ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আল্লামা যাইনুল আবেদিন পেলেন পবিত্র কাবার গিলাফের অংশ


আল্লামা যাইনুল আবেদিন পেলেন পবিত্র কাবার গিলাফের অংশ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার জন্য একটি অনন্য গৌরব ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে এসেছেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা যাইনুল আবেদিন (দামাত বারাকাতুহুম)। তিনি পবিত্র মক্কার কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

আল্লামা যাইনুল আবেদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের পুরাতন চর চাষী গ্রামের বাসিন্দা। পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়ার এই ঘটনা গজারিয়া এবং পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় আনন্দের আবহ সৃষ্টি করেছে।

ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়াকে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ গজারিয়ার জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

আরও পড়ুন: সবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ

এদিকে, আল্লামা যাইনুল আবেদিনের এই অর্জনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সুধীসমাজে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে। এলাকাবাসী তাঁর এই সম্মাননা প্রাপ্তিতে আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেছেন।

বিশিষ্ট এই আলেমে দ্বীনের এমন প্রাপ্তিতে গজারিয়ার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে মসজিদ ও মুসলমানদের বাড়িঘর ভেঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ খেলাফত আন্দোলনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


ভারতে মসজিদ ও মুসলমানদের বাড়িঘর ভেঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ খেলাফত আন্দোলনের

ভারতের আসামে এক হাজার ১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ করা এবং বহু মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই নিন্দা জানানো হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। নেতারা বলেন, বনভূমি দখলমুক্ত করার নামে আসামের বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাভাষী মুসলমানদের ঘরবাড়ি থেকে বেছে বেছে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের ইবাদতের স্থান মসজিদসমূহও ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তারা ভারতের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই সেখানে বসবাস করে আসছেন।

এছাড়া, যেসব মসজিদ ভাঙা হয়েছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মসজিদ অর্ধশতাব্দী আগে নির্মিত। এমনকি দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ বন্ধ করার অপচেষ্টাও চলছে। নেতারা অভিযোগ করেন, এভাবে সারা ভারতে মুসলমানদের জানমাল ও মসজিদ-মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে নির্মূল অভিযান চালানো হচ্ছে।

খেলাফত মজলিস নেতারা আরো বলেন, ভারতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিজেপি ও আরএসএসের সাম্প্রদায়িক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কর্মকাণ্ড নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধর্মীয় উৎসব পালনে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে, অথচ ভারত সরকার তাদের সংখ্যালঘু মুসলমানদের জীবন ও সম্পদ ধ্বংসে মেতে উঠেছে। নেতারা ভারত সরকারকে অবিলম্বে মুসলিম নির্যাতন ও নির্মূল অভিযান বন্ধ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন; অন্যথায় এই রাষ্ট্রকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী, নুর হোসেন, হাফেজ মাওলানা নূরুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ, ড. আবু মুসাইব, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, মাওলানা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৩৫৪ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৩৫৪ জন গ্রেফতার

চট্টগ্রাম, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজ চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৬৪ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৪৪ জন, পুলিশ অ্যাক্ট ৩৪ ধারায় ১৬ জন, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ২৩ জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে সাত জন, পরোয়ানা মূলে ৯২ জন, সাজা পরোয়ানা মূলে ৯ জন রয়েছেন।

এছাড়া, মাদক মামলায় ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন মাদক বহনকারী এবং ২৯ জন মাদকসেবী। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ২৪ মাদক ব্যবসায়ীসহ অভিযানে মোট ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদক বিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৪৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১৭টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযানে ৬ হাজার ৬৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫১০ লিটার চোলাইমদ, ১০ কেজি ১৯০ গ্রাম গাঁজা, ১০ বোতল বিদেশী মদ ও ২৮ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সাত জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। জেলাভিত্তিক গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৪ জন, কুমিল্লায় এক জন এবং নোয়াখালীতে দুই জন রয়েছেন।

অন্যদিকে, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলা ভিত্তিক আটককৃত কিশোর গ্যাং সদস্যের সংখ্যা: চট্টগ্রাম ২৩, কক্সবাজার ১২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছয়, নোয়াখালী আট জন, লক্ষ্মীপুর ছয় জন, রাঙ্গামাটি দুই জন, খাগড়াছড়ি ১২ জন।

জনস্বার্থে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ, ১২৩তম অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ, ১২৩তম অবস্থান

আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের (ডব্লিউজেপি) প্রকাশিত ‘আইনের শাসন সূচক ২০২৬’-এ ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম। উন্নতির পরেও দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্কোর বৈশ্বিক গড়ের নিচে অবস্থান করছে।

সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ০.৩৯, যেখানে বৈশ্বিক গড় ০.৫৫। তবে এ বছর আইনের শাসন সূচকে বিশ্বের ১৫তম শীর্ষ অগ্রগতি অর্জনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ চিহ্নিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অগ্রগতির দিক থেকে দেশটি শীর্ষে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আইনের শাসনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এ অঞ্চলে শীর্ষে রয়েছে নেপাল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও ভারত রয়েছে। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে শুধুমাত্র পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশও সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ঘানা ৬২তম, কেনিয়া ১০০তম, লাইবেরিয়া ১০৩তম, সিয়েরা লিওন ১১০তম, নাইজেরিয়া ১২০তম এবং জিম্বাবুয়ে ১২২তম স্থানে রয়েছে।

বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে আইনের শাসনে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ইউরোপের দেশগুলো রয়েছে। সূচকের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও লুক্সেমবার্গ।

মৌলিক অধিকার ও দেওয়ানি বিচারে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

সূচকে আটটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে দেশগুলোর আইনের শাসন মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো—সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতির অনুপস্থিতি, মুক্ত সরকার, মৌলিক অধিকার, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, বিধি-বিধানের প্রয়োগ, দেওয়ানি বিচার এবং ফৌজদারি বিচার।

আটটি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশের উন্নতি ঘটেছে। এগুলো হলো সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতির অনুপস্থিতি এবং বিধি-বিধানের প্রয়োগ। বাকি পাঁচটি মানদণ্ডে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি ঘটেছে।

মৌলিক অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থা সবচেয়ে দুর্বল। এ খাতে ০.৩১ স্কোর নিয়ে ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে ১৩৩তম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দেওয়ানি বিচারেও দেশের অবস্থান দুর্বল। ০.৩১ স্কোর নিয়ে এ খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩২তম। এই মানদণ্ডে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার চিত্র মূল্যায়ন করা হয়।

মুক্ত সরকার ও নিরাপত্তায় তুলনামূলক ভালো অবস্থান রয়েছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো অবস্থান মুক্ত সরকার মানদণ্ডে। এ খাতে ০.৪২ স্কোর নিয়ে ১২৮তম স্থানে রয়েছে দেশটি। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা মানদণ্ডে ০.৫৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৪তম। এই মানদণ্ডে ব্যক্তি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সমাজের কার্যকারিতা পরিমাপ করা হয়।

বিধি-বিধানের প্রয়োগ বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকারিতা মানদণ্ডে ০.৫৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৪তম। ফৌজদারি বিচারে ০.৩৪ স্কোর নিয়ে ১১৯তম স্থানে রয়েছে দেশটি।

ঘুষ, অনুচিত প্রভাব ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের মাত্রা পরিমাপ করা ‘দুর্নীতির অনুপস্থিতি’ মানদণ্ডে বাংলাদেশের স্কোর ০.৩৪, অবস্থান ১১৯তম। অন্যদিকে আইনি জবাবদিহিতা পরিমাপক ‘সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা’ মানদণ্ডে ০.৩৮ স্কোর নিয়ে ৯৪তম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

সূচকের সামগ্রিক চিত্রে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি দেখা গেলেও মৌলিক অধিকার ও দেওয়ানি বিচারসহ পাঁচটি মানদণ্ডে অবনতি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশটির দুর্বলতাগুলো তুলে ধরেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতে ইসলামী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক: এটিএম মা’ছুম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


জামায়াতে ইসলামী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক: এটিএম মা’ছুম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম মন্তব্য করেছেন, ‘মানুষ ধোঁকা খেতে খেতে, শোষণ-বঞ্চনা আর নির্যাতনের শিকার হতে হতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাই সব দল থেকে মুখ ফিরিয়ে জামায়াত এখন মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে। মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

তিনি এসব কথা বৃহস্পতিবার ফেনী জেলা জামায়াতের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী রুকনদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন।

ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অপর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান।

কর্মশালায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমির পরিবেশবিজ্ঞানী নজরুল ইসলাম, ফেনী জেলার সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য একেএম শামছুদ্দিন, নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ইসহাক খোন্দকার, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা ফারুক আহমাদ, লন্ডনপ্রবাসী নেতা অধ্যাপক মফিজুর রহমান (ভার্চুয়াল) এবং জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আবু ইউছুফ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য দেন।

এ সময় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঞা দারসুল কোরআন পেশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা এ টি এম মাছুম আরও বলেন, ‘ইব্রাহিম (আ.) যেভাবে সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন, সেভাবে আমরাও পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। এখন যদি নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব আমাদের ওপর অর্পিত হয়, আমরা যেন সেই পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে পারি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি।’

তিনি উল্লেখ করেন, এ জন্য মজবুত ঈমানের অধিকারী হতে হবে এবং নিয়তের মধ্যে ইখলাস থাকতে হবে। দ্বীনের কাজের ক্ষতি করে দুনিয়ার কাজে মশগুল থাকলে চলবে না। এটাই ইখলাসের বিষয়। একজন মুমিন তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাবেন। মুমিন কখনো হতাশ হবেন না, নিরাশ হবেন না কিংবা ভেঙে পড়বেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একাত্তর প্রসঙ্গে মাওলানা এ টি এম মাছুম বলেন, ১৯৭১ সাল নিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়, সেগুলোর সবই মিথ্যা ও বানোয়াট।

এ ছাড়া কর্মশালায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে আবারও রাজপথে নামার জন্য প্রস্তুত থাকুন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%