ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন খলিলুর রহমান: বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশের কূটনীতি


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন খলিলুর রহমান: বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশের কূটনীতি

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামীকাল ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে সংঘাত, জলবায়ু সংকট, উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার কঠিন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বোচ্চ পদে আসীন হচ্ছেন একজন বাংলাদেশি কূটনীতিক। তার মেয়াদকাল হবে এক বছর।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় খলিলুর রহমান ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধন করবেন। তিনি জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া গাড়ির চালককে উদ্ধার করলেন সাংবাদিক উইল মারে

এই দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ দীর্ঘ চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ পুনরুদ্ধার করেছে। এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে ৪১তম অধিবেশনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

গোপন ব্যালটে ২ জুন ড. খলিলুর রহমান এই পদে নির্বাচিত হন। তিনি ৯৯টি ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকুরিস ৯১টি ভোট পান।

জাতিসংঘের আঞ্চলিক পর্যায়ক্রমিক ব্যবস্থার অনুযায়ী, এবারের সভাপতি পদটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য সংরক্ষিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় চার মাস পর বাংলাদেশের এই গৌরব অর্জিত হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেও আগামীকাল সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: মায়ের জন্মদিনের উপহার বন্দুক দিয়ে ৪ জনকে হত্যা কিশোরের

‘অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ আজ (সোমবার) খলিলুর রহমানের সভাপতি নির্বাচনের বিষয়টিকে একটি ‘অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত’ এবং দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা নতুন করে বৃদ্ধির প্রতিফলন।

বিকেলে বাসসকে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া দেশের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক সাফল্য।’

আরও পড়ুন: সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের নতুন আন্দোলনের ঘোষণা

তিনি জানান, দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরে আসায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা তৈরি হয়েছে। এটিই এ সাফল্যের অন্যতম কারণ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এই সাফল্যের মূল কারণ হলো বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরে আসাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খলিলুরকে মনোনয়ন দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের বিষয়ে বিশ্ববাসীর কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা গেছে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববাসী দেখেছে যে জনগণের স্পষ্ট ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে। আমি মনে করি, সেই আস্থার প্রতিফলনই দেখা গেছে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনের ফলাফলে।’

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে পৌঁছেছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম

তিনি বলেন, খলিলুর রহমানের পেশাদার কূটনৈতিক দক্ষতা, জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর কাছে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতাও নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছে। ভোটের প্রচারণার সময় বিশ্বের ৮১টি দেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়ানোর সুযোগ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, এই পদে আসীন হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের অগ্রাধিকার ও উদ্বেগের কথা কার্যকরভাবে তুলে ধরার বড় সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে আগামী এক বছর বাংলাদেশ এই দায়িত্বকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের বিভিন্ন অগ্রাধিকার ও উদ্বেগের কথা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারবে।’

আরও পড়ুন: সিরিয়ার জামলা গ্রামে ইসরাইলি গুলিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি নিহত

বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকটের কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারবে। একই সঙ্গে টেকসই সমাধানের জন্য জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এখন তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চাইছে ঢাকা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব ঘিরে বৈশ্বিক পরিচিতি বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে এবং কূটনৈতিকভাবে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে অগ্রগতি ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন: গাজায় দখলদার ইসরাইলের হামলায় যুদ্ধবিরতির পরেও নিহত ১৫৩৪

বাংলাদেশের সফট পাওয়ার

পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ড. খলিলুরের বিজয় আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ।

বাংলাদেশকে ‘সফট পাওয়ার’ ও ‘উদীয়মান শক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ভয়ভীতির পরিবর্তে সহযোগিতা, সংলাপ ও সদিচ্ছার পথেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।

‘আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন’

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরও এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা হিসেবে দেখছেন।

বাসসকে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি এই দায়িত্ব পাওয়াকে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে।’

জুলাই বিপ্লবের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথমবার জাতিসংঘ সফর এবং বাংলাদেশের নতুন করে গণতান্ত্রিক পথে যাত্রার প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচনের গুরুত্বও বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেক্ষাপটে একজন বাংলাদেশির জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া দেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’

তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে কোনো একক দেশের জাতীয় স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব না করে নিরপেক্ষভাবে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রের সেবা করতে হয়।

এজন্য এই সুযোগকে বাংলাদেশ কতটা কাজে লাগাতে পারবে, তা অনেকাংশে ঢাকার কূটনৈতিক দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কার্যকরভাবে কূটনীতি পরিচালনা করতে পারলে, ড. খলিলুর রহমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় জাতিসংঘের বিদ্যমান নিয়মকানুন ও এখতিয়ারের মধ্যে থেকে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

