বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:২২ পি.এম
গাজীপুরের শ্রীপুরে সাফারি পার্কে উদ্ধার করে আনা হাতি ‘রাজু বাহাদুর’ গত এক বছর ধরে বাঁচা-মরার সন্ধিক্ষণে রয়েছে। সম্প্রতি অন্য একটি হাতির আক্রমণে হাতিটির দুটি পা ভেঙে যায়। এখন হাতিটির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
রাজু বাহাদুর আহত হওয়ার পর থেকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশি-বিদেশি চিকিৎসক দলের সদস্যরা নিরলস চেষ্টা চালাচ্ছেন তাকে সুস্থ করার জন্য। তবে হাতিটির অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় বাঁচার বিষয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হাতিটি বর্তমানে শুয়ে শুয়ে খাবার গ্রহণ করছে এবং নিয়মিত চিকিৎসার কার্যক্রমও চলছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, হাতিটি আগের তুলনায় অনেক কম খাবার খাচ্ছে। প্রাণীটিকে সুস্থ করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে এখনো এটি দাঁড়াতে পারছে না।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, গত ২৪ মে অন্য একটি হাতির ধাক্কায় হাতিটি মাটিতে পড়ে যায়। পরে এক্স-রে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় হাতিটির পা ভেঙে গেছে। ঘটনা পরবর্তীতে ক্রেনের সাহায্যে হাতিটিকে বালুর ওপর স্থানান্তর করা হয়, যেখানে বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে চিকিৎসা চলছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনার দিনই একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে হাতিটির চিকিৎসা চলছে। থাইল্যান্ড থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেকে治疗 দেওয়া হয়েছে। যদিও চিকিৎসক চলে গেছেন, তবে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় বন বিভাগের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট হাতিটি উদ্ধার করে। এই বাজে অবস্থায় হাতিটির মাধ্যমে চাঁদাবাজি করছিলেন আতিকুর রহমান নামক এক ব্যক্তি। সে সময় হাতিটির বয়স ছিল ৯ বছর, বর্তমানে তার বয়স ১০ বছরের বেশি হয়ে গেছে। উদ্ধারের পর থেকে হাতিটিকে সাফারি পার্কের হাতিশালায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ শাহরিয়ার করিম রাসেল নামে এক পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করেছে। শাহরিয়ার করিম রাসেলের নাম গোয়েন্দা টপলিস্টে থাকায় তিনি আটক হন। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। আটক করা শাহরিয়ার করিম রাসেল ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর উকিলপাড়া এলাকার রবিউল করিমের ছেলে। তিনি বর্তমানে কালীগঞ্জের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলার শীর্ষ আসামী হিসেবে কারাগারে আটক জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর আপন ভাতিজা। আটক রাসেল বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এবং ঝিনাইদহে ভাতিজা রাসেল নামেও তিনি পরিচিত।
ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানায়, ভারতগামী যাত্রী হিসাবে শাহরিয়ার করিম রাসেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার নাম শনাক্ত হয়। ইমিগ্রেশন স্টপলিস্টে তার নাম রয়েছে। এরপর তিনি ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, শাহরিয়ার করিম রাসেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০২৬) এর অধীনে ঝিনাইদহ থানার মামলা নং-২০, তারিখ ৮ জুন ২০২৪, ধারা ৮/৯/১০/১১/১২/১৩ অনুযায়ী একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই কারণে তার নাম ইমিগ্রেশন স্টপলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, স্টপলিস্টে নাম থাকায় শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ঝিনাইদহ থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। সেখান থেকে পুলিশ এলে তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের গাজা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আল জাজিরা ও লিবার্টি ইনভেস্টিগেটসের একটি যৌথ অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে যে, প্রতিরক্ষা শিল্প ও ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট অস্ত্র কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখতেই বিশ্ববিদ্যালয়টি ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের ১৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে অন্তত ২৩৬ জন শিক্ষার্থী ও কর্মীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা তদন্ত করা হয়েছে কিংস কলেজ লন্ডনে, যেখানে সংখ্যা অন্তত ২৬। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এরপরেই অবস্থান করছে। অনুসন্ধানে একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ১৮ বছর বয়সী এক মুসলিম ছাত্রী তাঁর লেকচারারের অতীত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকার তথ্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিন বিষয়ক পোস্ট করেন। এরপর তাঁকে সাময়িকভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং দুই হাজার শব্দের একটি অনুতাপমূলক প্রবন্ধও লিখতে বলা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লিখিত হয়েছে, তাঁকে ব্রিটিশ সরকারের ‘প্রিভেন্ট’ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনটি আরও দাবি করছে যে, ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের জন্য কিংস কলেজসহ যুক্তরাজ্যের অন্তত এক ডজন বিশ্ববিদ্যালয় একটি বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেছিল। ২০২৫ সালের মে