ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

টেলিটক বিক্রির প্রশ্নই আসে না, আধুনিকায়ন করা হবে: আইসিটি মন্ত্রী


টেলিটক বিক্রির প্রশ্নই আসে না, আধুনিকায়ন করা হবে: আইসিটি মন্ত্রী

 

ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক বিক্রি করা হবে না। তিনি বলেছেন, টেলিটককে আধুনিকায়ন করে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে আইসিটি ও টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এই কথা বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা টেলিটক বিক্রি করব না। টেলিটককে আপগ্রেড করতে চাই।" প্রতিযোগিতার বাজারে যেন প্রতিষ্ঠানটি আরও সক্ষম হয়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১ মাস পর স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন

মন্ত্রী বলেন, "এখনো বেসরকারি মোবাইল অপারেটরগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তবে শিগগিরই তাদের সঙ্গে বসা হবে।"

মোবাইল ফোন গ্রাহকদের বিভিন্ন অভিযোগ, বিশেষ করে অজান্তে মোবাইল ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেওয়া, প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া এবং গ্রাহকসেবার নানা সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে মন্ত্রী বলেন, "এসব বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কাজ করছে। বিটিআরসিতে জমা থাকা অভিযোগগুলো নিয়েও সরকার পর্যালোচনা করছে।"

এ ছাড়া সাংবাদিকরা জানান, অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেন যে নির্দিষ্ট মূল্যের ইন্টারনেট বা কল প্যাকেজ কিনলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার না করলে অব্যবহৃত সুবিধা বাতিল হয়ে যায়। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, "বিষয়টি নিয়ে মোবাইল অপারেটরগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবো।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, তাদেরও নিজস্ব ব্যবসায়িক নীতি রয়েছে। এরপরও সরকার গ্রাহক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।

সভায় তিনি নগদ, টেলিযোগাযোগ খাত, চলমান বিভিন্ন প্রকল্প, বিদেশ সফর, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পেপাল, আইসিটি অবকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় নিয়েও কথা বলেন।

আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে রিফাতের মৃত্যুদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিসিবি ডিলারদের চুক্তি পুনঃনবায়নের জন্য কুড়িগ্রামে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


টিসিবি ডিলারদের চুক্তি পুনঃনবায়নের জন্য কুড়িগ্রামে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

কুড়িগ্রামে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন টিসিবি ডিলাররা। তারা ২০২৫ সালের নবায়নযোগ্য ডিলার এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে মেয়াদোত্তীর্ণ নবায়নযোগ্য টিসিবি ডিলারদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে পুনঃনবায়নের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘টিসিবি ডিলার বাঁচাও আন্দোলন, জেলা কুড়িগ্রাম’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা টিসিবি ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনটি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ফুলবাড়ী উপজেলার টিসিবি ডিলার হারুন অর রশিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম সদরের টিসিবি ডিলার রোকনুজ্জামান রোকন, মোহাম্মদ রোকন আলী, রিপন মিয়া, উলিপুর উপজেলার টিসিবি ডিলার আতাউর রহমান, চিলমারী উপজেলার ডিলার পলাশসহ আরও অনেকেই।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ডিলাররা জানান, তারা দীর্ঘকাল ধরে টিসিবির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থেকে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তবে, চুক্তি নবায়নে বিলম্ব হলে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তাই জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে দ্রুত চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, তারা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে টিসিবির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদনে নবায়নের সুপারিশ থাকার পরও এখনও তাদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন হয়নি। ফলে, তারা অশান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী নবায়নযোগ্য ডিলারদের সঙ্গে পুনঃচুক্তি সম্পাদন করে তাদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়ার দাবি জানান।

ডিলাররা আরও বলেন, তারা নিম্নআয়ের মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। কিন্তু বৈধ ও নবায়নযোগ্য ডিলারদের দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা তাদের আর্থিক ও পারিবারিক সংকটে ফেলে দিয়েছে। তারা বিশেষ সুবিধা চান না, শুধু ন্যায্য দাবি এবং অধিকার বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানান।

তারা দাবি করেন, জেলা প্রশাসকের তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত বাস্তবায়ন করে ২০২৫ সালের নবায়নযোগ্য ডিলার এবং ৩০ জুন ২০২৬ সালের মেয়াদোত্তীর্ণ নবায়নযোগ্য ডিলারদের সঙ্গে অবিলম্বে চুক্তি সম্পাদন করা প্রয়োজন। অন্যথায়, টিসিবি ডিলাররা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। তাদের দাবি যৌক্তিক, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ

তামাক নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সংশোধিত আইন পাস হলেও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ কাটেনি।

তাদের মতে, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য এখনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় শিশু, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে।

তাহলে নতুন আইনের কঠোর বাস্তবায়নের পাশাপাশি এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রি ও প্রচার নিষিদ্ধে পৃথক ও কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সোমবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা) এবং তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) আয়োজিত সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সুপারিশে তামাক কম্পানির প্রভাব ও কৌশল কঠোরভাবে মোকাবেলা, খুচরা শলাকা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ বিক্রি ও লাইসেন্স ছাড়া তামাকপণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বিক্রি, বিতরণ, মজুদ ও বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করতে পৃথক আইন প্রণয়ন, তামাক চাষনীতি ও তামাক করনীতি প্রণয়ন এবং সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন ও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পাস হওয়া ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধনী) আইন, ২০২৬’ তামাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এর সুফল নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর।

