বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩১ পি.এম
বাংলাদেশ তিন বছর পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ম্যাচটি শুরু হবে।
এটি বাংলাদেশের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথম টেস্ট হবে। তবে আবুধাবির তীব্র রোদ বাংলাদেশের লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
যখন খেলা চলবে, তখন আবুধাবির তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এই তীব্র গরমকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না। বরং তিনি আফগানদের বিরুদ্ধে ভালোভাবে পরিকল্পনা করে মাঠে নামতে চান।
আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। কন্ডিশন তো একটু গরম, এটা থাকবেই। তবে আমি পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে এটাকে অজুহাত হিসেবে দেখতে চাই না। আমার মনে হয় খেলোয়াড়রাও এগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করছে না।’
বাংলাদেশ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ ড্র করেছে। তবে শান্তের কাছে সেই সিরিজ এখন অতীত, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমাদের খুব ভালো একটা সিরিজ গেছে। কিন্তুওইটা এখন আমাদের জন্য অতীত হয়ে গেছে। নতুন কন্ডিশন, নতুন প্রতিপক্ষ এবং আমাদেরকে খুব ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে হবে।’
এশিয়ান গেমস খেলতে জাপানে গিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু জ্বরের কারণে খেলতে না পারায় তিনি দেশে ফিরে আসেন। অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠা নিয়ে শান্ত বলেন, ‘রিকোভারি ভালো হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ এখন সুস্থ আছি। গত দুইদিন অনুশীলন করেছি, ভালো অনুভব করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার গিয়াস উদ্দিনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছে। তাকে সচিব পদমর্যাদায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গিয়াস উদ্দিনকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের শর্তাবলী অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে, যেটি আগে ঘটে—তাঁকে যোগদানের তারিখ থেকে এ পদে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, গিয়াস উদ্দিনকে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার দায়িত্বের আওতায় থাকবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে আটকে রেখেছে।
মাহদী নিজেই গণমাধ্যমকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আজ আমার ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে জ্যামাইকা যাওয়ার কথা ছিল। ফ্লাইটটি ছিল রাত ৯.৩৫ মিনিটে। কিন্তু আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি।’
মাহদীর দাবি, তিনি সকল মামলায় জামিনে থাকলেও তাকে যাত্রা করতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ তাকে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। পরে তিনি বিমানবন্দর এলাকা থেকে চলে যান।
এদিকে, বিমানবন্দর থানার ডিউটি অফিসার এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের কোথায় কোন শিল্প-কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অবস্থিত, কোন এলাকায় কোন খাতের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি এবং কোন প্রতিষ্ঠান চালু বা বন্ধ রয়েছে—এসব তথ্য একত্রিতভাবে পাওয়া যাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নতুন তথ্যভাণ্ডারে। একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর অধীনে কতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো কোন কোন খাতে কাজ করছে, সেই তথ্যও জানা যাবে। এই লক্ষ্যে স্থায়ী স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার (এসবিআর) তৈরি করছে সংস্থাটি।
অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ প্রকল্পের আওতায় এই তথ্যভাণ্ডারটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর অধিকাংশ তথ্য একীভূত করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তথ্য প্রদর্শনের জন্য ড্যাশবোর্ড তৈরির কাজ চলছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যে এর কার্যকর সংস্করণ চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর এসবিআর কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিবিএসের অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর যুগ্ম সচিব (সংযুক্ত) ও প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. দীপঙ্কর রায় বলেন, "প্রচলিত অর্থনৈতিক শুমারির মতো নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন করে এই নিবন্ধন তৈরি করতে হবে না। এটি স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হবে এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিবিএস উইংয়ের কাছে এর দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।"
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশে অর্থনৈতিক এককের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি। ২০১৩ সালের শুমারিতে এ সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি। অর্থাৎ এক দশকে অর্থনৈতিক এককের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।
তবে এসব অর্থনৈতিক এককের একটি বড় অংশ এখনো প্রাতিষ্ঠানিক নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। নতুন তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিচ্ছিন্ন তথ্য একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক শুমারিতে শনাক্ত বড় ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরবর্তী সময়ে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, কুটির ও অনানুষ্ঠানিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও এই তথ্যভাণ্ডারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিবন্ধনে প্রতিষ্ঠানের নাম ও অবস্থানের পাশাপাশি সেটি চালু, সাময়িকভাবে বন্ধ নাকি পুরোপুরি বন্ধ—সেই তথ্যও থাকবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), বাণিজ্যিক লাইসেন্স, ভ্যাট বা ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন), ব্যবসায়ী সংগঠন, চেম্বার কিংবা সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদসহ বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করা হবে।
