ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে নেসলে, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টকে খাদ্য নিরাপত্তা নোটিশ


ভারতে নেসলে, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টকে খাদ্য নিরাপত্তা নোটিশ

ভারতে স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কিত বিভ্রান্তিকর দাবি করার জন্য ড. রেড্ডিস, নেসলে হেলথ সায়েন্স, তিরুপতি ওয়েলনেস, অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট এবং নেটমেডসকে নোটিশ প্রদান করেছে দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানায়, পেশি সুস্থ ও চর্বিহীন রাখতে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে বাজারজাত করা কিছু পণ্যের প্রচার সংক্রান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক পোস্টে সংস্থাটি উল্লেখ করে, পণ্যগুলোর বিষয়ে করা দাবির কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

এনডিটিভি জানায়, খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এসব পণ্যের গায়ে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, চর্বিহীন পেশি ধরে রাখা, পেশির শক্তি বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতায় সহায়তা এবং শরীরে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছিল। সংস্থাটি জানায়, পণ্যের মোড়কে এসব দাবি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা ক্রেতাদের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: ইলন মাস্কের দাবি, ইউক্রেন ড্রোন হামলায় স্টারলিংক ব্যবহার করে শর্ত ভেঙেছে

খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানায়, ‘বিজ্ঞাপনের নিয়ম না মানা এবং বিভ্রান্তিকর দাবি করার জন্য ড. রেড্ডিস ও নেসলে হেলথ সায়েন্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অনিরাপদ খাবার বিক্রির জন্য নেক্স ইন্টারন্যাশনাল এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা পচা খাবার বিক্রির জন্য শ্রেয়াশ রিটেইল প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

সংস্থাটি আরো উল্লেখ করে, ‘নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা, ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং খাদ্য নিরাপত্তার নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

নোটিশে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পণ্য নিয়ে করা দাবিগুলোর প্রকৃতি এবং ক্রেতাদের সামনে সেগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। পরবর্তী কোনো নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্থাটির উদ্বেগের বিষয়ে জবাব দিতে হবে।

খাদ্যপণ্যের মোড়কে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগত উপকারিতা নিয়ে করা দাবি এবং সেসব পণ্যের প্রচারের বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নজরদারি বাড়ানোর জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বারবার জোর দিয়ে বলছে, এ ধরনের দাবি সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। ক্রেতাদের মনে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরি করা যাবে না, কোন পণ্য ব্যবহারে কী ধরনের উপকার পাওয়া যাবে সে বিষয়ে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবে লাখো মানুষের বিক্ষোভ, নির্বাচনের আগে উত্তাল পরিস্থিতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার মেরামতের সময় ধর্ষণের শিকার প্রার্থী, তদন্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার মেরামতের সময় ধর্ষণের শিকার প্রার্থী, তদন্তে পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার মেরামত করতে গিয়ে দুই ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নির্বাচনের প্রার্থী বার্নাডেট গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। এই ঘটনা ঘটেছে ১৪ আগস্ট ভোররাতে ফিনিক্স শহরের উপশহর সান সিটিতে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর, ৩১ আগস্ট তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

মারিকোপা কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের একটি প্রতিবেদন এবং প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারশিবিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় গ্রিন-প্লাসেনশিয়া নিজের নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার লাগানো ও মেরামতের কাজ করছিলেন। কাজ শেষ করার পর গাড়ির দিকে ফেরার সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তি তার মাথার পেছনে আঘাত করেন, ফলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মাথায় কতবার বা কীভাবে আঘাত করা হয়েছিল, তা তার মনে নেই। হামলার সঠিক স্থানও তিনি ও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করতে পারেননি।

পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্ঞান ফেরার পর তিনি একজনকে যৌন নির্যাতন (ধর্ষণ) করতে দেখেন এবং অন্য একজনও তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ সময় তাকে চেপে ধরে রাখা হয়েছিল, যার ফলে তার দুই হাতে কালশিটে দাগ পড়ে। তিনি জানান, পা দিয়ে লাথি মেরে প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন।

অভিযুক্তদের চেহারা বা পোশাক সম্পর্কে গ্রিন-প্লাসেনশিয়ার কোনো স্পষ্ট স্মৃতি নেই। তবে তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তাদের একজনের কালো বুট ও ছোট পায়ের কথা মনে আছে। ঘটনার একপর্যায়ে একজনকে ডেমোক্র্যাট নারী বলে গাল দিতে শুনেছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পরে তিনি সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানান, সে সময় ঠিক কী শুনেছিলেন, তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

গ্রিন-প্লাসেনশিয়া অ্যারিজোনার অষ্টম কংগ্রেসনাল আসন থেকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী। তার নির্বাচনী এলাকায় ফিনিক্সের কিছু অংশ এবং সান সিটিসহ আশপাশের অঞ্চল রয়েছে। তিনি জানান, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম এড়াতে সাধারণত রাত ১২টা থেকে রাত ২টার মধ্যে প্রচারণার পোস্টার লাগানো বা মেরামতের কাজ করতেন। এ সময় তার সঙ্গে সাধারণত অন্তত একজন থাকতেন।

ঘটনার পর তিনি বাড়ি ফিরে গোসল করেন এবং তিনবার গোসলের পাশাপাশি একবার বাথ টাবেও গোসল করেছিলেন বলে পুলিশকে জানান। তবে তিনি হাসপাতালে যাননি কিংবা যৌন নির্যাতনের (ধর্ষণ) শিকার ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ চিকিৎসা ও নমুনা পরীক্ষাও করাননি। পরে পোশাক ধুয়ে ফেলায় সেখান থেকে সম্ভাব্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ে। ঘটনার পর শরীরের কালশিটে দাগ বা মাথার ফোলার কোনো ছবিও তিনি তোলেননি বলে পুলিশি প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর শেরিফের দপ্তর তার সঙ্গে আবার যোগাযোগ করে। তখন তিনি জানান, মাথার পেছনের বাঁ পাশে বড় ধরনের ফোলা ছিল। বাঁ হাতেও হাতের ছাপের মতো দেখতে লম্বাটে তিনটি কালশিটে দাগ ছিল। এছাড়া ঘটনার পর দুই থেকে তিন দিন তার যোনিপথে রক্তপাত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শ্বেতাঙ্গ পুরুষ হতে পারেন বলে তার ধারণা। তবে তারা হেঁটে চলে গিয়েছিলেন, নাকি কোনো গাড়িতে করে পালিয়েছিলেন, তা তিনি মনে করতে পারেননি।

ঘটনার পরপরই স্বামী বা নির্বাচনী প্রচারশিবিরের কর্মীদের কিছু জানাননি গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। দুই থেকে তিন দিন পর স্বামী আলেকজান্ডার প্লাসেনশিয়া এবং প্রচারশিবিরের দুই কর্মীকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে নিজেকে সামলাতে পারলেও এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে রক্ষা করতে না পারায় তিনি ক্ষুব্ধ ও বিব্রত বোধ করেছিলেন। প্রথমদিকে ঘটনাটি নিয়ে কথা বলতেও চাননি।

তিনি জানান, ঘটনার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তার ২১ বছর বয়সী মেয়েও এখন মায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। মেয়েটি জানত, তার মা দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে নিজের যত্ন নিতে পারেন। কিন্তু এ ঘটনার পর সেই আত্মবিশ্বাসে আঘাত লেগেছে।

তবে পরে প্রকাশ্যে মুখ খোলার সিদ্ধান্ত নেন গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। তিনি বলেন, যৌন নির্যাতনের (ধর্ষণ) শিকার অনেক নারী লজ্জা, ভয় কিংবা মানসিক কষ্টের কারণে নীরব থাকেন। অন্য নারীদের সাহস জোগাতে এবং তাদের বোঝাতে চান যে, এমন ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীরা দায়ী নন।

প্রার্থীর প্রচারশিবিরের মুখপাত্র ক্রেইগ বেকম্যান সিএনএনকে জানান, ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা গ্রিন-প্লাসেনশিয়ার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। তবে নীরবে কষ্ট পাওয়া অন্য ভুক্তভোগীরা যেন নিজেদের একা মনে না করেন, সে জন্যই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

এদিকে তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য আব্রাহাম হামাদেহ বলেছেন, অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ঘটনার সময় ও স্থানসংক্রান্ত সম্ভাব্য সব নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের শনাক্ত এবং আইন অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গ্রিন-প্লাসেনশিয়া বলেন, জনসমক্ষে পরিচিত কেউ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলে অন্য নারীরাও অভিযোগ জানাতে সাহস পেতে পারেন। তিনি সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এখন যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের পক্ষেও কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ

সুনামগঞ্জ, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : শান্তি ও সম্প্রীতির জেলা সুনামগঞ্জ। এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষি ও মৎস্যের ওপর নির্ভরশীল। আবার কিছু কিছু অঞ্চলে প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি।

শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ভাসছে। ভোরের বাতাসে শিউলির গন্ধ ছড়িয়ে রয়েছে। কোথাও প্রতিমার গায়ে শেষ তুলির আঁচড় দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও চলছে মণ্ডপ সাজানোর কাজ। বাঁশ, খড়, মাটি ও রঙের সঙ্গে যোগ হয়েছে আলোর ঝলক। ঢাকিরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কয়েক দিনের অপেক্ষার পর হাওরপাড়ের জনপদ সুনামগঞ্জ জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। শরতের এ সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে জেলার প্রতিটি ঘরে চলছে আনন্দের আমেজ।

সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলায় এবারে ৪৪৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পূজাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাজারগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা।

আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী দিয়ে শুরু হবে মূল পূজার আয়োজন। ১৭ অক্টোবর সপ্তমী, ১৯ অক্টোবর অষ্টমী, ২০ অক্টোবর নবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গাপূজা শেষ হবে।

পূজার দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রতিমায় শেষ তুলির আঁচড়ে ব্যস্ত হয়ে উঠছেন প্রতিমাশিল্পীরা। অনেক মণ্ডপে কাঠামো তৈরি, খড় বাঁধা ও মাটির প্রলেপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে প্রতিমার রং, অলংকার ও সাজসজ্জার কাজ। দেবীর মুখাবয়ব ফুটিয়ে তুলতেও চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। শুধু প্রতিমাশিল্পীরাই নন, পূজাকে ঘিরে কর্মব্যস্ত হয়ে উঠেছেন মণ্ডপে-সজ্জার কর্মী, আলোকসজ্জাকারী, ঢাকি, ফুল ব্যবসায়ী ও পোশাকের দোকানিরা।

বিভিন্ন এলাকায় পূজাকে কেন্দ্র করে কেনাকাটাও বাড়ছে। হাওরপাড়ের এ জনপদে দুর্গাপূজা শুধুমাত্র ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি স্থানীয় মানুষের মিলন ও সম্প্রীতির একটি বড় উপলক্ষ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে মণ্ডপে মণ্ডপে জড়ো হন।

সুনামগঞ্জে ৪৪৪টি মণ্ডপে পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল ও নৈশপ্রহরীর ব্যবস্থা, সিসিটিভি স্থাপন এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পূজার সময় সাধারণ পোশাকের পুলিশ, মোবাইল ফোর্স, স্ট্রাইকিং ফোর্স ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে। গুরুত্বপূর্ণ ও বেশি জনসমাগম হয় এমন মণ্ডপগুলোতে থাকবে বিশেষ নজরদারি।

আয়োজকদেরও মণ্ডপে সিসিটিভি সচল রাখা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং কোনো ধরনের সন্দেহজনক ঘটনা চোখে পড়লে দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাওর, নদী ও সীমান্তঘেঁষা জনপদ নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জেও উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

অপেক্ষা এখন ঢাকের প্রথম বোলের :