জন্য মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতে হবে।

আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, তামাক ও নিকোটিন কম্পানিগুলো নতুন মোড়ক, আধুনিক উপস্থাপন ও আগ্রাসী বিপণন কৌশলের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে।

এসব পণ্যকে তুলনামূলক কম ক্ষতিকর বা আধুনিক হিসেবে প্রচার করা হলেও এ ধরনের দাবির পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং এগুলো তরুণদের নিকোটিন নির্ভরতার দিকে ঠেলে দেয় এবং ভবিষ্যতে প্রচলিত তামাকপণ্য ব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।

সভায় বক্তারা বলেন, সংশোধিত আইনে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ফলে এসব পণ্য কার্যত নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে, যা শিশু, কিশোর ও তরুণদের নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষায় এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বিপণন ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবশক্তির নেতাসহ ৫াকে কারাগারে পাঠানো হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবশক্তির নেতাসহ ৫াকে কারাগারে পাঠানো হলো

দিনাজপুরের একটি মামলায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (‘এনসিপি’) অঙ্গসংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় এক নেতা সহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে রোববার (৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ পাঁচমাইল এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়।

কারাগারে সন্নিবেশিত আসামিরা হলেন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন, হাসিন ইসরাক মিম, আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম, সাজেদুল মিনহাজ এবং মোহাম্মদ হৃদয়।

মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলার খোশালপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদকে অপহরণের পর তার ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে শহরের গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে আসামিদের থানায় নেয়ার সময় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আব্দুস সামাদকে অবৈধভাবে অপহরণ করে মারধর করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এই বিষয়ে মামলার বাদী মো. মামুন অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন এবং এর পর পাঁচ আসামিকেই আদালতে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে আদালতের মাধ্যমে পাঁচজনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম জানান, সোমবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে পুলিশি নিরাপত্তায় আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পুলিশি প্রাথমিক তদন্তে জমি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনে বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকা হয়নি শিলংদহ-গুড়পিপুল সড়ক, ২০ হাজার মানুষের ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


পাকা হয়নি শিলংদহ-গুড়পিপুল সড়ক, ২০ হাজার মানুষের ভোগান্তি

দীর্ঘ দিন পেরিয়ে গেলেও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার শিলংদহ-গুড়পিপুলের প্রায় সোয়া দুই কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ন গ্রামীণ সড়কটি এখনো পাকা হয়নি। এর ফলে, বছরের ছয় থেকে সাত মাস কাদামাটিতে একাকার হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার প্রায় ১০ থেকে ১২টি গ্রামের ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের।

স্থানীয়দের অভিযোগ হলো, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারি দপ্তরে বারবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত সড়কটির পাকাকরণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর ফলে কৃষকরা তাদের কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে এবং মুমূর্ষু রোগী, প্রসূতি ও শিশুদের চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের শিলংদহ-গুড়পিপুল সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। অথচ এই সড়কটির মাধ্যমে শিলংদহ, গুড়মা, আড়ংগাইল, ক্ষীরশিন, গুড়পিপুল, দোগাড়িয়া সহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের চলাচল হয়ে থাকে।

এ ছাড়াও, এই সড়কটি ব্যবহার করে শিলংদহ, গুড়মা ও ক্ষীরশিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৬০ থেকে ৩৮০ শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। একইভাবে, গুড়পিপুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ জন এবং আড়ংগাইল দাখিল মাদ্রাসার প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীও এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল।

শিলংদহ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, এই সড়ক দিয়েই এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত ধান, সরিষা, আলু, ভুট্টাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য গুড়পিপুল, কাঁটাগাড়ি, গুল্টাসহ আশপাশের কয়েকটি হাট-বাজারে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সড়কটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

দোগাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষক তাজআমিন বলেছেন, প্রায় এক মাস ধরে টানা বৃষ্টির কারণে শিলংদহ-গুড়পিপুল সড়কে হাঁটুসমান কাদা জমে আছে। ফলে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না, এতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান, সরিষা, আলু, ভুট্টাসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছেন না।

ক্ষীরশিন গ্রামের কৃষক অনিমেষ সিং প্রকাশ করেছেন, ধান বিক্রি করতে না পেরে বহু কৃষক আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

শিলংদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সীমা বালা, পারুল খাতুন, রিপন সিং, পবন চন্দ্র এবং অকিল চন্দ্র মাহাতোসহ আরও অনেকেই জানিয়েছেন, কাঁচা সড়কের কারণে কাদামাটি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। অনেক সময় বিদ্যালয়ে যেতে ইচ্ছাই করে না। উপজেলায় অনেক সড়ক পাকা হলেও আমাদের এই সড়কের দুরবস্থা কারো নজরে পড়ছে না। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানানো হচ্ছে।

এদিকে এলাকার শিক্ষক আব্দুল হান্নান, গ্রামপ্রধান আব্দুল মালেকসহ স্থানীয়রা বলেছেন, সড়কটি পাকাকরণের দাবিতে বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জ্ঞানেন্দ্রনাথ বসাক জানিয়েছেন, সড়কটি পাকাকরণে যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। তাই উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে সড়কটি পাকাকরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক জানিয়েছেন, আগামী গ্রীষ্ম মৌসুমে সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%