এই তথ্যভাণ্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে ভৌগোলিক বিশ্লেষণ। নির্দিষ্ট শিল্প খাত নির্বাচন করলে দেশের কোন জেলা বা অঞ্চলে ওই খাতের কতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কোথায় শিল্পের ঘনত্ব বেশি এবং কোথায় কম—তা মানচিত্রের মাধ্যমে দেখা যাবে। স্থানীয় পর্যায়েও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ধরনের তথ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় কাজে লাগতে পারে। কোনো এলাকায় শিল্পের ঘনত্ব বেশি হলে সেখানে সড়ক, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পরিকল্পনায় এসব তথ্য ব্যবহার করা যাবে। একইভাবে যেসব অঞ্চলে শিল্পের উপস্থিতি কম, সেসব এলাকায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক বৈষম্য চিহ্নিত করতেও তথ্যভাণ্ডারটি সহায়ক হতে পারে।
এসবিআরের মাধ্যমে ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলোর সামগ্রিক চিত্রও পাওয়া যাবে। একই গোষ্ঠীর অধীনে থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে গোষ্ঠীটির মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং সেগুলো কোন কোন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা জানা সম্ভব হবে। এতে কোনো শিল্পোদ্যোক্তা বা ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর ব্যবসার বিস্তৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
ভবিষ্যতে একটি ইউনিক বিজনেস আইডি চালুর বিষয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে বিবিএস। এটি চালু হলে একই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন সরকারি তথ্যভাণ্ডারে একই পরিচয়ে শনাক্ত করা সহজ হবে। এর মাধ্যমে আর্থিক, কর ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমসংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে সংযোগ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এ ছাড়া বড় তথ্যভাণ্ডার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমান তথ্যের সঙ্গে পুরোনো তথ্য মিলিয়ে দেখার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া বিচ্ছিন্ন বা স্বঘোষিত তথ্য যাচাই এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বাস্তবে চালু আছে কি না, তা নির্ধারণের সক্ষমতা বাড়তে পারে। সরকারি সহায়তা বা আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ে এসব তথ্য কাজে লাগতে পারে।
প্রতিষ্ঠানের ধরন, জনবল, অর্থ ও তথ্যের উৎসের ওপর নির্ভর করে হালনাগাদের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। বড় প্রতিষ্ঠানের তথ্য ছয় মাস বা এক বছর পরপর পর্যালোচনা করা হতে পারে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিরতিতে হালনাগাদ করা হবে।
অনুষ্ঠানে ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (ডিজেএফবি) সভাপতি আরিফুর রহমান বলেন, বিবিএসের তথ্য ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক সম্পর্কে অনেক নতুন সাংবাদিকের কারিগরি ধারণা সীমিত। ফলে জটিল তথ্যের ব্যাখ্যায় ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি জিডিপি, ভোক্তা মূল্যসূচকসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক এবং তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পদ্ধতি নিয়ে সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বিবিএস নিয়মিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও জরিপ প্রকাশ করে। এসব তথ্যের কারিগরি দিক সাংবাদিকদের কাছে পরিষ্কার না হলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল ব্যাখ্যা পৌঁছাতে পারে এবং বিবিএসের তথ্যের ওপর মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের ধারণা বাড়ানো প্রয়োজন।
সব ধরনের জরিপ বিবিএসের মাধ্যমে পরিচালনা করা প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলোচনা হওয়া দরকার বলে মত দেন তিনি। তাঁর মতে, যে প্রতিষ্ঠানের যে বিষয়ে বিশেষায়িত সক্ষমতা রয়েছে, সেই অনুযায়ী জরিপ ও তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ভাগ করা হলে তথ্যের মান ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়তে পারে।
এর আগে সকালে সাংবাদিকদের একটি দল মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ওয়ান্ডারল্যান্ডে এসবিআরের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম, কর্মীর সংখ্যা, বার্ষিক লেনদেন, টিআইএন এবং নিয়মিত সরকারকে কর পরিশোধ করে কি না—এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায়।
পরিদর্শনে ডিজেএফবির সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর মাসফি, অর্থ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক আরমান হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহির রায়হানসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ প্রকল্পের উপপরিচালক মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে যৌথ টাস্কফোর্সের একটি ব্লক-রেইড অভিযানে মোঃ আব্দুর রহিম (৪৬) নামের এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ৭০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে পৌনে ৬টা পর্যন্ত চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন বড় স্টেশন রেল কলোনি এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু: মিজানুর রহমান। অভিযানে জেলা পুলিশ এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় স্টেশন রেল কলোনিতে আব্দুল রহিমের বসতঘরে যৌথ বাহিনীর টিম অভিযান চালায়। তল্লাশি চালানোর সময় ২,৫০০ পিস ইয়াবা, ৭০ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল হ্যান্ডসেট এবং ৪টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় আব্দুল রহিমকে গ্রেফতার করা হলেও তার দুই সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক আসামিরা হলেন- রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে মোঃ ফারহান রানা (৩২) এবং যমুনা রোড (টিলাবাড়ি) এলাকার জলিল বেপারির ছেলে মোঃ জয় ইসলাম (২৬)। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর ঘাট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় স্টেশন লোক কলোনিতে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার বাদী ও ডিএনসি চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মোঃ সোহেল রানা জানান, অভিযানের সংগৃহীত আলামতের ভিত্তিতে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার খবর জানার পর রহিমকে তাৎক্ষণিকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