পারভিন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ সদর,
০৭:৩৬ পি.এম
১০ই অক্টোবর রোজ শনিবার, বিকাল ৪ঃ৩০ মিনিটে, মডেল গার্মেন্টসের পাশে ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জে, সততা বেকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, যেখানে কোনো সাইনবোর্ড নাই, নাই কোন পরিবেশের ছাড়পত্র, ম্যানাজার কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান তাদের বিএসটিআইয়ের অনুমোদন আছে, কিন্তু পরিবেশের এমন অবস্থা, মনে হয় এটা একটি টয়লেট খানা,
কিভাবে এই মালগুলি বাজারে বিক্রি করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত, তাদের আইটেমগুলো হলো বিস্কিট কেকএবং রুটি, যে তেল দিয়ে বানানো হয় তেলের মধ্যে দেখা গেল তেলাপোকা, সহ বিভিন্ন পোকামাকড় গাছ যাহা দেখলে মনে হয় এটি একটি ড্রেনের স্তুপ, তাই বিএসটিআই এবং জেলা প্রশাসকের ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় কে বলব আপনারা অভিযান চালিয়ে, এ সকল প্রতিষ্ঠানগুলিকে সিল গলা করে দেয়াও হোক নয়তো এই অসুস্থ কর খাবার খেয়ে জনগণ অসুস্থ হয়ে পড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আলেকজান্ডার মাদরাসায় বাবুত তাকওয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিশুশিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
ভিডিওগুলোর ভাইরাল হওয়ার পর মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন রামগতি পৌরসভার সভাপতি হাবিবুল্লাহ নীরবের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে শিশু শিক্ষার্থী আদনানকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় দেওয়া হচ্ছে। এক পর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করা হয় এবং পরে স্কেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার দৃশ্যও দেখা যায়।
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক শিশুকে দেওয়ালের সঙ্গে ধরে মাথায় একাধিক আঘাত করা হচ্ছে। আরও একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করতে দেখা যায়। এছাড়া দুটি ছবিতে দেখা যায়, দুটি শিশুকে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনার সময় অন্যান্য শিক্ষকরা বসে বসে দেখছিলেন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসাটিতে শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এই অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকরা শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে। ভয়ের কারণে শিশুরা বাড়িতে গিয়ে এ বিষয়ে কিছু বলত না। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষকদের নিষ্ঠুরতা প্রকাশ পায়। এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষকদের বিচারের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অভিভাবকরা।
মাদরাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তিনি প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, একজন শিক্ষক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব জানিয়েছেন, একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছে এবং তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এসব ঘটনার সঙ্গে নিজেকে জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক পলাতক আছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিভাবকরা তার কাছে এসেছিলেন, তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি।
মাদরাসাটি ২০২৫ সালে রামগতি পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় জামাত পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং পাকিস্তানে তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে একটি কর্মসূচি আয়োজন করেছেন কিছু রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাঁরা হাতে লেখা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
কর্মসূচিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (জেডিপি) আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ। তিনি বলেন, "জুলাই আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছিল, বর্তমানে ভারতে তেমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।" নাঈম আহমাদের দাবি, সিজেপির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপক, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, রাজনীতিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, নেহা বোরা ও ঐশী ঘোষসহ অন্যান্য রাজনীতিবিদ, অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতা এবং সংগঠকদের গ্রেপ্তারের ঘটনা উদ্বেগজনক।
পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নাঈম আহমাদ মন্তব্য করেন, "দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট এবং দমন-পীড়নের অভিযোগ রয়েছে।" তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাবন্দী রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে। তিনি এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান।
নাঈম আহমাদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা যে পথে ক্ষমতা হারিয়েছেন, সেই পথে নরেন্দ্র মোদি, শাহবাজ শরিফ এবং আসিফ আলী জারদারিরাও ক্ষমতা হারাবেন।’
এ সময় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। নাঈম আহমাদ উল্লেখ করেন, ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা জেন-জি আন্দোলনের সূচনা করেছিল। বাংলাদেশেও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেন, "এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।" প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মসূচিতে জেডিপির ইয়াসিন আরাফাত রাজ, জাতীয় ছাত্রমঞ্চের সালমান শরীফ, আসমাইন হাওলাদার ইফরাত প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা হাতে লেখা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে সংহতি জানান।
প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘ইমরান খান, অভিজিৎ দীপক, ধ্রুব রাঠিদের মুক্তি দাও’, ‘ভারতে সিজেপি ও পাকিস্তানে পিটিআইয়ের চলমান আন্দোলনে সংহতি’, ‘Solidarity with the ongoing movements of CJP in India and PTI in Pakistan from Bangladesh’ এবং ‘Free Imran Khan, Abhijit Deepak, and Dhruv Rathee!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। তার মেয়ে কস্তুরী গান্ধী জানিয়েছেন, তুষার গান্ধীকে আটক করে মুম্বাইয়ের আন্ধেরি পশ্চিমের ডিএন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হওয়ার পর তুষার গান্ধী যে বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন, সেটিও তিনি শেয়ার করেছেন। বার্তাটিতে লেখা ছিল, ‘আমার ওষুধ নিয়ে এসো।’
শনিবার (১০ অক্টোবর) হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ কস্তুরী গান্ধী লিখেছেন, গাড়িচালকের কথা শুনুন। তিনি দেখেছেন কীভাবে ভারতের জনকদের এক ৬৬ বছর বয়সি নিরস্ত্র উত্তরসূরিকে তুলে নিয়ে গেছে রাষ্ট্র। এতে তুষার গান্ধীকে আটকের ঘটনা প্রত্যক্ষ করা এক গাড়িচালকের সঙ্গে তার কথোপকথনও শেয়ার করেছেন তিনি।
কস্তুরী গান্ধীর সঙ্গে কথোপকথনে ওই গাড়িচালককে বলতে শোনা যায়, আমরা গাড়িতে যাওয়ার সময় পুলিশ হঠাৎ করেই চলে আসে... তারা তাকে ধরে নিয়ে যায়। হয়তো কেউ অটোতে করে আমাদের অনুসরণ করছিল... আমরা লিংক রোডের কাছে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে দেখতে পেয়েছিলাম।
তিনি আরও যোগ করেন, তারা (পুলিশ) কিছুই বলেনি। শুধু তাকে গাড়ি থেকে ডেকে নামিয়ে নিয়ে যায়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বান্দ্রা এলাকা থেকে তুষার গান্ধীকে আটক করে ডিএন নগর থানায় নেওয়া হয়েছে। তার এক সহযোগী ও সংগঠনটির সহসভাপতিকেও আন্ধেরি এলাকা থেকে আটক করে এমআইডিসি থানায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি, শুধু আটক করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক্সে একটি পোস্টের সঙ্গে কর্মসূচির পোস্টার প্রকাশ করে তুষার গান্ধী মুম্বাইয়ের বাসিন্দাদের আজ বিকেল সাড়ে তিনটায় আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, কর্মসূচির অনুমতি চেয়ে কোনো আবেদন জমা পড়েনি। তাই এ কর্মসূচির অনুমতিও দেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