মাসে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে ১৩ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিক সতর্কতা দেওয়া হয়। এছাড়া, মিশরীয় শিক্ষার্থী উসামা ঘানেমকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করার ফলে তাঁর শিক্ষার্থী ভিসাও বাতিল হয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিংস কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা দাবি করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি দীর্ঘদিনের আর্থিক সম্পর্ক রয়েছে প্রতিরক্ষা শিল্প ও অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি গাজায় চলমান সামরিক অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে বলে সমালোচিত। তাছাড়া ২০২০ সাল থেকে বিএই সিস্টেমস, থেলস এবং রোলস রয়েসের মতো প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অন্তত ৩.৩ মিলিয়ন পাউন্ড গবেষণা তহবিল পেয়েছে কিংস কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সমিতির স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক জিনা রোমেরো কিংস কলেজের এই আচরণকে উদ্বেগজনক বলেছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করছে। সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তীব্র দাবদাহে ইউরোপ পুড়ছে। প্রাণ হারাচ্ছে হাজারো মানুষ। এরই মধ্যে মহাদেশটিতে নতুন আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘ভিব্রিও’ (Vibrio) নামের একটি মাংসখেকো ও প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়া। বিপজ্জনক এই ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ এখন ইউরোপের মূল ভূখণ্ডেই নয়, বরং যুক্তরাজ্যের সৈকতগুলোর জন্যও বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের একটি রিপোর্টে এই ভয়ংকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিব্রিও নামক ব্যাকটেরিয়া সাধারণত উষ্ণ বা নোনা পানিতে জন্মায়, যেখানে মিষ্টি ও সমুদ্রের পানি মেশে এবং গ্রীষ্মের তীব্র গরমে এটি দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (ইসিডিএস) স্যাটেলাইট ডেটা ও সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করে একটি ম্যাপ তৈরি করেছে, যা সংক্রমণের ঝুঁকির জায়গাগুলো চিহ্নিত করছে।
সংস্থাটি বলছে, এ বছর সংক্রমণের ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। বাল্টিক সাগরের লবণাক্ততা কম এবং তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, জার্মানি ও পোল্যান্ডের উপকূলবর্তী এলাকা এই ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির জন্য বেশ উপযোগী হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি, ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরে লবণাক্ততা বেশি থাকায় সাধারণত ঝুঁকি কম থাকে, তবে ভারী বৃষ্টির পর নদীর মোহনাগুলোতে ঝুঁকি বাড়তে পারে।
জুলাই মাসের শুরুতে ইসিডিএস আটটি দেশকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। দেশগুলো হলো— বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও সুইডেন। আরও ইতিবাচক তথ্যের মধ্যে, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত মাসে স্পেনের কিছু সৈকতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির কারণে সেগুলোকে সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পানি যদি কোনো ক্ষত বা কাটাছেঁড়ার সংস্পর্শে আসে, তবে সেখানে সংক্রমণ হতে পারে, যা প্রাণঘাতীও হতে পারে। দূষিত সামুদ্রিক খাবার খেলে ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, বমি ও জ্বর হতে পারে। যদি ক্ষতস্থানে সংক্রমণ ঘটে, তাহলে লালচে হওয়া, ফোলা ও ব্যথার উপসর্গ দেখা দিতে পারে এবং এটি কানের সংক্রমণও ঘটাতে পারে। সঠিক চিকিৎসা না হলে এই সংক্রমণ রক্তে ছড়িয়ে সেপসিস সৃষ্টি করতে পারে, যা জীবননাশের কারণ হতে পারে। সাঁতারের সময় ভুলক্রমে পানি গিলে ফেলা শিশুদের জন্যও এটি ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফ্রান্সিস হাসার্ডের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ মানুষের জন্য ঝুঁকি কম হলেও যারা লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অধিকারী, তাদের জন্য এটি বিপজ্জনক হতে পারে। নতুন ট্যাটু, সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচারের ক্ষত বা কাটাছেঁড়া শরীর নিয়ে সমুদ্রে নামা উচিত নয়। কাঁচা বা অর্ধেক রান্না করা শেলফিশ (যেমন অয়েস্টার) খাওয়ার বিষয়েও এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি সমুদ্রের পানি থেকে উঠে আসার পর ক্ষতস্থানে দ্রুত ফোলা, লালচে ভাব বা প্রচণ্ড ব্যথা হয়, তবে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতারোধ এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ে রংপুরে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
সেমিনারে বক্তব্য রেখেছেন সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা, সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অনিরুদ্ধ কুমার রায়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সেলোয়ারা বেগম এবং অন্যান্যবৃন্দ।
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সেমিনারে সামাজিক সচেতনতা ও পরিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি, কিশোরীদের ক্ষমতায়ন, বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জাতীয় হেল্প লাইন নম্বর ট্রিপল থ্রি (৩৩৩) সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রশাসন, শিক্ষাবিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