ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের আকুতি জানাচ্ছে: ট্রাম্পের দাবি


ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের আকুতি জানাচ্ছে: ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধের কারণে বর্তমানে ইরান দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য ওয়াশিংটনের কাছে আকুতি জানাচ্ছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করেছেন।

মিশিগানে অনুষ্ঠিত জেনারেল মোটরসের অনুষ্ঠান চলাকালীন এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, 'আমাদের নৌবাহিনীর অবরোধ কতটা শক্তিশালী তা ভাবুন! একটি নৌকাও বর্তমানে সেখানে ঢুকতে পারছে না। আর ইরান বারবার বলে—দয়া করে, দয়া করে অবরোধ তুলে নিন।'

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিমানবিধ্বংসী অস্ত্রগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও নিদারুণভাবে কমে গেছে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের ফলে বর্তমানে ইরানের ড্রোন উৎপাদন মাত্র সাত শতাংশে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের 'ত্রাস' হিসেবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নীতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, 'ওবামা ভেবেছিলেন, ইরানকে ঘুষ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু ট্রাম্পের নীতি হলো—তাদের ঘুষ নয়, বরং পিটিয়ে সোজা করতে হবে। আর যুক্তরাষ্ট্র এখন ঠিক সেটাই করছে।'

ট্রাম্প মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কঠোর পদক্ষেপের ফলেই তেহরান এখন সমঝোতায় আসতে চাইছে। তিনি বলেন, 'যদি আমরা তাদের সঙ্গে কঠোর না হতাম, তবে কোনো আলোচনা হতো না। তবে বর্তমানে আমাদের তাদের সঙ্গে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। শেষ পর্যন্ত কী ঘটে, সেটাই এখন দেখতে হবে.'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাত-রুটি খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহজ কৌশল জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ এম


ভাত-রুটি খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহজ কৌশল জানুন

 

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকেই ভয় পান যে, ভাত বা রুটি খেলেই রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাবে। তাই, অনেকের ক্ষেত্রে প্রিয় খাবার এড়িয়ে চলা স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, খাওয়ার বিষয়টি শুধু কী সেটা নয়, বরং কোন ক্রমে খানো হচ্ছে সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করলে ভাত-রুটি খেয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

এই কৌশলটি ‘ফুড সিকোয়েন্সিং’ বা খাবার গ্রহণের সঠিক ক্রম নামে পরিচিত। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথমে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেলে তার পর প্রোটিন এবং সবশেষে কার্বোহাইড্রেট খেলে খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞদের অপর একটি পরামর্শ হলো, ভাত বা রুটি খাওয়ার ৫ থেকে ১০ মিনিট আগে এক বাটি স্যালাড খাওয়া। স্যালাডে আসতে পারে শসা, টমেটো, গাজর, ক্যাপসিকাম, বাঁধাকপি, লেটুস বা অন্যান্য সবুজ শাকপাতা। এসব খাবারে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে তোলে, ফলে কার্বোহাইড্রেট থেকে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে রক্তে মেশে এবং হঠাৎ করে সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কম হয়।

স্যালাডের পরে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারগুলো খাওয়া যেমন ডাল, মাছ, ডিম, মুরগির মাংস, ছোলা, সয়াবিন বা টক দই উপকারী। প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে এবং কার্বোহাইড্রেটের শোষণের গতিও কিছুটা কমায়। এরপর পাঠকদের পরিমিত পরিমাণে ভাত বা রুটি খাওয়ার পরামর্শ দিতে চাই।

এছাড়াও খাবারের পরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হালকা হাঁটলে পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে, যা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। প্লেটের অর্ধেক জুড়েই শাকসবজি, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন এবং বাকি এক-চতুর্থাংশ কার্বোহাইড্রেট রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

তবে এই বিষয়েও জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র স্যালাড খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করা একসঙ্গে খুব জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস মানেই ভাত-রুটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া নয়। বরং সঠিক পরিমাণ, সঠিক সময় এবং সঠিক ক্রমে খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সরাসরি নাকচ করল ট্রাম্পের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


ইরান সরাসরি নাকচ করল ট্রাম্পের দাবি

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করে তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার কোনো ইচ্ছা বা পরিকল্পনা তাদের নেই এবং এমন কূটনীতি তাদের স্বভাববিরুদ্ধ।

ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের সূত্রমতে, সোমবার দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা নেই। ইরান বরং দাবি করেছে, ওয়াশিংটন অনেকবার আলোচনা করার প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে দুই দেশের মধ্যে সক্রিয় আলোচনা চলছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের সেই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে, গত দুই দিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে এবং কোনো পক্ষের থেকেই নতুন করে হামলার খবর পাওয়া যায়নি। সামরিক বিরতির ফলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালী নিয়ে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং এটি এখনো সব ধরনের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে বলে তেহরান নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে যে, সামরিক পদক্ষেপের পথ খোলা রেখেই কূটনীতিকে আপাতত কিছুটা সময় দিতে চান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সামরিক অভিযান বর্তমানে স্থগিত রয়েছে এবং আঞ্চলিক মিত্ররাও এই বিরতির সময়ে কোনো নতুন ইরানি হামলা সম্পর্কে জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বছরের পর বছর শান্ত থাকার পর কেন আবারও সৌদির সঙ্গে যুদ্ধের ঝুঁকি নিচ্ছে হুতিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ এম


