বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৮ পি.এম
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা বর্তমানে নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। যদিও তিনি অভিনয়ে নিয়মিত নন, তবে সম্প্রতি নতুন দুটি সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একটি সিনেমা হল সাদেক সিদ্দিকীর ‘দেনা পাওনা’। এই সিনেমাটির অনেকাংশের শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি অংশের শুটিং এ সপ্তাহে হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ‘দুই পয়সার মানুষ’ নামে একটি আরও সিনেমা তার হাতে রয়েছে। উল্লেখ্য, উভয় সিনেমাই সরকারি অনুদানে নির্মিত হচ্ছে।
অভিনেত্রী প্রভা অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে তিনি ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ ও বেড়ে ওঠার সময়কার নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একসময় তার পছন্দ ছিল গরিব ছেলে।
নিজের পছন্দের কথা উল্লেখ করে প্রভা বলেন, ‘আমার একসময় গরিব ছেলে খুব পছন্দ ছিল। আমাকে অভাবের কথা বললে, না খেয়ে ছিলাম, কষ্টে বড় হয়েছি, বাবা, ভাইবোনদের এভাবে মানুষ করেছে—এ রকম ছেলে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু মিথ্যা কথা এটা আরও বেশি দুষ্টু হয়। আমি বেশ আহলাদি ছিলাম, এ রকম একটা সময় ছিল প্রপারলি কথা বলতে পারতাম না।’
তিনি বলেন, ‘এত কিউট হয়ে আমতা আমতা করে কথা বলতাম। কথা অর্ধেক বোঝা যেত। প্রত্যেকটি জায়গাতে আমাদের আত্মীয় থেকে শুরু করে আমার বাবা-মা— একটা সময় গিয়ে আমি যখন বড় হচ্ছি, আমার বন্ধুদের বাবা-মার অবধি আদর করত, সে জন্য আমার ম্যাচিউরিটি অনেক পরে এসেছে, স্পষ্ট কথা বলতে শিখেছি অভিনয় করতে এসে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গোদাগাড়ী সীমান্তে ভারতীয় ক্যাপ্টেন মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) গোদাগাড়ী উপজেলার বিদিরপুর বিওপির অধীনে ৫২ বোতল ভারতীয় ক্যাপ্টেন মদ জব্দ করে।
আজ সকালে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধীনে বিদিরপুর বিওপির টহল দল গোদাগাড়ী থানাধীন মাদ্রাসা মোড় এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে, এক মাদক কারবারি মাথায় বস্তা নিয়ে নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করার জন্য ধাওয়া করলে, ওই কারবারি মাথায় থাকা বস্তাটি ফেলে দ্রুত অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া বস্তাটি তল্লাশি করে ৫২ বোতল ভারতীয় ‘ক্যাপ্টেন মদ’ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত মাদক কারবারিকে শনাক্ত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিবি’র গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে যে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণ এবং সংকটকালীন ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরেও কিভাবে শুধুমাত্র জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করে সংকটের সমাধান করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এই বিষয়ে বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির। বৈঠকে কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।
কমিটির সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার সময় পেট্রোলিয়াম পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার উপায় এবং মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল পিএলসির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয়ে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য কমিটিকে সুপারিশ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে দুর্গাপূজার ফ্যাশন ভাবনা, আবেগ এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির বিষয়গুলো শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পূজা ফ্যাশন ও ভাবনায় সাংস্কৃতিক শিকড় ও আবেগ জড়িত। তার কাছে দুর্গাপূজা শুধুমাত্র চার দিনের উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির শিকড় ও অনন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। ছোটবেলা থেকেই পূজার প্রতি তার এই গভীর আবেগ একইভাবে রয়ে গেছে। পূজার সাজে তিনি সবসময় সাবেক, ট্র্যাডিশনাল এবং এলিগেন্ট লুক পছন্দ করেন। বড় টিপ, চোখভরা কাজল এবং লাল-সাদা কিংবা হালকা রঙের সুতি শাড়ির সাধারণ সাজে তিনি খুঁজে পান আসল বাঙালিয়ানা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী এভাবেই তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
এবার পূজায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কেমন সাজবেন? কলকাতায় থাকবেন কি?— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা আমার কাছে শুধু চার দিনের উৎসব নয়; এটি আমাদের শিকড়, আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত থাকা এক আবেগ, যা কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।
তিনি আরও বলেন, ছোট থেকে এই আবেগ একই রয়েছে। পূজার সাজ বলতে তার পছন্দ বরাবরই একটু ট্র্যাডিশনাল অথচ এলিগেন্ট। বড় টিপ, চোখভরা কাজল আর সাদা-লাল বা নরম রঙের কটন শাড়ি— এই সহজ সাজেই যেন বাঙালিয়ানার আসল সৌন্দর্য ধরা পড়ে। খুব বেশি আড়ম্বর নয়, সাজে থাকুক নিজের একটা স্বতন্ত্র ছাপ বলেও জানান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
এই সময়ে কেনাকাটা করেন কি? উত্তরে তিনি বলেন, সত্যি বলতে— পূজার সময়ে আলাদা করে নিজের জন্য কেনাকাটা করার সময় খুব একটা পান না। তবে শাড়ির প্রতি ভালোবাসাটা সারা বছরই থাকে। তাই বছরজুড়ে একটু-একটু করে সংগ্রহ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, অনেকেই ভালোবাসা দিয়ে তার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা শাড়ি তৈরি করে দেন, সেগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়ানো থাকে আলাদা গল্প, আলাদা আবেগ; আলাদা ভালোবাসা।
তবে পূজায় সবাইকে কিছু দিতে তার ভীষণ ভালো লাগে বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, আমার মায়ের দেওয়া উপহারগুলো ছিল সবচেয়ে প্রিয়। মা চলে যাওয়ার পর পূজায় উপহার পাওয়ার আনন্দটাও যেন বদলে গেছে। এখন কেউ আন্তরিক ভালোবাসা দিয়ে কিছু দিলে তার মধ্যে সেই মায়ের স্নেহেরই একটু ছোঁয়া খুঁজে পাই। তখন মন ভালো হয়ে যায়।
আর পূজার চারটি দিন তাই কোনো রুটিনে নয়— আড্ডা, ভালোবাসা, প্রেম, আনন্দ আর মায়ের আরাধনায় একসঙ্গে থাকতে চান এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, পূজার মধ্যে কোনো নিয়ম মানি না। এই সময়ে কোনো নিয়ম মানার মানেও হয় না। কোনো রুটিন মেনেও চলি না। এই কটা দিন তো আনন্দ করার সময়।
অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা সত্যিই আমার জন্য বছরের সবচেয়ে সুন্দর একটা সময়। এটি আমাদের কালচারাল হেরিটেজ। আমাদের জীবনের অঙ্গ। তাই এই সময়ে আলাদা আনন্দ থাকে মনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের বৃহত্তম কারাগার রুমিয়েহে প্রায় ৪০০ বন্দি টানা ১৮ দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অনশনটি সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের প্রতিবাদে শুরু হয়েছে এবং এতে অংশ নেওয়া অনেক বন্দির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক আইনজীবী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) লেবাননের আইনজীবী ও ত্রিপোলি বার অ্যাসোসিয়েশনের কারাবন্দিদের অধিকারবিষয়ক কেন্দ্রের পরিচালক মোহাম্মদ সাবলুহ আলজাজিরাকে জানান, প্রায় ৪০০ বন্দি দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অনশন করছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রতিদিন কয়েকজনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সাবলুহ আরও জানান, অনশনে থাকা বন্দিরা খাবার, পানি এবং ওষুধ গ্রহণও বন্ধ করে দিয়েছেন। ১২ সেপ্টেম্বর রুমিয়েহ কারাগারের বন্দিরা সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের প্রতিবাদে এই অনশন শুরু করেন। ওই আইন কার্যকর হলে কিছু বন্দি তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে পারতেন, আবার কারও সাজা কমত।
সাধারণ ক্ষমার আইনটি ১২ আগস্ট লেবাননের সংসদে পাস হয়। পরে ফ্রি প্যাট্রিয়টিক মুভমেন্টের করা আবেদনের পর ১০ সেপ্টেম্বর সাংবিধানিক পরিষদ আইনটির কার্যকারিতা স্থগিত করে। এই ঘটনার পর রুমিয়েহ কারাগারের বন্দিদের পাশাপাশি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ত্রিপোলিতেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
অনশনে থাকা অনেক বন্দি সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশের কারণে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময়ের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।
ফ্রি প্যাট্রিয়টিক মুভমেন্ট সাধারণ ক্ষমার আইন নিয়ে সাংবিধানিক পরিষদে আবেদন করেছে। দলটির উদ্বেগ, কিছু বন্দির বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগ রয়েছে। আগামী মাসে এ বিষয়ে সাংবিধানিক পরিষদের রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।
লেবাননের কারাগারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত বন্দির চাপ ও বিচারিক জটিলতার জন্য সমালোচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে দেশটির কারাগারগুলোতে প্রায় ৮ হাজার ৫০০ বন্দি রয়েছেন, যা মোট ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ। কারাগারের অতিরিক্ত চাপ কমানোও সাধারণ ক্ষমার আইনটির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।
সাবলুহের দাবি, লেবাননের কারাগারগুলোতে অতিরিক্ত বন্দির চাপ ধারণক্ষমতার তুলনায় ৩৩০ শতাংশেরও বেশি। তার ভাষায়, দেশটির কারাগারগুলোর পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক এবং সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের মতো বড় পরিবর্তনের চাপ সামাল দেওয়ার অবস্থায় নেই।
তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালে লেবাননের কারাগারে ৪০ জনের বেশি বন্দি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে কেউ চিকিৎসায় অবহেলার কারণে, কেউ নির্যাতনের শিকার হয়ে এবং কেউ দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও বারবার মামলার তারিখ পিছিয়ে যাওয়ার কারণে আত্মহত্যা করে মারা গেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এই আইনজীবী লেবাননের কারাগারে বিপুলসংখ্যক বন্দির দীর্ঘদিন অবস্থানের জন্য বিচারিক বিলম্বকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৮ ধারায় বিচারপূর্ব আটক রাখার নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলেও তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