বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৬ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, ছাত্রদল যদি রাজপথে সক্রিয় না থাকে, তাহলে ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও ‘গুপ্ত’ বানিয়ে দেবে।
তিনি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রলীগের ভয়ে যারা একসময় গোপনে ছিল কিংবা ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল, তারা কীভাবে ছাত্রদলকে পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করতে চায়? ছাত্রদল রাজপথে না থাকলে তো ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত বানিয়ে দেবে। এই বাস্তবতা কেন এরা বুঝতে চায় না?’
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ‘দেখেন, এরা বিরোধী দল হয়েই কুত্তার মতো পিটিয়ে সরকারি দলের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করতে চায়। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে কি করবে, তা নিশ্চয়ই অননুমেয় না?’
জামায়াত-শিবিরের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, ‘বিরোধী দল হয়েই জামায়াত-শিবির মজলুম থেকে জালিম হয়ে গেছে। সুতরাং, জামায়াত জালিমের পরিণতি আওয়ামী জালিমের মতোই হবে!’
তিনি আরও বলেন, ‘এদেরকে কাঁচুমাচু করে দেশ পরিচালনার সুযোগ নেই। শেখ হাসিনা যেমন বলেছিলেন বিএনপিকে এক দিনও শান্তিতে দেশ চালাতে দেবেন না, জামায়াত-শিবিরও একই পথ অনুসরণ করছে।’
রাশেদ খান সতর্ক করে বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে এরা শেখ হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হয়ে উঠবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগোয়া (জাপান), ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - এশিয়ান গেমসে তাদের অভিষেকের সময় বাংলাদেশ নারী হকি দল কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। আজ জাপানের গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পুল ‘এ’-এর ম্যাচে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৮-০ গোলে পরাজিত হয়েছে।
প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ দল শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ার আক্রমণাত্মক খেলার চাপ মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়। কোরিয়ার খেলোয়াড়রা বারবার বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চ্যালেঞ্জ করে এবং ম্যাচে আটটি গোল করে।
এর আগে বাংলাদেশ দল চীনের বিরুদ্ধে ১৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল, কিন্তু মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে তারা তুলনামূলকভাবে ভালো খেলে। তবে শেষ পর্যন্ত ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-১ গোলে হেরে যায়।
তিনটি ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের গোলসংখ্যা মাত্র একটি, যেখানে তারা ২৪টি গোল হজম করেছে। ফলে তাদের গোল ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১-২৪।
পুল ‘এ’-তে বাংলাদেশের বাকি দুটি ম্যাচ কাজাখস্তান ও চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে সাইবার অপরাধের অভিযোগে ‘হ্যাকার সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ওহিদুল মোল্লা (৩২) এবং তার সহযোগীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। লুকিয়ে থাকার জন্য তিনি বাড়ির একটি কবুতরের ঘর ব্যবহার করতেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে লালপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওহিদুলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এসব সিম সাতটি মুঠোফোনে অদলবদল করে ব্যবহার করা হতো।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ওহিদুল মোল্লা লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া গ্রামের রব্বেল মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের মতে, তিনি এলাকায় ইমো হ্যাকিং চক্রের ‘গুরু’ বা ‘সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমোসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার অন্যদের মধ্যে রয়েছেন মোহরকয়া গ্রামের জহুরুল বিশ্বাসের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৩), মৃত বেলাল আলীর ছেলে মোতাকাব্বির আলী (২৩), বিলমাড়িয়া গ্রামের মৃত কফের আলীর ছেলে শুকুর আলী (৫০), পানসিপাড়া গ্রামের আধার প্রামাণিকের ছেলে মো. আলামিন (২৩) এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের সামাদ মণ্ডলের ছেলে মুক্তার আলী (৩৪)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে ওহিদুল নিজের বাড়িকে নিরাপত্তাবেষ্টিত করে রেখেছিলেন। বাড়ি থেকে গ্রামের প্রধান সড়ক পর্যন্ত অন্তত ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাড়ির দিকে এগিয়ে এলে আগেভাগেই তা বুঝতে পারতেন তিনি।
তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যবস্থা ছিল তার থাকার জায়গা। বাড়ির একটি কক্ষে কয়েকশ কবুতর রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল ঘর। বাইরের দিকে সেটি সাধারণ কবুতরের ঘর মনে হলেও ভেতরে ছিল ওহিদুলের থাকার ব্যবস্থা। সেখানে একটি খাট, দামি আসবাব, সিসিটিভি মনিটর ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও ছিল। পুলিশ বলছে, ওই ঘরে বসেই সাইবার অপরাধের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন তিনি।
