ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না: হাসনাত আবদুল্লাহ


অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি যথাযথভাবে কাজ করছে না। সরকারের দলীয় কয়েকজন সদস্য কমিটিকে ‘আলংকারিক কমিটি’ হিসেবে নিয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কমিটির একজন সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোগত সংস্কার, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাতসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী ও এনবিআরের কর্মকর্তাগণ এসব বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিলেও সরকারের দলের কয়েকজন সদস্যের অসহযোগিতার কারণে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘সভাপতি না হয়েও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চিফ হুইপ অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন। কমিটির সরকারদলীয় সদস্যরা বৈঠকে আন্তরিক না হয়ে এটিকে অলংকারিক হিসেবে নিয়েছেন।’

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: ডা. শফিকুর রহমান

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকেও সরকারদলীয় কয়েকজন সদস্য জানিয়েছিলেন, তারা প্রস্তুত ছিলেন না। দিতীয় বৈঠকেও একই চিত্র দেখা গেছে। অর্থমন্ত্রী ইতিবাচক অবস্থান নিলেও কোনো এজেন্ডাতেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। এর মধ্যে বন্দর, ব্যাংক ও এনবিআরের মধ্যে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া করের আওতা বাড়ানো, কমলাপুর ডিপোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান এনসিপির এই নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনন্ত সংঘাতের পথ ছেড়ে কৌশলী আপসের দিকে এগোচ্ছে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


অনন্ত সংঘাতের পথ ছেড়ে কৌশলী আপসের দিকে এগোচ্ছে ইরান?

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চিরকাল যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কোনো দেশের পক্ষেই সম্ভব নয়—বাস্তবতার নিরিখে এমন কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়ে যখন দেশের শীর্ষ পর্যায়ে মতভেদ বাড়ছে, ঠিক তখনই সাধারণ মানুষের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এমন মন্তব্য করেন।

রবিবার তেহরানে দুটি আলাদা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে, তিনি গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের পক্ষপাতিত্ব করেন। যদিও ধারণা করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই চুক্তির বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত গত মাসেই চুক্তিটি ভেস্তে যায়।

তবে পেজেশকিয়ান মনে করেন, যারা এই আলোচনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন, তাদের মতে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটিই ছিল সেরা উপায়। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধও নয়, আবার শান্তিও নয়—এমন অবস্থা থেকে দেশকে বাঁচাতে একদিন না একদিন আমাদের সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। এই স্মারকটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুক্তি ও মর্যাদার সঙ্গে সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে দেশের অর্থনীতি ও সমাজের উপর কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তিনি বারবার সতর্ক করেছেন। এর ফলে অনেক সময় কট্টরপন্থী নেতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধও দেখা গেছে। নিজের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই জনগণের পাশে থাকতে হবে। আমরা যদি তাদের বোঝাতে না পারি যে আমরা সবাই একই দেশের মানুষ, তবে আমাদের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি থাকলেও আমরা হেরে যাব। তার সরকার এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও ভবিষ্যৎকে একটি সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যেতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।

পেজেশকিয়ানের ওই অনুষ্ঠানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির প্রতিষ্ঠাতা রুহুল্লাহ খামেনির নাতি আয়াতুল্লাহ সৈয়দ হাসান খামেনিও উপস্থিত ছিলেন। তিনিও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, কখনো কখনো একটি বিজ্ঞ ও কৌশলী আপস শত শত যুদ্ধের চেয়েও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত কীভাবে সামলানো হবে, তা নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বিতর্ক বাড়ছে। একাংশ মনে করে, অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আগেই নিজেদের শক্ত অবস্থান থেকে আলোচনা শুরু করা উচিত। তবে নিরাপত্তা কাঠামোর কট্টরপন্থীরা এখনো যেকোনো ধরনের সংলাপের ঘোর বিরোধী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৪ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় এই দিনে ঘটেছিল যেসব উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ এম


২৪ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় এই দিনে ঘটেছিল যেসব উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আজ ২৪ আগস্ট ২০২৬, সোমবার। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জেনে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

১৬০৮ - প্রথম সরকারিভাবে ইংরেজ প্রতিনিধি ভারতের সুরাতে আসেন।

১৬৯০ - ইংরেজ ব্যবসায়ী জব চার্নক সদলে সুতানুটিতে ইংল্যান্ডের জাতীয় পতাকা ওড়ান। দিনটিকে কলকাতা নগরীর পত্তন দিবস হিসেবে ধরা হয়।

