বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০১ পি.এম
নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া ইতিমধ্যে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। এরপর এই খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সরকারি আদেশ বা এসআরও নম্বর দিয়ে প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
সাময়িক বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা শিক্ষকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘গতকাল আমরা পে স্কেলের খসড়া বিজি প্রেসে পাঠিয়েছি। এরপর এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে। আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরও নম্বর পেয়ে এটি প্রকাশ করা হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যত দ্রুত সম্ভব পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা বিলম্ব করতে চান না, তবে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে গিয়ে কিছু সময় লাগছে।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়ে সরকারের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মধ্যমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনায় (এমটিবিএফ) অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই এটি সরকারের জন্য হঠাৎ করে তৈরি হওয়া কোনো ব্যয় নয়।
তিনি বলেন, সরকার প্রতিবছর শুধু এক বছরের বাজেট করে না, বরং আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি পূর্বাভাসও তৈরি করে। নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য ব্যয়ও সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর পাঁচটি মাদরাসার আটজন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাদের বেতন ও ভাতা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং জানতে চাওয়া হয়েছে কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না।আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রয়েছে জাল স্বাক্ষর, জাল চিঠি প্রস্তুত, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট তৈরি, মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের মতো বিভিন্ন অভিযোগ।শোকজ প্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলাধীন মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাধীন সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা।এছাড়া, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলাধীন মস্কিপুর দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভী মো. জহরুল ইসলাম, মো. আখতার হোসেন এবং মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলাধীন হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুনও এই নোটিশের আওতায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সীমানার ভেতরে কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। স্কুল চলাকালীন সময়ে যদি কারো কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়, তাহলে তাকে সরাসরি বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি একইসঙ্গে বিষয়টি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা। তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল আসক্তি কাটিয়ে পড়ালেখায় অধিক মনোযোগী হতে সক্ষম হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম মন্তব্য করেন, "এটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আমাদের সময়ে যা ভাবাই যেত না, এখনকার ছেলে-মেয়ে মোবাইল ছাড়া চলতেই পারে না। তাই শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"
অভিভাবক জামাল মিয়া জানান, "পড়ালেখা ছেড়ে সারাক্ষণ মোবাইলে ডুবে থাকার কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছিল। স্কুল চলাকালে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় অন্তত এই সময়ে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারবে।"
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম জানান, "শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান, তাদের কল্যাণ ও শিক্ষার মান উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদেরই। মোবাইল আসক্তি কমিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ বাড়ানো, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর করার লক্ষ্যেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি প্রশিক্ষিত ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতিমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১০-এর সরকারি দলের সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
নিলুফার চৌধুরী মনি ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি এবং উদ্ধার সরঞ্জামের বিষয়ে জানতে চান।
প্রতিমন্ত্রী এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের ভিত্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম চলছে। ইতিমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন দুর্যোগের সময় সঠিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।
উদ্ধার সরঞ্জামের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তালিকা দীর্ঘ। সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ক্রয় করেছে। এসব সরঞ্জাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ দুর্যোগ মোকাবেলায় সরাসরি কাজ করে এমন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শুধু সরকারি সংস্থাগুলোর সরঞ্জাম নয়, দেশের বেসরকারি খাতের কাছেও থাকা বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলা ও উদ্ধার সরঞ্জামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়নের জন্য নির্ধারিত।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল (কান্ট্রি প্রোগ্রামস) আনাসি আইসামি।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এই তথ্য প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এই প্রকল্পের আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।
এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএসডিবি চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামীতে বাংলাদেশ ও আইএসডিবির মধ্যকার সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরো জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