ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার


মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার

টাঙ্গাইল মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের পরিবার।
জানা যায়, মধুপুর উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আঃ মালেক তার পৈত্রিক জমিতে ঘর করে প্রায় ৫০/৬০ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। ভুক্ত ভোগী আব্দুল মালেক জানায়, তার মা শরভানুর নামে থাকা মধুপুর মৌজার ১৮৬৭ খতিয়ানে ১০. ৩৭ শতাংশ জমি রয়েছে। সে জমিতেই তার বাবা, মা থাকাকালীন সময় হতেই উক্ত জমিতে বাড়ী ঘর করে বসবাস করে আসছে। তার মা তার উক্ত জমি হতে ৪ শতাংশ জমি অন্যের নিকট বিক্রি করে। পরে বাকী জমি হতে আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল অপুর নামে ৪ শতাংশ জমি ২০১১ সালে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে মধুপুর কলেজপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ এবং তার স্ত্রীর নিকট ৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। বাকী ২.৩৭ শতাংশ জমিতে আমার ঘর রয়েছে। হারুন অর রশিদ এর নিকট আমার ছেলে যে অংশে জমি বিক্রি করেছে হারুন অর রশিদ সে অংশে না গিয়ে জোর করে আমার বসত ঘরের অংশ হতে নেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক। প্রায় সময়ই হারুন অর রশিদ এর লোকজন গিয়ে তার ঘর সরিয়ে নিতে বলছে। ঘর সরিয়ে না নেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার। এমতাবস্থায় আমার পরিবার নিয়ে আমি আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমি অতি দরিদ্র মানুষ আমি অটো সিএনজি চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী অন্যের বাড়ীতে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। বর্তমানে আমি অটোরিকশাও চালাতে পরছি না। তারা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক ও তার স্ত্রী। তারা আরও জানান তাদের একটি ছেলে মাদরাসাতে পড়ে কয়েক মাসের মধ্যেই সে পুর্নাঙ্গ হাফেজ হবে। মালেক বলে আমরা তার লেখা পড়ার খরচ পর্যন্ত দিতে পারছি না। সে আরও বলেন আমি দরিদ্র মানুষ তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব কেমনে। আমাদের সংসার চলে না, মামলা করতে খরচ পাতি হবে সে টাকাও আমাদের কাছে নাই।
এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরও চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সাক্ষীরা হলেন- নরসিংদীর কর কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. সোহেল মিয়া, সোনারগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মো. রিয়াজুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আসেফ আয়নান বখস এবং দুদকের উপ-পরিচালক সিরাজুল হক।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য প্রদানের পরে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১ জুলাই দিন ধার্য করেন। এই মামলায় সাক্ষীদের সংখ্য totals ২৮, যার মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন, যেখানে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য জানান।

তবে দুদকের তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এর পাশাপাশি দুদক তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম। চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত কার্যক্রম শুরু করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামরিক শক্তি আরও দ্রুত বাড়ানোর অঙ্গীকার কিমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


সামরিক শক্তি আরও দ্রুত বাড়ানোর অঙ্গীকার কিমের

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আধুনিকায়ন প্রচেষ্টা কোরীয় উপদ্বীপকে ‘পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ ঠেলে দিচ্ছে। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে দেশটির ওপর একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়া যুদ্ধ শান্তিচুক্তির বদলে অস্ত্রবিরতি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হওয়ায় দুই কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির তিন দিনব্যাপী বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে কিম বলেন, ‘দল ও রাষ্ট্রের দৃঢ় নীতি হলো জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত শক্তিশালী করা।’

সোমবার শেষ হওয়া ওই বৈঠকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বিভিন্ন নীতিগত কর্মসূচি পর্যালোচনা করেন।

কিম অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ আরও জোরদার করছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন অর্জনের প্রচেষ্টাও এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতিকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য ‘শক্তিশালী ও সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধক্ষমতা’ আরও সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা উত্তর কোরিয়ার অটল অবস্থান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কেসিএনএ জানায়, বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে পারমাণবিক শক্তি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করাই বর্তমান আন্তর্জাতিক সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, পারমাণবিক প্রযুক্তিভিত্তিক যুদ্ধ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার কার্যক্রম আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এ মাসের শুরুতে কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংও বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নীতি হলো পিছু হটার কোনো সুযোগ বা পথ নেই এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার কোনো ইচ্ছা নেই।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে বলেছেন যে ‘উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে এখন নতুন করে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিলের আবেদন নথিভুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিলের আবেদন নথিভুক্ত

চিত্রনায়ক সালমান শাহের (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল করার জন্য আবেদন নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য আগামী ২৩ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে, মামলার বাদি মোহাম্মদ আলমগীর (কুমকুম) লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করার জন্য আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করে।

এই দিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পূর্বনির্ধারিত তারিখ ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করার কারণে বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন ২৩ জুলাই।

রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা, পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২০ মে সালমান শাহের মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। গত ২৪ মে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

গত বছরের ২১ অক্টোবর, রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলো সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি পার্লারের রুবি, আবুল সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদিপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নীলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পরে প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছে। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমন্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান।

তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও জানান, সালমানের পিতা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দ-বিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মারা গেলে, প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মনোনীত ভেস্তিয়াকে পার্লামেন্টের প্রত্যাখ্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মনোনীত ভেস্তিয়াকে পার্লামেন্টের প্রত্যাখ্যান

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ন্যাটোভুক্ত দেশ রোমানিয়ায় কয়েক মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সোমবার এক নতুন ধাক্কা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মনোনীত উদারপন্থী রাজনীতিক আদ্রিয়ান ভেস্তিয়াকে প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির পার্লামেন্ট।

দেশটির পার্লামেন্টের দুই কক্ষ মিলিয়ে ২৩৩ ভোট প্রয়োজন ছিল ভেস্তিয়ার সরকার গঠনের জন্য। কিন্তু সরকারি ভোট গণনা অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন মাত্র ১৮৯ ভোট।

বুখারেস্ট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

দিনব্যাপী বিতর্কের পর ভেস্তিয়ার প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভা নিয়ে ভোটাভুটির শুরু আগে কয়েকজন আইনপ্রণেতা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।

গত মে মাসের শুরুতে উদারপন্থী প্রধানমন্ত্রী ইলি বোলোজানের সরকার একটি অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হয়। ওই ভোটে মধ্য-বামপন্থী এবং কট্টর ডানপন্থী দলের সমর্থন ছিল।

এরপর প্রথম মনোনীত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী সরে দাঁড়ালে রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুসর দান ১৪ জুন ৫২ বছর বয়সী উদারপন্থী নেতা ভেস্তিয়াকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন।

তবে বোলোজানের নেতৃত্বাধীন ভেস্তিয়ার নিজ দলের সমর্থনও পায়নি। এমনকি দলের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের হুমকির মুখে পড়তে হয় তাকে।

ভেস্তিয়া সাবেক মেয়র ও আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পূর্ববর্তী কাজ হিসেবে তিনি জাতীয় উন্নয়নমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

তিনি আগেই বলেছেন, সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেতে পার্লামেন্টের 'পশ্চিমাপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর' সঙ্গে আলোচনা করবেন। কথিত ওই আলোচনা সোমবারের ভোটের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচক দেশটির সবচেয়ে বড় কট্টর ডানপন্থী দল এইউআরের সঙ্গেও হয়েছে।

এই ভোটে পরাজয়ের পর তিনি 90 আসনের অধিকারী এইউআরকেই দোষারোপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমার বিবেকের কাছে আমি পরিষ্কার। আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।’

একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সরকার ছাড়া ৪৭ দিন আমাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে ইউরোপীয় তহবিল, আস্থা এবং সময় হারাচ্ছি, যা আর ফিরে পাওয়া যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের চেয়ে দায়িত্ববোধকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে আমি এখনও বিশ্বাস করি।’

মে মাসে বোলোজান সরকারের পতন ঘটানো অনাস্থা ভোটের সময়ে রোমানিয়ার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (পিএসডি) ইউরোপপন্থী জোট সরকার থেকে বেরিয়ে যায়। পরে তারা কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর সঙ্গে মিলে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।

প্রেসিডেন্ট নিকুসর দান বারবার বলেছেন যে ক্রমবর্ধমান কট্টর ডানপন্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে কোনো সরকার গঠন করা হবে না।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগে বিতর্কিতভাবে বাতিল হওয়ার পর পুনর্নির্ধারিত ভোটে ২০২৫ সালের মে মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন দান।

চলতি মাসের শুরুতে ভেস্তিয়াকে প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করার পর এইউআর এক বিবৃতিতে বলেছিল, তার মনোনয়ন ‘বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করবে।’ এছাড়া, দলটি আগাম নির্বাচনের দাবি জানায়।

২০২৫ সালের জুনে ক্ষমতায় আসা বোলোজানের জোট সরকার বাজেট ঘাটতি কমাতে কর বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন অজনপ্রিয় কৃচ্ছ্রসাধনমূলক পদক্ষেপ নেয়। এর ফলে ওই ঘাটতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বড় হয়ে যায়।

বিশ্লেষক এবং জরিপ সংস্থা ইনস্কপ রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা রেমুস ইয়োয়ান জানান, এখন প্রেসিডেন্টকে নতুন একজন প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাব করতে হবে।

তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘দ্বিতীয়বারও প্রস্তাবিত প্রার্থী প্রত্যাখ্যাত হলে অন্তবর্তী নির্বাচনের মতো চূড়ান্ত বিকল্প সামনে চলে আসবে।’

ইয়োয়ানের মতে, এটি হবে ‘দেশ, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের আয়ের জন্য একটি বিপর্যয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এইউআর ছাড়া আর কোনো দল আগাম নির্বাচন থেকে লাভবান হবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%