ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুন্সীগঞ্জে লুণ্ঠিত মালামালসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্য গ্রেপ্তার


মুন্সীগঞ্জে লুণ্ঠিত মালামালসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জে ৫৯৪ কার্টুন সয়াবিন তেল এবং ছিনতাই হওয়া কাভার্ডভ্যানসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং শ্রীনগর থানা পুলিশ আলাপচারিতা ও অভিযান চালিয়ে আঃ গণি মিয়া (২৮) এবং অভি রহমান (২৮) কে লুণ্ঠিত মালামালসহ আটক করতে সক্ষম হয়। ডাকাত দলের সদস্য আঃ গণি মিয়া ঢাকা জেলার সাভার থানার মৃত কুদরত আলীর পুত্র এবং অভি রহমান ঢাকার কদমতলী থানার রাজন ব্যাপারীর পুত্র বলে জানা গেছে।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম জানান, গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর রাত সাড়ে ৪ টায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে শ্রীনগর থানার ওমপাড়া এলাকায় মাওয়াগামী সার্ভিস লেনে কাভার্ড ভ্যানসহ ৬৬৫ কার্টুন সয়াবিন তেল (১১৯৭০ লিটার) লুটের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানায় মামলা দায়ের হলে গতকাল শুক্রবার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার কান্দাপাড়া এলাকা থেকে লুণ্ঠিত ৯ কার্টুন সয়াবিন তেল, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ এবং লুণ্ঠিত কাভার্ডভ্যানসহ আঃ গণি মিয়া এবং অভি রহমানকে আটক করা হয়।

পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বগুড়া জেলার শেরপুর থানাধীন বেলঘড়িয়া বাজারস্থ জ্ঞানেন্দ্রনাথের গোডাউন থেকে লুণ্ঠিত ৫৮৫ কার্টুন সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, কাভার্ডভ্যান চালক মোঃ আফছার উদ্দিন ৬৬৫ কার্টুন সয়াবিন তেল (১১৯৭০ লিটার) নিয়ে মেঘনাঘাটের সোনারগাঁও সিড ক্রসিং থেকে মালামাল নিয়ে যশোর যাচ্ছিলেন। ডাকাতদল একটি পিকআপে কাভার্ড ভ্যানের পথরোধ করে চালককে পিকআপে তুলে আটকিয়ে মালামালসহ কাভার্ড ভ্যানটি লুট করে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জামালপুর জিলা স্কুলে হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম প্রদর্শন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গত ছয় মাসে ৩৬০ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ যাত্রী কল্যাণ সমিতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


গত ছয় মাসে ৩৬০ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ যাত্রী কল্যাণ সমিতির

 

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে, জানুয়ারি থেকে জুন সময়কালে, বাংলাদেশে ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে এবং ১০৯ জন আহত হয়েছে। এ তথ্য বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী শনিবার (১১ জুলাই) মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হলে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠবে, তেমনি নির্মাণ হবে একটি সুশৃঙ্খল জাতি।

জানান, মিরসরাই ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে নিয়মিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচির অভাব রয়েছে। এব্যাপারে তিনি দাবি করেন যে, প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী নিহত হচ্ছে এবং অনেকে আহত হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করছে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী পরিসংখ্যান অনুযায়ী বললেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় হাজির ৩৬০ জন শিক্ষার্থী প্রাণ হারায় এবং ১০৯ জন আহত হয়।

তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় ছাত্রবাহী একটি মিনিট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত হয়। এটি দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন যে, এই ঘটনার পরেও শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে কার্যকর এবং নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি।

এর ফলে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরি হয়নি। প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটছে।

সংগঠনের তথ্যানুসারে জানুয়ারিতে ৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭ শিক্ষার্থী নিহত হয় এবং ২২ জন আহত হন। ফেব্রুয়ারিতে ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন প্রাণ হারায় এবং ১১ জন আহত হয়। মার্চে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং একজন আহত হন। এপ্রিলে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন।

মে মাসে ৬১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন প্রাণ হারায় এবং ২৩ জন আহত হন। জুনে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হন।

দেশের শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি কমাতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি পাঁচটি সুপারিশ জানিয়েছেন। সুপারিশগুলো হলো—

১. পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা অন্তর্ভুক্ত করা।

২. প্রতি মাসে অন্তত একবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ঘণ্টাব্যাপী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা।

৩. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের সব গুরুত্বপূর্ণ পারাপারস্থল, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে জেব্রা ক্রসিং এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা।

৪. মহাসড়ক সংলগ্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে 'রোড সেফটি গার্ড' নিয়োগ দেওয়া এবং লাল পতাকা ব্যবহারের মাধ্যমে যানবাহন থামিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করা।

৫. প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত কার্যক্রমে জোর ডিএনসিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত কার্যক্রমে জোর ডিএনসিসির

রাজধানীর সড়কগুলোকে আরো নিরাপদ করার লক্ষ্যে অবকাঠামোগত নকশা, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেছেন, সরকার ইতিবাচক অবস্থানে আছে সড়ক নিরাপত্তাসহ নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে।

সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে ডিএনসিসি ও বিআইজিআরএসের চলমান কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করার কথা রয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএনসিসি মিলনায়তনে ‘অবকাঠামোগত নকশার মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। ‘ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি’ (বিআইজিআরএস) কর্মসূচির আওতায় ডিএনসিসি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (ডব্লিউআরআই) এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান আরো বলেন, পর্যায়ক্রমে ঢাকা উত্তরের সড়কগুলোকে নিরাপদ করার কাজটি সম্পন্ন করা হবে।

এ জন্য প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ এবং স্থপতিদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সড়ক নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। সরকারি, বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হবে। নিরাপদ সড়ক নকশা প্রণয়নের জন্য আন্তর্জাাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান বলেন, ডিএমপির সহযোগিতায় দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে, এবং নতুন নকশার মাধ্যমে সেগুলো নিরাপদ করার কার্যক্রম চলবে।

নিরাপদ সড়ক নকশা বিষয়ে প্রকৌশলী ও নগর পরিকল্পনাবিদদের প্রশিক্ষণও প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পিত সড়ক নকশা, রেইজড ক্রসিং, গতিরোধক, সিগন্যাল এবং জেব্রা ক্রসিংয়ের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও ব্যাপকভাবে কমে আসবে।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সমাধানভিত্তিক সাংবাদিকতা উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ এবং চালক ও সড়ক ব্যবহারকারীদের গতিসীমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণমাধ্যমে প্রচারাভিযান পরিচালনা করছে ডিএনসিসি। এসব কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিআইজিআরএস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, বিশ্বের ২৭টির বেশি ঘনবসতিপূর্ণ শহরে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ পারাপার, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক নকশায় অবদান রাখায় ডিএনসিসির চার কর্মকর্তা, সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার সরকার এবং উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা, মো. বাবর আহমেদ এবং মো. মহিনুর ইসলামকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। একই সময়ে ডিএনসিসি প্রশাসকের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে নিরাপদ সড়ক নকশা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, গতি নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামোগত নকশা এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সড়ক পরিবহনের সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ডব্লিউআরআইয়ের পরামর্শক ফারজানা ইসলাম তমা, সহযোগী পরামর্শক আরিনা তাহনীম, আরবান রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজার রেত্নো হুইনানেস্টা এবং ডিএমটিসিএলের উপ-প্রকল্প পরিচালক সোহেল রানা বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দল নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই অনুদান দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


দল নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই অনুদান দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আজ প্রশাসন ও দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘সরকারের অনুদান প্রদানে কোনো দলীয় পরিচয়কে যেন মুখ্য হিসেবে বিবেচনা করা না হয়। যে দলেরই হোক, যারা অনুদান পাওয়ার যোগ্য, তাদেরকেই অনুদান দেবেন।’

শনিবার দুপুরে পঞ্চগড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল, মেধাবী শিক্ষার্থী, অসচ্ছল ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, শাড়ি ও ব্লাড প্রেসার (বিপি) মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সরকারের ব্যয় কমিয়ে আনছেন। দেশের উন্নয়নের জন্য তিনি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে আনছেন। এ জন্য তিনি নিজে তার অফিসে মাত্র দেড়শ টাকার খাবার গ্রহণ করেন। এর আগের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী সাড়ে নয়শ টাকার খাবার খেতেন।’

ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রতিবছর বাজেটের পরেই জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যেত। তবে এবছর তা হয়নি। সংসদে বাজেট নিয়ে যে বক্তব্য বিরোধীদল দেওয়ার কথা, সেই বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী নিজে দিয়েছেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার পর সংসদে একটা অভিভূত পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এ সময় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান চেয়ার থেকে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এটি বিএনপি এবং এটি তারেক রহমানের সরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ৩০ বছর বয়সেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। অচিরেই সরকার প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে।

অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

পরে প্রতিমন্ত্রী অসচ্ছল নারীদের হাতে সেলাই মেশিন, ছাত্রীদের হাতে বাইসাইকেল, কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মচারীদের বিপি মেশিন এবং নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহেরুল ইসলাম কাচ্চু বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর: তথ্যমন্ত্রী

শনিবাএ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো জ্ঞানের বাতিঘর। তিনি বলেন, এই বাতিঘর থেকে জ্ঞানের আলো সমাজে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষকরা হলেন সেই আলোর বাহক।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে সমাজ উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তথ্যমন্ত্রী আজ সকাল ১০টায় গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রকৃত শিক্ষা হলো মুক্ত চিন্তার শিক্ষা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের যোগ্যতা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘সুনাগরিক তৈরি করতে পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার শিক্ষা প্রদান করতে হবে।’

তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক বিকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হতে আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, খেলাধুলা শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের মানসিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে।

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল কাজে লাগাতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তথ্যমন্ত্রী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠানে নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আলমের সভাপতিত্বে বরিশাল শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন, নলচিড়া স্কুলের সাবেক সভাপতি আব্দুল ছাত্তার মৃধা ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আল মামুন স্বপন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%