ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাদিক কায়েমকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে : রাশেদ খান


সাদিক কায়েমকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে : রাশেদ খান

শ্রমিক তৌফিককে হত্যার অভিযোগে সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তিনি যে অভিযোগ করেছেন, সেই জন্য তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।

বুধবার (৪ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গুপ্ত সাদিক কায়েমের কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে যে, বিএনপি সরকার শ্রমিক তৌফিককে হত্যা করেছে? যদি প্রমাণ থাকে, তবে সেগুলো তিনি প্রকাশ করছেন না কেন?

রাশেদ খান আরও লেখেন, বর্তমান জামায়াত নেতা সাদিক কায়েম লিখেছেন যে, বিএনপি সরকার শ্রমিক তৌফিককে হত্যা করেছে। তৌফিক হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করা এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারকে শ্রমিক হত্যার দায় নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। শ্রমিক হত্যার সরকার, আর নয় দরকার। নাকি ছাত্রলীগের প্রতি তার প্রথম প্রেম আজও রয়ে গেছে? তিনি কি অন্ধ, যা দেখছেন না? প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে সমস্ত গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে, হামলা-ভাঙচুরের ভিডিও করায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিক নামধারী দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করেছে। তবুও তিনি শ্রমিক হত্যার দায়ে বিএনপি সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন!

আরও পড়ুন: মিয়ামিতে ছবি তুলতে গিয়ে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারে নিহত ১, আহত ২

তিনি আরো উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ ফিরে এলে এই গুপ্ত সাদিক কায়েমরা আবারও ছাত্রলীগ হয়ে যাবে। যখন ঢাবি ক্যাম্পাসে শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন হচ্ছিল, তখন এই গুপ্ত সাদিক কায়েম ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে সাদ্দামের নেতৃত্বে মিছিল করেছে। তাহলে বোঝা যায়, তারা কেমন বিপ্লবী! তারা সুসময়ের কৌশলী বিপ্লবী।

রাশেদ খান আরও লেখেন, এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন কারণ, তারা হত্যার দায় বিএনপি সরকারের ওপর চাপিয়ে শ্রমিক নামধারী আওয়ামী লীগের তাণ্ডবকে আরও বেগবান করতে চাচ্ছে। তাই বাংলাদেশপন্থী সবাইকে তাদের ভুয়া ন্যারেটিভের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। সরকার সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে সক্ষম হওয়ায় তারা খুব কষ্ট পেয়েছে! তারা ভাবছিল যে, এই ইস্যু দিয়ে সরকারকে ফেলে দেবেন! কিন্তু তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় তারা সব পাগল হয়ে গেছে!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্য অপচয় রোধে সমন্বিত কৌশল প্রণয়নের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


খাদ্য অপচয় রোধে সমন্বিত কৌশল প্রণয়নের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, খাদ্য অপচয় রোধের জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল তৈরি করা আবশ্যক।

তিনি উল্লেখ করেন, একক কোনো মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব নয়। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পরিবেশ, শিল্প ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে একত্রে কাজ করতে হবে। সমন্বয়ের শক্তি যত বেশি হবে, ফলাফল ততই কার্যকর হবে।

আজ বুধবার ঢাকার হোটেল শেরাটনে ‘খাদ্য সাশ্রয় করুন, বাংলাদেশের খাদ্যের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন: খাদ্য অপচয় ও ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ক জাতীয় সংলাপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ কার্যালয় যৌথভাবে এই জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংলাপকে শুধুমাত্র আলোচনা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকর সিদ্ধান্ত ও বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, যাতে মানুষের জীবনে সুফল দৃশ্যমান হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য অপচয় রোধ মানে শুধু খাদ্য সাশ্রয় নয়; বরং এটি কৃষকের শ্রমের মর্যাদা রক্ষা, জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ এবং মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ও।

তিনি বলেন, উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ভোক্তা পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করে উৎপাদিত খাদ্যের সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে খাদ্য অপচয় রোধে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক, উৎপাদক ও ভোক্তাদের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।

সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মি. জিয়াওকুন শি খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি কমাতে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন এফপিএমইউ-এর মহাপরিচালক মো. মাহাবুবুর রহমান।

মূল বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল আলম, অধ্যাপক নওশাদ আলম ও ড. এম. খালেকুজ্জামান। তারা খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি হ্রাসের চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

এফএও-এর হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ১৩.৩ শতাংশ খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি- ইউএনইপি-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে পরিবার, খাদ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে প্রায় ১০৫ কোটি টন খাদ্য অপচয় হয়েছে।

খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি কমানো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১২.৩ অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় সংলাপে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা, খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, দেশি-বিদেশি গবেষক, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমটবের স্পেকট্রামের মূল্য কমানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


এমটবের স্পেকট্রামের মূল্য কমানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান

গ্রাহকের সাশ্রয় নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্পেকট্রামের মূল্য কমানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)।

সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে অংশীজনদের আলোচনা এবং স্পেকট্রাম নবায়ন প্রক্রিয়ায় গৃহীত উদ্যোগের জন্য শিল্প খাত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তবে, পূর্বে প্রচারিত অঙ্কের তুলনায় হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও, এটি স্বীকার করা জরুরি যে, বর্তমান প্রস্তাবিত স্পেকট্রাম মূল্যায়ন নবায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত মানদণ্ড নয়। খাতের রাজস্ব ও বাজারবাস্তবতার নিরিখে বিবেচনা করলে, এটি আন্তর্জাতিক ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বাজারমানদণ্ডের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। আজ বুধবার দুপুরে বনানীর প্রাসাদ সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি উত্থাপন করা হয়।

আসন্ন স্পেকট্রাম নবায়ন নিয়ে আলোচনা করেন বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ এবং রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লে. কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব)।

