মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৭ পি.এম
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকা সত্ত্বেও গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য ধাপে ধাপে ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং টাকার মান কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, গত মাসে দেশের আন্ত ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে প্রায় ১ টাকা বেড়ে গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি ডলারের দাম আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের শুরুতে আন্ত ব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল।
এরপর সেটি বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজ সেটি ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো : ১৪২ টাকা ৭০ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ৪২ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৬৬ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ০৩ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২৮ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ৬১ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৪২ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৫৪ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৬২ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ১৭ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৩ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
যদিও আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত মাসে ডলারের দাম কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সেটি আগের থেকে অনেকটা কমে আজ ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, গত মাসের শুরুতে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও মাসের শেষ দিকে সেটি ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজ ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ এবং নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মন্তব্য করেছেন, সংকট যতই আসুক, ক্রাইসিস যতই ঘনিয়ে আসুক, বিএনপিকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নাটোর শহরের আলাইপুর উপশহর মাঠে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের হত্যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করেছিল, জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে। বিএনপি নিশ্চিহ্ন হয়নি। বরং বিএনপি আরো সংগঠিত হয়েছে। সংকট ও ক্রাইসিস যতই আসুক, বিএনপিকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, যেদিন এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল, আমি সেদিন জেলখানায় চলে গিয়েছিলাম। এরশাদ বাংলাদেশের সকল এমপি-মন্ত্রীকে ভাগিয়ে জাতীয় পার্টিতে নিয়ে গিয়েছিল। খালেদা জিয়া সেদিন ছাত্রসমাজের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমেছিলেন।
২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন এসে যে খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়েছিল এবং তারেক রহমানকে মামলা দিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল, তারা ভেবেছিল বিএনপি এবার নিশ্চয়ই শেষ হয়ে যাবে।’
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিনসহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ জিয়াউর রহমানের ছবিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, কোরআন খতম এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাপারাজ্জিদের সঙ্গে বলিউড তারকাদের সম্পর্ক সবসময় মসৃণ থাকে না, যা প্রায়ই প্রমাণিত হয়। সম্প্রতি, পাপারাজ্জিদের আবদারে বিরক্ত হয়ে মেজাজ হারিয়ে আলোচনায় আসেন বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অনেকেই অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। পাপারাজ্জিদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশের জন্য বলিউডে জয়া বচ্চন বেশ পরিচিত। তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বা একের পর এক পোজ দেওয়ার আবদার কখনোই পছন্দ করেন না। এই কারণে তিনি বহুবার সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন।
তবে জয়া সমালোচনাকে খুব একটা গুরুত্ব না দিয়ে নিজের অবস্থানে অটল থেকেছেন। এবার নেটিজেনদের একাংশের দাবি, বলিউডে যেন ‘দ্বিতীয় জয়া বচ্চন’-এর আবির্ভাব ঘটেছে। এবং সেই তকমা দেওয়া হচ্ছে নবাব পরিবারের বধূ কারিনা কাপুর খানকে। সম্প্রতি, কারিনার নতুন সিনেমা ‘দায়রা’র ট্রেলার লঞ্চের কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পাপারাজ্জিরা অভিনেত্রীকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে পোজ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। প্রথমে তাঁদের আবদারে সাড়া দিয়ে একাধিকবার এদিক-ওদিক গিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন কারিনা। কিন্তু বেশ কয়েকটি অ্যাঙ্গেলে ছবি তোলার পর তাঁর মুখে স্পষ্ট হয়ে ওঠে বিরক্তির ছাপ। একপর্যায়ে তিনি নিজের জুতার দিকে ইশারা করে পাপারাজ্জিদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তিনি হিল পরেছেন। ফলে বারবার জায়গা বদলে ছবি তোলা তাঁর জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে।
ভাইরাল ভিডিওতে কারিনাকে বলতে শোনা যায়, “হিলস পরেছি।” এরপরও পাপারাজ্জিদের কয়েকজন আরও ছবি তোলার জন্য জায়গা পরিবর্তনের অনুরোধ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন অভিনেত্রী। কিছুটা চড়া সুরে তিনি বলেন, “কখনও এদিকে কখনও ওদিকে, হিলস পরেছি।”
কারিনার এই আচরণের ভিডিও সামনে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ কেউ অভিনেত্রীর বিরক্তিকে স্বাভাবিক বলে মনে করেন, তবে নেটিজেনদের একাংশ তাঁর আচরণের সঙ্গে জয়া বচ্চনের স্বভাবের মিল খুঁজে পেয়েছেন। এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘জয়া বচ্চনের বোন।’ অপর একজনের রসিক মন্তব্য, ‘আরেক জয়া বচ্চন আসছে।’ আবার কেউ কেউ কারিনাকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘বয়সের প্রভাব।’
অবশ্য পাপারাজ্জিদের নিয়ে কারিনার বিরক্তি প্রকাশের ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি, তাঁর তৃতীয় গর্ভাবস্থা নিয়ে গুঞ্জন ছড়ানোর সময় পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে মজার ছলে তিনি বলেছিলেন, “তোমরা আমাকে পাগল করে দেবে।”
এদিকে, ‘দায়রা’ সিনেমায় পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে কারিনাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ অভিনয়জীবন একজন শিল্পীকে এনে দেয় পরিচিতি, খ্যাতি, অর্থ, সম্মান ও মানুষের ভালোবাসা। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে কিছু শিল্পী এই অভিনয়জীবন থেকে সরে দাঁড়ান।
অনেকে ব্যক্তিগত বিশ্বাস, মূল্যবোধ অথবা ধর্মীয় কারণে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কিন্তু যখন সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নিজের অভিনয়জীবনকে ‘ভুল’ বা ‘পাপ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়, তখন তা শিল্পাঙ্গনের অন্যান্য সদস্যদের জন্যও কষ্টকর হয়ে ওঠে। সম্প্রতি, অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা এমন একটি ঘটনায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে প্রভা উল্লেখ করেন, ‘একটা পরিচয় যদি একদিন আপনাকে সম্মান, যশ, খ্যাতি, অর্থ আর মানুষের ভালোবাসা দিয়ে থাকে, তাহলে সেই পরিচয়ের জন্য লজ্জিত হওয়ার আগে বরং নিজের মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন করবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি, কথাগুলো অনেকের কাছে কঠিন শোনাবে, হয়তো একটু বাজেও শোনাবে, তবুও বলছি।’ প্রভা মনে করেন, অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই শিক্ষিত এবং সম্মানের সঙ্গে এই পেশাটিকে ধারণ করছেন। তাঁর মতে, অনেক শিল্পী এখনও অভিনয়কে ভালোবেসে কাজ করছেন এবং এটি তাঁদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। দিন-রাত তাঁরা নিজেদের পেশা ও শিল্পচর্চাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।
অতএব, যদি কারও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভালো না লাগে, তাহলে তিনি চাইলে অভিনয় ছেড়ে দিতে পারেন, কিন্তু সেই কারণে শিল্পাঙ্গনের অন্য কাউকে ছোট করার অধিকার কারও নেই বলেও মত প্রকাশ করেন প্রভা। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না অশিক্ষা, অজ্ঞতা আর সংস্কৃতির প্রতি অসম্মান নিয়ে কেউ সংস্কৃতিচর্চায় আসুক।’
অভিনয় ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই, যারা আসবে, তারা শিক্ষা নিয়ে আসুক, মূল্যবোধ নিয়ে আসুক, সংস্কৃতিবোধ নিয়ে আসুক এবং সবচেয়ে বেশি, নিজের পরিচয়ের প্রতি সম্মান নিয়ে আসুক।’
সম্প্রতি, একজন অভিনেত্রী অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রভা।
এর আগে, একজন অভিনেতাও ধর্মের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কারণে অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। এমন ঘটনাকে ঘিরে শিল্পের মর্যাদা প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, ‘শিল্প কোনো পাপ নয়। শিল্প একটি পরিচয়। এটা একটি সংস্কৃতি। আমি মনে করি, একজন শিল্পীকে অসম্মান করা কোনোভাবেই সভ্যতার শিক্ষা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার পাশাপাশি সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ আশাবাদ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ড. আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসাও করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়, বিশেষ করে মুক্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা নিয়ে। মন্ত্রী পিপল-টু-পিপল যোগাযোগের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী স্থানীয় সরকার খাতে দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভারতের আগ্রহের কথা জানান। তিনি বলেন, "ভারতের হায়দ্রাবাদের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।"
তিনি পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আশাবাদও ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, "অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।" তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্ব ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ আরো সুসংহত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী এবং আলোচনা সাপেক্ষে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পাওয়ানকুমার তুলশিদাস বাধেসহ মন্ত্রণালয় ও হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