা করেছি। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। মহিউদ্দিন রুমানের এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো রায়পুর উপজেলাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। প্রত্যন্ত গ্রামের প্রতিকূল পরিবেশ থেকে উঠে এসে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পেশায় প্রবেশের এ অর্জন এলাকার তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছে।"
এলাকাজুড়ে তার সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার এ অর্জন নিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এলাকাবাসীর মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।
মহিউদ্দিন রুমানের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে তিনি সততা, ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিচার বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এবং রায়পুরের নাম আরও উজ্জ্বল করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