মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৭ পি.এম
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে কৃষকদের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভর্তুকিযুক্ত ইউরিয়া সার অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। এ সময় দুটি ট্রলি থেকে ১১১ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। পাশাপাশি, সার পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি ট্রলি গাড়িও জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আটক দুইজনসহ অনুমোদিত সার ডিলার এবং আরও একজনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ভর্তুকিযুক্ত ইউরিয়া সার নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে কালোবাজারে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছে; এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. গাফফারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালীন ইউরিয়া সার স্থানান্তরের সময় শাহিন মিয়া ও জহির মিয়াকে আটক করা হয়। পরে ট্রলি দুটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১১১ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, কৃষকদের জন্য নির্ধারিত ভর্তুকিযুক্ত এসব সার অনুমোদিত বিতরণব্যবস্থার বাইরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
আটক শাহিন মিয়া ও জহির মিয়া ছাড়াও অনুমোদিত সার ডিলার মুস্তাফিজুল ইসলাম রতন এবং লিটন নামে আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানোর জন্য সরকার ভর্তুকি ও প্রণোদনার মাধ্যমে সার সরবরাহ করে থাকে। নির্ধারিত ব্যবস্থার বাইরে এসব সার বিক্রি বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এ কারণে সরকারি বরাদ্দের সার বিতরণ ও বাজারজাতকরণে অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনের সময় অনেক ক্ষেত্রেই সার সংগ্রহ করতে সমস্যা হয়। কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে কোনোভাবেই কালোবাজারে চলে না যায়, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার মোহাম্মদ জানিয়েছেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার পাচারের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে জব্দ করা ১১১ বস্তা ইউরিয়া সার এবং সার পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি ট্রলি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে আরও কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা ও নির্বিচার হামলার কারণে তিন বছর পর গাজা উপত্যকা চিনতে পারা যাচ্ছে না। গুগুল ম্যাপসের (Google Maps) সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে গাজার পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার একটি ভয়াবহ দৃশ্য প্রতিফলিত হয়েছে। যেখানে এক সময় ছিল ব্যস্ত জনপদ, কৃষিজমি এবং শতবর্ষী ঐতিহাসিক স্থাপনা, সেখানে এখন কেবল ধু-ধু মরুভূমি ও কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে ধ্বংসের তীব্রতা
আল জাজিরার প্রতিবেদনে প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, উত্তর গাজা থেকে শুরু করে দক্ষিণের রাফাহ পর্যন্ত ধ্বংসের ভয়াবহ চিত্র। রাফাহ ও আল-মাওয়াসি: দক্ষিণের শহর রাফাহের তাল আস-সুলতান এলাকায় ঘনবসতিপূর্ণ বাড়িঘর সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। অন্যদিকে, এক সময় ফাঁকা ও কৃষিভিত্তিক এলাকা আল-মাওয়াসিতে এখন শুধুই তাঁবুর ভিড়, যেখানে লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি বাধ্য হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
খান ইউনিস: গাজার কৃষি ও অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র খান ইউনিসে সবচেয়ে বেশি পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। জাতিসংঘের উপগ্রহ কেন্দ্র (UNOSAT)-এর হিসাব অনুযায়ী, এই জেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে ঐতিহাসিক ইন্দোনেশিয়ান ইস্তিকলাল মসজিদও রয়েছে।
গাজা সিটি ও জাবালিয়া: গাজা সিটির ঐতিহাসিক বন্দর এবং প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের জীবিকার প্রধান কেন্দ্র সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। অপরদিকে, উত্তরের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পুরো এলাকা মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।
৮২ শতাংশ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNRWA) এবং জাতিসংঘের উপগ্রহ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮২ শতাংশ ভবন (প্রায় ২ লাখ অবকাঠামো) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত। গত বছর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ধ্বংসযজ্ঞ থামেনি; বরং এর পর থেকে বিধ্বস্ত ভবনের সংখ্যা আরও ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৭৪,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,৭৫,০০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার হাজার নিখোঁজ মানুষকে হিসাব করলে প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির ডানপন্থী সরকার দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বোরকা ও নেকাব পরিধান নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এবং বিশ্লেষকরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, রাজনীতির উদ্দেশ্যে এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে বাস্তব কোনো সংকট নেই।
সম্প্রতি মেলোনির দল 'ব্রাদার্স অব ইতালি' (FdI)-র একটি সমাবেশে স্কুলে মুখ ঢেকে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে "নারীর সমতা ও নিরাপত্তার প্রয়াস" হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "ইতালিতে কোনো ঐতিহ্য বা ধর্মের নামে একজন তরুণীকে নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখতে বাধ্য করা যাবে না।"
কিন্তু কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালির মিলানের আল-ওয়াহিদ মসজিদের ইমাম ও ইসলামিক স্কলাররা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে একটি 'ভুয়া সমস্যা' তৈরি করার প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মিলানের আল-ওয়াহিদ মসজিদের ইমাম ইয়াহিয়া পাল্লাভিচিনি মন্তব্য করেন, "এটি সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশের চর্চাকে লক্ষ্য করে সার্বিক মুসলিম সমাজ সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা তৈরির চক্রান্ত। এতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তোলার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।"
অন্যদিকে, মিলানের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক মুলাইকা লরা এনরিয়েলো বলেন, "আমার দীর্ঘ শিক্ষাকথা জীবনে কোনো ছাত্রীকে স্কুলে বোরকা বা নেকাব পরে আসতে দেখিনি। এটি কোনো বাস্তব সমস্যা নয়। যে মেয়েরা হিজাব পরে, তারা তা স্বাভাবিকভাবেই পরে—কেউ তাদের বিরক্ত করে না।" তথ্য অনুযায়ী, পুরো ইতালিতে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ জন ছাত্রী পূর্ণাঙ্গ মুখ ঢেকে স্কুলে আসে।
রাজনৈতিক মেরুকরণের কৌশল?
