মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৮ পি.এম
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির ডানপন্থী সরকার দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বোরকা ও নেকাব পরিধান নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এবং বিশ্লেষকরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, রাজনীতির উদ্দেশ্যে এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে বাস্তব কোনো সংকট নেই।
সম্প্রতি মেলোনির দল 'ব্রাদার্স অব ইতালি' (FdI)-র একটি সমাবেশে স্কুলে মুখ ঢেকে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে "নারীর সমতা ও নিরাপত্তার প্রয়াস" হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "ইতালিতে কোনো ঐতিহ্য বা ধর্মের নামে একজন তরুণীকে নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখতে বাধ্য করা যাবে না।"
কিন্তু কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালির মিলানের আল-ওয়াহিদ মসজিদের ইমাম ও ইসলামিক স্কলাররা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে একটি 'ভুয়া সমস্যা' তৈরি করার প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
মিলানের আল-ওয়াহিদ মসজিদের ইমাম ইয়াহিয়া পাল্লাভিচিনি মন্তব্য করেন, "এটি সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশের চর্চাকে লক্ষ্য করে সার্বিক মুসলিম সমাজ সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা তৈরির চক্রান্ত। এতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তোলার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।"
অন্যদিকে, মিলানের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক মুলাইকা লরা এনরিয়েলো বলেন, "আমার দীর্ঘ শিক্ষাকথা জীবনে কোনো ছাত্রীকে স্কুলে বোরকা বা নেকাব পরে আসতে দেখিনি। এটি কোনো বাস্তব সমস্যা নয়। যে মেয়েরা হিজাব পরে, তারা তা স্বাভাবিকভাবেই পরে—কেউ তাদের বিরক্ত করে না।" তথ্য অনুযায়ী, পুরো ইতালিতে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ জন ছাত্রী পূর্ণাঙ্গ মুখ ঢেকে স্কুলে আসে।
রাজনৈতিক মেরুকরণের কৌশল?
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডানপন্থী ভোটারদের ধরে রাখতে মেলোনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। সম্প্রতি দেশটির সাবেক জেনারেল রবার্তো ভান্নাচ্চির চরম ডানপন্থী 'ন্যাশনাল ফিউচার' দল জনমতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করায় মেলোনি নিরাপত্তা ও অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছেন।
লুইস (LUISS) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ লরেঞ্জো কাস্তেলানি বলেন, "মেলোনি মূলত রক্ষণশীল ভোটারদের বার্তা দিতে চাচ্ছেন। কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীদের রুখতে তিনি ইসলাম ও জাতীয় পরিচয়কেন্দ্রিক বিষয়গুলোকে রাজনীতিতে সামনে নিয়ে আসছেন।"
এটি উল্লেখ্য যে, ইতালির সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং জননিরাপত্তার বিষয়ে আইনি ভারসাম্য রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞাটি সংসদ এবং আদালতের আইনি পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সামুদ্রিক অঞ্চলে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ না করা হয়। আর্জেন্টিনা, যা এই দ্বীপপুঞ্জকে 'মালভিনাস' নামে জানায়, যুক্তরাজ্য সরকারকে দুই সপ্তাহের সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়েছে, যাতে ব্রিটিশ তেল প্রকল্পের বিরুদ্ধে তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
সোমবার রাতে প্রেসিডেন্ট মিলেই একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্য 'সি লায়ন' (Sea Lion) তেল প্রকল্পের কাজ বন্ধ না করলে আর্জেন্টিনা জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত 'আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ট্রাইব্যুনালে' (ITLOS) জরুরি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন করবে। তিনি অভিযোগ করেন, ব্রিটেন আর্জেন্টিনার ভূখণ্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ অবৈধভাবে লুণ্ঠন করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে অঞ্চলটির পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে বলেও তিনি জানান, "আর্জেন্টিনা এই অন্যায় নীরব থেকে মেনে নেবে না।"
তবে প্রকল্পের কাজ পরিচালনাকারী ইসরায়েলের 'নাভিতাস' এবং যুক্তরাজ্যের 'রকহপার' নামের দুটি জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আর্জেন্টিনার এই আল্টিমেটামকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা দাবি করেছে, যুক্তরাজ্যের দেওয়া বৈধ লাইসেন্স নিয়েই তারা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের ১৯৮২ সালের সামুদ্রিক আইন সনদ অনুযায়ী গঠিত এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল জরুরি ও বাধ্যতামূলক নির্দেশ জারি করতে পারলেও, যুক্তরাজ্যের ওপর তা প্রয়োগ করানোর কোনো ক্ষমতা আদালতের নেই। অন্যদিকে, ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। যুক্তরাজ্যের বক্তব্য, ফকল্যান্ডবাসীদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ২০১৩ সালের এক গণভোটে দ্বীপপুঞ্জটির বাসিন্দারা বিপুল ভোটে ব্রিটিশ ভূখণ্ড হিসেবে থাকার পক্ষে রায় দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে এই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ওই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে এই ইস্যু নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণের পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩১ জন রোগী ছাড়পত্র গ্রহণ করেছেন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দৈনিক ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৫ জন, উখিয়ায় ৫ জন, রামুতে ১ জন, চকরিয়ায় শূন্য, পেকুয়ায় ৬ জন, কুতুবদিয়ায় ৪ জন, মহেশখালীতে ২ জন, টেকনাফে শূন্য, ঈদগাঁওয়ে ৬ জন এবং অন্যান্য এলাকায় ১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চলতি বছরে এ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন। বর্তমানে ৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
উপজেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে কক্সবাজার সদরে ১ হাজার ২২৭ জন, উখিয়ায় ৮১৯ জন, রামুতে ৬১০ জন, চকরিয়ায় ১ হাজার ৭৫ জন, পেকুয়ায় ৬৭৮ জন, কুতুবদিয়ায় ২১৪ জন, মহেশখালীতে ৭৯৮ জন, টেকনাফে ৫৬৯ জন, ঈদগাঁওয়ে ৬৮৪ জন এবং অন্যান্য এলাকায় ৩৬৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে, ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বিশেষ করে বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার এবং বিভিন্ন স্থাপনার আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেদনের হিসাবে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ৩০ জন এবং ছাড়পত্র পাওয়া রোগী ৩১ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিন্দু ধর্মাবলীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে বগুড়ার আদমদিঘীতে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠক থেকে থানার পুলিশ সান্তাহার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামান (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে।
আদমদিঘী থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে উপজেলার নিমাইদীঘি গ্রামের মসজিদের পাশে একটি চায়ের দোকানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এই অভিযানে সান্তাহার পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনুজ্জামানকে আটক করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী অনেকে পালিয়ে যায়। থানার পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। রোকনুজ্জামান সান্তাহার পৌর এলাকার সাতাহার ঈদগা মাঠের মৃত মোশারফ হোসেনের পুত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ সিরাজ রব্বানী সানভী জানিয়েছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ বগুড়ায় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পুনরায় আগমন ঘটবে, যদি সকল প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়। তবে এর আগে স্টেডিয়ামের সার্বিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ভেন্যু পরিদর্শনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজের জন্য ইতোমধ্যে কনসালটেন্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কনসালটেন্ট নিয়োগের মূল্যায়ন (ইভালুয়েশন), আর্কিটেকচারাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলো যাচাই করে গ্যালারিসহ সামগ্রিক সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া ম্যাচ পরিচালনার জন্য এলইডি বা এনার্জি সেভিং লাইট স্থাপন করা হবে। সব মিলিয়ে সংস্কারের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হতে আগামী নভেম্বর মাস পার হতে পারে। এরপর টেন্ডারসহ আনুষাঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে আগামী বছরের শুরুর দিকেই মূল সংস্কার কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিসিবির এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মাঠের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং এটি গ্রাউন্ডস ডেভেলপমেন্টের অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ আধুনিকায়ন করা হবে। আসিফ সিরাজ রব্বানী সানভী বলেন, স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের আধুনিকায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার এই মাঠ নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিক এবং নিয়মিতভাবে এর তদারকি করে চলেছেন। সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে মূল স্টেডিয়ামের পাশের ফুটবল মাঠটিকে একটি মানসম্মত প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম যেন পুনরায় আইসিসির পূর্ণাঙ্গ ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই জন্য আইসিসির প্রতিনিধি দলের মাঠ পরিদর্শনের ব্যবস্থাও করা হবে। সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই যাতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের আয়োজন করা সম্ভব হয়, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই কাজ করছে বিসিবি। উল্লেখ্য, শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম একসময় উত্তরাঞ্চলের ক্রিকেটের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল। ২০০৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় মঞ্চে যাত্রা শুরু হয় এই ভেন্যুতে। পরবর্তী সময়ে আইসিসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর এখানে একটি টেস্ট ও পাঁচটি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর ঐতিহাসিক স্মৃতিও জড়িয়ে আছে এই মাঠের সঙ্গে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে।
এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়মিত সূচি থেকে হারিয়ে যায় বগুড়া। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখান থেকে জনবল ও বিভিন্ন সরঞ্জাম সরিয়ে নিলে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে আন্দোলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাম্প্রতিক সময়ে আবারও মাঠে ক্রিকেট ফিরতে শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