জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১১:২৪ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও দুর্যোগকালীন মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবী মো. সাইমুন ইসলাম। গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ‘পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা’ ক্যাটাগরিতে তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
সাইমুন ইসলামের প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্নবুন—ড্রিম ডিভাইজার’-এর মাধ্যমে রাঙামাটির ১০টি উপজেলার তরুণদের সম্পৃক্ত করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটির উদ্যোগে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর তরুণদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।
পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত কমিউনিটি অ্যাকশন সভায় ভূমিকা রেখেছেন সাইমুন। পাশাপাশি বিডি ক্লিন রাঙামাটি ও ব্র্যাকের সঙ্গে সমন্বয় করে শহর পরিচ্ছন্নতা এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণেও কাজ করছেন সাইমুন। ‘স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ’ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশ বন বিভাগের সহযোগিতায় সাপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করার কাজে যুক্ত রয়েছেন তিনি। এ ছাড়া সাপে কাটার ঘটনায় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সরকারি কলেজগুলোতে কর্মশালার আয়োজন করেছেন।
করোনাকালীন সংকটেও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন সাইমুন ও তাঁর সংগঠনের সদস্যরা। রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা, মরদেহ দাফনে সহায়তা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন তাঁরা।
রাঙামাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবিক সহায়তায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে সাইমুনের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাঁর এ অর্জন জেলার তরুণদের স্বেচ্ছাসেবা, পরিবেশ রক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের নেত্রকোণায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন৷ সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়ন৷
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে একটি দোকানে বসে অন্যদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ। এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
নিহত সাংবাদিকের নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির৷ গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দুর্গাপুরের শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্তরাইল বাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তার মৃত্যু হয়৷
কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনাই গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোণা প্রতিনিধি ছিলেন। এছাড়া ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন৷ ‘ডিটেক্টিভ আর্টিকেল’--এ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত পোস্ট দিতেন তিনি৷
এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া বলেন ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত।এছাড়াও সরকারি দলের নেতা কর্মীদের দ্বারা হামলা মামলার শিকার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমাধ্যমকর্মীরা। তাই প্রতিটি ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। যারা অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের করে বিচারের দাবি জানান ৷
তিনি আরও বলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরের ওপর গত বছরের ১০ নভেম্বরও দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর তীরে তেরিবাজার ঘাটের কাছে হামলা হয়েছিল৷ সেবার দৃর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছিল৷
বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়ন৷
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেছেন, ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত। গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্ম স্থান তৈরি হয়নি এটাই সবচেয়ে হতাশার। তাই বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের যে দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের নেত্রকোণায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন৷ সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব ৷
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে একটি দোকানে বসে অন্যদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ। এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
নিহত সাংবাদিকের নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির৷ গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দুর্গাপুরের শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্তরাইল বাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তার মৃত্যু হয়৷
কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনাই গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোণা প্রতিনিধি ছিলেন। এছাড়া ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন৷ ‘ডিটেক্টিভ আর্টিকেল’--এ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত পোস্ট দিতেন তিনি৷
এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া বলেন ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত।এছাড়াও সরকারি দলের নেতা কর্মীদের দ্বারা হামলা মামলার শিকার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমাধ্যমকর্মীরা। তাই প্রতিটি ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। যারা অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের করে বিচারের দাবি জানান ৷
তিনি আরও বলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরের ওপর গত বছরের ১০ নভেম্বরও দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর তীরে তেরিবাজার ঘাটের কাছে হামলা হয়েছিল৷ সেবার দৃর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছিল৷
বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব৷
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেছেন, ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত। গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্ম স্থান তৈরি হয়নি এটাই সবচেয়ে হতাশার। তাই বতর্মান সরকারের কাছে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন চাই ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদনের জন্য দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভারে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন এবং রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি কখনো মানুষের বিকল্প হতে পারে না। আমাদের একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রয়োজনের মুহূর্তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনা পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, "আজকের এই অনুষ্ঠানে আমি আপনাদের সামনে ভিন্ন পরিচয়ে উপস্থিত হলেও এ ধরনের পরিবেশ আমার জন্য নতুন নয়।" পেশাগত সাফল্যের জন্য ৭ এবং ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেছে। তিনি সকলকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, "এই ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শুধু একটি পতাকা নয় বরং এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারিত্ব এবং দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক।" জাতীয় পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন প্রতিনিয়ত আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, "স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেই জাতীয় পতাকা আপনাদের হাতে তুলে দেয়া হলো।" জাতীয় পতাকা অর্জনের অর্থ হলো, আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার নতুন শপথ। পতাকার মান রক্ষা করা সকল সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর ইমেজ বিনষ্টের অপচেষ্টা হয়েছিল। তিনি বলেন, "এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।" তবে আমাদের মনে রাখা জরুরি, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর বর্বরোচিত হামলা শুরু হলে চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান 'উই রিভোল্ট' উচ্চারণ করেছিলেন। তিনি 'উই রিভোল্ট' উচ্চারণ করে ক্ষান্ত হননি। অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ফিরে তিনি সেনাবাহিনীর সকল বাংলাভাষী কর্মকর্তা এবং সৈনিককে জড়ো করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা একাধিক নিবন্ধে এ বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যার বিরুদ্ধে ১, ২, ৩, ৪ এবং অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাংলাভাষী সেনাসদস্যরা পাক হানাদারবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার নির্দেশ দেন। পরদিন ২৭ মার্চ তিনি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। যে ঘোষণাটি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধে একজন সেনাকর্মকর্তার এমন ঐতিহাসিক ও বীরোচিত ভূমিকা নিঃসন্দেহে সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক এক গৌরবজনক অধ্যায়। এ কারণেই স্বাধীনতাপ্রিয় দেশপ্রেমিক জনগণ সেনাবাহিনীর যেকোনো সাফল্যকে বাংলাদেশের সাফল্য বলেই মনে করে।
সরকার সশস্ত্রবাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার এবং সর্বাধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।" এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থার মধ্যে। সর্বোপরি চেইন অব কমান্ড। তিনি বলেন, "আমরা সশস্ত্রবাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার এবং সর্বাধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।"
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সৈনিকরা সংবিধান, আইন, সামরিক বিধি-বিধান এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকবেন, এটি জনগণের প্রত্যাশা।
প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নেয়ার কাজ চলমান রয়েছে। সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমানে বিশ্বের নিরাপত্তা পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। যুদ্ধের ধরন ও কৌশল বদলে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বাস্তবতায় আমাদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নেয়ার কাজ চলমান।
‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সেনা সদস্যদের কল্যাণ, আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং অবসর-পরবর্তী সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এরই মধ্যে জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন ও ভাতা ১০০ পার্সেন্ট থেকে ১৩৮ পার্সেন্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও সেনাসদস্যদের জীবনযাপনের মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