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডানপন্থী ভোটারদের ধরে রাখতে মেলোনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। সম্প্রতি দেশটির সাবেক জেনারেল রবার্তো ভান্নাচ্চির চরম ডানপন্থী 'ন্যাশনাল ফিউচার' দল জনমতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করায় মেলোনি নিরাপত্তা ও অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছেন।
লুইস (LUISS) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ লরেঞ্জো কাস্তেলানি বলেন, "মেলোনি মূলত রক্ষণশীল ভোটারদের বার্তা দিতে চাচ্ছেন। কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীদের রুখতে তিনি ইসলাম ও জাতীয় পরিচয়কেন্দ্রিক বিষয়গুলোকে রাজনীতিতে সামনে নিয়ে আসছেন।"
এটি উল্লেখ্য যে, ইতালির সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং জননিরাপত্তার বিষয়ে আইনি ভারসাম্য রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞাটি সংসদ এবং আদালতের আইনি পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সামুদ্রিক অঞ্চলে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ না করা হয়। আর্জেন্টিনা, যা এই দ্বীপপুঞ্জকে 'মালভিনাস' নামে জানায়, যুক্তরাজ্য সরকারকে দুই সপ্তাহের সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়েছে, যাতে ব্রিটিশ তেল প্রকল্পের বিরুদ্ধে তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
সোমবার রাতে প্রেসিডেন্ট মিলেই একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্য 'সি লায়ন' (Sea Lion) তেল প্রকল্পের কাজ বন্ধ না করলে আর্জেন্টিনা জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত 'আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ট্রাইব্যুনালে' (ITLOS) জরুরি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন করবে। তিনি অভিযোগ করেন, ব্রিটেন আর্জেন্টিনার ভূখণ্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ অবৈধভাবে লুণ্ঠন করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে অঞ্চলটির পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে বলেও তিনি জানান, "আর্জেন্টিনা এই অন্যায় নীরব থেকে মেনে নেবে না।"
তবে প্রকল্পের কাজ পরিচালনাকারী ইসরায়েলের 'নাভিতাস' এবং যুক্তরাজ্যের 'রকহপার' নামের দুটি জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আর্জেন্টিনার এই আল্টিমেটামকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা দাবি করেছে, যুক্তরাজ্যের দেওয়া বৈধ লাইসেন্স নিয়েই তারা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের ১৯৮২ সালের সামুদ্রিক আইন সনদ অনুযায়ী গঠিত এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল জরুরি ও বাধ্যতামূলক নির্দেশ জারি করতে পারলেও, যুক্তরাজ্যের ওপর তা প্রয়োগ করানোর কোনো ক্ষমতা আদালতের নেই। অন্যদিকে, ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। যুক্তরাজ্যের বক্তব্য, ফকল্যান্ডবাসীদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ২০১৩ সালের এক গণভোটে দ্বীপপুঞ্জটির বাসিন্দারা বিপুল ভোটে ব্রিটিশ ভূখণ্ড হিসেবে থাকার পক্ষে রায় দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে এই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ওই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে এই ইস্যু নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণের পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩১ জন রোগী ছাড়পত্র গ্রহণ করেছেন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দৈনিক ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৫ জন, উখিয়ায় ৫ জন, রামুতে ১ জন, চকরিয়ায় শূন্য, পেকুয়ায় ৬ জন, কুতুবদিয়ায় ৪ জন, মহেশখালীতে ২ জন, টেকনাফে শূন্য, ঈদগাঁওয়ে ৬ জন এবং অন্যান্য এলাকায় ১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চলতি বছরে এ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন। বর্তমানে ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
উপজেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে কক্সবাজার সদরে ১ হাজার ২২৭ জন, উখিয়ায় ৮১৯ জন, রামুতে ৬১০ জন, চকরিয়ায় ১ হাজার ৭৫ জন, পেকুয়ায় ৬৭৮ জন, কুতুবদিয়ায় ২১৪ জন, মহেশখালীতে ৭৯৮ জন, টেকনাফে ৫৬৯ জন, ঈদগাঁওয়ে ৬৮৪ জন এবং অন্যান্য এলাকায় ৩৬৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে, ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বিশেষ করে বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার এবং বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেদনের হিসাবে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ৩০ জন এবং ছাড়পত্র পাওয়া রোগী ৩১ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