মণ্ডপে মণ্ডপে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কোথাও প্রতিমায় পড়ছে শেষ তুলির আঁচড়, কোথাও চলছে আলোকসজ্জার পরীক্ষা। আয়োজকেরা ব্যস্ত মণ্ডপে শেষ কাজ নিয়ে, স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রস্তুত হচ্ছেন দায়িত্ব পালনে।

মহালয়ার মধ্য দিয়ে যে অপেক্ষার শুরু, মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিক রূপ মিলবে। এরপর ঢাকের বোল, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও আরাধনায় মুখর হয়ে উঠবে সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামণ্ডপ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শারদীয় দুর্গোৎসব হয়ে উঠুক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও নিরাপদ মিলনের উৎসব এমন প্রত্যাশা করছেন হাওরপাড়ের মানুষ।

প্রতিমা শিল্পী সুরেষ দাস বলেন "৪০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছি এই নিয়েই আমরা সন্তুষ্ট।"

জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সদস্য অশোক তালুকদার, জেলা কল্যাণ ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শংকর কুমার দাস, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অজিত দাস, সদস্য সচিব রাজন তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক রামকৃষ্ণ তালুকদার সবুজ ও সদস্য বিষ্ণু পদ সরকারসহ নেতৃবৃন্দ জানান, চলতি বছর সুনামগঞ্জ জেলা শহরসহ ১২টি উপজেলায় ৪৪৪ টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বাসসকে জানান, জেলার প্রতিটি উপজেলায় যাতে শারদীয় উৎসব সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পালিত হয়, সেজন্য আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল দল-মত এর মানুষদের নিয়ে সভা করেছি। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।

জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন বাসসকে বলেন, সুনামগঞ্জ সম্প্রীতির জেলা। এখানে সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে, তা অনন্য। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আজান ও নামাজের সময় পূজার সময় মাইক বন্ধ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবের পরের সিনেমার নায়ক জিৎ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


দেবের পরের সিনেমার নায়ক জিৎ!

টালিউডের দুই সুপারস্টার দেব ও জিৎকে কেন্দ্র করে নতুন করে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর একই মঞ্চে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, দেবের পরিচালনায় পরবর্তী সিনেমায় অভিনয়ের ইঙ্গিতও দিয়েছেন জিৎ। সবকিছু ঠিক থাকলে পরিচালকের ভূমিকায় দেব এবং নায়কের ভূমিকায় জীৎকে দেখা যেতে পারে।

পরিচালক হিসেবে দেবের নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে ‘দেশু ৭’ সিনেমার মাধ্যমে। ছবিটির নায়ক এবং প্রযোজকও তিনিই। শুরু থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) কলকাতার নজরুলমঞ্চে ভক্ত-অনুরাগীদের উপস্থিতিতে ছবিটির ট্রেলার প্রকাশিত হয়। আয়োজনটি উৎসবের আমেজ তৈরি করে।

তবে ট্রেলার প্রকাশের অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জিতের উপস্থিতি। দেবের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে একই মঞ্চে হাজির হন এই অভিনেতা। দীর্ঘদিনের দূরত্ব ও মনোমালিন্যের গুঞ্জন পেছনে ফেলে দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে ভক্তরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চমক দেননি জিৎ, বরং দেবের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন সিনেমা তৈরির ঘোষণা দেন। এতে দুই তারকাকে আবারও বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে জিৎ বলেন, ‘দেশু ৭’ হিট হলে দেবের পরবর্তী সিনেমায় আমি অভিনয় করব। জিতের এমন ঘোষণার পরপরই ছবির নায়িকা শুভশ্রী গাঙ্গুলি বলেন, ‘আমি তাহলে নায়িকা হব।’

শুভশ্রীর মন্তব্যের জবাবে দেব জানান, নিজেকে বাদ দিয়ে তার বিপরীতে অন্য কোনো নায়ককে বেছে নিতে হলে সেই পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থাকবেন জিৎ।

উল্লেখ্য, জিৎ ও শুভশ্রী জুটি এর আগে একাধিক সফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ফলে তাদের আবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখার সম্ভাবনা দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে ‘দেশু ৭’ সিনেমার প্রচারেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেব ও শুভশ্রী দুজনকেই কালো পোশাকে দেখা গেছে। ইতোমধ্যে সিনেমাটির গানের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

ট্রেলার প্রকাশের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অপরাজিতা আঢ্য, ইধিকা পাল, কাঞ্চন মল্লিক, প্রিয়াংকা সরকার, রজতাভ দত্ত ও ছবির খলনায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে দেবকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


সন্দেহের বশে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

কলকাতা হাইকোর্টের এক বিচারপতি মন্তব্য করেছেন যে, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ভারত থেকে বহিষ্কার করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) একটি মামলার শুনানি চলাকালে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মন্তব্য করেন। খবরটি টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির আটকাদেশ এবং তাকে দেশ থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলার শুনানিতে বিচারক উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির সময় ওই ব্যক্তির আইনজীবী জানান, প্রতিবেশীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট সন্দেহের কারণে গত ৮ আগস্ট থেকে তাকে আটক করে রাখা হয়েছে।

ওই ব্যক্তির স্ত্রী মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তিনি ‘ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের’ জারি করা বহিষ্কারাদেশ এবং স্বামীর আটকাদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তবে তার স্ত্রীকে আটক করা হয়নি।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, বহিষ্কারের আদেশটি আপাতত ‘স্থগিত রাখা হয়েছে’। তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত মানুষকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া। মনে হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে (আটক ব্যক্তিকে) আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়নি।

বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ওই ব্যক্তিকে দুই মাস ধরে আটক রাখা হয়েছে এবং নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কেন ‘সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করেনি।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, "আমার মক্কেল দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটক রয়েছেন। কয়েকজন প্রতিবেশীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট সন্দেহই ছিল তার আটকের ভিত্তি।"

বিচারপতি প্রশ্ন করেন, "কেবল এ ধরনের দাবির ওপর ভিত্তি করে কীভাবে কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব?" তিনি জোর দিয়ে বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে আটকে রাখা যায় না।

তিনি আরও প্রশ্ন করেন, "সত্তরের দশক থেকে কত মানুষ সীমান্ত পার হয়ে এসেছে? তাদের সবাইকে কি ফেরত পাঠানো সম্ভব?"

তিনি মামলাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠান, যাতে এটি উপযুক্ত বেঞ্চে ন্যস্ত করা যায়।

গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে বিজেপিশাসিত অনেক রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা বাংলাভাষী মুসলিম শ্রমিকদের অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করছে এবং কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ ছাড়াই বিএসএফের সহায়তায় বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকার ‘আটক, নাম বাদ দেওয়া ও বহিষ্কার’ নীতি ঘোষণা করে। এর আওতায় সন্দেহভাজন বাংলাদেশিদের আটকশিবিরে আটকে রেখে তাড়াহুড়ো করে বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। বাংলাদেশে প্রায় এক বছর কাটানোর পর, আদালতের নির্দেশে জুলাই মাসে মালদহের মহাদিপুর স্থলবন্দর দিয়ে এমন চারজন ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, "সুতরাং, কোনো ব্যক্তিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচিত নথিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা।" তিনি উল্লেখ করেন, "কেবল কিছু মানুষের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে এটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন অনুপ্রবেশকারী।"

রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট-জেনারেল রাজদীপ মজুমদার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আটক ব্যক্তি ভুয়া নথিপত্রের ভিত্তিতে ভোটার কার্ড, আধার ও প্যান কার্ডের মতো নথিপত্র সংগ্রহ করে থাকতে পারেন।

হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণ এমন এক সময়ে এসেছে যখন নথিপত্র, নাগরিকত্ব ও নির্বাচনি পরিচয় নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে তীব্র বিতর্ক চলছে; বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের একটি বিতর্কিত বিশেষ প্রক্রিয়ার (এসআইআর) কারণে ভারতজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়ার লক্ষ্যে লাখ লাখ প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের অনেকেই সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সব সময় অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে বহিষ্কৃত হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী হিসেবে বিবেচিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%