চাপে বহুপক্ষীয় কূটনীতি

নির্বাচনে জয়ের পর দেওয়া এক বক্তব্যে বিশ্বব্যবস্থার বর্তমান নানা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা এখন চাপের মুখে এবং জাতিসংঘ বড় ধরনের আর্থিক সংকটের মুখোমুখি।’ এই অবস্থায় জাতিসংঘের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

জাতিসংঘের কার্যকারিতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা বাড়াতে সব সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন খলিলুর রহমান।

তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফেরানো, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, মানবাধিকার সুরক্ষা, নারী ও কন্যাশিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নয়ন।

খলিলুর রহমানের মেয়াদকালেই পরবর্তী জাতিসংঘ মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

নির্বাচনে জয়ের পর খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান গুতেরেস। পেশাদার এই কূটনীতিকের ওপর তার পূর্ণ আস্থার কথা জানিয়ে বিশ্বসংস্থাকে শক্তিশালী করতে তার সহযোগিতা কামনা করেন মহাসচিব।

পেশাদার কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদ ড. খলিলুর রহমান ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন। পরে তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের অধীনেও দায়িত্ব পালন করেন।

বহুপাক্ষিক কূটনীতি, উন্নয়ন অর্থনীতি, রোহিঙ্গা সংকট এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক মতপার্থক্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলতি মাসের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের বিতর্ক শুরু হবে। এতে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান নিউইয়র্কে সমবেত হবেন।

সেই ঐতিহাসিক সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে একজন বাংলাদেশির নেতৃত্বদান দেশের ভাবমূর্তিকে বিশ্বে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি দেশের জন্য একটি বিরল কূটনৈতিক অর্জন হিসেবেও চিহ্নিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে ই-হেলথ কার্ড প্রকল্প চালু করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে ই-হেলথ কার্ড প্রকল্প চালু করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সর্বস্তরের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন নিশ্চিত করা এবং রোগীদের ব্যক্তিগত চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, “সারা দেশে স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তন ও বৈপ্লবিক আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে।”

আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সদস্য সুলতানা আহমেদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, দেশের মোট ৬টি জেলায় (খুলনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নোয়াখালী, ঝালকাঠি ও নরসিংদী) প্রাথমিক ই-হেলথ কার্ড চালু এবং স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল অটোমেশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট রেডিনেস অ্যাক্টিভিটিজ অ্যান্ড পাইলটিং ফর হেলথ সেক্টর ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন প্রোগ্রাম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্প প্রস্তাব বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে চূড়ান্ত পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, একটি একক ও কেন্দ্রীয় ‘ডিজিটাল হেলথ ডাটাবেজ’ তৈরির মাধ্যমে এই ই-হেলথ কার্ডের অধীনে প্রতিটি রোগীর পূর্ববর্তী রোগব্যাধির বিবরণ, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশনের তথ্য নিরাপদ ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে কোনো রোগী নতুন কোনো হাসপাতালে গেলে বা অন্য চিকিৎসকের কাছে স্থানান্তর হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক খুব সহজেই নিরাপদ ‘ইন্টার-অপারেবিলিটি’ সুবিধার মাধ্যমে ওই রোগীর পূর্বতন স্বাস্থ্যের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে অপ্রয়োজনীয় বা একই পরীক্ষা বারবার করার ভোগান্তি ও অতিরিক্ত আর্থিক চাপ থেকে রোগীরা মুক্তি পাবেন।

নির্ধারিত জেলাগুলোতে পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর দেশব্যাপী অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সংযোজন নিশ্চিত সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড ও সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্য রেকর্ড (ঊঐজ) সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগর পরিকল্পনায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


নগর পরিকল্পনায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের প্রয়োজনের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল আরবান ফোরাম-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, নগরায়ণকে শুধুমাত্র বড় ভবন, সড়ক, পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং নগরের মানুষের জীবনযাত্রার মান, সুখ এবং স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা নগর উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কথা বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। কারণ বিত্তবানরা নিজেদের প্রয়োজন অনেকাংশে পূরণ করতে সক্ষম হলেও দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রান্তিক জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, নগরায়ণের সঙ্গে স্থানীয় সরকার এবং কার্যকর শাসনব্যবস্থা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত।

স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউএনডিপি এবং যুক্তরাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ফোরামে পল্লী এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জনস্বাস্থ্য, নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং কার্যকর নগরসেবা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষার্থী এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের খরচ কমেছে : ধর্মমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের খরচ কমেছে : ধর্মমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের তুলনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের মূল খরচ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য আনিসুর রহমানের (মাদারীপুর-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।

