সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ পি.এম
গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে সোমবার (২১শে সেপ্টেম্বর-২৬) দিনব্যাপী বগুড়ার গাবতলী বালিয়াদিঘী ইউনিয়নের তরুণীহাটে ইছামতী নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন রাউন্ড শেষে প্রথম স্থান অধিকার করে "রাখে আল্লাহ মারে কে" এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে "বিজয় উল্লাস" নৌকার মালিক। ১০নং বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গদলের আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠানে গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ সহমিনা আক্তার রুমা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নবীর হোসেন আকন্দ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মন্ডল, মহিষাবান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মন্ডল, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস মাহমুদ উজ্জ্বল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম রিবন, ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম তৌরাত হোসেন পাইলট, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সজীব প্রাং, বালিয়াদিঘী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নোমান বাবু, মহিলাদল নেত্রী নাজমা বেগম, মাজেদা ইয়াসমিন টুনি, লিপি আক্তার আশা, সাবিনা বেগম, শাবানা বেগম, পারুল বেগম।
এরপর চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ উভয়েই বিজয়ী নৌকা মালিকের হাতে পুরস্কার হিসেবে (প্রত্যেককে একটি করে গরু) মোট ২টি গরু প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে তরুণীহাট চত্বরে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। দুই দিনব্যাপী মেলায় বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ, তরুণ, তরুণী ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ঘিরে নদীর দুইপাড়ে লাখো মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজমান ছিল। ঢোলের তালে তালে মাঝিদের হৈ-হৈ-রব এবং বৈঠার ছন্দে পুরো ইছামতী নদী মুখরিত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নৌকাগুলোর ছন্দময় গতি ও মাঝিদের নৌকা চালানোর দক্ষতা উপভোগ করেন লাখো দর্শনার্থীগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা দিয়েছেন যে, শুধু রমজান মাসের জন্য নয়, বরং সারা বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতা এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাজারে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ায় বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করে, তাহলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রমজান মাসে ভোগ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায়। তবে সরকারের বাজার ব্যবস্থাপনা শুধুমাত্র রমজানকেন্দ্রিক নয়, বরং সারা বছর পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য সহনীয় রাখা সরকারের লক্ষ্য।
বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতির খোঁজ রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পণ্যের দামে দুই-চার টাকার অস্বাভাবিক ওঠানামা সামগ্রিকভাবে বড় মনে না হলেও, এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট সৃষ্টি করতে পারে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, বাজারে মানুষের আস্থা আরো শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নজরদারি ও মনিটরিং কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে। আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুদ, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।
সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের চাহিদা, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খালের বিভিন্ন স্থানে মোট আটটি কালভার্ট ছিল। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় বিধ্বস্ত হয়ে যায় সবগুলো। কালভার্টের দুই পাশের সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে খালে মিশে যায়। দুই বছর অতিবাহিত হলেও সড়কগুলো নির্মাণ করা হয়নি।
কালভার্টগুলোর অবস্থান লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বিচ্ছিন্ন জনপদ বয়ারচর এলাকার গাবতলী খালে অবস্থিত।
এদিকে, স্থানীয়রা বিকল্প সড়ক তৈরি করায় বর্তমানে কালভার্টগুলো সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বয়ারচর এলাকার তেগাছিয়া বাজারসংলগ্ন গাবতলী খালের মাঝে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে কালভার্টগুলো। কালভার্টের দুই পাশে সড়কের কোনো অস্তিত্ব নেই।
স্থানীয়রা জানান, মেঘনা ও ভুলুয়া নদীর জোয়ারের তোড়ে কালভার্টের দুই পাশের সড়ক ভেঙে খালে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে খালের মাঝখানে কালভার্টগুলো দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিকল্প সড়ক ব্যবস্থা করায় কালভার্টগুলো এখন সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা চরগুলোতে দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ২০০৭ সালে বয়ারচরের গাবতলী খালের বিভিন্ন স্থানে আটটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট (সিডিএসপি) প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি কালভার্টের ব্যয় ধরা হয়েছিল পাঁচ লাখ করে মোট ৪০ লাখ টাকা।
দীর্ঘ ১৭ বছর কালভার্টগুলো জনগণের উপকারে এলেও ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার নদীর পানির স্রোতসহ নানা কারণে সংযোগ সড়ক ভেঙে খালে পরিণত হয়। এরপর থেকে কালভার্টগুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
সূত্র জানায়, সিডিএসপি প্রকল্পের কাজ চরে বসবাসকারী দরিদ্রদের জীবনযাত্রার মান ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নত করা, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন থেকে চর রক্ষায় বাঁধ ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ করা।
এ ছাড়া চরের জমিতে কৃষিকাজ বাড়াতে সহায়তা এবং প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমির মালিকানা বা পর্চা বিতরণ করাসহ সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, যোগাযোগ ও বাজার ব্যবস্থাপনার সুযোগ সৃষ্টি করা ছিল প্রকল্পের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস সরকার যৌথভাবে সিডিএসপি প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা পরিচালনা করত।
স্থানীয়রা জানান, তেগাছিয়া বাজারসংলগ্ন কালভার্টের পশ্চিম পাশে মোহাম্মদপুর, পূর্ব পাশে ডাকাইয়া গ্রাম অবস্থিত। দুই গ্রাম ও আশপাশের পাঁচটি গ্রাম মিলে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের বসবাস। এসব বাসিন্দা স্থানীয় তেগাছিয়া বাজার, টাঙ্কি বাজার, ব্রিজঘাট ও রামগতি বাজারে যাতায়াতের জন্য আটটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল প্রকল্পের আওতায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ জানান, কালভার্টগুলো একসময় মানুষ ব্যবহার করলেও এখন পরিত্যক্ত। কারণ কালভার্টের দুই পাশের সংযোগ সড়ক অনেক আগেই ভেঙে গেছে। খালের মাঝখান থেকে এগুলো সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
আরেক বাসিন্দা মো. বাবলু বলেন, কালভার্টগুলো এখন আমাদের জন্য ক্ষতিকর। পানির স্রোত এসে কালভার্টের সঙ্গে ধাক্কায় আশপাশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই দ্রুত সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ বলেন, কালভার্টগুলো মানুষের কোনো উপকারে আসছে না। এগুলো এখন আমাদের জন্য বিষফোঁড়া। দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, খবর নিয়ে কালভার্টগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তা নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মধ্য মালিতে জঙ্গি হামলার ফলে ১০০ জনেরও বেশি সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর মালির ডিওরা শহরে এই ভয়াবহ হামলা সংঘটিত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে দুটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের উল্লেখ করা হয়েছে যা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মালির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলার সময় আক্রান্ত সামরিক ক্যাম্প থেকে সেনাদের নিরাপদ স্থানে সফলভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ চালাতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে শত্রুদের বিভিন্ন ঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে।
আরো পড়ুন
ফুড ডেলিভারির ছদ্মবেশে সাবেক প্রেমিকা ও তার সঙ্গীকে হত্যা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
এর আগে সেভারে শহরের বিমানবন্দরে সংঘটিত আরেকটি হামলা মূলত আল-কায়েদার সাথে সম্পর্কিত জঙ্গি গোষ্ঠী ‘জেএনআইএম’-এর সাম্প্রতিক সহিংস কার্যক্রমের অংশ ছিল। ২০২০ এবং ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মালির ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান সেনা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই জঙ্গি গোষ্ঠী একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত এপ্রিল মাসে জেএনআইএম এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের নেতৃত্বাধীন বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ‘এফএলএ’ একযোগে দেশজুড়ে ভয়াবহ সিরিজ হামলা চালায়। ওই হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত হন এবং দেশের প্রধান বিমানবন্দরে ব্যাপক আঘাত হানা হয়। এই ঘটনাটি স্পষ্ট করে দেয় যে, ইসলামপন্থী উগ্রবাদী ও বিদ্রোহীদের দমনে মালির সরকারি বাহিনী এবং তাদের সহযোগী যোদ্ধারা মাঠে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না।
আরো পড়ুন
আফগানিস্তানে বিমান হামলায় ২৮ জঙ্গি হত্যার দাবি পাকিস্তানের
এদিকে, ১০ সেপ্টেম্বরের ডিওরা শহরের হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ১৩০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনেরও বেশি সেনাকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে জঙ্গিরা। অন্যদিকে, একটি কূটনৈতিক সূত্রের মতে, সেখানে প্রায় ১২০ জন সেনা নিহত হয়েছেন; যা মালির সামরিক জান্তার জন্য একটি বড় ধাক্কা।
আরো পড়ুন
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে তিন গণমাধ্যম
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত শনিবার মালির সেনাবাহিনী একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, হামলার পর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা তাদের পাল্টা অভিযানে কিছু বীর সেনা সদস্য দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। সেইসাথে, এই বিশেষ অভিযানে জঙ্গি গোষ্ঠীটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে ছয়জনকে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিআরটিএ-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে আদালত-৩ এর আওতায় অভিযানটি সম্পন্ন হয়। অভিযানের সময় বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের এলাকা থেকে ১১ (এগারজন) দালালকে আটক করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজনকে মোট ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, এবং বাকি ৬ (ছয়) জনের প্রত্যেককে ৬০ (ষাট) দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. মনির মোল্ল্যা, সুজন চন্দ্র দাস, মো. আল আমিন, মো. টিপু, মোফাজ্জেল হোসেন এবং আব্দুল মান্নান শিকদার।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান মন্তব্য করেন, "এই প্রতারক চক্র বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত—এমন অসংখ্য অভিযোগ আমাদের কাছে ছিল।" তিনি আরও বলেন, "সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং বিআরটিএ-কে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