১৮১৪ - ব্রিটিশ সেনাদল ওয়াশিংটন ডিসি অধিকার করে এবং হোয়াইট হাউস জ্বালিয়ে দেয়।

১৮১৫ - নেদারল্যান্ডসের আধুনিক সংবিধান এই দিনে গৃহীত হয়।

১৮২১ - মেক্সিকো স্পেনের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৭৫ - ক্যাপ্টেন ম্যাথুওয়েব প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন সাঁতার কেটে।

১৯০২ - জোয়ান অব আর্কের মূর্তি উন্মোচন করা হয় সেইন্ট পিয়েরে-লে-তে।

১৯১৩ - ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই দিনে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় পরস্পরকে আক্রমণ না করার।

১৯১৪ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বাহিনী নামুর দখল করে।

১৯২৯ - বায়তুল মোকাদ্দাসে নুদবা প্রাচীর আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৪৪ - জার্মান সাম্রাজ্য থেকে প্যারিস মুক্ত।

১৯৪৯ - উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) গঠিত হয়।

১৯৬৬ - ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেন জিব্রাল্টার প্রণালি অতিক্রম করেন।

১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় পানামা ও উরুগুয়ে।

১৯৭৪ - ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৮৮ - সাংবাদিক, সাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ - ৪৫ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের পর পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হলেন তাদেউজ মাজোউইকি।

১৯৯১ - তুর্ক মেনিয়ার সার্বভৌমত্ব ঘোষণা।

১৯৯১ - পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

জন্ম

১৭১৪ - আলংফ্রা, বার্মিজ রাজা।

১৮০৮ - জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সমাজসেবী ও শিক্ষাবিদ।

১৮৫১ - টম কেন্ডল, অস্টেলীয় ক্রিকেটার।

১৮৯৩ - কৃষ্ণচন্দ্র দে, বাংলাসঙ্গীতের আদি ও প্রবাদ পুরুষ, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী।

১৮৯৯ - হোর্হে লুইস বোর্হেস, আর্জেন্টিনীয় সাহিত্যিক।

১৮৯৯ - অ্যালবার্ট ক্লুঁদে, বেলজিয়ান জীববিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯০৮ - শিবরাম রাজগুরু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

১৯১১ - বীণা দাস ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী ও অগ্নিকন্যা।

১৯২২ - হাওয়ার্ড জিন, আমেরিকান ইতিহাসবিদ, লেখক এবং সমাজকর্মী।

১৯২৭ - অঞ্জলি দেবী, তিনি ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯২৭ - হ্যারি মার্কোউইটস, আমেরিকান অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯২৮ - টমি ডোচার্টি, স্কটিশ ফুটবলার ও ফুটবল ম্যানেজার।

১৯২৯ - ইয়াসির আরাফাত, ফিলিস্তিনি নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩৪ - কেনি বেকার, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৩৬ - এ. এস. বাইয়াট, ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং কবি।

১৯৪২ - ক্যারেন উলেনবেক, আমেরিকান গণিতবিদ।

১৯৪৭ - অ্যান আর্চার, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৪৭ - পাওলো কোয়েলহো, ব্রাজিলিয়ান লেখক এবং গীতিকার।

১৯৫৭ - স্টিভেন ফ্রাই, ইংরেজ অভিনেতা, সাংবাদিক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৫৯ - আদ্রিয়ান কুইপার, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৬৫ - মার্লি ম্যাটলিন, মার্কিন অভিনেত্রী, লেখিকা ও সমাজকর্মী।

১৯৭৩ - ডেভ চ্যাপেল, আমেরিকান কৌতুক অভিনেতা, অভিনেতা, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৮৮ - রুপার্ট গ্রিন্ট, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৮৮ - মায়া ইয়োশিদা, জাপানি ফুটবলার।

১৯৯১ - পুনম যাদব, ভারতীয় প্রমীলা ক্রিকেটার।

১৯৯৭ - অ্যালান ওয়াকার, একজন নরওয়েজিয়ান রেকর্ড প্রযোজক এবং ডিজে।

মৃত্যু

১৮৩২ - সাদি কার্নো, ফরাসি পদার্থবিদ এবং প্রকৌশলী।

১৮৮৮ - রুডলফ ক্লাউজিউস, জার্মান পদার্থবিদ এবং গণিতবিদ।

১৮৯৪ - নীলমণি মিত্র, প্রথম বাঙালি স্থপতি।

১৯৫০ - আর্তুরো আলেস্‌সান্দ্রি, চিলির রাষ্ট্রপতি।

১৯৫৪ - জেতুলিউ ভার্গাস, ব্রাজিলিয়ান স্বৈরশাসক।

১৯৫৬ - কেনজি মিজোগুচি, জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৮ - সিরিল ভিনসেন্ট, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৮৮ - লিওনার্ড ফ্রে, মার্কিন অভিনেতা।

