ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার পথে বাংলাদেশ, টানা তৃতীয়বার বাছাই পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ


সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার পথে বাংলাদেশ, টানা তৃতীয়বার বাছাই পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সব শঙ্কা উড়িয়ে ২০২৭ এর ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আফগানিস্তানের সিরিজ জয় আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য টাইগারদেরকে অবশ্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর র‍্যাঙ্কিংয়ের কাট-অফের পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশ শীর্ষ আটে অবস্থান করছে, তাদের পিছনে ফেলার বাস্তবসম্মত সুযোগ অন্য দলগুলোর নেই, এবং তাই সাত সপ্তাহেরও কম সময় বাকি থাকায় তাদের আশা জিইয়ে রাখা সম্ভব।

দুই স্বাগতিক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ে ইতোমধ্যে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। ফলে ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

রোববার (৯ আগস্ট) বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আফগানিস্তান শীর্ষ আটে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে। এই ফলের পর সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে—অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ।

এখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব এড়িয়ে সরাসরি মূল পর্বে খেলা প্রায় নিশ্চিত। আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ৩০ সেপ্টেম্বরের কাট-অফের পর বাংলাদেশের জায়গা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হবে।

অন্যদিকে, দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দীর্ঘ বাছাই পর্ব পাড়ি দিতে হবে। ক্যারিবীয় দলটি বর্তমানে র‍্যাঙ্কিংয়ে ১০ নম্বরে অবস্থান করছে। কাট-অফের আগে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের বাকি দুটি ওয়ানডে জিতলেও, শীর্ষ আটে ওঠার তাদের কোনও সুযোগ নেই। ফলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলতে হবে তাদের।

এ নিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ চক্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বাছাইপর্ব মোকাবেলা করতে হচ্ছে। ২০২৩ বিশ্বকাপে ক্যারিবীয়রা বাছাই পর্ব পেরোতে পারেনি এবং সুপার সিক্স পর্বে পঞ্চম হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সুযোগ হারিয়েছে। ওই ব্যর্থতার কারণে ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও তারা খেলতে পারেনি। ২০১৩ সালের পর এটি ছিল তাদের প্রথম অনুপস্থিতি।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

২০২৭ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আয়ারল্যান্ড নন-হোস্ট পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচে থাকা দুই দল হিসেবে অংশ নেবে। তাদের সঙ্গে থাকবে ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ-২ এবং কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ থেকে উঠে আসা দলগুলো।

এবার বিশ্বকাপে ওঠার নিয়মেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা পাবে। এছাড়া দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো একটি সুপার সিরিজ খেলবে, যেখানে বিজয়ী দলও বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।

তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে শেষ মুহূর্তে বড় কোনো পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশকে এই বাছাইপর্বের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে না। বাংলাদেশ সরাসরি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ হাতে রেখেছে।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অ্যামচেম প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অ্যামচেম প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)-এর একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে। অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্বে সংগঠনটির আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাক্ষাৎকালে তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। তিনি জানান, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমধ্যসাগর থেকে ১৫ বাংলাদেশিকে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


ভূমধ্যসাগর থেকে ১৫ বাংলাদেশিকে উদ্ধার

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার সময় সাগরে ভাসমান অবস্থায় থাকা ১৫ বাংলাদেশি নাগরিক ও ৩২ মিশরীয় নাগরিকসহ মোট ৪৭ জনকে উদ্ধার করেছে ডেনমার্কের বাণিজ্যিক জাহাজ ‘মায়েরস্ক’। পরে উদ্ধার করা ব্যক্তিদের মিশরীয় নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। নৌবাহিনী তাদের পোর্ট সাঈদ সিকিউরিটি সেন্টারে নিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তৎক্ষণাত পদক্ষেপ নেয়। সম্প্রতি দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে এবং প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জাকির হোসেন পোর্ট সাঈদে গিয়ে সুয়েজ ক্যানাল কর্তৃপক্ষের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং পোর্ট সাঈদ সিকিউরিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ সময়, হেফাজতে থাকা বাংলাদেশিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি তাদের আইনি সহায়তা এবং দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পোর্ট সাঈদ সিকিউরিটি সেন্টারের পুলিশ প্রধান দূতাবাসের কর্মকর্তাদের জানান, উদ্ধার হওয়া ১৫ বাংলাদেশি নাগরিক তাদের হেফাজতে রয়েছেন। পরে দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তারা পৃথকভাবে লিবিয়ায় যান। সেখানে অবস্থানকালে ইউরোপে অনিয়মিতভাবে প্রবেশের উদ্দেশ্যে কেউ কেউ মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আবার অনেকেই লিবিয়ার বিভিন্ন মাফিয়া চক্রের হাতে আটক হওয়ার পর তাদের মাধ্যমে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্যোগ নেন।

