০৪:১২ পি.এম
গণমাধ্যম গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "যদি গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক হয়ে উঠে এবং গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে কাজ করে, তবে তা জনগণের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে।"
তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।
প্রেসিডেন্ট গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় সকল কর্মী ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিত করার মতো গণমাধ্যমকর্মীদের প্রধান সমস্যাগুলো সমাধানে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট।
সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনটির পরিচিতি এবং সদস্যদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করে। তাঁরা সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় প্রেসিডেন্টের সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া ডিআরইউ আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানান।
প্রেসিডেন্ট গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি ডিআরইউর উন্নয়নে সহায়তার বিষয়ে সদস্যদের আশ্বস্ত করেন এবং সংগঠনটির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন