১১:২৬ পি.এম
নোয়াখালীর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে এক তরুণীকে তার মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক তুলে নেয়ার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় আসামি আবদুর রহিম রনিকে (২৩) গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১১) সিপিসি-৩ এর চৌকস টিম।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন (এসআরবি-১১) সিপিসি-৩ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মিথুন কুমার কুণ্ডু।
এর আগে, সোমবার রাত ৮ টা ৩৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং এসআরবি-৭, সিপিএসসি, চট্টগ্রাম যৌথ আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাশে কলোনি এলাকার ইউসুফ নামে ভাড়াটিয়া এক বাসা থেকে আসামী আবুল হোসেন রনিকে (২৩) গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত
গ্রেফতারকৃত রনি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের জগদানন্দ গ্রামের বাছেদের বাড়ির সালাউদ্দিনের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে (এসআরবি-১১) সিপিসি-৩ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মিথুন কুমার কুণ্ডু আরো জানান, মামলার ভিকটিম স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। আবুল হোসেন রনি অন্য আসামীদের সহায়তায় ভিকটিমকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ভিকটিমের মা বাদি হয়ে গত ১৬ জুলাই তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল নোয়াখালীতে একটি মামলা দায়ের করেন। ফলে আদালত ভিকটিম জান্নাতুল মাওয়া মুক্তা (১৩) কে উদ্ধারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা, নোয়াখালীকে আদেশ দেন।
আসামীরা পর্দার আড়ালে থেকে ভিকটিমকে আদালতে হাজির করে এবং বিজ্ঞ আদালত তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, চট্টগ্রামে প্রেরণ করে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর আদালত ভিকটিমকে বাদীনির জিম্মায় প্রদান করে। বাদীনি ভিকটিমকে জিম্মায় নিয়ে আদালত থেকে সিএনজিতে অটোরিক্সায় ওঠার সময় আসামী রনিসহ তার সহযোগীরা তাদের ঘিরে ফেলে। আসামীরা ভিকটিমকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে বাদীনি বাধা দেন। এ সময় আসামীরা বাদীনিকে কিল ঘুষি মেরে রাস্তায় ফেলে দেয়। বাদীনি ভিকটিমকে হেফাজতে নেয়ার চেষ্টা করলে আসামী বাদীর গলা টিপে ধরে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আসামীরা সিএনজি ও মোটরসাইকেল করে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে সুধারাম থানায় মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের মা। মামলাটি রুজু হওয়ার পর ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধারের লক্ষ্যে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। পরে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং এসআরবি-৭, সিপিএসসি, চট্টগ্রাম যৌথ আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাশে কলোনি এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন