১২:৩৯ পি.এম
ইরান তাদের ‘জি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে যাচ্ছে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় আগামীকাল সকাল ৯টায় শুরু হবে। এর আগে মেক্সিকোর তিজুয়ানা বিমানবন্দরে ইরানের অধিনায়ক মেহেদি তারেমি ও সহকারী কোচ সাঈদ আলহোইকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার কারণে পুরো দলের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়েছে।
এই ঘটনায় ইরান ফুটবল ফেডারেশন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হয়রানি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে দলের যাত্রায় বাধা সৃষ্টির অভিযোগ এনেছে।
ফুটবল ফেডারেশনের দাবি, ঘটনার সময় দলের অন্যান্য সদস্যরা বিমানবন্দরে তাদের অধিনায়ক এবং সহকারী কোচের জন্য অপেক্ষা করতে ছিলেন। দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে ছাড়া সিয়াটলের উদ্দেশে যাত্রা করতে কেউ রাজি হননি।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত
সংহতি প্রকাশ করতে পুরো দল বিমানবন্দর টার্মিনালেই অবস্থান করে। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী যাত্রা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার ফলে আরও আলোচনা শুরু হয়েছে কারণ এর কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইরান দলকে ম্যাচের দুই দিন আগে নির্বিঘ্নে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।
কিন্তু বাস্তবে বিমানবন্দরে জটিলতার সৃষ্টি হওয়ায়, সেই ঘোষণার সঙ্গে পরিস্থিতির মিল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
এক বিবৃতিতে ফেডারেশন বলেছে, বিশ্বকাপের মতো বড় আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নিতে যাওয়া একটি দলের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। আয়োজক দেশের দায়িত্ব হলো সব দলের জন্য সমান এবং নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা। তবে বারবার একইরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
ফেডারেশনের ধারণা, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে ফেরার সময় তাদের একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
আরও পড়ুন: মোশারফ-তানভীরের ঝড়ে ২৬৮ রান, সোনারগাঁওয়ের ইউআইইউর বিরুদ্ধে বড় জয়
সে সময় লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে মেক্সিকোয় ফেরার পথে মেহেদি তারেমি এবং সাঈদ আলহোইকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। তাদের যাত্রায় বিলম্ব ঘটানোর জন্য পাসপোর্ট এবং ভিসা যাচাইয়ের কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল।
আমাদের ফুটবল ফেডারেশন যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের ভাষ্য, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ নেয়া দলগুলোর জন্য সমান সুযোগ এবং স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তবে ইরান দলের সদস্যদের বারবার আটকে দেয়ার ঘটনা মাঠের বাইরেও নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এমন পরিস্থিতি ইরান দলের প্রস্তুতিতে কি প্রভাব ফেলে, সেটি এখন আলোchনার বিষয়। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দলের মনোযোগ মাঠে ধরে রাখা এখন ইরানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন: অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে মধ্যরাতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, পদত্যাগের দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন