ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার সন্দেহে টেলিনরের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে নরওয়ে


মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার সন্দেহে টেলিনরের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে নরওয়ে

মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তা করার সন্দেহে নরওয়ে পুলিশ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টেলিনরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা টেলিনরের অসলো সদর দপ্তরে অভিযানও পরিচালনা করেছেন।

২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তা করার অভিযোগে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। নরওয়ের ন্যাশনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন সার্ভিস এবং পিএসটি নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, একই মামলায় নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারে জান্তা সরকার যখন বেসামরিক জনগণের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালাচ্ছিল, তখন টেলিনর তাদের সহযোগিতা করেছে। তারা গ্রাহকদের যোগাযোগের কল ইতিহাস বা ট্রাফিক ডেটা জান্তা সরকারের কাছে সরবরাহ করেছে।

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ

২০২২ সালের মার্চ মাসে মিয়ানমার থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পর টেলিনর জানিয়েছে, তারা তদন্তকারীদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, পুরো ঘটনাটি ‘পরিষ্কার’ করতে তারা সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবে।

তবে নরওয়ে পুলিশ জানায়, টেলিনরের মিয়ানমারের ব্যবসা বিক্রির চুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নজরদারি সরঞ্জাম হস্তান্তর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই লেনদেনের জন্য নরওয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি না নেওয়ার কারণে তদন্ত চলছে।

চলতি বছরের শুরুতে সুইডেনের একটি অলাভজনক সংস্থা টেলিনরের বিরুদ্ধে একটি ‘ক্লাস অ্যাকশন ল্য সুইট’ মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, টেলিনর মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের কল রেকর্ড এবং লোকেশন ডাটা সামরিক বাহিনীর কাছে সরবরাহ করেছে। এর ফলে অন্তত একজন অ্যাক্টিভিস্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে টেলিনর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সামরিক অভ্যুত্থানটি মিয়ানমারের জনগণের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল, যা আমাদের এমন অসম্ভব পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছিল যে, আর কোনো ভালো বিকল্প ছিল না। সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না মানলে কর্মীরা কারাদণ্ড, নির্যাতন এমনকি মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়তেন। আমরা বুঝতে পারছি যে আমাদের সামনে কোনো বাস্তব বিকল্প ছিল না এবং আমরা আমাদের কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।’

আরও পড়ুন: ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ইসলামী আন্দোলনের নেতার ক্ষোভ

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এখন পর্যন্ত কোম্পানির কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি বা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে তদন্তের আওতায় আনা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঞ্চিতদের সম্মান ফিরিয়ে দিতে কাজ করছে সরকার: আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


বঞ্চিতদের সম্মান ফিরিয়ে দিতে কাজ করছে সরকার: আমিনুল হক

যারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।

তিনি উল্লেখ করেছেন, শুধু বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক নয়, বরং সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত মানুষের অধিকার ও সম্মান পুনরুদ্ধারের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে স্টাফ কলেজ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ) বি-৯৮৫-এর ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেছেন, ‘আমরা চাই, ১৭ বছর যারা বঞ্চিত হয়েছেন, ধীরে ধীরে তাদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিতে। সেই লক্ষ্যেই সরকার সর্বক্ষেত্রে কাজ করছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যেসব সমস্যা ও দাবির কথা আজ উঠে এসেছে, সেগুলো সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে তুলে ধরার চেষ্টা করব।’

কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না, যাতে জনগণের কাছে জবাবদিহির প্রশ্ন ওঠে। তিনি কৃষকদের অধিকার ও ব্যাংকের গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

কৃষকদের ঋণ মওকুফের প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার বড় অংশের সুবিধা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের গ্রাহকরা। কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের উদ্যোগও হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বিবেচনায় নিয়ে এ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী দিনে দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫ হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আমিনুল হক বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বাবলম্বী করাই এসব উদ্যোগের লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, ‘কৃষকরা যদি স্বাবলম্বী হন, তাহলে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তারাও তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার সুযোগ পাবেন। কৃষি ব্যাংকের মূল দায়িত্ব হচ্ছে অসহায় ও প্রান্তিক কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো।’

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে সরকার কাজ করছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আগামী সাড়ে চার বছরকে কাজে লাগানোর কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিএনপির সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক ফিরোজুজ্জামান মামুন মোল্লা, কৃষি ব্যাংক ঢাকা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক গোলাম মো. আরিফ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক স্টাফ কলেজের অধ্যক্ষ এ এইচ এম মাহবুবুল বাসেত ভূঁইয়া, শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম রাজা, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, কৃষি ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন, কৃষিবিদ লিয়াকত হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ)-এর সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজ হোসেন ও সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ) ঢাকা বিভাগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী টেনিসে নতুন দিগন্ত: ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত শার্লটে ডব্লিউটিএ ফাইনালস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


নারী টেনিসে নতুন দিগন্ত: ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত শার্লটে ডব্লিউটিএ ফাইনালস

বিশ্ব নারী টেনিসের সবচেয়ে সম্মানজনক টুর্নামেন্ট ‘ডব্লিউটিএ ফাইনালস’ আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার শার্লট শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত এই তিন বছরের জন্য শার্লট শহরটি ডব্লিউটিএ ফাইনালস আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর, ওমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউটিএ) এবং শার্লট স্পোর্টস ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেছে।

 