অভিযানের সময় ওই ঘর থেকে ৬৮টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, সিমগুলো আলাদা করে একটি সাদা কাগজে ছক আকারে লেখা ছিল। কোন সিমে বিকাশ ও কোনটিতে নগদ ব্যবহার করা হতো, তা বোঝাতে বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্নও ব্যবহার করা হয়েছিল।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ওহিদুল দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। তার নেতৃত্বে এলাকায় একটি সাইবার অপরাধী চক্র সক্রিয় থাকার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে।
ওসি বলেন, ওহিদুল গ্রেপ্তার এড়াতে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। বাড়ির চারপাশে সিসিটিভি স্থাপন এবং কবুতরের ঘরের ভেতরে থাকার ব্যবস্থাও তারই অংশ। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মাসুম বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ওহিদুলসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর গলাচিপায় সচেতনতামূলক পোস্টার প্রদর্শন কর্মসূচি আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।
মঙ্গলবার বিকেলে গলাচিপা উপজেলা পরিষদের কাছে সড়কে বসুন্ধরা শুভসংঘের গলাচিপা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বেইজবিল্ড ডিজিটাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মো. তরিকুল ইসলাম মুন্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পটুয়াখালী জেলা সমন্বয়ক ও দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর গলাচিপা প্রতিনিধি সাইমুন রহমান এলিট।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেইজবিল্ড ডিজিটাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেদোয়ান করিম তালাল, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কাওসার নাইম রেজা শুভ্র, দৈনিক যায়যায়দিনের গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. রিয়াদ হোসেন, একাত্তর টিভির দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি ইশান মাহমুদ শাহিন, দৈনিক গণদাবীর গলাচিপা প্রতিনিধি মো. সুমন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রবীর নন্দী, তরুণ দেবনাথ, মো. আফ্রিদীসহ শুভসংঘের সদস্য ও স্থানীয়রা।
কর্মসূচিতে সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারণ, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে নাগরিকদের দায়িত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি পথচারী, চালক ও শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত স্থানে রাস্তা পারাপার এবং নিরাপদে চলাচলের বিষয়ে সচেতন করা হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাইমুন রহমান এলিট বলেন, “সড়কে একমুহূর্তের বেপরোয়া সিদ্ধান্ত কেড়ে নিতে পারে একটি পুরো জীবন। তাই ট্রাফিক আইন মানুন—কারণ আইন মানা মানেই জীবন বাঁচানো।”
তিনি আরও বলেন, “গতি নিয়ন্ত্রণ করুন, হেলমেট পরুন, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন এবং ওভারটেকিংয়ের সময় সতর্ক থাকুন। সচেতন চালকই পারেন নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে। দ্রুত নয়, নিরাপদে পৌঁছানোই হোক আমাদের লক্ষ্য। আমাদের অসচেতনতার মূল্য যেন অন্য কাউকে জীবন দিয়ে দিতে না হয়।”
বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, চালকের অসতর্কতা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং অনিরাপদ সড়কব্যবস্থা। অনেক ক্ষেত্রে পথচারীদের অসাবধানতাও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”
তিনি আরো বলেন, “দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা, নিয়মিত যানবাহন পরীক্ষা করা এবং পথচারীদের নিরাপদ স্থানে রাস্তা পারাপারের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। সবার সচেতনতা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।”
বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার সদস্যসচিব মো. তরিকুল ইসলাম মুন্না বলেন, “বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মানুষের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য আজকের এই পোস্টার প্রদর্শন কর্মসূচি। আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।”
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে বিভিন্ন বার্তাসংবলিত পোস্টার প্রদর্শনের পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বাড়ানোর জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস এবং মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সহকারী সচিব জসিম উদ্দিনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাসের জন্য যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী মিনিবাস এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা জেলার অভ্যন্তরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৪৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া যথাক্রমে ১০ টাকা এবং ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বিআরটিএ কর্তৃক অনুমোদিত আসন সংখ্যা কমিয়ে বাস বা মিনিবাসের আসন সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করা হলে নির্ধারিত ভাড়া আনুপাতিকভাবে পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রুট পারমিট অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অথবা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি থেকে আনুপাতিকভাবে ভাড়ার হার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
তবে, নতুন নির্ধারিত এই ভাড়ার হার গ্যাসচালিত বাস বা মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, নতুন ভাড়ার হার প্রতিটি বাস ও মিনিবাসের দৃশ্যমান স্থানে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই ভাড়ার হার মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