ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দাম বাড়ার পর কিভাবে জ্বালানি সংকট কাটল, বিপিসির ব্যাখ্যা চাইল সংসদীয় কমিটি


দাম বাড়ার পর কিভাবে জ্বালানি সংকট কাটল, বিপিসির ব্যাখ্যা চাইল সংসদীয় কমিটি

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে যে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণ এবং সংকটকালীন ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরেও কিভাবে শুধুমাত্র জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করে সংকটের সমাধান করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এই বিষয়ে বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির। বৈঠকে কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।

কমিটির সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার সময় পেট্রোলিয়াম পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার উপায় এবং মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল পিএলসির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয়ে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য কমিটিকে সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন: জামায়াত আওয়ামী লীগকে মাফ করতে চেয়েছিল, বিএনপি নয় : রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময়: ঋতুপর্ণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


দুর্গাপূজা আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময়: ঋতুপর্ণা

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে দুর্গাপূজার ফ্যাশন ভাবনা, আবেগ এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির বিষয়গুলো শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পূজা ফ্যাশন ও ভাবনায় সাংস্কৃতিক শিকড় ও আবেগ জড়িত। তার কাছে দুর্গাপূজা শুধুমাত্র চার দিনের উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির শিকড় ও অনন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। ছোটবেলা থেকেই পূজার প্রতি তার এই গভীর আবেগ একইভাবে রয়ে গেছে। পূজার সাজে তিনি সবসময় সাবেক, ট্র্যাডিশনাল এবং এলিগেন্ট লুক পছন্দ করেন। বড় টিপ, চোখভরা কাজল এবং লাল-সাদা কিংবা হালকা রঙের সুতি শাড়ির সাধারণ সাজে তিনি খুঁজে পান আসল বাঙালিয়ানা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী এভাবেই তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

এবার পূজায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কেমন সাজবেন? কলকাতায় থাকবেন কি?— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা আমার কাছে শুধু চার দিনের উৎসব নয়; এটি আমাদের শিকড়, আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত থাকা এক আবেগ, যা কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

তিনি আরও বলেন, ছোট থেকে এই আবেগ একই রয়েছে। পূজার সাজ বলতে তার পছন্দ বরাবরই একটু ট্র্যাডিশনাল অথচ এলিগেন্ট। বড় টিপ, চোখভরা কাজল আর সাদা-লাল বা নরম রঙের কটন শাড়ি— এই সহজ সাজেই যেন বাঙালিয়ানার আসল সৌন্দর্য ধরা পড়ে। খুব বেশি আড়ম্বর নয়, সাজে থাকুক নিজের একটা স্বতন্ত্র ছাপ বলেও জানান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এই সময়ে কেনাকাটা করেন কি? উত্তরে তিনি বলেন, সত্যি বলতে— পূজার সময়ে আলাদা করে নিজের জন্য কেনাকাটা করার সময় খুব একটা পান না। তবে শাড়ির প্রতি ভালোবাসাটা সারা বছরই থাকে। তাই বছরজুড়ে একটু-একটু করে সংগ্রহ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, অনেকেই ভালোবাসা দিয়ে তার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা শাড়ি তৈরি করে দেন, সেগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়ানো থাকে আলাদা গল্প, আলাদা আবেগ; আলাদা ভালোবাসা।

তবে পূজায় সবাইকে কিছু দিতে তার ভীষণ ভালো লাগে বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, আমার মায়ের দেওয়া উপহারগুলো ছিল সবচেয়ে প্রিয়। মা চলে যাওয়ার পর পূজায় উপহার পাওয়ার আনন্দটাও যেন বদলে গেছে। এখন কেউ আন্তরিক ভালোবাসা দিয়ে কিছু দিলে তার মধ্যে সেই মায়ের স্নেহেরই একটু ছোঁয়া খুঁজে পাই। তখন মন ভালো হয়ে যায়।

আর পূজার চারটি দিন তাই কোনো রুটিনে নয়— আড্ডা, ভালোবাসা, প্রেম, আনন্দ আর মায়ের আরাধনায় একসঙ্গে থাকতে চান এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, পূজার মধ্যে কোনো নিয়ম মানি না। এই সময়ে কোনো নিয়ম মানার মানেও হয় না। কোনো রুটিন মেনেও চলি না। এই কটা দিন তো আনন্দ করার সময়।

অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা সত্যিই আমার জন্য বছরের সবচেয়ে সুন্দর একটা সময়। এটি আমাদের কালচারাল হেরিটেজ। আমাদের জীবনের অঙ্গ। তাই এই সময়ে আলাদা আনন্দ থাকে মনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননের বন্দিরা অনশনের ১৮তম দিনে, পরিস্থিতি ‘গুরুতর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


লেবাননের বন্দিরা অনশনের ১৮তম দিনে, পরিস্থিতি ‘গুরুতর’

লেবাননের বৃহত্তম কারাগার রুমিয়েহে প্রায় ৪০০ বন্দি টানা ১৮ দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অনশনটি সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের প্রতিবাদে শুরু হয়েছে এবং এতে অংশ নেওয়া অনেক বন্দির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক আইনজীবী।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) লেবাননের আইনজীবী ও ত্রিপোলি বার অ্যাসোসিয়েশনের কারাবন্দিদের অধিকারবিষয়ক কেন্দ্রের পরিচালক মোহাম্মদ সাবলুহ আলজাজিরাকে জানান, প্রায় ৪০০ বন্দি দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অনশন করছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রতিদিন কয়েকজনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সাবলুহ আরও জানান, অনশনে থাকা বন্দিরা খাবার, পানি এবং ওষুধ গ্রহণও বন্ধ করে দিয়েছেন। ১২ সেপ্টেম্বর রুমিয়েহ কারাগারের বন্দিরা সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের প্রতিবাদে এই অনশন শুরু করেন। ওই আইন কার্যকর হলে কিছু বন্দি তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে পারতেন, আবার কারও সাজা কমত।

সাধারণ ক্ষমার আইনটি ১২ আগস্ট লেবাননের সংসদে পাস হয়। পরে ফ্রি প্যাট্রিয়টিক মুভমেন্টের করা আবেদনের পর ১০ সেপ্টেম্বর সাংবিধানিক পরিষদ আইনটির কার্যকারিতা স্থগিত করে। এই ঘটনার পর রুমিয়েহ কারাগারের বন্দিদের পাশাপাশি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ত্রিপোলিতেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

অনশনে থাকা অনেক বন্দি সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশের কারণে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময়ের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।

ফ্রি প্যাট্রিয়টিক মুভমেন্ট সাধারণ ক্ষমার আইন নিয়ে সাংবিধানিক পরিষদে আবেদন করেছে। দলটির উদ্বেগ, কিছু বন্দির বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগ রয়েছে। আগামী মাসে এ বিষয়ে সাংবিধানিক পরিষদের রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

লেবাননের কারাগারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত বন্দির চাপ ও বিচারিক জটিলতার জন্য সমালোচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে দেশটির কারাগারগুলোতে প্রায় ৮ হাজার ৫০০ বন্দি রয়েছেন, যা মোট ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ। কারাগারের অতিরিক্ত চাপ কমানোও সাধারণ ক্ষমার আইনটির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।

সাবলুহের দাবি, লেবাননের কারাগারগুলোতে অতিরিক্ত বন্দির চাপ ধারণক্ষমতার তুলনায় ৩৩০ শতাংশেরও বেশি। তার ভাষায়, দেশটির কারাগারগুলোর পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক এবং সাধারণ ক্ষমার আইন স্থগিতের মতো বড় পরিবর্তনের চাপ সামাল দেওয়ার অবস্থায় নেই।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালে লেবাননের কারাগারে ৪০ জনের বেশি বন্দি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে কেউ চিকিৎসায় অবহেলার কারণে, কেউ নির্যাতনের শিকার হয়ে এবং কেউ দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও বারবার মামলার তারিখ পিছিয়ে যাওয়ার কারণে আত্মহত্যা করে মারা গেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

এই আইনজীবী লেবাননের কারাগারে বিপুলসংখ্যক বন্দির দীর্ঘদিন অবস্থানের জন্য বিচারিক বিলম্বকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৮ ধারায় বিচারপূর্ব আটক রাখার নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলেও তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন ও পাকিস্তানে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের দুয়ার খুলেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


