শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৯ এম
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে নলকূপ স্থাপনের সময় মাটির গভীর থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন লাগার ঘটনায়, ঘটনাস্থলের চারপাশে ২০০ মিটারের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এই ঘটনায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পান্না আক্তার স্বাক্ষরিত একটি আদেশের মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইনানী ছোট খাল ব্রিজসংলগ্ন একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। এ সময় মাটির প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ প্রবেশ করানোর সময় গ্যাস নির্গত হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে, উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
ঘটনাস্থলে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়ায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) একটি কারিগরি দল স্থানটি পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করে। দলটি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করে।
আদেশে আরও বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগুনের উৎস ও আশপাশের এলাকাকে বিভিন্ন নিরাপত্তা জোনে ভাগ করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই অবস্থায়, ঘটনাস্থল ও আশপাশে আগুন জ্বালানো, ধূমপান, দিয়াশলাই বা লাইটার ব্যবহারসহ স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে এমন সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে আগুনের উৎস থেকে আনুমানিক ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নেসকোর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের আবাসিক প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
নেসকো কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকদের উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার জন্য এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হচ্ছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ।
যদিও নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হলে, তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুনভাবে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, আজ দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ টাকা।
অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।
নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ায় দেশের বাজারে সব ধরনের সোনার গহনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনের জন্য দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু যদি তারা তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখে যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাবে। তাই শুক্রবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে তা জানা প্রয়োজন।
বন্ধ থাকবে যেসব শপিং সেন্টার
আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চক বাজার, বাবু বাজার, নয়া বাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।
যেসব দর্শনীয় স্থান বন্ধ
সামরিক জাদুঘর: বিজয় সরণিতে অবস্থিত এই জাদুঘর প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে বৃহস্পতি ও শুক্রবার এটি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও: এই জাদুঘর বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বন্ধ থাকে। শনি থেকে বুধবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৫ টাকা। এছাড়া শনি ও রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
শিশু একাডেমি জাদুঘর: শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম ৭.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১৯৭৬ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিইআরসি আয়োজিত দিনব্যাপী গণশুনানিতে এই সুপারিশটি উপস্থাপন করা হয়, যেখানে এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা এলপিজির দাম ২১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ২,২৩২ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন। কমিশন আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। চলতি অক্টোবরের শুরুতে বিইআরসি এলপিজির দাম ১,৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল, তবে বাজারে প্রতিটি সিলিন্ডার ২,১০০-২,৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমদের সভাপতিত্বে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে কমিশনের সদস্য (অর্থ, প্রশাসন ও আইন) আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য (গ্যাস) মিজানুর রহমান, সদস্য (বিদ্যুৎ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শুনানিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব), বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, সাসটেইনেবল এনার্জি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন্স (সেরা), এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস লিমিটেড এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ (ক্যাব) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য তুলে ধরেন।
জালাল আহমদ বলেন, "সাধারণ মানুষ যেন যৌক্তিক মূল্যে এলপিজি পায় এবং ব্যবসায়ীরা যাতে লোকসানের শিকার না হন, আমরা দুদিকে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব।" তিনি আরও জানান, মাসের প্রথম সপ্তাহে মূল্য ঘোষণা করা হবে এবং চেষ্টা করা হচ্ছে ১-২ তারিখের মধ্যে মূল্য ঘোষণা করা যায়। তিনি বলেন, "যেসব আমদানিকারক ব্যাংকিং সমস্যার কারণে এলসি খুলতে পারছেন না, তারা যাতে দ্রুত এলসি খুলতে পারেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে আমরা সে ব্যবস্থা করব।"
এদিকে, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের কমিশন ১৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭৮ টাকা করার প্রস্তাব বিভিন্ন কোম্পানি দিয়েছে। এর মধ্যে ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা এবং মেঘনা গ্রুপ ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়।
অন্যদিকে, পরিবেশকরা কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের আবেদন করেছেন।
এক পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি ও কমিশনের জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া এবং বাজার অস্থিতিশীল করার সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পাঁচ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রতিবাদে অর্থনীতি সমিতির প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান শুনানি বয়কট করেন।
ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় হট্টগোল
এদিকে, এলপিজি ব্যবসায়ীদের ‘মাফিয়া’ অভিহিত করাকে কেন্দ্র করে বিইআরসির গণশুনানির শেষদিকে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সদস্য শাহ আলম সরকার বলেন, "বিইআরসি একটা দাম নির্ধারণ করেই দায়িত্ব শেষ করে দেয়। এলপিজি ব্যবসায়ীরা গ্রাহকের কাছ থেকে তাদের ইচ্ছামতো দাম আদায় করেন। এসব মাফিয়া ডনদের নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা নেই।"
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল এই সময় ‘মাফিয়া’ শব্দ নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি শাহ আলমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "আপনি তাদের মাফিয়া বলতে পারেন না।" শাহ আলম বলেন, "পত্রিকাগুলো তাদের অহরহ মাফিয়া বলছে। মানুষের অধিকার নিয়ে তারা ছিনিমিনি খেলছে। ১,৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার আড়াই হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। আপনারা কেবল দাম ঘোষণা করেই বসে আছেন। তাদের মাফিয়া বলব না, তো কী বলব?"
জালাল আবারও জোর দিয়ে বলেন, "পত্রিকাগুলো তাদের মাফিয়া বললেও আপনি বলতে পারেন না, অন্তত এখানে বলবেন না।" বিইআরসি চেয়ারম্যানের বক্তব্যে উপস্থিত সাধারণ শ্রোতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। কেউ কেউ বলেন, "আপনি এখন বিচারকের আসনে আছেন। কেন ব্যবসায়ীদের পক্ষে ওকালতি করছেন?"
এতে কিছু সময়ের জন্য হলরুমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলপিজি ব্যবসায়ীদের একাংশ শাহ আলমকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আবার তাদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ক্যাবসহ অন্য সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা। তবে কমিশন পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
অর্থনীতি সমিতির ক্ষোভ
আলোচনায় অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে পাঁচটি এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি জানতে চান, এসব অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে কি না এবং অভিযুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত অর্থের বিষয়ে বিইআরসি কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটিও তিনি জানতে চান।
তিনি বলেন, এক মাসে বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রি করে ভোক্তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬৩০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হয়েছে। এ অবস্থায় খুচরা বিক্রেতাদের জরিমানা করেই কি অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি বৈধ হয়ে গেছে, সেই প্রশ্নও তুলেছে সংগঠনটি। বিইআরসির জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন নিষ্পত্তি না করা, কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে পাঁচটি কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রির ঘটনায় আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রতিবাদে শুনানি বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