এ উদ্দেশ্যে, পাচারকারীদের সঙ্গে মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেন। অর্থের জোগান দিতে কেউ কেউ বাংলাদেশে থাকা জমিজমা বিক্রি করেছেন বলেও জানান। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেত্রবিশেষে প্রত্যেকে ১০ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেছেন।

আটক বাংলাদেশিরা জানান, ১০ জুলাই দিবাগত রাতে মিশরীয় নাগরিকসহ মোট ৪৭ জন একটি রাবারের নৌকায় করে লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। নৌকাটি স্পিডবোটের ইঞ্জিনে চলছিল, তবে এতে কোনো নেভিগেশন ব্যবস্থা ছিল না। তাদের জানানো হয়েছিল, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছাতে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা সময় লাগবে।

কিন্তু নেভিগেশন ব্যবস্থা না থাকায় নৌকাটি দিক হারিয়ে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ভূমধ্যসাগরে ঘুরতে থাকে। একপর্যায়ে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় নৌকাটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে সাগরে ভাসতে থাকে।

অতএব, প্রায় দুই দিন তিন রাত পর্যাপ্ত খাবার ও পানীয় জল ছাড়াই সাগরে ভাসতে হয় তাদের। জীবন বাঁচাতে আরো রাতে দূরে কোনো জাহাজের আলো দেখা গেলে মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে সাহায্যের সংকেত দেওয়ার চেষ্টা করেন তারা।

অবশেষে, ডেনমার্কের বাণিজ্যিক জাহাজ ‘মায়েরস্ক’ তাদের উদ্ধার করে এবং মিশরীয় নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। পরে নৌবাহিনী তাদের পোর্ট সাঈদ সিকিউরিটি কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানান্তর করে।

দীর্ঘ সময় প্রতিকূল পরিবেশে সমুদ্রে অবস্থানের কারণে ১৫ বাংলাদেশির অনেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়েন। গ্রিসে পৌঁছানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তারা হতাশ হলেও বর্তমানে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

পোর্ট সাঈদ সিকিউরিটি সেন্টারে হেফাজতে থাকা ১৫ বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন—মুন্সিগঞ্জের মো. শাওন খান, সুনামগঞ্জের মো. সাজুর আহমেদ, সুনামগঞ্জের সুলেমান মিয়া, হবিগঞ্জের মো. সবুজ আহমেদ, হবিগঞ্জের মো. সারওয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জের মো. সেলিম হোসেন, ফরিদপুরের মো. সাইম শেখ, কিশোরগঞ্জের মো. তোফায়েল হোসেন, হবিগঞ্জের জয় শেখ, সিলেটের জয়নাল উদ্দিন, হবিগঞ্জের আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, সুনামগঞ্জের মো. মেহেদী হাসান, সুনামগঞ্জের মো. মাসুম মিয়া, হবিগঞ্জের মো. শিহাব উদ্দিন এবং তুহিন মিয়া।

দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জাকির হোসেন জানান, মিশরের সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব নাগরিকের কাছে বৈধ পাসপোর্ট নেই, তাদের দেশে ফেরানোর জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (টিপি) ইস্যুর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মিত সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকার পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে না পড়তে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ অক্টোবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ অক্টোবর

 

দুর্নীতি, প্রতারণা ও অবৈধ বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।

কিন্তু এ দিন তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে সক্ষম হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়েরের আবেদন করেছিলেন।

ওই দিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে দুদককে বিষয়টির তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অধিগ্রহণ করে। এসব শেয়ার ব্যাংকটির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ, যার মূল্য ২৫১ কোটি টাকা।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা।

