ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষিত


জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মাসব্যাপী। ২৯ জুন সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ে ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি আরও বলেছেন, জুলাই মাসজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। এছাড়া আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীতে একটি ঐতিহাসিক গণমিছিল করবে জামায়াতে ইসলামী।

সেলিম উদ্দিন মন্তব্য করেন, সংবিধান সংস্কারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না করে সরকার জাতীয় ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করেছে। তিনি যোগ করলেন, জুলাই কেবল একটি মাস নয়, এটি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হুংকার এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও জানান, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় আসার আগে জুলাইকে ঘিরে যে কথা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তাদের অবস্থান তার বিপরীত। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেলিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত يوليوভিত্তিক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা পালন করবে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ১ থেকে ১০ জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন, ১১ থেকে ১৬ জুলাই শহিদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়সভা, ১৭ থেকে ৩০ জুলাই শাহাদাতের ঘটনাস্থলভিত্তিক আলোচনাসভা ও চিত্র প্রদর্শনী, ২৪ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানকে স্মরণ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সমাবেশ, ৩১ জুলাই মসজিদে মসজিদে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মাহফিল, ১ থেকে ৪ আগস্ট ওলামা, শ্রমিক ও মহিলা সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে ঐতিহাসিক গণমিছিল।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে বিনিয়োগের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে বিনিয়োগের আহ্বান

বাংলাদেশ সমন্বিত নীতি ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে। আজ সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞ ও নীতি-নির্ধারকরা গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, সামুদ্রিক বায়োটেকনোলজি এবং মূল্য সংযোজিত সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণে কৌশলগত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

সুনীল অর্থনীতির ওপর আয়োজিত এই সেমিনারে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বাংলাদেশকে ভূমি-কেন্দ্রিক উন্নয়ন মডেল থেকে সরে এসে বঙ্গোপসাগরকে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মৎস্য, সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ, লজিস্টিকস এবং রপ্তানি একটি একক সমন্বিত মূল্য শৃঙ্খলের অংশ। এ খাতগুলোর উন্নয়নে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।’

মিডা এবং জাইকা বাংলাদেশ যৌথভাবে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে মৎস্য ও সামুদ্রিক অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।

মাতারবাড়ি ও মহেশখালীকে ভবিষ্যতের সামুদ্রিক শিল্প উন্নয়নের কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করে আশিক চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাতের চাহিদা অনুযায়ী একটি সমন্বিত বিনিয়োগ প্যাকেজ তৈরি করতে মিডা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর নীতিমালার মধ্যে সমন্বয় সাধনে কাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপ এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান মৎস্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশেদ আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সামুদ্রিক সম্পদ থেকে বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। তবে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে এই আয় দ্বিগুণ, এমনকি তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ ব্লু-ইকোনমি চারটি স্তম্ভের ওপর গড়ে তোলা উচিত: প্রকৃতির সাথে সাদৃশ্য, জলবায়ু নিরপেক্ষতা, টেকসই উপকূলীয় জনগোষ্ঠী এবং সমন্বিত শাসন ব্যবস্থা।

বাংলাদেশের অব্যবহৃত সামুদ্রিক সম্পদের কথা তুলে ধরে খুরশেদ আলম বলেন, দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা থাকা সত্ত্বেও মৎস্য উৎপাদনের মাত্র ১৫-১৬ শতাংশ আসে সামুদ্রিক মৎস্য খাত থেকে।

তিনি বলেন, প্রচলিত মাছ ধরার নৌকাগুলো উপকূল থেকে মাত্র ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যেতে পারে। ফলে বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (ইইজেড)-এর বড় অংশই কার্যত অব্যবহৃত থেকে যায়।

তিনি আধুনিক গভীর সমুদ্রগামী মাছ ধরার জাহাজে বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত মূল্যবান টুনাসহ বড় আকারের বিভিন্ন মাছের প্রজাতি এখনও পর্যাপ্তভাবে আহরণ করা হয় না।

খুরশেদ আলম সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তির সম্ভাবনার ওপরও গুরুত্বারোপ করে বলেন, সমুদ্রভিত্তিক সম্পদ ব্যবহার করে ওষুধ, ওমেগা-৩ খাদ্য-পরিপূরক, প্রসাধনী, সামুদ্রিক শৈবাল থেকে অ্যাগার এবং গবাদিপশু ও মাছের খাদ্য উৎপাদন সম্ভব। এর মাধ্যমে নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টি হবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে।

আইসল্যান্ডের মৎস্য খাতের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, মাছের প্রতিটি অংশের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে উচ্চমূল্যের শিল্প ও ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশও রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে।

তিনি সামুদ্রিক শিল্পে আর্থিক প্রণোদনা, উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলে উন্নত অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন এবং দেশের সামুদ্রিক অর্থনীতি সম্পর্কে গণমাধ্যমে আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ দ্রুত দেশে ফেরত আনার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের করভার লাঘব, কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার এবং দেশীয় শিল্প ও বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রসারে একাধিক জনবান্ধব সংশোধনী প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব করেন। ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ কর বছরের জন্য প্রস্তাবিত সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হলেও প্রধানমন্ত্রী তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার অনুরোধ জানান। ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য তা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।

তিনি কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহার করতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

দেশের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতের উন্নয়ন নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর ১০ শতাংশ কর হ্রাস করে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন। তবে, এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদার করা এবং শিক্ষার্থীদের বহুভাষায় পারদর্শী করতে ল্যাংগুয়েজ ল্যাব স্থাপনের আহ্বান জানান। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেওয়ারও আবেদন রাখেন।

এ সময় সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য পার্বত্য তিন জেলায় তাদের পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকা-ের আয় ও পাহাড়ি এবং সমতল অঞ্চলগুলির ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তিদের বেতনভোগী আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও আমদানি শুল্ক হ্রাস নিয়ে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের চিংড়ি চাষের প্রসার ও রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য আমদানিতে সকল ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন।

এছাড়া, স্থানীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা, ওষুধ ও স্থানীয় শিল্পে ব্যবহৃত মধুর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার এবং পিভিসি ও পেট রেজিনের ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। ফায়ার ডোর উৎপাদনের কাঁচামাল কোল্ড রোল্ড শিট এর ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্কার প্রত্যাহারও অনুরোধ করেন।

বৈদ্যুতিক তার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের রিফাইন কপার আমদানির ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্কার প্রত্যাহার এবং ক্যাশনাট প্রসেসিং শিল্পের কাঁচামাল অপ্রক্রিয়াজাত বাদামের ১৫ শতাংশ কাস্টমস শুল্ক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

জানান, স্থানীয়ভাবে এলইডি ল্যাম্প এবং প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড বিল্ডিং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানির রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বর্ধিত করার অনুরোধ করেন।

ব্যবসায়ীবান্ধব ভ্যাট ব্যবস্থা প্রণয়নের জন্য স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও রৌপ্য অলংকারের ভ্যাটের হার পুনর্নির্ধারণ এবং কিছু ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ফ্রিল্যান্সার ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার ৫শ কোটি টাকার বাজেট রেখেছে।’

এ ছাড়াও, আইডিয়াল ভ্যাট প্রদানের কিছু ক্ষেত্রে কো-এফিশিয়েন্ট দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রীকে।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাইকেলের ওপর সকল শুল্ক প্রত্যাহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলের নেতার প্রস্তাবটি আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিবেচনা করার জন্য অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট বক্তব্যের প্রথমে অংশ নেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

এরপর সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে ১৩ দেশে অনুরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


বিদেশে পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে ১৩ দেশে অনুরোধ

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে। সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, এই রিকোয়েস্টগুলোর মধ্যে অনেকগুলো চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে দেশের আর্থিক খাত, বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য বর্তমান বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধীদলীয় নেতাও ফ্যাসিবাদের আমলে দেশ থেকে যে অর্থ পাচার হয়ে গেছে তা ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার এরইমধ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে এবং শুধু তাই নয়, এই মিউচুয়াল লিগ্যাল এসিসটেন্স ট্রিটি চূড়ান্ত হয়েছে অনেকগুলো।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘১৫টিরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যারা এই কাজগুলো করে তাদের সঙ্গে ৬০টিরও বেশি নন-ডিসপোজাল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করে ফেলেছে সরকার।’

তিনি জানান, বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক আইন-কানুনের মাধ্যমে যত দ্রুত এবং যত বেশি সম্ভব পাচার করা সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঁজিবাজারে লেনদেন সামান্য কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


পুঁজিবাজারে লেনদেন সামান্য কমেছে

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার পুঁজিবাজারে সূচকের মধ্যে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে, যা লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এর লেনদেন কমেছে।

ডিএসই এবং সিএসইয়ের সূত্রমতে, বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসই এর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭২২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, অন্য দুটি সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১১৫৬ ও ২১৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন, ডিএসইতে এক হাজার ৩৫১ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২০ কোটি টাকা কম। আগের দিন ডিএসইতে এক হাজার ৩৭১ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

সোমবার ডিএসইতে ৩৯৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৮টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, ১৫৮টির দাম কমেছে, এবং ৬৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩৫২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১০৫টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির কোম্পানির শেয়ার দর।

সোমবার সিএসইতে ৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১ কোটি টাকা কমেছে। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%