বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০২ পি.এম
টানা ২৫০ দিন সমুদ্রে থাকার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন শহর পাতায়ার কাছে নোঙর করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রে থাকার কারণে রণতরীটির প্রায় ৫ হাজার নাবিকের জন্য বিশ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।
রণতরীটির ক্লান্ত নাবিকেরা যখন শহরের বার ও রেস্তোরাঁয় যাবেন, তখন তারা অনেকটা সেই মার্কিন সেনাদের পথই অনুসরণ করবেন, যারা ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় পাতায়ায় আসতেন।
মার্কিন সেনাদের নিয়মিত যাতায়াতের ফলে পাতায়া একটি ছোট জেলেপাড়া থেকে বিশ্বের পরিচিত পার্টি শহরগুলোর মধ্যে পরিণত হয়। তবে বর্তমানে শহরের সমুদ্রসৈকতের দিকে যাওয়া গলিগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি শান্ত।
বিখ্যাত ‘ওয়াকিং স্ট্রিট’-এর বারগুলোতে গ্রাহক আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রচারণামূলক ভিডিও চালানো হলেও আগের মতো ভিড় দেখা যায় না। বর্তমানে পাতায়ায় আসা পর্যটকদের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে পরিবার নিয়ে আসা মানুষ। তারা সাধারণত গো-গো বারের চেয়ে তুর্কি আইসক্রিম বিক্রেতাদের মতো পারিবারিক বিনোদনের প্রতি বেশি আগ্রহী।
ইরান যুদ্ধের কারণে পর্যটন ও মানুষের খরচ কমে যাওয়ায় পাতায়ার ব্যবসাগুলোও ক্ষতির মুখে পড়েছে। ফলে দীর্ঘদিন সমুদ্রে থাকার পর প্রায় ৫ হাজার মার্কিন নাবিকের আগমন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। সমুদ্রে থাকার সময় নাবিকদের প্রায় নয় মাসের বেতন খরচ করার সুযোগ হয়নি, তাই তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বিক্রির আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
মার্কিন বিমানবাহী রণতরীটি গত নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে ছয় মাসের নির্ধারিত দায়িত্বে যাত্রা করেছিল। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করলে রণতরীটিকে পারস্য উপসাগরে পাঠানো হয়।
দীর্ঘদিন সমুদ্রে থাকার কারণে নাবিকদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করতে হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য নাবিকদের খাবারের সংকট, নষ্ট শৌচাগার ও মানসিক চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীও স্বীকার করেছে যে নাবিকদের কাজের পরিবেশ কঠিন ছিল, তবে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।
রণতরীটি পাতায়ায় নোঙর করার বিষয়ে বিবিসির প্রশ্নের জবাব দিতে মার্কিন নৌবাহিনী রাজি হয়নি, তারা অভিযানসংক্রান্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়েছে। চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও থাইল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তিভিত্তিক মিত্র। তাই মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজের থাইল্যান্ডের বন্দরে আসা নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে ১৯৭৫ সালে সাইগনের পতনের পর সম্ভবত এই প্রথম এত বিপুলসংখ্যক মার্কিন সামরিক সদস্য সরাসরি কোনো যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বিশ্রামের জন্য পাতায়ায় এসেছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও এই সফর থেকে লাভের আশা করছেন। পাতায়ার ওয়াকিং স্ট্রিটের কাছে রত্নের দোকান চালান আনন সাইতির। মার্কিন নাবিক ও মেরিনদের স্বাগত জানিয়ে তার দোকানের সামনে বড় একটি সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। তাদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
আনন সাইতির বলেন, ‘আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা শুধু আশা করছি, তারা এখানে এসে কিছু অর্থ খরচ করবেন।’ তবে মার্কিন ও থাই কর্মকর্তারা চাইছেন, পাতায়া যে ধরনের চাঞ্চল্যকর ঘটনার জন্য পরিচিত, সেগুলোর কোনোটি যেন এবার না ঘটে।
থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাতায়ায় এমন কয়েকটি এলাকা রয়েছে যেখানে মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এর মধ্যে একটি হলো সোই ৬। মূল সৈকতের দিকে যাওয়া এই সড়কটি অসংখ্য গো-গো বারের জন্য পরিচিত।
থাই পুলিশ মার্কিন সেনাদের মনে করিয়ে দিয়েছে, থাইল্যান্ডে পতিতাবৃত্তি আইনত নিষিদ্ধ। তবে বাস্তবে পাতায়ায় প্রায় ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। তাদের অনেকেই সোই ৬-এ কাজ করেন। সেখানে তারা বারগুলোর বাইরে দাঁড়িয়ে পুরুষদের ভেতরে আসার জন্য ডাকেন।