বছরের পর বছর শান্ত থাকার পর কেন আবারও সৌদির সঙ্গে যুদ্ধের ঝুঁকি নিচ্ছে হুতিরা

ইয়েমেনের যুদ্ধ যেন শেষ হয়ে যাচ্ছিল না, বরং এটি থমকে ছিল। দীর্ঘ চার বছর ধরে সৌদি আরব এবং ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছিল। তবে সংঘাতের মূল কারণগুলো কখনোই সমাধান হয়নি। তেল সম্পদের ভাগাভাগি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ বাড়াচ্ছিল। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে। দুই চিরবৈরী দেশের উত্তেজনার আঁচ এবার ইয়েমেনেও লেগেছে। ফলস্বরূপ, বছরের পর বছর শান্ত থাকার পর আবারও সৌদি আরবের সঙ্গে নতুন এক সর্বনাশা যুদ্ধের ঝুঁকি নিচ্ছে হুতিরা।

বিশ্লেষকরা মত দেন যে, হুতিদের কাছে যেকোনো সমস্যার একটাই সমাধান—যুদ্ধ। তারা মনে করছেন, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইয়েমেনের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হবে এবং কাঙ্ক্ষিত তেল সম্পদের ওপর আধিপত্য বাড়বে। অপরদিকে, নানা সংকটে জর্জরিত সৌদি আরব শান্তি বজায় রাখার জন্য অর্থ ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু হুতি নেতা আবদুলমালিক আল-হুতি এক ভাষণে পরিষ্কার জানিয়েছেন, তারা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। পাল্টা জবাবে, সৌদি রাষ্ট্রদূত হুতিদের বিরুদ্ধে ইরান-এর হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন।

হুতিরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে হামলার সময় বেছে নিয়েছে। মার্কিন-ইরান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায়, সৌদি আরব এখন পুরোপুরি লোহিত সাগরের ওপর নির্ভরশীল। ঠিক এই বৃহৎ সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়েছে হুতিরা। সম্প্রতি, তারা সৌদির দিকে জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি লোহিত সাগরে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জবাবে, বাধ্য হয়ে সৌদি জোট হুতি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে।

এটি বলা যেতে পারে যে, ২০২৩ সালের শেষে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছিল বিবদমান এই দুই পক্ষ। কিন্তু গাজা যুদ্ধ সব হিসাব পাল্টে দেয়। এরপর ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে হুতিদের 'সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে ঘোষণা করেন এবং চাপ বাড়ান।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি ইরানি ফ্লাইট। প্রায় এক বছর পর সানা বিমানবন্দরে একটি ইরানি বিমান নামার চেষ্টা করলে, অস্ত্র বহনের অভিযোগে সৌদি জোট সেখানে বিমান হামলা চালিয়ে ফ্লাইটটিকে মুখ ঘুরিয়ে নিতে বাধ্য করে। এর পরপরই লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে অবরোধের ডাক দেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। এভাবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ শুরু হয়।

ইয়েমেন আবারও পুরোদস্তুর যুদ্ধে জড়াবে কি না, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের ওপর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গত ২৩ জুলাই, কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করেছেন যে, সৌদি তেলের ট্যাংকারে হামলা অব্যাহত রাখলে হুতিদের চরম ‘সামরিক শাস্তি’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া সেই ৩২ ডিসি যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া সেই ৩২ ডিসি যারা

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে জনস্বার্থের জন্য তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, তারা অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন এবং এ আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কাজ করছিলেন এবং প্রত্যেকের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকারের জনস্বার্থে তাদের অবসরে পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, তাই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

অবসরে যাওয়া ৩২ কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ে যারা যেসব জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিলেন সেসব জেলায় তাদের নামগুলো হলো— রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর মো. ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. সাহেদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙ্গামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নূরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মো. দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর এবং চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান।

সরকারি সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসব কর্মকর্তা তাদের নিজ নিজ জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাজ করেছেন। প্রশাসনিক সংস্কার এবং ওই নির্বাচন সংক্রান্ত নানা বিষয়ে পর্যালোচনার অংশ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উল্লেখ করা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। নির্বাচনের পূর্ব রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার অভিযোগ, ভোটগ্রহণে অনিয়ম, বিরোধী দলের প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার মতো বিভিন্ন অভিযোগ দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। তবে সে সময় নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে বিজয়ী হয় আর প্রধান বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭টি আসনে জয়লাভ করে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%