ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জগন্নাথের সামনে আটক মনিরের ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর


জগন্নাথের সামনে আটক মনিরের ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর

রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে মো. মনির (২৫) নামক আসামির দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এই আদেশ প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মনিরকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ মনিরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। অপরদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে মনিরকে আটক করা হয়। এরপর তাকে কোতোয়ালি থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

এরপর সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক ইবনে খালিদ হোসেন মনিরকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে তাকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত অন্যান্য আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের সমর্থনে একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী মিছিল, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের সমর্থনে প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা এবং অর্থদাতা ও নির্দেশদাতাদের খুঁজে বের করতে মনিরকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে মনিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসিসিপিতে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু: গ্র্যান্ড জুরির তদন্ত শেষে জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


মিসিসিপিতে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু: গ্র্যান্ড জুরির তদন্ত শেষে জানা গেল

মিসিসিপির যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর নোলান ওয়েলসের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গ্র্যান্ড জুরি তদন্ত শেষে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

স্থানীয় জেলা অ্যাটর্নি অ্যাঞ্জেল মায়ার্স ম্যাকইলরাথ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, গ্র্যান্ড জুরি ‘নো ট্রু বিল’ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর অর্থ হলো, কাউকে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ তাদের হাতে নেই।

নোলান ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের সঙ্গে মিসিসিপির হর্ন আইল্যান্ডে ছিল। ওই দিন বিকেলে তাকে শেষবার দেখা যায়। দুই দিন পর, ৬ জুলাই দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নোলানের মৃত্যু নিয়ে বেশ কিছু মাস ধরে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে তার কৃষ্ণাঙ্গ পরিচয়ের কারণে ঘটনাটিতে বর্ণগত কোনো বিষয় ছিল কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

তবে জেলা অ্যাটর্নি মায়ার্স ম্যাকইলরাথ বলেন, নোলানের নিখোঁজ হওয়া বা মৃত্যুর পেছনে বর্ণগত কোনো উদ্দেশ্য ছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, নোলানের বন্ধুরা তাকে ভালোবাসত এবং নোলানও তাদের ভালোবাসতেন। ওই দিন নোলান নিজেই দ্বীপে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং এর বিপরীত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গ্র্যান্ড জুরির প্রকাশিত আংশিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে ১৩২টি তলব জারি করা হয় এবং ৪৩ জনের বক্তব্য নেওয়া হয়। আরও সাতজনকে গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

গ্র্যান্ড জুরিতে জ্যাকসন কাউন্টির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২৩ জন নাগরিক ছিলেন। তাদের বয়স ২৭ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে ছিল। সদস্যদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী ছিলেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্র্যান্ড জুরি হর্ন আইল্যান্ডে ২০২৬ সালের ৪ জুলাই যাতায়াত করা ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে নোলানের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পায়নি।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, হর্ন আইল্যান্ডে নৌকা ও পানিতে মানুষের একসঙ্গে সময় কাটানো একটি স্বাভাবিক ঘটনা। একই নৌকায় সবাই দ্বীপে আসা বা ফিরে যাওয়াও জরুরি নয়। তাই নোলানের বন্ধুরা আগে চলে যাওয়ার পর তার আলাদা নৌকায় ফেরার কথা ছিল—এটিকে অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক মনে হয়নি তদন্তকারীদের কাছে।

গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোলানকে শেষবার দেখার দিন তার সঙ্গে কারও শারীরিক সংঘর্ষ বা তর্ক হয়েছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তার মরদেহ যেখানে, যে অবস্থায় এবং যে সময়ে পাওয়া গেছে, তা পানিতে ডুবে মৃত্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে নোলানের পরিবার ও তাদের আইনজীবী এর আগে তার ডুবে মৃত্যুর ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে করা স্বাধীন ময়নাতদন্তে তার মৃত্যুর কারণ ও ধরন ‘অনির্ধারিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।

গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা পরীক্ষক এবং পরিবারের পক্ষে নিয়োগ করা একজন ফরেনসিক চিকিৎসক—দুজনই নোলানের মৃত্যুর কারণ ও ধরন অনির্ধারিত বলে মত দিয়েছেন। তবে তারা দুর্ঘটনাজনিত পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেননি।

নোলানের পরিবারের আইনজীবী ও নাগরিক অধিকারকর্মী বেন ক্রাম্প এর আগে তার মৃত্যুর ঘটনায় বর্ণগত বিষয় জড়িত থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ, ওই দিন দ্বীপে থাকা অল্প কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মধ্যে নোলান একজন ছিলেন।

তবে জেলা অ্যাটর্নি সোমবার ক্রাম্প ও তার দলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, নোলানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন প্রমাণ তারা পাননি বলে আগে তার কার্যালয়কে জানিয়েছিল ক্রাম্পের দল।

অন্যদিকে ক্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, গ্র্যান্ড জুরির কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নোলানের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর দেয় না।

তার ভাষ্য, নোলানের মৃত্যুর বিষয়ে নথি, প্রমাণ ও স্বাধীন তদন্তের ভিত্তিতে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে। কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্তের পরও এ বিষয়ে আরও প্রশ্নের সুযোগ থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নোলানের শেষকৃত্য ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শত শত মানুষ অংশ নেন।

সেদিন নোলানের মা ক্রিস্টিন ওয়েলস-ওন্সলি ছেলেকে স্মরণ করে বলেন, তার অনুপস্থিতি এমন এক শূন্যতা তৈরি করেছে, যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তিনি নোলানের মতো অন্যদের জীবনেও আলো ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

গ্র্যান্ড জুরির সিদ্ধান্তের পরও নোলান ওয়েলস কীভাবে মারা গেলেন, তা নিয়ে তার পরিবার ও আইনজীবীরা আরও তথ্য ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ: দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ: দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদ কর্তৃক ঘোষিত পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে।

