ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যার কারণে দাড়ি-গোঁফ রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেন ইয়ামাল


যার কারণে দাড়ি-গোঁফ রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেন ইয়ামাল

ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবারের মতো নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। এই ১৮ বছর বয়সী ফুটবলারকে ঘিরে স্প্যানিশ সমর্থকদের প্রত্যাশা অত্যন্ত আকাশছোঁয়া। বিশ্বকাপ শুরুর আগে তিনি ভক্তদের জন্য এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে ইয়ামাল জানিয়েছেন, যদি স্পেন বিশ্বকাপ জিততে পারে তবে তিনি টানা তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ কাটবেন না। পাশাপাশি উদযাপনের অংশ হিসেবে ১০০টি বিটস হেডফোন উপহার দেওয়ার ঘোষণাও তিনি করেছেন।

ইয়ামাল বলেন, "আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, বিশ্বকাপ জিততে পারলে তিন সপ্তাহ দাড়ি-গোঁফ রাখব। আর ১০০টি বিটস হেডফোন উপহার দেব।"

আরও পড়ুন: লাইভে রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য

বার্সেলোনার এই উইঙ্গারের জন্য এটি হচ্ছে তার প্রথম বিশ্বকাপ। তবে তিনি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতা আগে থেকেই অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ইয়ামাল বলেন, বড় আসরের শুরুতে স্নায়ুচাপ সামলানোর শিক্ষা তাকে অনেক পরিণত করেছে।

ইয়ামাল বলেন, "প্রথম ম্যাচ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। বড় টুর্নামেন্টে শুরুতে নার্ভাস লাগা স্বাভাবিক। তখন আমি বুঝেছি, একটি ম্যাচ খারাপ গেলেও সব শেষ হয়ে যায় না। পুরো টুর্নামেন্ট অনেক দীর্ঘ। ধৈর্য ধরে নিজের খেলাটা উপভোগ করতে হয়।"

তিনি ব্যালন ডি’অর প্রসঙ্গেও কথা বলেন। গতবার পুরস্কারটি জিতেছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে। ইয়ামাল স্বীকার করেন যে, একসময় তার মনে হয়েছিল পুরস্কারটি হয়তো তার হাতেই উঠবে। তবে পরে তিনি উপলব্ধি করেন যে, তখন তিনি এ সম্মানের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলেন না।

তিনি বলেন, "আমি মনে করি, তখন ব্যালন ডি’অর জেতার সময় আমার হয়নি। আমি অনেক ছোট ছিলাম। হয়তো পুরস্কারটির প্রকৃত মূল্যও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারতাম না।"

আরও পড়ুন: সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির

দেম্বেলের প্রশংসা করে ইয়ামাল জানান, ফরাসি তারকার সঙ্গে তার সম্পর্ক অনেক ভালো। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে দেম্বেলের পরামর্শ ও মানসিক সমর্থন তাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

বিশ্বকাপের আগে স্পেনের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি সোমবার পেরুর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে। মূল আসরে ‘গ্রুপ এইচ’-এ স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে উরুগুয়ে, সৌদি আরব এবং কেপ ভার্ডে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, রেললাইনের পাশে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ মিলল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, রেললাইনের পাশে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ মিলল

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মুক্তা নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘটে।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মিরহামজানী এলাকায় ঘটনার সময় এ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। এ ছাড়াও একই এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।

মৃত মুক্তা ওই এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মিরহামজানী এলাকায় মুক্তা, তার স্বামী সুজন ও তাদের ৭ বছর বয়সী শিশু সন্তানকে নিয়ে রেললাইন ধরে হেঁটে বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। ওই সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন মুক্তাকে ধাক্কা দেয়। ফলে ঘটনাস্থলেই মুক্তার মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

অন্যদিকে, একই এলাকার আরেক স্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ের নারী একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে। তাদের ধারণা, ওই নারীকে প্রায় তিনদিন আগে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহের পচন ধরায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিতকরণ এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের এএসআই এনামুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: প্রতি মিনিটে ইতিহাস গড়ার হাতছানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: প্রতি মিনিটে ইতিহাস গড়ার হাতছানি

দীর্ঘদিনের চেনা বৃত্ত এবং গতানুগতিক খোলনলচে ভেঙে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। কেবল অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি নয়, এবার ম্যাচের সংখ্যা থেকে শুরু করে নকআউটের সমীকরণে সবকিছুতেই রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা রয়েছে।

ফুটবল ইতিহাসে এর আগে এমন ১০৪ ম্যাচের মহাযজ্ঞ কখনো পৃথিবী দেখেনি! এই বিশ্বকাপের আয়োজন করছেন ৩টি দেশ, ১৬টি শহর, আর মাঠ কাঁপাতে আসছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮টি দল। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় এবং সবচেয়ে দামি আসর।

তিন দেশের আয়োজন:

২০০২ সালে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে ফুটবল বিশ্বে নতুন নজির গড়েছিল। এবার সেই যৌথ আতিথেয়তার রেকর্ডও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার তিনটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ-যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো একসঙ্গে পুরো বিশ্বকে স্বাগত জানাবে। ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুর বৈচিত্র্যময় আবহাওয়ার পাশাপাশি তিন দেশের ভিন্ন সংস্কৃতি এবং ফুটবল উন্মাদনা এই আসরকে দেবে এক অতিরিক্ত মাত্রা।

৩২ থেকে বেড়ে ৪৮ দল:

১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ থেকে সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বমঞ্চে ৩২টি দলের লড়াই দেখতেই অভ্যস্ত ছিলেন দর্শক। তবে দীর্ঘ ২৮ বছরের সেই চেনা বৃত্ত এবার ভাঙছে। উত্তর আমেরিকার এই আসরে দল বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৮টি। বৈশ্বিক ফুটবলের এই বড় সম্প্রসারণের ফলে সুযোগ পেয়েছে এমন অনেক দেশ, যারা আগে কখনো বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখার সুযোগ পায়নি। ফলে এবার দেখা যাবে রেকর্ড সংখ্যক নতুন ফুটবলার এবং আন্ডারডগ দলের রোমাঞ্চকর লড়াই।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং দামি জাঁকজমকপূর্ণ বিশ্বকাপ। যেখানে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি প্রান্ত থেকে আসা ফুটবল যোদ্ধারা লড়বে সিলভিও গাজ্জানিগার তৈরি সেই সোনালি ট্রফিটিকে মাথার ওপর তুলে ধরার জন্য।

ম্যাচের সেঞ্চুরি:

দল বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ম্যাচ সংখ্যা। কাতার বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত মোট ৬৪টি ম্যাচ দেখার সুযোগ হয়েছিল। এবার তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০৪টিতে। অর্থাৎ, এবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরি দেখতে যাচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। ৩৯ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে ফুটবল উন্মাদনার কোনো কমতি থাকবে না, যা যেকোনো ক্রীড়া আসরের জন্য একটি নতুন রেকর্ড।

নকআউটে নতুন সমীকরণ:

দল এবং ম্যাচের সংখ্যা বাড়ায় ফিফাকে বদলে ফেলতে হয়েছে টুর্নামেন্টের মূল কাঠামো। এবার ৪৮টি দলকে ভাগ করা হয়েছে মোট ১২টি গ্রুপে। যেখানে প্রতি গ্রুপে থাকছে ৪টি করে দল। আগের মতো প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দলের নকআউটে যাওয়াটা নিশ্চিত, তবে এবার নতুন টুইস্ট হিসেবে ১২টির মধ্যে সেরা ৮টি ‘তৃতীয় স্থান’ অধিকারী দলও শেষ ৩২-এ যাওয়ার টিকিট পাবে। এর ফলে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত প্রতিটি দল টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে।

ট্রফি ছুঁতে জিততে হবে আট ম্যাচ:

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত দিন চ্যাম্পিয়ন হতে হলে একটি দলের জন্য ফাইনাল পর্যন্ত মোট ৭টি বাধা অতিক্রম করতে হত। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই সমীকরণ অতীত হয়ে যাবে। নতুন কাঠামোর অনুযায়ী এবার সোনার ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে চাম্পিয়ন দলকে পুরো টুর্নামেন্টে রেকর্ড ৮টি ম্যাচে জিততে হবে। ৩৯ দিনের এই দীর্ঘ পথচলায় শারীরিক এবং মানসিকভাবে যে দল সবচেয়ে বেশি লড়াকু হবে, তাদের মাথায় উঠবে বিশ্বসেরার মুকুট।

তবে এবারের বিশ্বকাপের গল্প শুধুমাত্র মেসি, নেইমার, রোনালদো, এমবাপ্পে বা ভিনিসিয়ুসদের ঘিরেই নয়। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় প্রথমবারের মতো সর্বাধিক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের উপস্থিতি তৈরি করেছে নতুন আলোচনার জন্ম! মধ্যপ্রাচ্য থেকে আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া থেকে উত্তর আফ্রিকা, মুসলিম বিশ্বের একটি অভূতপূর্ব এবং শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব দেখা যাবে এইবারের ফুটবল আসরে।

