ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলে ছিল না অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা


দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলে ছিল না অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এর ফলে ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই কারণে রাজ্যের হোটেলগুলির অগ্নি নেভানোর ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হোটেলের অতিথিদের অনেকের অভিযোগ রয়েছে, হোটেলে যথাযথ আগুন নেভানোর ব্যবস্থা ছিল না।

সম্প্রতি, তারাপীঠের একটি হোটেলে আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর কলকাতায় একই ধরনের ঘটনা ঘটায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিরা চিকিৎসা কিংবা ব্যবসার কাজে কলকাতায় এসেছিলেন। কিছু ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। রাত প্রায় ২টা নাগাদ হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুন লেগেছে; দমকলের প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে। পরে ধোঁয়া দ্রুত ছড়াতে থাকে ও ঘুমন্ত আবাসিকদের অনেকেই ঘরের ভিতরে আটকে পড়েন। আগুনের উৎস বা পরিস্থিতি বোঝার আগেই ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় হোটেলের একাধিক অংশ।

আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৪ জন গ্রেপ্তার

কিছু ব্যক্তির শরীরে পোড়ার চিহ্ন রয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয় যে, এটি আগুনে দগ্ধ হওয়া, নাকি ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ।

এই হোটেলটি পূর্বে একটি আবাসিক ভবন ছিল, কিন্তু গত তিন-চার বছরে এটি বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে। ভবনটি ইংরেজি অক্ষর ‘এল’ আকৃতিতে তৈরি। পরবর্তীতে সেই বাড়িটিকে হোটেলে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ঘরগুলি ছোট ছোট। মঙ্গলবার রাত ২টার সময় মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই বাড়ির তিনতলার একটি হোটেলে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়াতে পারলেও মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় গোটা বাড়ি ঢেকে যায়।

এই ধরনের বাণিজ্যিক ভবনে জরুরি প্রস্থান গেট থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ওই ভবনে সেই ধরনের কোনো জরুরি প্রস্থান গেট নেই। প্রবেশ এবং বের হওয়ার জন্য মাত্র একটি সরু গেট রয়েছে। এই ঘটনার পর হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। অতিথিদের দাবি, সেখানে যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি আগুন লাগার পরও কোনো ফায়ার অ্যালার্ম বেজে ওঠেনি। ফলে বেশিরভাগ আবাসিকরা আগুনের খবর পান দেরিতে। এক অতিথি জানিয়েছেন, রাত আড়াইটা নাগাদ হোটেলের এক কর্মী এসে তাদের ঘুম থেকে তুলে দ্রুত বের হওয়ার কথা জানান। কিন্তু নীচে নামার পর বের হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সরু প্রবেশপথ এবং ধোঁয়ায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আবাসিকদের মধ্যে। পরবর্তীতে দমকলকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাদের বাইরে বের করে আনেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, আগুনের চেয়ে ধোঁয়াই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছিল। এক আবাসিকের কথায়, হোটেলের ভিতর এতটাই ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল যে, সামনে কী রয়েছে, তা দেখা যাচ্ছিল না। শ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছিল। দমকলকর্মীদের সহায়তায় তারা বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে দাবি করেছিলেন। ঘটনার পর নিউমার্কেট এলাকার অন্য হোটেলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অনেক হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সেগুলি কার্যকর কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা হয় না। কোথাও আবার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। তারাপীঠের ঘটনার পর মাত্র দু’দিনের মধ্যে কলকাতায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় উদ্বেগ আরো বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন: ভানুয়াতুর উপকূলে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

ঘটনাস্থলের কাছেই নিউমার্কেট থানা, কলকাতা পৌরসভা এবং খাদ্যভবন রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক নজরদারির মধ্যে থাকা দমকল সদর দপ্তরের কাছের এলাকায় কীভাবে অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম উপেক্ষা করে হোটেল চলছিল, তা নিয়ে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন। নিউমার্কেটের অন্যান্য হোটেলেও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে। কেন এসব এত দিনেও রাজ্য প্রশাসনের নজরে আসেনি, কিংবা বহুতলে হোটেল ব্যবসা চালানোর জন্য দমকলের ছাড়পত্র আদৌ হোটেল মালিকদের কাছে ছিল কিনা- এসব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তারাপীঠ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন দুই বন্ধু। তাদের একজন আমিরুল করিম জানিয়েছে, আগুন লাগার পর ধোঁয়ার কারণে হোটেলের ভিতরে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। তারা কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। ওই ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটেনি বলেও জানান তিনি। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলের আবাসিকদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছয় জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