চীন ও পাকিস্তানে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের দুয়ার খুলেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, চীন ও পাকিস্তান বাংলাদেশি চিকিৎসকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে।

মন্ত্রী জানান, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। চীনা বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন এবং প্রয়োজন হলে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনেও নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের ১৩৫ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির ২৫০ শয্যার অবকাঠামো থাকলেও ১৩৫ শয্যা চালু ছিল। বাকি শয্যাগুলো চালুর উদ্যোগে বিশেষায়িত এই প্রতিষ্ঠানে রোগীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী চীনের সহযোগিতার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি চীনের হাসপাতালগুলোতে তাদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেবেন। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনে নিয়ে গিয়েও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

পাকিস্তানের সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন। দুই দেশের এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

থ্যালাসেমিয়া ও এইচআইভিসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুধু রোগীর চিকিৎসা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করাও চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষকে রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পর্কে জানাতে হবে।

বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা জেনে নেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ দম্পতি শনাক্ত করা গেলে জেনেটিক পরামর্শের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে হাত ধোয়া, পরিচ্ছন্নতা ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতন করতে হবে। অভিভাবকদের সন্তানদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসকেরা কর্মস্থল ও নিজ নিজ এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারেন। এইচআইভি প্রতিরোধেও সচেতনতা, পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার সঙ্গে মানুষের সংযোগ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক এবং ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেল আমদানিতে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে বিপিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


জ্বালানি তেল আমদানিতে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে বিপিসি

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও দেশের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটসহ (ইআরএল-২) বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে। গত সাত মাসে এই অর্থ জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা বিপিসির কার্যপত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসের মধ্যে জ্বালানি তেল বিক্রির ফলে বিপিসির লোকসান হয়েছে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দুই মাসের তেলের মূল্যের সমপরিমাণ ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা চলতি মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তবে ভর্তুকি মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির কারণে সংস্থাটির চলতি মূলধন হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে তেল আমদানিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

বিপিসির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘বিভিন্ন প্রকল্পের হিসাব অনুযায়ী রাখা অর্থ বিপিসির। প্রকল্পগুলোর জন্য চলতি ও আগামী অর্থবছরে প্রয়োজনীয় অর্থের ভিত্তিতে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। নতুন করে অর্থ নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রাখা বিপিসির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রকল্পের প্রয়োজনের সময় অর্থের ব্যবস্থা করা হবে।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৮৬ ডলার। মার্চে এটি বেড়ে ১৮৬ দশমিক ৫৯ ডলারে পৌঁছায়। এপ্রিলে সর্বোচ্চ ২৮৪ দশমিক ৯৫ ডলারে ওঠে। সেপ্টেম্বরে কার্যপত্র তৈরির সময় গড় দাম ছিল ১৬৫ দশমিক ৮২ ডলার।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, দেশের ব্যবহৃত পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় ৬৫ শতাংশ ডিজেল। কার্যপত্র তৈরির সময় আন্তর্জাতিক বাজারদর ও ডলারের বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলের ব্যয় ছিল প্রায় ২০৫ টাকা। অথচ দেশে তখন তা বিক্রি হচ্ছিল ১১৫ টাকায়।

২০২৪ সালের মার্চে দেশে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু হবে। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে দাম নির্ধারণ করা হলেও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে দাম বাড়ানো হয়নি।

১৯ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। ১ জুন কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম যথাক্রমে ১৩৫, ১৪৫ ও ১৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়।

বিপিসি জানিয়েছে, লোকসান কমানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি কমাতেও দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বর্তমানে বিপিসি এবং এর আওতাধীন ৬৪টি ডিপো ও স্থাপনায় ১৬ লাখ ২৭৩ টন জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে। এতে পণ্যভেদে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। এই সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, মজুদ সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় প্রস্তুতির বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বৈঠকে দিতে বিপিসিকে সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে জনগণের জন্য জ্বালানির দাম সহনীয় রাখতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরিরও সুপারিশ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%