বিশ্বকাপে মুসলিম বিশ্বের রেকর্ড উপস্থিতি:

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মুসলিম দেশের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬টি, যেখানে এবার তা এক লাফে পৌঁছেছে ১৪টিতে! অর্থাৎ, ৪৮ দলের এই মেগা আসরের প্রায় ৩০ শতাংশই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। মহাদেশভিত্তিক হিসাবে, সবচেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব এসেছে এশিয়া এবং আফ্রিকা থেকে। এশিয়া থেকে মাঠ কাঁপাতে আসছে সৌদি আরব, কাতার, ইরান এবং ইরাক। তাদের সাথে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের আলোয় পা রাখতে চলেছে জর্ডান এবং উজবেকিস্তান। আফ্রিকা থেকে নাইজেরিয়া, সেনেগাল, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মিশর এবং ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। অন্যদিকে ইউরোপ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছে তুরস্ক এবং বসনিয়া হের্জেগোভিনা। তবে উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে এ সময় কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ জায়গা করে নিতে পারবে না। এবারের বিশ্বকাপে রয়েছে কয়েকটি দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্পও। প্রায় ৪০ বছর পর আবার বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে ইরাক এবং ২৪ বছর পর ফিরছে তুরস্ক। সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপে মুসলিম দেশগুলোর এই রেকর্ড উপস্থিতি শুধু সংখ্যার হিসাব নয়; এটি বিশ্ব ফুটবলে মুসলিম বিশ্বের ক্রমবর্ধমান শক্তি, বিনিয়োগ এবং প্রতিযোগিতার একটি অনন্য নজির।

সোনার পায়ে ফুটবলের রাজপুত্ররা:

এবার চলুন টাকার অঙ্কে। এই কোটি কোটি ডলারের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় কে? একসময় বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় স্টার ছিল মেসি, রোনালদো এবং নেইমার। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামছেন স্পেনের মাত্র ১৮ বছর বয়সী বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামাল। বর্তমান বাজারে তার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হলান্ড। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক গোল করার পাশাপাশি ইউরোপের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করায় তার বাজারমূল্য ১৯ কোটি ৯০ লাখ ইউরো। তৃতীয় স্থানে আছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে যার বাজারমূল্য ১৯ কোটি ইউরো। তার নেতৃত্বেই বাজারমূল্যের দিক থেকে সবচেয়ে দামি স্কোয়াড নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ফ্রান্স।

কোচিং দুনিয়ার মহানায়করা:

খেলোয়াড়দের মাঠে লড়ে কিন্তু ডাগআউটের মাস্টারমাইন্ডদের পেছনে কার খরচ সবচেয়ে বেশি? এই তালিকার শীর্ষে আছেন ব্রাজিলের নতুন ডিরেক্টর বা কোচ কার্লো আনচেলত্তি। হেক্সা মিশনের জন্য আনচেলত্তির ওপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রেখে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)। আর সেই বিশ্বাসের মূল্য হিসেবেই তাকে দেওয়া হচ্ছে বার্ষিক বেতন ৮২ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের টমাস টুখেল, যার বার্ষিক বেতন প্রায় ৫০ লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড। তৃতীয় স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের মাউরিসিও পচেত্তিনো, তিনি পান প্রায় ৪৫ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড। এরপর রয়েছেন জার্মানির জুলিয়ান নাগেলসম্যান (৪২ লাখ পাউন্ড), উজবেকিস্তানের ফ্যাবিও ক্যানাভারো (৩৫ লাখ পাউন্ড), এবং পর্তুগালের রবার্তো মার্তিনেজ (৩৫ লাখ পাউন্ড)। ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ের দেশম বছরে আয় করেন প্রায় ৩৩ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি পান প্রায় ২৮ লাখ পাউন্ড। তালিকার শেষ দুই স্থানে আছেন উরুগুয়ের কিংবদন্তি মার্সেলো বিয়েলসা এবং নেদারল্যান্ডসের রোনাল্ড কোম্যান। দুজনেরই বার্ষিক বেতন প্রায় ২৬ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড।

রেকর্ড ভাঙার মেগা মঞ্চে বিশ্বকাপের নতুন যুগ:

ফুটবলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুজনই এখন ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে রয়েছেন। হয়তো সময়ই উন্মোচন করবে সেই মহাকাব্যিক মুহূর্ত, যেখানে শেষবারের মতো দেখা যেতে পারে তাদের বিশ্বকাপের মঞ্চে।

তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে প্রশ্নটা তোলা রইল আপনার কাছেই রেকর্ডের এই মহা-আসরে কার হাতে দেখতে চান বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি? কমেন্ট করে জানান আপনার প্রিয় দলের নাম!

বিশ্বকাপে ফুটবলে কেনো চার্জ দিয়ে খেলতে হবে:

এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমকটি লুকিয়ে রয়েছে মাঠের ফুটবলে। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এবারের বিশ্বকাপের বল হয়ে উঠছে আরও নিখুঁত এবং স্মার্ট। সবচেয়ে অবাককর ব্যাপার হলো, মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপের মতো এই ফুটবলকেও মাঠে নামানোর আগে দিতে হবে চার্জ!

১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের বল তৈরি করে আসছে বিখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। ২০২৬ সালের জন্য তারা যে বলটি উন্মোচন করেছে, তার নাম দেওয়া হয়েছে ট্রিওন্ডা। এতে ব্যবহার করা হয়েছে কানেক্টেড বল টেকনোলজি, যা মূলত মাঠে রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিতে দারুণভাবে সাহায্য করবে। খালি চোখে এটি সাধারণ ফুটবলের মতো মনে হলেও এর ভেতরে লুকিয়ে আছে দারুণ বিজ্ঞান। ট্রিওন্ডা বলের ভেতরে একটি ৫০০ হার্জের ইনর্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট মোশন সেন্সর চিপ বসানো রয়েছে। একটি ঝুলন্ত সিস্টেমের মাধ্যমে চিপটি বলের ভেতরে আটকে রাখা হয়। কাতার বিশ্বকাপের বলেও ছিল এই চিপ। তবে ২০২২ বিশ্বকাপের বলের সঙ্গে এর একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। আগের বিশ্বকাপে সেন্সরটি বলের ঠিক মাঝখানে বসানো ছিল। এবারের এই বলের সেন্সরটি বসানো হয়েছে বলের এক পাশে!

আসন্ন ১০৪ ম্যাচের সেই দীর্ঘ মহাযাত্রার প্রতিটি মিনিটে তাই রেকর্ড ইতিহাস গড়ার হাতছানি।

লেখক: ইউনুস রাজু, সাংবাদিক ও বিশ্লেষক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ বাহিনীকে আরও অধিক বুস্ট আপ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


পুলিশ বাহিনীকে আরও অধিক বুস্ট আপ করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ বাহিনীকে আরো অধিক বুস্ট আপ করার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন। তিনি জানান, সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী পুলিশ কতটুকু পরিশ্রম এবং চেষ্টা করে যাচ্ছে, সে বিষয়টি জানাতে আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এগুলোর স্বীকৃতি দিতে চাইছি, যাতে তারা উৎসাহিত এবং অনুপ্রাণিত হয় এবং ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে। তিনি জানান, এর আগে এমন কিছু ঘটেছে কিনা তিনি জানেন না। তিনি আরও বলেন, আমরা পুলিশ বাহিনীকে আরো বেশি বুস্ট আপ করতে চাই। যাতে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের তিনটি ঘটনায় যারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের আমরা সনদ দিয়েছি। এসব ঘটনার মধ্যে রয়েছে রামিসা হত্যাকাণ্ডে যারা দ্রুততম সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন, দৌলতদিয়ায় নৌ পুলিশের অসাধারণ ভূমিকায় যাত্রীরা প্রাণে বেঁচে গেছেন; তাদের মধ্য থেকে তিনজন এবং মুন্সিগঞ্জের গণধর্ষণের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন পুলিশ সদস্যও স্বীকৃতি পাচ্ছেন। সবমিলিয়ে আজ আমরা ১৫ জনকে স্বীকৃতি প্রদান করছি। এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে।

আমরা সবাইকে পুরস্কারের তহবিল থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সম্মাননাপত্র দিয়েছি। এছাড়া কয়েকজনকে ব্যাজ দেওয়ার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটের টাকা খরচে জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি, অপচয়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


বাজেটের টাকা খরচে জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি, অপচয়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এদেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যাহিক ক্রয়-বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরিতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি,টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিত "বাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট; আমাদের ভাবনা ও জনগনের প্রত্যাশা" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাশ করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারী, আমনতদারী ও জবাবদিহিতার যথেষ্ঠ ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগনের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শরীয়াহ একটি কার্যকর টুলস।

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন, বরগুনা-১ এর সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, চর্চার সম্পাদক ও সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাস্তদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন নুর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%