এই চুক্তির আওতায় শুধুমাত্র টুর্নামেন্টের আয়োজনই নয়, বরং ডব্লিউটিএ তাদের গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে স্থায়ীভাবে শার্লটে স্থানান্তরিত করবে। এর ফলে, শার্লট শহরটি বিশ্ব নারী টেনিসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই তথ্যটি বিবিসিতে প্রকাশিত হয়েছে।

 

টুর্নামেন্টের প্রধান ম্যাচগুলো শার্লট হর্নেটসের হোম ভেন্যু স্পেকট্রাম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। ভক্তদের জন্য বিভিন্ন আয়োজন এবং অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য নিকটবর্তী শার্লট কনভেনশন সেন্টার ব্যবহার করা হবে। ২০২৭ সালের আসরটি ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

সৌদি আরবের রিয়াদের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নারী টেনিস সংস্থাটি এই নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় ক্রিকেট লিগে আট বিভাগের জন্য আট রঙের ব্যাগি ক্যাপের নতুন আবহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


জাতীয় ক্রিকেট লিগে আট বিভাগের জন্য আট রঙের ব্যাগি ক্যাপের নতুন আবহ

টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে ব্যাগি ক্যাপের সম্পর্ক দীর্ঘকালীন। এবার বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও ঐতিহ্যের এই ছোঁয়া যুক্ত হলো।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) আট বিভাগের জন্য আলাদা রঙের ব্যাগি ক্যাপ চালু করেছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ ও গর্ব বৃদ্ধি করা।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের টাইগার্স ডেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আট বিভাগের অধিনায়কদের হাতে বিশেষ এই ক্যাপ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, কয়েকজন পরিচালক, জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ, জাতীয় দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনসহ অন্যান্য অতিথিরা।

আট বিভাগের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে আটটি আলাদা রং। দলের পোশাকেও থাকবে সেই রঙের প্রভাব। সাবেক ক্রিকেটারদের সহযোগিতায় বর্তমান অধিনায়কদের মাথায় পরিয়ে দেওয়া হয় এই ক্যাপ।

চট্টগ্রামের অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ২০১২ সালে। তিনি জানান, এমন আয়োজন এবারই প্রথম দেখছেন। তার মতে, ব্যাগি ক্যাপ কেবল একটি টুপি নয়, বরং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি প্রতীক।

খুলনার অধিনায়ক মিঠুন আলীর অভিজ্ঞতা আরো পুরনো। ২০০৬ সালে তার ক্রিকেটে পথচলা শুরু হয়। তখন জাতীয় লিগে দৈনিক ভাতা ছিল মাত্র ৮০০ টাকা। ২০ বছর পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় লাখ টাকা।

মিঠুন মনে করেন, এই পরিবর্তন আরো আগেই আসা উচিত ছিল। এখন ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্বের মান উন্নত করার সময় এসেছে।

রাজশাহীর অধিনায়ক প্রিতম কুমারের কাছে ব্যাগি ক্যাপের আবেদন ভিন্ন। তার মতে, এই ক্যাপ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তরুণদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের জন্য আরো বেশি আগ্রহী করে তুলবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের পারিশ্রমিকও দ্বিগুণ করেছে বিসিবি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ম্যাচ ফি এক লাখ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রংপুরের অধিনায়ক আকবর আলী মনে করেন, সুযোগ-সুবিধা বাড়ার সঙ্গে ক্রিকেটারদের দায়িত্বও বেড়েছে। মাঠে ভালো ক্রিকেট উপহার দেওয়ার কাজ এখন তাদেরই।

আগামী ৩ অক্টোবর শুরু হবে এবারের এনসিএল। গত কয়েক মৌসুম ডিউক বলে খেলা হলেও এবার কুক্কাবুরা বলে ফিরছে দেশের এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পী রাধারমণ দত্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পী রাধারমণ দত্ত

রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থ (১৮৩৩–১৯১৫) ছিলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের কৃতী সন্তান। তিনি বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম প্রধান লোককবি, সাধক, গীতিকার ও সুরকার হিসেবে পরিচিত। জগন্নাথপুর উপজেলা সরকারি তথ্যেও তাঁকে বাংলা লোকসংগীতের পুরোধা লোককবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। �
জগন্নাথপুর উপজেলা +1
রাধারমণের পিতা রাধামাধব দত্ত ছিলেন একজন পণ্ডিত ও সাহিত্যসাধক। তিনি জয়দেবের গীতগোবিন্দ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। পিতার সাহিত্য ও সংগীতচর্চার গভীর প্রভাব রাধারমণের ওপর পড়ে। অল্প বয়স থেকেই তিনি সাহিত্য, সংগীত ও আধ্যাত্মিক সাধনার প্রতি আকৃষ্ট হন। �
জগন্নাথপুর উপজেলা
পরবর্তী জীবনে রাধারমণ দত্ত দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক গান, প্রেম, বিরহ, ভজন ও ধামাইলসহ বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য গান রচনা করেন। তাঁর ধামাইল গান সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের লোকসংস্কৃতিতে বিশেষ জায়গা করে নেয়। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনে ধামাইল গান গাওয়ার ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর নাম গভীরভাবে যুক্ত। �
জগন্নাথপুর উপজেলা +1
স্ত্রী গুণময়ী দেবী ও কয়েকজন সন্তানকে হারানোর পর তাঁর জীবনে বৈরাগ্যের প্রভাব আরও গভীর হয়। পরে ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%