ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী রিমান্ডে


আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মী রিমান্ডে

রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় জড় হয়ে মিছিলের পরিকল্পনা, রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান, নাশকতার পরিকল্পনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ১৪ জন নেতাকর্মীকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. মিরাজুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা ৩ দিনের রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. মোস্তফা সরদার (৪১), মো. রাশেদ (২৮), ঢাকা ৪৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজীব (৪০), মো. সেলিম মিঞা (৫২), আব্দুস সামাদ রনি (৪৪), মো. মমিন হাওলাদার (৩৯), মো. জিহাদ (২০), রসুলপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সদস্য মহিউদ্দিন (৩৫), যুবলীগ কর্মী মো. রাহাদ (১৯), রাতুল (২২), মো. মারুফ (১৯), মো. রায়হান (১৯), সানি (২২) এবং নাজমুল হাসান হৃদয় (২০)।

এদিন আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকুসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পুরানা পল্টন এলাকার আজাদ প্রোডাক্টস গলির মুখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০০ থেকে ১২০ জন নেতাকর্মী অবৈধভাবে সমবেত হয়ে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করেন। খবর পেয়ে পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয় এবং তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা, নাশকতায় অর্থায়নকারী বা ‘গডফাদারদের’ চিহ্নিত করা এবং ব্যবহৃত মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধারের স্বার্থে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে সাত দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

উল্লেখ্য, একই ঘটনায় জড়িত ৪ জন শিশু হওয়ায় তাদের শিশু সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট সীমান্তে ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও পিকআপ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


সিলেট সীমান্তে ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও পিকআপ উদ্ধার

সিলেটের জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) ৩৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে ৭৫০ কেজি ভারতীয় জিরা, একটি পিকআপ, ৪০০ কেজি চিনি, ২৮০ কেজি চা-পাতা, দুটি মহিষ এবং একটি গরু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরাইঘাট বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক টহলদল সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্ত থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সুরাইঘাট বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৭৫০ কেজি ভারতীয় জিরা ও একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। জব্দ করা জিরা ও পিকআপের সিজারমূল্য ২৯ লাখ টাকা।

এছাড়া, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর ও সুরাইঘাট বিওপির পৃথক আভিযানিক টহলদল জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪০০ কেজি চিনি, ২৮০ কেজি চা-পাতা, দুটি মহিষ ও একটি গরু জব্দ করা হয়। এসব মালামালের সিজারমূল্য ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

দুটি অভিযানে জব্দ করা মালামালের সর্বমোট সিজারমূল্য ৩৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জব্দ করা মালামাল কাস্টমসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য ১০ দফা সুপারিশ দিল গ্রিন ভয়েসেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য ১০ দফা সুপারিশ দিল গ্রিন ভয়েসেস

গ্রিন ভয়েসেস প্রকল্প বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নীতি ও পরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়নকে জোরদার করার জন্য ১০টি অগ্রাধিকারভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করেছে।

জাতিসংঘের ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-৩১) উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের কাছে এই সুপারিশগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে।

গত ১৮ অক্টোবর, মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন অনুবিভাগের প্রধান ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ সাফিউল্লাহর কাছে সুপারিশগুলো তুলে ধরা হয়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের (সিথ্রি-ইআর) সহযোগিতায় তৈরি এই সুপারিশের উদ্দেশ্য হলো, সরকারের কপ-৩১ অবস্থানপত্রে উল্লেখিত অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিমাপযোগ্য উদ্যোগে রূপান্তরিত করতে সহায়তা করা।

জাতীয় নীতি বিশ্লেষণ, জলবায়ু অর্থায়নসংক্রান্ত মূল্যায়ন এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই সুপারিশগুলো গঠন করা হয়েছে। এতে জলবায়ু অভিযোজন, অর্থায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা, নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ পরস্পর সম্পর্কিত ১০টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী নীতি ও বিনিয়োগ কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর

সুপারিশে বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) বাস্তবায়নকে আরও কার্যকর করার সুপারিশ করা হয়েছে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ, অর্থায়নের ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের কার্যকর পদ্ধতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোজন কার্যক্রমের সুফল কারা কতটা পাচ্ছে, তা মূল্যায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সূচক এবং নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন জনগণের পৃথক তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এতে জলবায়ু প্রকল্পের সুবিধা বণ্টনে বৈষম্য শনাক্ত করা এবং পিছিয়ে থাকা জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা সহজ হবে।

সহজ ও স্বচ্ছ জলবায়ু অর্থায়নের দাবি

জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে আরও সহজলভ্য, পূর্বানুমানযোগ্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে গ্রিন ভয়েসেস। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে চিহ্নিত অভিযোজনের প্রয়োজনগুলোতে অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ পাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রকল্প তৈরি, বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের প্রয়োজনকে জলবায়ু বিনিয়োগের পরিকল্পনায় আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রকল্পটি।

ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ ও নথি সংরক্ষণ জরুরি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী তথ্য-প্রমাণ ও নথি তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে সুপারিশে। জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, জীবিকার ক্ষতি এবং অর্থের অঙ্কে সহজে পরিমাপ করা যায় না—এমন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য ক্ষতির তথ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এসব তথ্য নীতিনির্ধারণ, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের দাবি উপস্থাপনে সহায়ক হতে পারে।

নারীদের নেতৃত্ব, তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ এবং উপযুক্ত প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিও সুপারিশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু উদ্যোগ বাস্তবায়নে এসব উপাদানকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

সুপারিশকে স্বাগত মন্ত্রণালয়ের

সুপারিশ উপস্থাপনের সময় মোহাম্মদ নাভিদ সাফিউল্লাহ উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। কপ-৩১ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক ও তথ্য-প্রমাণনির্ভর সুপারিশের প্রাসঙ্গিকতাও তিনি স্বীকার করেন। বৈঠকে বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার এবং গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কীভাবে চলমান নীতিপ্রক্রিয়া ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

গ্রিন ভয়েসেসের বৃহত্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষণা, নীতিসংলাপ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে জলবায়ু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব বাড়াতে কাজ করছে প্রকল্পটি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা জনগণের অভিজ্ঞতা জাতীয় নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করছে তারা।

নারী ও তরুণদের নেতৃত্বে জলবায়ু উদ্যোগ

‘গ্রিন ভয়েসেস: এমপাওয়ারিং উইমেন অ্যান্ড ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন ইন বাংলাদেশ’ নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত একটি কনসোর্টিয়াম উদ্যোগ। এতে সহযোগী হিসেবে রয়েছে বনহিশিখা ও দ্য আর্থ সোসাইটি।

প্রকল্পটি নারীদের জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজন জোট—উইমেনস ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন অ্যালায়েন্সের (শেরা) কার্যক্রমেও সহায়তা করে। জলবায়ুনীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের নেতৃত্ব এবং অংশগ্রহণ বাড়ানো এ নেটওয়ার্কের অন্যতম লক্ষ্য।

গ্রিন ভয়েসেসের গবেষণা সহযোগী হিসেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিথ্রি-ইআর জলবায়ুনীতি বিশ্লেষণ ও তথ্য-প্রমাণ তৈরিতে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে জাতীয় নীতির অগ্রাধিকারের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তব প্রয়োজনের সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কপ-৩১ সামনে রেখে গবেষণা, বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ ও জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের অভিজ্ঞতাকে একত্র করে বাংলাদেশের জলবায়ুনীতি প্রক্রিয়ায় অবদান রাখতে চায় গ্রিন ভয়েসেস। সম্মেলনের প্রস্তুতির পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে জলবায়ু কার্যক্রমের বাস্তবায়নেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে চায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ১০৭ চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


চট্টগ্রামে ১০৭ চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ চুরি হওয়া ১০৭টি মোবাইল উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইল তাদের মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছেন পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি মালিকদের হাতে মোবাইলগুলো তুলে দেন।

মাসুদ আলম এ সময় বলেন, "জনগণের সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, হারানো মালামাল উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনমুখী পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।" তিনি আরও জানান, আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানায় দায়েরকৃত মোবাইল হারানো সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে পরিচালিত নিবিড় অনুসন্ধানের মাধ্যমে ১০৭টি মোবাইল ফোন সফলভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল এলঅ্যান্ডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল এলঅ্যান্ডটি

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম প্যাকেজের নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের চুক্তি ভারতের শীর্ষস্থানীয় অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) অর্জন করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, তাদের পরিবহন ব্যবসা বিভাগ ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এই কাজের চুক্তি পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের এই চুক্তিকে বড় চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের কাজ পেয়েছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নে এলএন্ডটি'র ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্লাস্ট্রাকচার বিভাগ জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান সুমিটমো কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করবে। চুক্তির আওতায় রেলপথ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (পিএসডি) স্থাপনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এলঅ্যান্ডটি এর আগে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলওয়ে সিস্টেম প্যাকেজের কাজও পেয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি ওই প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে এলঅ্যান্ডটি'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ট্রান্সপোর্টেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের প্রধান রামকুমার এস বলেন, "ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর কাছ থেকে বারবার অর্ডার পাওয়াটা বিশ্বব্যাপী বৃহৎ পরিসরের, সমন্বিত নগর গণপরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটি'র সক্ষমতারই প্রমাণ।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোর কাজও প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে, যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।

উল্লেখ্য, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পটি প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রদান করবে। এই প্রকল্পের মধ্যে কমলাপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত এয়ারপোর্ট রুট এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে ১৯টি স্টেশন ও পিতালগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%