মন্ত্রী জানান, মাদারীপুর-৩ আসনসহ সারা দেশের মুসলমানদের সুসংবাদ দিয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের সম্ভাব্য ব্যয় ২০২৬ সালের সার্বিক হজের খরচের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, হজ ব্যবস্থাপনা একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এর মোট বায় নির্ধারণ মূলত সৌদি আরব ও বাংলাদেশ অংশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত। মোট খরচের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশই সৌদি আরব অংশে ব্যয় হয়। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতে তাঁবু ভাড়া, স্থানীয় যাতায়াত ব্যবস্থা, মিনা, মক্কা ও মদিনায় আবাসন, কোরবানি, ভিসা এবং স্বাস্থ্য বীমা ফি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে অবশিষ্ট এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশের অংশে পড়ে, যার সিংহভাগই বিমান ভাড়া খাতভুক্ত।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে খাবারের খরচ ব্যতিরেকে সরকারের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৭ টাকা।

তিনি ব্যাখ্যা করে জানান, চলতি বছর (২০২৭) হজযাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল প্যাকেজের সঙ্গেই খাবারের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; যা মূল হজের খরচে ৩৯ হাজার ৫০৮ টাকা যুক্ত করেছে।

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, সৌদি সরকার মিনা ও আরাফাতের জন্য পূর্বের সর্বনিম্ন ‘ডি-ক্যাটাগরি’ সেবা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সামগ্রিক হজের খরচ আরও ৭০০ সৌদি রিয়াল বৃদ্ধি পায়, যা দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি রিয়াল ৩৩ টাকা ২০ পয়সা ধরে) প্রায় ২৩ হাজার ২৪০ টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের কারণে ব্যয় বেড়েছে আরও ৩ হাজার ৮২৫ টাকা।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, উপরোক্ত সৌদি অংশের খরচ ও খাবারের মূল্য যুক্ত করার পর বিগত বছরের মূল প্যাকেজ কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হলে এ বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ দাঁড়াত ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪০ টাকা।

তবে পরিস্থিতি সামলাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে আগের বছরের তুলনায় বিমান ভাড়া এক ধাক্কায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “হজ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিমান ভাড়া একবারে ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।”

ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক পর্যালোচনার মাধ্যমে অন্যান্য স্থানীয় ও প্রশাসনিক খাতেও ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে। ফলে সমস্ত নতুন খরচ যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ২০২৭ সালের জন্য পুনর্নির্ধারিত সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের চূড়ান্ত মূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, হজের সেবা ব্যবস্থাপনা ও মূল্যমান নিয়ে সৌদি সরকারের বিভিন্ন সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষ করে মিনা ও আরাফাতে বাংলাদেশি হাজিদের জন্য আগের সর্বনিম্ন সেবা প্যাকেজটি বহাল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত আবাসন ব্যবস্থা বা ব্যাকআপ কোটা ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ শতাংশে উন্নীত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষকে রাজি করানোর জোরালো প্রচেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, এ সব কূটনৈতিক উদ্যোগ সফল হলে হজের সার্বিক ব্যয় আগামীতে আরও কমানো এবং বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানের স্তরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচার যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচার যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভাতিজা রিফাত হোসেনকে (১২) অপহরণের পর ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে পরে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় চাচা মাসুম বিল্লাহকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একইসঙ্গে, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হবে।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক এ কে এম রকিবুল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুম বিল্লাহ পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার বলদিয়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের সন্তান। তিনি নারায়ণগঞ্জের দক্ষিণ রূপসী এলাকায় বসবাস করতেন।

 

নিহত রিফাত হোসেন একই এলাকার রাসেল মোল্লার ছেলে। সে তার মায়ের সঙ্গে দক্ষিণ রূপসীর একটি ভাড়া বাসায় বাস করত। রিফাত স্থানীয় কাজী মহিউদ্দিন মডেল হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ রমজান মাসে রোজা রেখে জোহরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয় রিফাত।

 

এ সময় তার চাচা মাসুম বিল্লাহ তাকে অপহরণ করে। পরে রিফাতের পরিবারের কাছে ফোন করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

তবে রিফাতের মা সুফিয়া আক্তার মুক্তিপণের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রিফাতকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রিফাতের মা তার ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর মাসুম বিল্লাহ তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে চলে যান। সেখানে গিয়ে নেছারাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নারায়ণগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া বলেন, ‘এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামি মাসুম বিল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%