বক্তারা উল্লেখ করেন, স্পেকট্রাম নীতি ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উদ্ভাবন এবং নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী সংযোগসহ ব্যাপকতর জাতীয় লক্ষ্যসমূহকে সহায়তা করবে। তাই, সরকারি রাজস্ব ও খাতের দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতার মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য রক্ষা করা অপরিহার্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


সৌদির রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে যে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ রিয়াদ অঞ্চলে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা জারির পর গোষ্ঠীটি এই হামলার তথ্য প্রকাশ করে।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, রিয়াদের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি এসময় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করেন।

এর আগে, গত অক্টোবরে হুথিদের ভয়াবহ হামলার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি কর্তৃপক্ষ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম প্রায় দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। অক্টোবরের শেষের দিকে বিমানবন্দরটি সীমিত পরিসরে পুনরায় চালু করা হয়।

বুধবার ভোরে সৌদি সিভিল ডিফেন্স রিয়াদ প্রদেশের বাসিন্দাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করে জাতীয় আগাম সতর্কবার্তা প্ল্যাটফর্মে। এতে সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে কিছু সময় পর এই সতর্কবার্তাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

হুথিদের হামলার দাবি রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের ওপর এবারই প্রথম নয়। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের সূচনার পর গত অক্টোবরের শুরুতে বিমানবন্দরটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় গোষ্ঠীটি। ওই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তার কারণে বিমানবন্দরটির সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর অক্টোবরের শেষ দিকে সীমিত আকারে বিমান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এদিকে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ২০টিরও বেশি হামলা ও হামলার চেষ্টা চালিয়েছে হুথিরা।

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর ২০১৫ সাল থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে হুথি বিদ্রোহীরা। দীর্ঘদিনের মধ্যস্থতা ও আলোচনার পর ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইরানকে কেন্দ্র করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত বিস্তৃত হওয়ার পর সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে।

হুথিরা লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার পাশাপাশি সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে রিয়াদ এবং দেশটির পশ্চিমা মিত্রদের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।

সূত্র: এএফপি

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপন সহজ করল বিআরটিএ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপন সহজ করল বিআরটিএ

মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট স্থাপন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিগত জটিলতা দূর করার উদ্দেশ্যে সরকার সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ সংশোধন করেছে।

সংশোধিত বিধিমালায় মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, আকার, অক্ষরের উচ্চতা এবং নম্বর লেখার বিন্যাসে পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে মোটরসাইকেলের কাঠামো ও নকশা বিবেচনায় সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পথ আরো সহজ হয়েছে।

এ সংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নূরুল ইসলামের স্বাক্ষরে জারি করা হয়। ১ নভেম্বর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশোধিত বিধান অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর ৩৬ বিধির মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট-সংক্রান্ত বিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে মোটরসাইকেলের সামনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিন্যাসের পাশাপাশি এক লাইনে নম্বর লেখার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এছাড়া মোটরসাইকেলের নকশা ও কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সামনের নম্বরপ্লেটের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের ক্ষমতা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষকে (বিআরটিএ) দেওয়া হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষরের আকার ও যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের উচ্চতা নির্ধারণ করতে পারবে।

একই সঙ্গে নম্বরপ্লেটের উল্লম্ব অংশে ফাঁকা জায়গার পরিমাণ, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানের দৈর্ঘ্য ও দ্বিতীয় লাইনে সংখ্যাগুলোর মধ্যবর্তী হাইফেনের দৈর্ঘ্যও নির্ধারণ করতে পারবে। এছাড়া একই লাইনে রেজিস্ট্রেশন মার্ক লেখার ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষর ও যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের পর নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের প্রচলিত বিন্যাসের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প বিন্যাস ব্যবহারের বিধিগত সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় মোটরসাইকেলের সামনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিপরীতমুখী রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেট ব্যবহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে নম্বরপ্লেটের দৃশ্যমানতা ও শনাক্তকরণে সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বিধিমালার ৩৬ নম্বর বিধির সংশ্লিষ্ট উপবিধিতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি উপবিধি (১০) থেকে ‘মোটরসাইকেল এবং’ শব্দ দুটি বিলুপ্ত করার কথাও বলা হয়েছে। সংশোধনীর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা ও বিন্যাসের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ আরো স্পষ্ট করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়কে মোটরসাইকেলের চলাচল ও পরিচয় শনাক্তকরণ নিশ্চিত করতে সামনের নম্বরপ্লেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও মহাসড়কে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন শনাক্তকরণ, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের মোটরসাইকেলের সামনের অংশের নকশা ও কাঠামো এক রকম নয়। কোনো কোনো মোটরসাইকেলের সামনে প্রচলিত আকারের নম্বরপ্লেট স্থাপন করা কঠিন। আবার সব মডেলের ক্ষেত্রে একই মাপ ও বিন্যাসের নম্বরপ্লেট ব্যবহার করাও বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে।

এ কারণে মোটরসাইকেলের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নম্বরপ্লেটের আকার ও বিন্যাস নির্ধারণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিধানের ব্যাখ্যা থেকে ধারণা পাওয়া যায়। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি ও স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণে সহায়ক হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের অক্ষর, সংখ্যা ও বিন্যাস নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশের ফলে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট স্থাপনের বিষয়ে বিআরটিএর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহণের বিধিগত ভিত্তি তৈরি হয়েছে। তবে কোন ধরনের মোটরসাইকেলে কী আকারের নম্বরপ্লেট স্থাপন করা হবে, নম্বরের বিন্যাস কেমন হবে ও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি কী হবে, সেসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপনে সংশোধিত বিধান অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা ও বিন্যাস নির্ধারণে বিআরটিএ এখন সংশোধিত বিধিমালার আলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।

সড়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অন্যান্য যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেলকেও ক্যামেরার আওতা নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%