এ অবস্থায় ৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণকে আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে ও পরস্পর যোগসাজশে জনগণের অর্থে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ওই লেনদেন সম্পন্ন করেছেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ২৪টি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি অধিগ্রহণ করেছে। এসব কোম্পানির অনেকগুলোই এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শেয়ার স্থানান্তরের প্রক্রিয়া, অর্থের উৎস এবং ক্রয়-বিক্রয়ের তারিখ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, শেয়ার বিক্রি ও ক্রয়ের তারিখ উভয় পক্ষের ক্ষেত্রেই একই দিন ছিল।

এতে শেয়ার হস্তান্তরের পুরো প্রক্রিয়াটি পূর্বপরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়েছে, এস আলম গ্রুপ, এর মালিক ও সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিরা, ২৪টি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি এবং তাদের নিয়োগ করা পরিচালকরা সম্মিলিতভাবে ইসলামী ব্যাংকের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। এ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছাড়াও ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপ ও এস আলম সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির তৎকালীন কয়েকজন পরিচালক রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠোঁট নিয়ে বিতর্কের মাঝে ২৯ বছর বয়সেই ৮ হাজার কোটি টাকার মালিক কিশোরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


ঠোঁট নিয়ে বিতর্কের মাঝে ২৯ বছর বয়সেই ৮ হাজার কোটি টাকার মালিক কিশোরী

আন্তর্জাতিক বিনোদনজগতের আলোচিত তারকা কাইলি জেনার। নানা কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন, কখনো তার ঠোঁটের আকৃতি, কখনো প্রসাধনী ব্যবসার বিপুল সাফল্য নিয়ে, আবার কখনো প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে। যদিও তিনি কার্ডাশিয়ান-জেনার পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য, তবুও নিজের পরিচয়কে শুধুমাত্র পারিবারিক খ্যাতিতে সীমাবদ্ধ রাখেননি কাইলি। বরং, গত এক দশকে নিজের নামকে একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ডে রূপান্তরিত করেছেন।

১০ আগস্ট তিনি ২৯ বছরে পা দিয়েছেন। জন্মদিন উপলক্ষে বেভারলি হিলসের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় ‘প্রিন্সেস কিটি’ থিমের বিশেষ পার্টি। সেখানে গোলাপি সাজে হাজির ছিলেন কিম কার্ডাশিয়ান, ক্লোয়ি কার্ডাশিয়ান, কেন্ডাল জেনার ও হেইলি বিবারসহ কাইলির ঘনিষ্ঠজনেরা। তবে কাইলির দীর্ঘদিনের প্রেমিক টিমোথি শ্যালামে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কাইলির পরিচিতির শুরুটা ছিল রিয়েলিটি শো ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কার্ডাশিয়ানস’। ছোট বয়স থেকেই ক্যামেরার সামনে বেড়ে উঠা কাইলি, তিনি ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন, শুধু রিয়েলিটি শোর তারকা হওয়া যথেষ্ট নয়। নিজের জনপ্রিয়তাকে ব্যবসায় কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেন তিনি।

২০১৫ সালে, কাইলি নিজের উপার্জনের ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করে শুরু করেন ‘কাইলি কসমেটিকস’। প্রথম পণ্য ছিল লিপ কিট লিপ লাইনার ও লিপস্টিকের একটি জুটি। প্রথম দফার ১৫ হাজার কিট দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়।

কাইলির ব্যবসার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার নিজের জনপ্রিয়তা। ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবি, মেকআপের ভিডিও এবং নতুন পণ্যের প্রচারণাকে তিনি সরাসরি ব্যবসার বিপণন কৌশলে পরিণত করেন। ফলে একটি প্রসাধনী পণ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় তারকার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড।

এই ব্যবসায়িক মডেল পরবর্তী সময়ে অসংখ্য তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সার অনুসরণ করতে শুরু করেন। কাইলির ব্যবসায়িক জীবনের বড় মোড় আসে ২০২০ সালে। ওই বছর সৌন্দর্যপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ৫১ শতাংশ অংশীদারত্ব ৬০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। ফোর্বসের হিসাবে, এই চুক্তির আগে কাইলির আয় ছিল আনুমানিক ৫৪০ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে তিনি কোম্পানির প্রায় ৪৪ শতাংশ মালিকানা ধরে রাখেন।

এর আগে ২০১৯ সালে ফোর্বস কাইলিকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী ‘সেলফ-মেড বিলিয়নিয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী বছর সেই হিসাব প্রশ্নের মুখে পড়ে। ফোর্বস জানায়, কাইলি কসমেটিকসের প্রকৃত বিক্রি ও ব্যবসার আকার পরিবারটির দেওয়া হিসাবের তুলনায় অনেক ছোট ছিল। পরে তার সম্পদের হিসাব নতুন করে করে কাইলিকে আর বিলিয়নিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেনি সাময়িকীটি।

২০২০ সালে ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী কাইলির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯০০ মিলিয়ন ডলারের সামান্য কম। তবে কাইলি ও তার প্রতিনিধিরা অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেন। কাইলির দাবি ছিল, বিলিয়নিয়ার পরিচয় পাওয়ার জন্য তিনি কখনো মিথ্যা বলেননি।

ফোর্বসের ২০২৫ সালের হিসাবে কাইলি জেনারের সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৬৭০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। কাইলির ব্যবসার পরিধি এখন প্রসাধনীর গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক দূর। ‘কাইলি কসমেটিকস’-এর পাশাপাশি রয়েছে ‘কাইলি স্কিন’। এছাড়া পানীয় ও পোশাকের ব্যবসাতেও যুক্ত হয়েছেন তিনি।

২০২৩ সালে চালু হওয়া তার পোশাকের ব্র্যান্ড সাম্প্রতিক সময়ে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ২০২৬ সালে ব্র্যান্ডটির ব্যবসায়িক মডেল ও নকশায় পরিবর্তন এনে নতুনভাবে বাজারে ফিরেছেন কাইলি। লক্ষ্য হল, দ্রুত বদলে যাওয়া ফ্যাশন ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও নিজস্ব পরিচয় তৈরি করা।

ব্যবসার বিভিন্ন পর্যায়েও ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত থাকেন কাইলি। পণ্যের নমুনা দেখা থেকে শুরু করে অনুপ্রেরণার বোর্ড তৈরি, ব্র্যান্ডের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে।

কাইলিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠার আগেই। কিশোরী বয়সে তার ঠোঁট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। হঠাৎ ঠোঁটের আকৃতি বদলে যাওয়ার পিছনে কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।

২০১৫ সালে কাইলি স্বীকার করেন, তিনি ঠোঁটে অস্থায়ী ফিলার নিয়েছিলেন। তার ভাষ্য ছিল, এটি ছিল তার নিজের অনিশ্চয়তার একটি জায়গা এবং তিনি সেটি পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন।

পরবর্তীতে তার ঠোঁটই হয়ে ওঠে ব্যবসার অন্যতম পরিচয়ের অংশ। কাইলিকে অনুসরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ‘কাইলি জেনার চ্যালেঞ্জ’। অনেকে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ঠোঁট ফুলিয়ে তার মতো দেখানোর চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে কাইলিকেই ভক্তদের সতর্ক করতে হয়, যেন কেউ বিপজ্জনক পদ্ধতি ব্যবহার না করেন।

কাইলির জনপ্রিয়তার সঙ্গে বিতর্কও কম নেই। তার মোটা ঠোঁট, নির্দিষ্ট মুখের গড়ন ও শরীরের আকৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সৌंदर্যের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছে বলে সমালোচনা রয়েছে।

২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এএসএ কাইলির ছবি ব্যবহার করে প্রচারিত কয়েকটি প্রসাধনী চিকিৎসার বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করে। ওই বিজ্ঞাপনগুলোতে কাইলির মতো দেখতে হওয়ার দাবি করা হয়েছিল।

তবে সময়ের সঙ্গে সৌন্দর্য নিয়ে কাইলির নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন এসেছে। ২০২৩ সালে ‘দ্য কার্ডাশিয়ানস’-এর একটি পর্বে তিনি সৌন্দর্যের মানদণ্ড নিয়ে পরিবারের আরও বড় ধরনের আলোচনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। নিজের অতীতের প্রসাধনী পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মেয়ের ওপর একই ধরনের চাপ না পড়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

কাইলির ব্যক্তিজীবনও বরাবরই আলোচিত। তরুণ বয়সে র‍্যাপার টাইগার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। ২০১৬ সালে সেই সম্পর্ক ভাঙে। এরপর ২০১৭ সালে র‍্যাপার ট্রাভিস স্কটের সঙ্গে কাইলির সম্পর্কের খবর সামনে আসে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের প্রথম সন্তান স্টর্মির জন্ম হয়। ২০২২ সালে জন্ম নেয় তাদের দ্বিতীয় সন্তান, ছেলে আইয়ার। তবুও কাইলি ও ট্রাভিসের সম্পর্ক ছিল বারবার ভাঙা-গড়ার। ২০১৯ সালে বিচ্ছেদের পর আবার সম্পর্ক জোড়া লাগলেও ২০২৩ সালের শুরুতে তারা ফের আলাদা হয়ে যান।

তখন তাদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছিল, দুজনের জীবনযাপন ছিল অনেকটা আলাদা। কাইলি ছিলেন সন্তান ও পরিবারকেন্দ্রিক, আর ট্রাভিসের জীবন ছিল স্টুডিও, রাতের অনুষ্ঠান ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোকে কেন্দ্র করে।

ট্রাভিস স্কটের পর কাইলির জীবনে সবচেয়ে আলোচিত নাম টিমোথি শ্যালামে। ২০২৩ সালে তাদের সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। শুরুতে এ জুটি অনেকের কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত। একদিকে রিয়েলিটি টিভি ও ব্যবসার কাইলি, অন্যদিকে হলিউডের অন্যতম আলোচিত অভিনেতা শ্যালামে।

তবে সময়ের সঙ্গে সম্পর্কটি টিকে গেছে। পিপলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন বছরের বেশি সময় ধরে একসঙ্গে থাকা কাইলি ও টিমোথি এখনো সম্পর্কে আছেন। বিয়ের ব্যাপারে তারা তাড়াহুড়া করছেন না বলে জানা গেছে।

চলতি বছর অস্কার, ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ও বিশ্বকাপ ফাইনালসহ বেশ কিছু বড় আয়োজনে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। কাইলির বিতর্কের তালিকায় তার ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে। ২০২২ সালে খুব স্বল্প দূরত্বের একটি ব্যক্তিগত বিমানযাত্রার তথ্য সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিশেষ করে পরিবেশের ওপর ব্যক্তিগত জেটের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন হয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়।

তবে এসব বিতর্ক কাইলির জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলেনি। বরং অনেকক্ষেত্রে বিতর্কই তার নামকে আরও বেশি মানুষের সামনে নিয়ে এসেছে। কাইলির ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের অন্যতম বড় শক্তি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারী। ২০২৬ সালের হিসাবে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৩৯ কোটি।

এ বিশাল অনুসারী কাইলির ব্যবসাগুলোর জন্য কার্যত সরাসরি বিপণনশক্তি হিসেবে কাজ করে। নতুন কোনো লিপস্টিক, পোশাক, সুগন্ধি কিংবা পানীয় বাজারে আনলে, কাইলি যখন নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন, তখন সেটি মুহূর্তেই কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

কাইলির ব্যবসায়িক মডেলের বিশেষত্ব এখানেই। তিনি শুধু পণ্য বিক্রি করেন না; বরং নিজের জীবনধারা, চেহারা, ফ্যাশন ও পরিচিতিকেও পণ্যের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

২৯ বছরে কাইলি জেনারের পরিচয় এখন আর শুধু ‘কার্ডাশিয়ান-জেনার পরিবারের ছোট মেয়ে’ নয়। তিনি বর্তমানে উদ্যোক্তা, প্রসাধনী ব্যবসার মালিক, ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম প্রভাবশালী তারকা। একই সঙ্গে তিনি দুই সন্তানের মা।

মেয়ে স্টর্মি ও ছেলে আইয়ার এখন তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যবসা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিজের প্রতিষ্ঠানগুলো সন্তানদের হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্নের কথাও জানিয়েছেন কাইলি। বিশেষ করে কাইলি কসমেটিকসকে তিনি দীর্ঘস্থায়ী পারিবারিক ব্র্যান্ড হিসেবে দেখতে চান।

ব্যবসায়িক সাফল্য, প্রেম, বিতর্ক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিপুল প্রভাব সব মিলিয়ে ২৯ বছর বয়সেও কাইলি জেনার বিনোদন ও ব্যবসাজগতের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। তার জন্মদিনের আয়োজন যেন আবারো তারই প্রমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%