শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মিডিয়া সম্পাদক পদে নিযুক্ত হয়েছেন ইয়াসির আরাফাত। তিনি পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার দুপুরে ১৯৫ সদস্য বিশিষ্ট পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির তথ্য এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপিতে যোগদান করেন ইয়াসির আরাফাত। এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি সাংবাদিকদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন 'বাংলাদেশ ফ্রি প্রেস ইনিশিয়েটিভ'। এনসিপিতে যোগদানের সময় তিনি সাংবাদিক সংগঠনটির আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
গণ-অভ্যুত্থানের সাংস্কৃতিক বিষয়াবলি সংরক্ষণে কাজ করেছেন ইয়াসির আরাফাত। তিনি জুলাইয়ের গ্রাফিতি, গান, স্লোগান, কবিতার বিশাল আর্কাইভ ‘জুলাই মেমোরিজ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। দেশের ১১টি জেলার ১০ হাজারের মতো গ্রাফিতির ছবি সংরক্ষিত রয়েছে জুলাই মেমোরিজের ওয়েবসাইটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে সভাটির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর। তিনি বলেন, "গত ১৭ বছরে সমস্যার পাহাড় জমেছে। এসব সমস্যা পাঁচ বছরে সম্পূর্ণ সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে কথা দিচ্ছি, এম ইলিয়াস আলীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। কোনো এলাকা উন্নয়নবঞ্চিত থাকবে না।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেই না। ২০১২ সাল থেকে প্রতিটি এলাকায় আমার বিচরণ রয়েছে। দুই উপজেলার সব সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে।"
সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর বলেন, "১৭ বছরের সমস্যা এক-দুই দিনে সমাধান করা যাবে সম্বব নয়। কারণ আমাদের সম্পদ সীমিত। তাই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সড়ক ও অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে দুই উপজেলার ১৪৪টি ওয়ার্ডে সামগ্রিক উন্নয়ন হবে। গত সাত মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডে ছোট-বড় উন্নয়নকাজ হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০০টি সড়ক সংস্কার প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।"
সভায় খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বশর মো. ফারুকের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব সরকারের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গৌছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌছ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. ময়নুল হক, যুক্তরাজ্যের নিউহাম বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিন খান মুন্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তালুকদার গিয়াস উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এম. কয়েছ আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক কাওছার খান এবং সদস্য সচিব আশিকুর রহমান রানা।
কোরআন তেলাওয়াত করেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহিম আলী।
এছাড়া বক্তব্য দেন ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মাসুক মিয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব আলী, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিক খান, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ধনাই মিয়া, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইছবর আলী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান এবং ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামে জন্মগত চোখের ত্রুটিতে আক্রান্ত তিন বছর বয়সী আবু বক্করের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে শিশুটির চোখে তিনবার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, যদি আরো দুটি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে তার চোখ পুরোপুরি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ।
আবু বক্কর বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের সিদেল গ্রামের কৃষক বাদশা মিয়ার সন্তান। ছেলের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে তিনি চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন।
সন্তানের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি মানবিক বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশুটির উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর বগুড়ার প্রতিনিধি মো. রাশেদুজ্জামান পিয়াস জানান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এবং সংগঠনটির সদস্যসচিব মুকছেদুল মোমিন মিথুনের তত্ত্বাবধানে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে আবু বক্করের পরিবার নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের সন্তান সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশা পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের কানাইপুরে একটি বালুবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়ে একটি প্রাইভেটকারের ওপর চাপা দিয়েছে। এই দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারে থাকা ৭ বছর বয়সী একটি ছেলের সঙ্গে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের তেঁতুলতলা এলাকায়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পলাশ মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম (৩২) এবং তার ছেলে শাওন (৭)। জানা গেছে, সুমি তার পরিবারের সঙ্গে বাবার বাড়ি মাগুরা জেলার মোহম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালু বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়ে প্রাইভেটকারটির ওপর। ফলে প্রাইভেটকারটি চ্যাপ্টা হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত প্রাইভেটকারের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমি ও তার ছেলের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শ্রীবাস বাড়ৈ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারের পাশাপাশি একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বালুর নিচে প্রাইভেটকারের ভেতরে একজন আটকা পড়েছিলেন, যাকে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় আহত ৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। করিমপুর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের একটি সামরিক চেকপয়েন্টে গুলির ঘটনার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সংশ্লিষ্ট বন্দুকধারীদের পুরো মহল্লা বা এলাকা “ধ্বংস” করার ঘোষণা দিয়েছেন। নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজকে সাথে নিয়ে হেবরন পরিদর্শনকালে স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে এলাকা থেকে ওই বন্দুকধারীরা এসেছে, সেটি পুরোপুরি বদলে ফেলা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, “প্রথমত, আমরা এই স্থানটি ধ্বংস করতে এবং এটি পুরোপুরি আমূল বদলে দিতে পদক্ষেপ নেব।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু করতে যাচ্ছি যা এখন পর্যন্ত করা হয়নি। শরণার্থী শিবিরগুলোতে যে সফল ও আগ্রাসী মডেল ব্যবহার করে সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো নির্মূল করা হয়েছে, ঠিক একই মডেল আমরা এখানেও প্রয়োগ করব।”
নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েলি বাহিনী হেবরনের ওই মহল্লায় বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাবে, বাসিন্দাদের সরিয়ে দেবে (ইভাকুয়েট করবে) এবং অস্ত্র উদ্ধারসহ যাবতীয় তথাকথিত ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ভেঙে গুড়িয়ে দেবে। এর পাশাপাশি, পশ্চিম তীরের সড়কগুলোর পাশে অনুমতি ছাড়া নির্মিত ঘরবাড়িগুলোকে ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য “হুমকি” হিসেবে আখ্যায়িত করে সেগুলোও ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেন তিনি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিম তীরে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তিনি বলেন, “আইডিএফ এই অভিযান চালাতে প্রস্তুত, এর সময় আমরাই নির্ধারণ করব।” আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এ মন্তব্য করে নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের প্রশংসা করে তাদেরকে “ইসরায়েলের জনগণের জন্য মডেল” বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেন, এই হামলাটি তাদের পূর্ববর্তী সতর্কবার্তারই অংশ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ইরানের শিয়া অক্ষ ও তাদের প্রক্সি সংগঠনসমূহ এবং মুসলিম ব্রাদারহুড অক্ষ ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে ব্যাহত ও প্রভাবিত করতে এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে।”
এর আগে অধ্যুষিত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের কাছে একটি সামরিক চেকপয়েন্টে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও তিন সেনা। গতকাল সকালে এই ঘটনা ঘটে বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) বরাত দিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইডিএফ (IDF) জানায়, হামলায় নিহত দুই সৈন্য হলেন— অ্যাসকেলনের বাসিন্দা স্টাফ সার্জেন্ট রন ইয়োনাতান রয়টম্যান (২৩) এবং হোদ হাশারনের বাসিন্দা সার্জেন্ট ইয়ুভাল শাই সভিলেম (২০)। নিহত দুজনই হোম ফ্রন্ট কমান্ডের সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ব্রিগেডের ৭৭৫তম "অরি" ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে রয়টম্যান ছিলেন একজন স্কোয়াড কমান্ডার।
সামরিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, সকালে সামরিক অবস্থানের কাছে দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী এসে পৌঁছালে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী এই বন্দুকযুদ্ধের পর দুই ফিলিস্তিনি হামলাকারীই সেনার গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয়। ঘটনায় আহত অন্য তিন সেনাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের অবস্থা হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বলে জানা গেছে। হামলার পর থেকে ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