শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গোপন বৈঠক করার অভিযোগে চার নেত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার রাধানগর কলেজপাড়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আক্তার, সাবেক কাউন্সিলর রেখা বেগম, কলেজপাড়ার ফাতেমা বেগম এবং দেবগ্রামের নাজমা বেগম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই যুব মহিলা লীগের হয়ে বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "অরাজকতা সৃষ্টির জন্য তারা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়।" গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাধারণভাবে দেখতে ১১টি বলপয়েন্ট কলম। কিন্তু স্বচ্ছ প্লাস্টিকের গায়ে নজর দিলে ভিন্ন একটি চিত্র ধরা পড়ে। কলমগুলোর গায়ে অত্যন্ত ক্ষুদ্র অক্ষরে খোদাই করা রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের বিস্তৃত সিলেবাস। পরীক্ষায় নকলের উদ্দেশ্যে করা এই অভিনব কাণ্ড শেষ পর্যন্ত শিক্ষকের প্রশংসা অর্জন করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল স্পেনের মালাগা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে কয়েক বছর আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইয়োলান্ডা দে লুচ্চি এক পরীক্ষার সময় এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১১টি BIC বলপয়েন্ট কলম জব্দ করেন। পরবর্তীতে দেখা যায়, প্রতিটি কলমের স্বচ্ছ প্লাস্টিকের গায়ে অত্যন্ত সূক্ষ্ম অক্ষরে ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন বিষয় খোদাই করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, এত ক্ষুদ্র অক্ষরে লেখার জন্য ওই শিক্ষার্থী মেকানিক্যাল পেন্সিলের সিসের পরিবর্তে একটি সুচ ব্যবহার করেছিলেন বলে জানা যায়। ফলে প্রতিটি কলমে লেখা ফুটিয়ে তুলতে তাকে অসাধারণ ধৈর্য ও নিখুঁত হাতের কাজ করতে হয়েছে।
তবে নকলের এই অভিনব আয়োজন পরীক্ষার ফলাফলে কোনো কাজে আসেনি। জানা যায়, শেষ পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ফেল করেন এবং পুরো শিক্ষাবর্ষ আবার পড়তে হয়েছিল।
বহু বছর কলমগুলো অধ্যাপক দে লুচ্চির অফিসে রেখে দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে অফিস পরিষ্কার করার সময় তিনি আবার সেগুলো খুঁজে পান। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলমগুলোর ছবি প্রকাশ করে ঘটনাটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ‘স্মৃতিচিহ্ন’ হিসেবে তুলে ধরেন।
কলমগুলোর সূক্ষ্ম কারুকাজের প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিউরাল ল’ ইন BIC পেন—কী শিল্প!’
ছবিগুলো প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। অনেকেই এত ছোট জায়গায় এত বিশাল সিলেবাস নিখুঁতভাবে খোদাই করার দক্ষতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। নকলের উদ্দেশ্য সফল না হলেও, শিক্ষার্থীর অসাধারণ ধৈর্য ও সূক্ষ্ম কারুকাজই শেষ পর্যন্ত কলমগুলোকে আলোচনায় নিয়ে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমুদ্রসৈকত সাধারণত খোলা আকাশ, নীল জল এবং মুক্ত পরিবেশের প্রতীক। কিন্তু ইতালির ইউরোপীয় অঞ্চলে একটি সৈকত রয়েছে, যেখানে পুরুষ এবং নারীদের জন্য আলাদা আলাদা অংশ রয়েছে। এই সৈকতের বিশেষত্ব হলো সমুদ্র এবং বালুকাবেলার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ১০ ফুট উঁচু সাদা দেয়াল।
ত্রিয়েস্তের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই সৈকতের নাম ‘লা ল্যানতার্না’, যা স্থানীয়দের কাছে ‘এল পেদোচিন’ নামে পরিচিত। শতাধিক বছর ধরে এই লিঙ্গ-পৃথক সৈকতটি তার ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখেছে।
সৈকতে প্রবেশ করার পর, একটি করিডর পেরোলেই দেখা যায় নারী ও পুরুষদের জন্য দুটি আলাদা অংশ। নারীদের অংশে বিভিন্ন বয়সের নারীকে বই পড়তে, সন্তানদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে অথবা রোদ পোহাতে দেখা যায়। শহরের কেন্দ্রের নিকট অবস্থিত হওয়ায় কর্মজীবী অনেক নারী দুপুরের বিরতিতে এখানে এসে সাঁতার কাটেন।
অন্যদিকে, দেয়ালের ওপাশে পুরুষদের অংশে আড্ডা, তাস খেলা এবং বিশ্রাম নেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। বন্দরকর্মীদেরও কাজের ফাঁকে এখানে সময় কাটাতে দেখা যায়। তবে সাগরের পানিতে গিয়ে এই বিভাজন আর থাকে না। তীর থেকে কিছুটা দূরে সাঁতরে গেলেই নারী ও পুরুষের দেখা হওয়ার সুযোগ থাকে।
বাইরের পর্যটকদের কাছে এই ব্যবস্থা কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। এমনকি মিলান থেকে আসা এক পর্যটক দম্পতি একবার এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থ ফেরত চেয়েছিলেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৃষ্টিতে এই দেয়াল কোনো বাধা নয়; বরং এটি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতীক।
