সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
০৭:৪৫ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইয়োমিকাতা জাপানি ভাষা ও পরামর্শ কেন্দ্র, টোকিও, জাপান (Yomikata Japanese Language & Consultancy Center, Tokyo, Japan) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে এই সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতারের দূরদর্শী উদ্যোগের ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তৃতীয় ভাষা (Third Language) প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপের ধারাবাহিকতায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানি ভাষা শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
সমঝোতা স্মারকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার। অন্যদিকে, ইয়োমিকাতা জাপানি ভাষা ও পরামর্শ কেন্দ্র, টোকিও, জাপানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের Co-Founder Mohammad Mahmudul Hasan (Razib)।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব জান্নাতুল মাওয়া মুন, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মাইনুল ইসলাম এবং আইসিটি সেলের প্রোগ্রামার জনাব তানিয়া ইয়াসমিন।
এ সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে—
* জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষা;
* জাপানে স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে দিকনির্দেশনা;
* জাপানের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃত্তি, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক সুযোগ সম্পর্কে তথ্য ও সহযোগিতা;
* জাপানে ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ;
* শিক্ষার্থী কাউন্সেলিং, মেন্টরিং ও পেশাগত দিকনির্দেশনা;
* জাপানে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Industry-Academia) সহযোগিতার সুযোগ;
* জাপানের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অ্যাকাডেমিক নেটওয়ার্কিং;
* সেমিনার, কর্মশালা, সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি;
* আন্তর্জাতিকীকরণ এবং টেকসই বাংলাদেশ-জাপান অ্যাকাডেমিক অংশীদারিত্বের উন্নয়ন;
* উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতিতে অন্যান্য অ্যাকাডেমিক, শিক্ষামূলক, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রম।
YOMIKATA-এর দায়িত্বসমূহ:
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইয়োমিকাতা জাপানি ভাষা ও পরামর্শ কেন্দ্র—
* চার (৪) মাস মেয়াদি জাপানি ভাষা কোর্স বিনামূল্যে পরিচালনা করবে;
* কোর্স পরিচালনার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক, প্রশিক্ষক বা প্রশিক্ষণ সহায়ক নিয়োগ/প্রদান করবে;
* জাপানি ভাষা ও JLPT প্রস্তুতির জন্য একটি সুসংগঠিত শিক্ষণ ও প্রস্তুতি রোডম্যাপ প্রদান করবে;
* জাপানে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করবে;
* সেমিনার, কর্মশালা, কাউন্সেলিং, মেন্টরিং এবং পারস্পরিকভাবে সম্মত অন্যান্য কার্যক্রম আয়োজনে সহযোগিতা করবে;
* প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট জাপানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সুযোগের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং এবং যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবে;
* মনোনীত লিয়াজোঁ/সমন্বয়কারী বা ফোকাল ব্যক্তির মাধ্যমে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করবে;
* রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কোর্স সমাপ্তির সনদপত্র প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ হলেন আর্জেন্টিনার সাবেক উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেজ।
মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
আর্জেন্টিনার সাবেক খেলোয়াড় জাভিয়ের মাচেরানো সরে দাঁড়ানোর পর ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান গিয়ের্মো ওশো। গঞ্জালেজ ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার আগ পর্যন্ত মায়ামির দায়িত্ব পালন করবেন ওশো।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মায়ামি জানায়, ‘প্রয়োজনীয় কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) হাতে পাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন গঞ্জালেজ। নতুন প্রধান কোচ ও তার কোচিং স্টাফরা দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন ওশো।’
১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হয়ে ৫৬ ম্যাচ খেলেন ৫২ বছর বয়সি গঞ্জালেজ। ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের সুবাদে আর্জেন্টিনা দলে জায়গা করে নেন তিনি। ২০০৫ সালে ইন্টার মায়ামির বর্তমান অধিনায়ক লিওনেল মেসির সাথে জাতীয় দলে খেলেছেন তিনি। ঐ বছর পেরু ও উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে একসাথে খেলেছিলেন গঞ্জালেজ ও মেসি।
১৯৯৩ সালে রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করেন গঞ্জালেজ। তিন বছর পর ইউরোপে পাড়ি দেন তিনি। সেখানে লা লিগার ভ্যালেন্সিয়া ও জারাগোজা এবং সিরি আ’তে ইন্টার মিলানের হয়ে খেলেছেন গঞ্জালেজ।
২০২০ সালে কোচিং পেশায় যোগ দেন গঞ্জালেজ। আর্জেন্টিনার তিন ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রাল, উনিয়ন (সান্তা ফে) এবং প্লাতেন্সের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন গঞ্জালেজ।
বর্তমানে ২১ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার মায়ামি। শীর্ষে থাকা ন্যাসভিলের চেয়ে ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে গেছে তারা।