‎

২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা বারোটার দিকে উপজেলার লেছড়াগঞ্জ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের পর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আলতাব হোসেনের সভাপতিত্বে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‎

সমাবেশে উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মো. আলমাছ মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য প্রদান করেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও বয়ড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান তুষার, যুগ্ন আহ্বায়ক সামছুল আলম মিশুক, মো: নাসির উদ্দিন, মিরাজ হোসেন রাজ, মাসুম শিকদার, রেজাউল করিম রতন, যুবনেতা শাকিল মোল্লা, মীর মনির হোসেন আলম এবং কাজী শিমুল প্রমুখ।

‎

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগীরা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। তারা বিভিন্ন জেলায় ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

‎

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হস্তে মোকাবেলা করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এই অরাজকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাক তালেবান আফগান ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


পাক তালেবান আফগান ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে

সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) আফগান ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, যা পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার সাথে সম্পর্কিত। সংগঠনটি তাদের কোনো অভয়ারণ্য বা ঘাঁটির উপস্থিতি আফগানিস্তানে অস্বীকার করে দাবি করেছে যে, তাদের সামরিক ও প্রশাসনিক নেটওয়ার্ক পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ড থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।

পশতু ভাষায় সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাক তালেবানের জ্যেষ্ঠ নেতা মুফতি গাফরান এই বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, টিটিপি যোদ্ধারা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে অনুপ্রবেশ করছে, এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ইসলামাবাদ বা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী উপস্থাপন করতে পারেনি। মুফতি গাফরান দাবি করেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকার বাইরে পাকিস্তানের অন্তত ৩৯টি জেলায় তাদের সাংগঠনিক কাঠামো সক্রিয় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে তারা। সীমান্তে কড়া নজরদারি, কাঁটাতারের বেড়া ও ল্যান্ডমাইন থাকা সত্ত্বেও জঙ্গিরা নিয়মিত পারাপার করছে, এই দাবি পাক সরকারের অলৌকিক ও অবাস্তব বলে বর্ণনা করেন তিনি। হাঙ্গু এলাকায় পাক বাহিনীর সাথে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, এলাকাটি আফগান সীমান্ত থেকে অনেকটাই দূরে অবস্থিত।

এছাড়া, টিটিপিকে ভারতের অর্থায়ন ও সহায়তার বিষয়ে ইসলামাবাদের বহু বছরের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রচার’ বলে আখ্যা দিয়েছে গোষ্ঠীটি। টিটিপি নেতৃত্বের দাবি, তাদের সংগঠন সম্পূর্ণ স্বাধীন তহবিল ও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলে। যদিও এখন পর্যন্ত জাতীয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোগুলোতে বড় কোনো হামলা চালায়নি, গাফরান প্রয়োজনে কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

টিটিপি আফগান ভূখণ্ডে সম্প্রতি চালানো একাধিক বিমান হামলায় তাদের সদস্যদের মৃত্যুর কথা অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, পাক বাহিনীর সেই হামলায় আসলে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ পশতুন শরণার্থীরা প্রাণ হারিয়েছেন। ঐতিহাসিক ডুরান্ড লাইন সীমান্তকে চাপিয়ে দেওয়া ব্যবস্থা উল্লেখ করে টিটিপি জানায়, পাক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের বর্তমান সশস্ত্র আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের প্রশ্রয়ে আফগান মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে বড় ধরনের হামলা চালাচ্ছে টিটিপি। যদিও আফগান তালেবান প্রশাসন এ অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে আসছে, যা নিয়ে দুই দেশের সীমান্ত কূটনীতিতে তীব্র টানাপোড়েন বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমনে অবদানের জন্য আজিজুর পেলেন বিপিএম পদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমনে অবদানের জন্য আজিজুর পেলেন বিপিএম পদক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক অর্জন করেছেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আজিজুর রহমান। ক্যাম্পে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকালে অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে তার ভূমিকার জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

গ্যাসের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন করবে সরকার : তথ্য উপদেষ্টা

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে আসছেন এসআই মো. আজিজুর রহমান। ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পে, বিভিন্ন ধরনের অপরাধী চক্রের তৎপরতা এবং নানা ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে তাকে। এ সময়ে অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের পাশাপাশি তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনায়ও ভূমিকা রাখেন এসআই আজিজুর রহমান। বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তার পেশাগত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে এসেছে।

বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের অভিযান এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন ছিল অন্যতম চ্যালেঞ্জ। ক্যাম্পের ভেতরে অপরাধী শনাক্ত করা, তাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। এসব পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দেন এসআই আজিজুর রহমান।

আরো পড়ুন

ওটিটিতে আসছে অপি করিমের ‘মায়ার জঞ্জাল’

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দায়িত্ব বহুমাত্রিক। সাধারণ অপরাধের পাশাপাশি মাদক, অবৈধ অস্ত্র, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের তৎপরতা মোকাবিলা করতে হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্যের কার্যকর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

দায়িত্ব পালনকালে এসআই আজিজুর রহমানের পেশাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সাহসিকতা এবং তথ্যভিত্তিক কার্যক্রমের বিষয়টি পদকের জন্য বিবেচনায় আসে। দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালনে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই বিপিএম পদক প্রাপ্তি তার কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য অর্জন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

জগন্নাথের সামনে আটক মনিরের ২ দিনের রিমান্ড

বাংলাদেশ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ এই পদক পেয়ে এসআই মো. আজিজুর রহমানের দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি মিলেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং এলাকায় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের কাজও এই স্বীকৃতির মাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সমন্বিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসআই আজিজুর রহমানের বিপিএম পদকপ্রাপ্তি সেই দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিরই একটি উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%