নারী দর্শনার্থীদের অনেকের মতে, পুরুষের দৃষ্টি বা সামাজিক বিচার-বিশ্লেষণের চাপ ছাড়াই এখানে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন। শরীর নিয়ে অস্বস্তি বা সাজগোজের চাপ ছাড়াই তারা নিজেদের মতো করে সৈকত উপভোগ করেন। স্থানীয় লেখক নিকোল ব্রুসাফেরোর ভাষায়, এটি বৈষম্যের জায়গা নয়, বরং নারীদের জন্য একটি স্বাধীন পরিসর।
ইতিহাস বলছে, ১৯০৩ সালের দিকে সৈকতটি চালু হয়। সে সময় ত্রিয়েস্তে ছিল অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের অধীনে। তৎকালীন অস্ট্রীয় আইনে জনসম্মুখে শালীনতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেত। সেই সময় থেকেই সৈকতে বিভাজনের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
‘পেদোচিন’ শব্দের অর্থ ‘উকুন’। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, একসময় অস্ট্রীয় সৈন্যরা এই এলাকায় এসে ঘোড়ার গায়ের পোকামাকড় পরিষ্কার করতেন। পরে ১৯৫৮ সালে নারীদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় তাদের অংশ সম্প্রসারণ করে দেয়ালটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়।
ইতিহাসবিদদের মতে, তৎকালীন ত্রিয়েস্তেতে নারীদের শিক্ষা ও স্বাধীনতার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ফলে সময়ের সঙ্গে এই সৈকত নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের একটি প্রতীক হিসেবেও পরিচিতি পায়।
বর্তমানে ইতালির অধিকাংশ সৈকত যেখানে পর্যটকদের ভিড় ও কোলাহলে মুখর, সেখানে এল পেদোচিনে রয়েছে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ। সৈকতের পাশে থাকা ছোট বারে বসে কফি পান অথবা স্থানীয়দের সঙ্গে গল্প করার সুযোগও রয়েছে।
সৈকতের ঐতিহ্যবাহী দেয়ালটি সরিয়ে ফেলার দাবি নিয়ে মাঝে মাঝে আলোচনা হলেও স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের বড় অংশ এর পক্ষে নন। তাদের কাছে শত বছরের এই ব্যবস্থা ত্রিয়েস্তের নিজস্ব ঐতিহ্যের অংশ।
আধুনিকতার যুগেও নারী-পুরুষের জন্য আলাদা পরিসর ধরে রাখা এই সৈকত তাই শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং ত্রিয়েস্তের ইতিহাস, সামাজিক সংস্কৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন।
সূত্র: সিএনএন, দ্য আই নিউজপেপার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন বলেছেন, ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর হামাসের হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে ইসরায়েল পূর্ব থেকেই জানত। তবে গাজায় নিজেদের সামরিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলার সুযোগ তৈরি করেছে।
লন্ডনের ‘এলবিসি’ (LBC) রেডিওতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হান্টার বাইডেন উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হামাসের আক্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এই হামলা প্রতিরোধের জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তিনি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎসের একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) নেতা ব্যক্তিগতভাবে নেতানিয়াহুকে গাজায় হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের পরিকল্পনা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।
নেতানিয়াহু এই প্রতিবেদনের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন এবং ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
হান্টার বাইডেনের বক্তব্য অনুযায়ী, "ইসরায়েল জানত কী হতে যাচ্ছে। তারা হামলাটি হতে দিয়েছে যাতে এমন একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, যার অনুমতি অন্য সাধারণ পরিস্থিতিতে কেউ কখনোই দিত না।"
তিনি হামাসকে 'ভয়াবহ' সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, গাজায় ইসরায়েলের পরিচালিত যুদ্ধের প্রকৃতি বর্ণনা করা বেশ কঠিন, তবে এটি 'গণহত্যার শামিল' (akin to genocide) হতে পারে।
ইসরায়েল শুরু থেকেই গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা বেসামরিক প্রাণহানি কমানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং হামাস সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল ও মসজিদ থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে টেক্সটাইল-রুবি গেট হয়ে দুই নম্বর গেইট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পলিটেকনিক্যাল মোড়ে এসে শেষ হয়।
চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কামরুল হাসান আকাশের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ছাত্রদল নেতা রেজাউল, মোহাম্মদ রুবেল, মো.মাহমুদ, আইন কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো.রিয়াজ, পাহাড়তলী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান রকি, মো.ইয়াছিন আফ্রিদি,পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ বকুল, মো.আহাদ, মো.সামি, মো.মহসিন,কলেজ ছাত্রদলের সংগঠক মো.তানভীরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