ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান’, লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সমাবেশ


‘প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান’, লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীর সমাবেশ

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর অংশগ্রহণে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বলা হয়, "নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান।"

রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবসের নবম বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ক্যাম্পের একটি ফুটবল মাঠে ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গার (ইউসিআর) উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়। এর মধ্যে মাঠে প্রায় ৩০০০০ থেকে ৩৫০০০ জন এবং সমাবেশস্থল সংলগ্ন সড়ক ও পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ১ লাখ শরণার্থী সমবেত হয়।

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক ও নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। তবে বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও বৈষম্য শুধু ২০১৭ সালেই নয়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

ওই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান করে। এ জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, "দীর্ঘ ৯ বছর ধরে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থান করা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর; তারা আর শরণার্থী শিবিরের জীবন যাপন করতে চান না।" তাদের মতে, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান।

বক্তারা আরো বলেন, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তারা নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে প্রস্তুত। তবে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে তাদের জীবনের নিরাপত্তা, মৌলিক অধিকার, নাগরিকত্বের অধিকার এবং কেড়ে নেওয়া সম্পদ ও বসতভিটা পুনরুদ্ধারের নিশ্চয়তা প্রয়োজন।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ২০১২, ২০১৭ এবং ২০২৪ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর ধারাবাহিকভাবে বৈষম্য, নিপীড়ন ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। বাস্তুচ্যুত হওয়ার পূর্বে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ঐতিহ্য ছিল। রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস তাদের অতীতের নির্মমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবিকে পুনরুজ্জীবিত করে।

তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরো কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা পালন করতে হবে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

সমাবেশ শেষে ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে নিহত রোহিঙ্গাদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত হয়। এ সময় ইউসিআর সভাপতি মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম, মৌলভী সৈয়দ উল্লাহ, মাস্টার খিন মং রফিক, মাস্টার মোহাম্মদ শোয়াইফ, সাজেদা বেগম এবং নির্বাহী সদস্য মাওলানা জুবায়ের ও মাওলানা আবদু রহিমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বাস ধর্মঘট, মহাসড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


বরিশালে বাস ধর্মঘট, মহাসড়ক অবরোধ

বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা ও মারধরের বিচার এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে আবারও বাস ধর্মঘট ও সড়ক অবরোধ করেছেন নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের শ্রমিকরা। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে নথুল্লাবাদে সড়ক অবরোধ ও বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

বাস শ্রমিকরা জানান, সোমবার বাস ও থ্রি-হুইলার শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুপক্ষের আলোচনার পর বিষয়টি সমাধান হয়। কিন্তু আজ সকালে পুনরায় থ্রি-হুইলার শ্রমিকরা রহমতপুর এলাকায় দুটি বাসের চালককে মারধর করে। আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শ্রমিক মারধরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বাস শ্রমিকরা। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

হঠাৎ এই সড়ক অবরোধ ও ধর্মঘটের কারণে মহাসড়কের দুপাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভুক্তভোগী যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুততম সময়ে এ সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনগত সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরকারের নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


আইনগত সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরকারের নতুন উদ্যোগ

দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, পুনর্বাসন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে এক ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘সমাজসেবা অধিদপ্তর’, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর’ এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর’র মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ইয়াসমীন পারভীন, এনডিসি এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।

সমঝোতা স্মারকে নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্‌বুব এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শায়লা শার্মিন জামান।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের নারী, শিশু এবং অবহেলিত শ্রেণির অধিকার যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে এবং কেউ যেন বিচারের অভাবে নিভৃতে না কাঁদে-সে লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। যাদের আইনি সহায়তা প্রয়োজন কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য নেই, রাষ্ট্র সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাদের আইনি সহায়তাও প্রদান করবে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইনি সহায়তা পাওয়া প্রতিটি মানুষের মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার। বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশে সরকারি পর্যায়ে লিগ্যাল এইডের ধারণার সূত্রপাত হয়। তিনি চেয়েছিলেন যাদের আইনি লড়াই চালানোর আর্থিক সামর্থ্য নেই, রাষ্ট্র তাদের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করুক;  তারই ধারাবাহিকতায় আজকের বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই সরকার কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক ও অসহায় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এই ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মধ্যে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় গড়ে উঠবে। এর ফলে সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ যেকোনো সহিংসতার শিকার মানুষ এক ছাতার নিচে আইনি সহায়তা, নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন সেবা পাবেন। পাশাপাশি একটি সমন্বিত রেফারেল ও কেস ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের ফলো-আপ নিশ্চিত হবে এবং ১৬৬৯৯, ১০৯৮ ও ১০৯ হেল্পলাইনগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে জরুরি সহায়তা কার্যক্রম আরও দ্রুততর হবে।

সমঝোতা স্মারকের শর্তানুযায়ী মাঠপর্যায়ে সেবা বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে যৌথ কমিটি কাজ করবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্য বিনিময় ও গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। সামগ্রিকভাবে, এটি আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করে অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবা প্রাপ্তিকে সহজ, সমন্বিত ও সময়োপযোগী করবে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


নড়াইলে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক জি এম মাশরাফির ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রুবাইয়াৎ তুরশেদ শাথীল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সম্প্রতি জি এম মাশরাফির ইয়াবা সেবনের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ছাত্রদল তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নড়াইল জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক জি এম মাশরাফিকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।’

এ বিষয়ে জি এম মাশরাফির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে স্বামীর যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


রাজবাড়ীতে স্বামীর যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে স্বামীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দিয়েছেন আদলাত। মঙ্গলবার দুপুরে বালিয়াকান্দি আমলি আদালতের বিচারক আরিফ হোসেন এ আদেশ দেন। 

কারাগারে পাঠানো ওই নারীর নাম মোছা. তানিয়া খাতুন (২২)। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের মোহন মল্লিকের মেয়ে। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। 

তানিয়ার স্বামী মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একটি জাতীয় পত্রিকার রাজবাড়ী প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন।

আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে সাখাওয়াতের সঙ্গে বিয়ে হয় তানিয়ার। বিয়ের সময় সাখাওয়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে তানিয়াকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়। তবে বিয়ের পর তানিয়া তার স্বামীর কাছে পাঁচলাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। একপর্যায় স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে চলে যান তানিয়া।

বিষয়টি পারিবারিকভাবে ও স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে তানিয়া যৌতুকের টাকা ছাড়া সংসারে ফিরতে রাজি হয়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে ২০১৮ সালে যৌতুক নিরোধ আইনের বালিয়াকান্দি আমলি আদালতে মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তাফা জানিয়েছেন, আদালতের তদন্তের পর তানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে তিনি স্বেচ্ছায় সংসার করার শর্তে জামিন নেন। এরপর লিগ্যাল এইডের মাধ্যমেও বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে আসামি ও বাদির সঙ্গে সংসার করতে নাজি না হওয়ায় এবং মীমাংসা কার্যকর না হওয়ায় আদালত তানিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%