পাতায়ার অনেক গাঁজার দোকানেও মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি প্যারাগ্লাইডিং ও জেট-স্কির মতো কিছু সামুদ্রিক খেলাধুলাও তাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাতায়ার মেয়র পোরামাসে এনগাম্পিচেস বিবিসিকে বলেন, ‘এটা তাদের সিদ্ধান্ত। মার্কিন সামরিক বাহিনী বিষয়টি নিয়ে আগেই ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে।’
মার্কিন নৌবাহিনীর অ্যাটাশে ক্রিস্টোফার রবিনসন সেনাসদস্যদের জন্য নিষিদ্ধ কার্যকলাপ সম্পর্কে বিবিসির প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, মার্কিন সেনারা মার্কিন আইন, মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়ম এবং থাইল্যান্ডের আইন মেনে চলবেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নাবিকদের যতটা সম্ভব বিশ্রামের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি।’ রণতরীটি থাইল্যান্ডে অবস্থান করার সময় মার্কিন নৌবাহিনী প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত বন্দর থেকে পাতায়া পর্যন্ত শাটল বাস চালু করেছে। যেসব মার্কিন নাবিক তীরে রাত কাটাতে চান, তাদের জন্য দুটি বিলাসবহুল হোটেল নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
শহরের বিনোদন এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতে থাই কর্তৃপক্ষ শত শত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আমেরিকান অতিথিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম না নেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
মেয়র পোরামাসে বলেন, ‘৫০-৬০ বছর আগে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের সফরের কারণে পাতায়া বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে এটি একটি পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই খোলাখুলি স্বীকার করতে হবে, বার ও যৌনকর্মীদের জন্য পাতায়ার একটি দুর্নাম রয়েছে। আমরা এই প্রচলিত ধারণাগুলো সম্পর্কে জানি। এটি পুরোপুরি বন্ধ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আমরা যা করতে পারি, তা হলো মানুষকে দেখানো যে পাতায়া বদলে গেছে। এখন এখানে খেলাধুলা, সেমিনার, সুস্থতা এবং পরিবারবান্ধব নানা ধরনের কার্যক্রম রয়েছে। অর্থাৎ, পাতায়ায় এখন সবকিছুরই একটি মিশ্রণ রয়েছে।’
উভয় দেশই আশা করছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন প্রশান্ত মহাসাগর পেরিয়ে দীর্ঘ যাত্রায় দেশে ফেরার পথে রওনা হলে এর নাবিকরা সতেজ ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে ফিরতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার তিনজন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান করেছে। পদোন্নতির পর তাদেরকে দুইটি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।
বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসনের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম বজলুর রশীদকে পদোন্নতি দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজীকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে।
তিনি বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, "ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। আমরা কোনো প্রতিবেশীকে ইগনোর করি না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিয়ে যার সঙ্গে যেভাবে সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব সেটা আমরা করব।"
তিনি আরও বলেন, "গত ১৬-১৭ বছর যারা দেশের মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে, গুম-খুন করেছে... এমন অনেকেই ভারতে পালিয়ে গেছে। ভারতের কাছে প্রত্যাশা করব, কোনো অপরাধীকে তারা যেন আশ্রয় না দেয়।"
চিফ হুইপ আরও জানান, "পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে। তবে নিজের দেশের স্বার্থ বজায় রেখেই হবে।"
একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো সময়ে ভারতে যাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার-গাভাস্কার সিরিজের আগে ব্যাটারদের প্রস্তুতির জন্য কৌশলী শুভমান গিল।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে ভারতীয় ক্রিকেট দল পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে শুভমান গিলের নেতৃত্বাধীন দ
এ অবস্থায় নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ দুই টেস্ট সিরিজের জন্য দল গঠন ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি রাখতে চায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির আগে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে গিলের। এই প্রস্তুতির জন্য স্পিনিং পিচের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন টেস্ট দলের অধিনায়ক।