পরপর অগ্নিকাণ্ড এবং প্রাণহানির পর ফের সামনে এসেছে একই প্রশ্ন- নিরাপত্তা বিধি থাকা সত্ত্বেও কেন তা বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে না? হোটেলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত পরিদর্শন ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর, এই অগ্নিকাণ্ডের পর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে প্রশাসন। দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী বলেন, 'কীভাবে এই হোটেলগুলো পারমিট পেল, ট্রেড লাইসেন্স পেল, তা তদন্ত করে দেখা খুবই প্রয়োজন। আমরা সব খতিয়ে দেখে কড়া ব্যবস্থা নেব। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী ঘটনার দিকে নজর রেখেছেন।' বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক অভিযোগ করেছেন, ভবনটির মূল কাঠামো আবাসিক ব্যবহারের জন্য তৈরি হলেও পরে বেআইনি ভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তার দাবি, হোটেলের ঘর বাড়ানোর জন্য ভবনের পিলার পর্যন্ত কাটা হয়েছিল। এতে কাঠামোগতভাবে ভবনটি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে অভিযোগ তার।

আরও পড়ুন: সড়কের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলুচিস্তানে ৮ দিনে ২৬ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


বেলুচিস্তানে ৮ দিনে ২৬ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএর

অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশ, এটি পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। প্রদেশটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-এর একের পর এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় অন্তত ২৬ জন পাকিস্তানি সামরিক এবং সরকার সমর্থিত বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে সামরিক বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর সদস্যরা হতাহত হয়েছেন। গত ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত, মাত্র আট দিনের ব্যবধানে, প্রদেশজুড়ে মোট ২২টি পৃথক হামলার মাধ্যমে এই সংগঠনটি বিপুল সংখ্যক হতাহত দাবি করেছে।

সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্টের (টিবিপি) একটি প্রতিবেদনে এ বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএলএ’র মুখপাত্র জীয়ান্দ বেলুচের দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে এসব প্রাণঘাতী হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর পাকিস্তানের সেনা বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

টিবিপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ আগস্ট চাগাইয়ের কোয়েটা-তাফতান বাণিজ্য সড়ক থেকে তিনটি বাণিজ্যিক গাড়ি জব্দ করে বিএলএ’র যোদ্ধারা এই সিরিজ অভিযান শুরু করে। একই দিনে কোয়েটার কামব্রানি রোডে 'ইগল স্কোয়াড' বিশেষ পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের বন্দি করে তাদের সমস্ত অস্ত্র ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

বিএলএ’র হামলার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সেনাবহরগুলো। উল্লেখ্য, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বেলুচিস্তান জুড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। ওয়াশিংটন ২০২৫ সালে বিএলএ-কে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

পাকিস্তানি গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই বেলুচিস্তানে সহিংস ঘটনায় অন্তত ৯৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সোনার খনি ধসে নিহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সোনার খনি ধসে নিহত ৩০

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের পশ্চিমাঞ্চলে, একটি সোনার খনি ধসে পরার কারণে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক মারা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে, দেশটির নানা-মাম্বেরে প্রিফেকচারের আব্বা অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী ও অপ্রচলিত পদ্ধতির এই খনিটি ধসে পড়ার বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার পর থেকে, উদ্ধারকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর ধসে পড়া খনি থেকে ৩০টি লাশ উদ্ধার করেছেন। আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দেখা যায়, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বিশৃঙ্খলভাবে লাশ বের করছেন স্থানীয় শ্রমিকেরা। উপ-প্রশাসনিক অঞ্চলের উপ-মেয়র সুলেমান বি এ দুর্ঘটনাকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে, আটকে পড়াদের উদ্ধার করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

বেঁচে থাকা একজন খনি শ্রমিক ফ্লোরিয়ান গাগুয়েন্ডে বলেন, খনির গভীরে আরও অনেকেই আটকা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সময় বয়ে যাওয়ার সঙ্গে, তাদের জীবিত উদ্ধারের আশা কমে যাচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে সরকারি মুখপাত্র এভারিস্ট এনগামানা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকার কাজ করছে।

উল্লেখ্য, পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়া ক্ষুদ্র ও অপরিকল্পিতভাবে খনি খননের কারণে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে প্রায়ই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

আগুন লাগার সময় হোটেলে ঘুমে ছিলেন অধিকাংশ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


আগুন লাগার সময় হোটেলে ঘুমে ছিলেন অধিকাংশ মানুষ

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল ভবনের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন মহিলা এবং একজন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতের সময় ভবনটির তৃতীয় তলায় অবস্থিত একটি হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এনডিটিভি জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। তবে, তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আগুনের সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমাচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন, দমকল সদর দপ্তরের পাশের ওই হোটেলে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা উপস্থিত ছিল না।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে হোটেলের এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে। তবে, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে জানা যাচ্ছে যে ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েছেন।

তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১৭ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে আটজন নিহত হয়েছিল। ওই সময়েও অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরির দাম কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


দেশের বাজারে আজ সোনার ভরির দাম কত?

বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকায়। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম দেড় লাখ টাকার বেশি। পাশাপাশি, ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে।

দেশে সোনা এবং রূপা দর নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৫ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে সোনা ও রুপার নতুন দাম কার্যকর করেছে। বাজুস নতুন কোনো দাম ঘোষণা না করা পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দরেই সোনা ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে রুপার বাজারেও নির্ধারিত দামে গহনা বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৫৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের নতুন ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনা ও রুপার গহনা এই দামেই বিক্রি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%