২০০৪ - আইভি রহমান, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী।

২০১৩ - নিউটন ডি সর্দি, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

২০১৩ - জুলি হ্যারিস, আমেরিকান অভিনেত্রী।

২০১৪ - রিচার্ড অ্যাটনবারা ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক।

২০২১ - চার্লি ওয়াটস, ইংরেজ সংগীতজ্ঞ।

২০২৩ - ব্রেই ওয়্যাট, একজন আমেরিকান পেশাদার কুস্তিগির।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুল্কযুদ্ধে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা, ঝুঁকিতে দুই দেশের অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ এম


শুল্কযুদ্ধে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা, ঝুঁকিতে দুই দেশের অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে বাণিজ্য সমঝোতার পরিবর্তে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের পথে হাঁটায়, দুই দেশেই এর প্রভাব পড়তে চলেছে। কানাডার গাড়ি, ইস্পাত ও কৃষিপণ্যের রফতানি যদি কমে, তাহলে দেশে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে ব্যাপক চাপ দেখাতে পারে। অন্যদিকে, পাল্টা শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি ব্যয় বাড়াতে, পণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। দুই দেশের টানাপোড়েনে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা ইউএসএমসিএ-এর ভবিষ্যত নিয়েও অন্ধকার দেখা দিয়েছে।

অতীতে এক ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা বর্তমানে বাণিজ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ার ফলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলোচনা থেকে সরে গিয়ে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিচ্ছেন। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডা ২০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমপরিমাণ শুল্ক বসাবে। এর আগেই শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করেছে।

পাল্টাপাল্টি শুল্কের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে দুই দেশের ব্যবসা এবং সাধারণ মানুষের ওপর। কারণ কানাডার রফতানির প্রায় ৭০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। ফলে যেহেতু গাড়ি, ইস্পাত এবং কৃষিপণ্যের মত গুরুত্বপূর্ণ খাতে রফতানি কমে যেতে পারে, সেহেতু উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানে চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, পাল্টা শুল্কের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে তা বিভিন্ন পণ্যের দামকেও প্রভাবিত করতে পারে। একই সঙ্গে, যদি কাঁচামাল এবং যন্ত্রাংশের সরবরাহব্যবস্থায় সংকট দেখা দেয়, তবে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

বৃহৎ পরিসরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যদি কমে যেতে থাকে, তাহলে কানাডীয় ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন বাজার খুঁজে নিতে পারে। এর ফলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির ওপর রাজনৈতিক চাপও বাড়তে পারে। শুল্কের কারণে যদি ব্যবসা, কর্মসংস্থান ও পণ্যের দামে চাপ সৃষ্টি হয়, তাহলে সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রতি প্রশ্ন ওঠতে শুরু করতে পারে। সে চাপ সামলাতে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার জন্য কার্নির জন্য এটি একটি বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

বাণিজ্য বিরোধের ফলে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেও কিছু প্রভাব দেখা যাচ্ছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে। কানাডায় বসবাসকারী ব্যক্তিরা মার্কিন পণ্য বর্জন ছাড়াও বিভিন্ন প্রদেশের দোকান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি মদ সরিয়ে নিচ্ছেন।

একই সময়ে, দুই দেশের টানাপোড়েনে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা ইউএসএমসিএ-এর ভবিষ্যত নিয়েও নতুন অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, দুই দেশের মধ্যে এই টানাপোড়েন দীর্ঘস্থায়ী হলে, কয়েক দশকের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আবারও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ এম


সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

প্রতিদিন আমাদের কেনাকাটার প্রয়োজনে কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে রাজধানীর কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা অত্যন্ত জরুরি। এটি জানা থাকলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় না।

তাহলে দেখে নিন সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর কোন কোন এলাকার শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে।

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১ ও ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ এবং সানারপাড় এলাকা।

রামপুরার মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, মেরাদিয়া বাজার, আয়েশা-মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, দনিয়া তেজারত সুপার মার্কেট, আবেদীন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, এবং মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট আজ বন্ধ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%