তবে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ওশোর অধীনে সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হেরেছে মায়ামি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় মা ও ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত থেমে থেমে এ গোলাগুলি চলে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন—বালুখালী আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-৮ ইস্ট) বি-৪১ ব্লকের বাসিন্দা নুর আলমের স্ত্রী তাহেরা বেগম এবং তার ৭ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ইউসুফ। বর্তমানে তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লক এলাকায় রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ), আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পরও কিছুক্ষণ পরপর গুলির শব্দ শোনা যায়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এআরএ ও আরসার সদস্যরা একত্র হয়ে আরএসও সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিয়ানীবাজারের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অবশেষে অনুষ্ঠিত হলো।
শরতের মেঘের ছায়ায় মাথার ওপর। তীব্র রোদ থাকলেও মাঝে মাঝে বাতাসে স্বস্তি অনুভূত হচ্ছিল।
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সুনাই নদীর দুই তীরে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। সবার দৃষ্টি নদীর জলে। বিকেল ৪টায় শুরু হয় নৌকাবাইচ। ‘ঝিলমিল ঝিলমিল’ নামের নৌকাগুলো একে অপরকে পেছনে ফেলার লড়াইয়ে ছুটতে শুরু করে।
বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গাংপার যুব সমাজ গত প্রায় তিন দশক ধরে সুনাই নদীতে এই নৌকাবাইচের আয়োজন করে আসছে। তবে এবারের আয়োজন নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। নৌকাবাইচ আয়োজনের ঘোষণা আসার পর একটি পক্ষ এর বিরোধিতা শুরু করে। ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারেও এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে আয়োজন নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
পরে দেশব্যাপী প্রতিবাদের পর স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় জটিলতার অবসান ঘটে। সমঝোতার পর পূর্বনির্ধারিত দিনেই শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। তবে সমঝোতার অন্যতম শর্ত ছিল, এ বছর আয়োজন হলেও আগামীতে সুনাই নদীতে আর নৌকাবাইচ আয়োজন করা হবে না।
এবার আগের কয়েক বছরের তুলনায় দর্শনার্থীর উপস্থিতি বেশি ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
আশপাশের গ্রামের বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে স্বজনদের আমন্ত্রণে অনেকেই এসেছেন। সিলেট নগর থেকেও অনেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নৌকাবাইচ দেখতে নদীর তীরে ভিড় করেন। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ইমরান আহমদ চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা থেকে তিনটি নৌকা অংশ নেয়। নৌকাগুলোর নাম ‘স্বাধীন বাংলা’, ‘বাঘ’ ও ‘পাগলা নাও’। গানের সুর ও ছন্দের তালে বিকেল ৪টায় প্রতিযোগিতা শুরু হয়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কখনো দর্শকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা, আবার কখনো উচ্ছ্বাস দেখা যায়। পছন্দের নৌকার সমর্থনে অনেকে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করেন।
আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পূর্বনির্ধারিত সময়েই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।’
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে অন্তত এক দিনের জন্য পুরো এলাকা উৎসবের নগরে পরিণত হয়। তবে নৌকাবাইচের কারণে নদীর দুই তীরের ঘরবাড়ি ও জমিতে প্রভাব পড়ে। নদীভাঙন দেখা দেয়, মানুষের জটলার কারণে ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার নৌকাবাইচ এবারই শেষ—এ কথা মনে হলে কষ্টও লাগে।’
স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদ হক বলেন, ‘নৌকাবাইচ আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এটি খুবই উপভোগ্য আয়োজন। গ্রামের মানুষ এ প্রতিযোগিতা খুব উপভোগ করেন। দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষজন এসেছেন।’
আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নৌকাবাইচ আয়োজন নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা মধ্যস্থতা করেন। পরে উভয় পক্ষের সমঝোতায় পূর্বনির্ধারিত দিনেই প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সুনাই নদীতে বাহাদুরপুর গাংপার যুব সমাজের উদ্যোগে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর নৌকাবাইচ আয়োজনের সুযোগ চেয়েছে আয়োজক সংগঠন। তবে আগামী বছর থেকে সুনাই নদীতে আর নৌকাবাইচ আয়োজন করবে না তারা। উভয় পক্ষ এ সিদ্ধান্তে মত দেওয়ায় শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মুগদা থানা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জন গ্রেফতার হয়েছে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, মুগদা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত হলো- মো. আলম (৫২), মো. খোরশেদ আলম (৪৭), ইখলাস হোসেন (২০), সবুজ(২১), মো. সজীব হোসেন (২১), দ্বীন ইসলাম (৩৫), মো. নুর হোসেন (২৫), মো. আব্বাস (২৮), মো. রাজু (২৪), মো. শাহাদাৎ হোসেন (২৬), মো. দুলাল (৩০), মো. রায়হান (১৯)।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