ভারতের ঘরের মাঠে স্পিন-সহায়ক উইকেটে খেলে অতীতে বিপদে পড়েছে ক্রিক
দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছে তাদের। এবার বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির আগে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে প্রস্তুতি নিতে চায় ভারত।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, শুভমান গিল প্রস্তাব করেছেন, পুদুচেরিতে চলতি মাসে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’র বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটারদের জন্য পর্যাপ্ত ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ দেওয়া হোক। বিশেষ করে এমন পিচে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে ম্যাচের অগ্রগতির সঙ্গে বল আরও বেশি ঘুরবে।
কারণ, গত দুই বছরে ঘরের মাঠে স্পিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটারদের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়।
বিসিসিআইয়ের একজন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে ঘরের মাঠে স্পিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটাররা তাদের সেরা ফর্মে ছিল না। গিলের প্রস্তাব, যদি কিছু ব্যাটারকে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া যায় এবং পিচে কিছুটা টার্ন থাকে, তাহলে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির প্রস্তুতিতে তা সহায়ক হবে।
তবে অস্ট্রেলিয়া দলের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত স্পিন-সহায়ক পিচ তৈরি করা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যস্ত সূচি। কারণ, অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার জন্য জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটারকে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
বোর্ড জানিয়েছে, প্রধান সমস্যা হচ্ছে সূচি। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য খুব কম টেস্ট ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে। কারণ, ইরানি কাপে বেশিরভাগ খেলোয়াড় ওই সময় ব্যস্ত থাকবে। ফলে ক্রিকেটাররা ভারতের ‘এ’ দলের হয়ে খেলতে পারলে সেটি সম্ভব হবে না। এতে ইরানি ট্রফির ম্যাচের মানও খারাপ হতে পারে।
ভারতীয় ‘এ’ দলের অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দু’টি চার দিনের ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে। লাল বলের ক্রিকেটে এই দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২২-২৫ সেপ্টেম্বর এবং দ্বিতীয় ম্যাচটি ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর। অন্যদিকে, ইরানি কাপ অনুষ্ঠিত হবে শ্রীনগরে ১ থেকে ৫ অক্টোবর।
ফলে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের সূচি ইরানি কাপের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ছে। তাই নির্বাচকদের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির আগে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটারদের লাল বলে পর্যাপ্ত ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ খুব কম থাকছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য একটি নির্ভুল ডাটাবেইজ তৈরির উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের ইলেকট্রনিক টিচার্স ইনফরমেশন ফর্ম (ই-টিআইএফ) সংশোধনের নির্দেশনা প্রদান করেছে। এই প্রক্রিয়ার জন্য বোর্ডের আওতাধীন দাখিল ও আলিম স্তরের সকল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. ফারুক আহম্মেদের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অবসর গ্রহণ করেছেন, মৃত্যুবরণ করেছেন, অন্যত্র বদলি হয়েছেন, স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছেন, বোর্ড থেকে কালো তালিকাভুক্ত হয়েছেন অথবা প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন, তাদের নাম ই-টিআইএফ থেকে বাদ দিয়ে সংশোধন করতে হবে।
বোর্ড জানায়, ই-টিআইএফ সংশোধন না করার ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আগামী বছরের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য একটি নির্ভুল ডাটাবেইজ তৈরির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-টিআইএফের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে ই-টিআইএফ সংশোধনের জন্য কোনো সুযোগ নেই। ফলে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে নিজেদের উদ্যোগে ই-টিআইএফ সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, যেসব শিক্ষক এখনও ই-টিআইএফে অন্তর্ভুক্ত হননি, তাদের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে ই-টিআইএফে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