শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি শোকজ করেছে। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় তিনি আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ বজায় রেখেছেন। সমিতির নথি অনুযায়ী, তিনি ২০০২ সাল থেকে সংগঠনটির সদস্য।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে ওসির বাগবিতণ্ডার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ২৬ অক্টোবর, তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যাতে তিনি আগামী সাত দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলেন।
মঈনুদ্দীন আরও বলেন, পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ সক্রিয় রাখা সমিতির বিধিবিধানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
সমিতির সূত্রে জানা যায়, আইন পেশায় নিয়মিতভাবে যুক্ত না থেকেও সদস্যপদ বজায় রাখার বিষয়টি চিহ্নিত করতে সম্প্রতি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে ২৫ জুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাকরিরত সদস্যদের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় সদস্যপদ স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২২ অক্টোবর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুজনকে বাগবিতণ্ডায় জড়াতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির ফলে সারা বিশ্বে জ্বালানি ও সারের সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিরোধীরা ভারতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) গুজরাটের বনাসকাঁঠায় একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য উঠে আসে।
নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেন, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব যাতে ভারতে না পড়ে, তার জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু বিরোধীরা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে, এমনটাই তার বক্তব্য।
এদিকে, মোদির অভিযোগ, বিরোধীরা তার সরকারের দুর্নাম করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
তিনি বলেন, "দেশ বিপদে পড়লে কিছু মানুষ আনন্দ করেন।" তার উদাহরণ হিসেবে তিনি ইরানের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভারত একসঙ্গে সেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। কিন্তু এই সমস্ত লোকজন ভুয়া খবর ছড়াতে ব্যস্ত। কৃষকদের সার নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আসলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
সূত্র: আনন্দবাজার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলের নেতাকর্মীদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব। তিনি উল্লেখ করেন, "ঢাকা শহরের জনগণ গ্যাস, তেল ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা সরকারের পক্ষে ভোট দেবে, নাকি জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করবে, তা আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই দেখা যাবে।"
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠিত চার দফা দাবিতে আয়োজিত গণবিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, "যারা রাড্ডার মতো ক্লিনিক গুড়িয়ে দিয়েছে, যাদের আমলে চাঁদাবাজির মাত্রা বেড়েছে, এমনকি যাদের হাত থেকে ফুটপাতও রক্ষা পায়নি, জনগণ কি তাদের ভোট দেবে? নাকি এখানে দাঁড়িয়ে থাকা তাদের প্রকৃত প্রতিনিধিদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে?"
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আসিফ বলেন, "আপনাদের সবাইকে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দিচ্ছি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জাতীয় নাগরিক পার্টির দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে বিজয়ী করতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাসের একটি বেদনাবিধুর অধ্যায়ের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। জার্মানির মিউনিখে ১৯৫৮ সালের মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে স্থাপিত স্মৃতিসৌধের কাচের বাক্স ভেঙে দুর্বৃত্তরা বেশ কিছু স্মারকসামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে।
১৯৫৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখ বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিধ্বস্ত হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে বহনকারী বিমান। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় ২৩ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে আটজন ফুটবলার ও তিনজন কর্মকর্তা ছিলেন।
দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে মিউনিখের ম্যানচেস্টারপ্লাৎসে একটি কাচের বাক্স স্থাপন করা হয়েছিল। সেখানে দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি বাক্সটি ভেঙে সেসব স্মারকের কিছু অংশ চুরি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার মিউনিখ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (এমএমএমএফ)।
ফাউন্ডেশন জানায়, স্মৃতিসৌধটি মেরামতের ব্যয় বহনের প্রস্তাব দিয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে ক্লাবের সেই প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার আগেই নিজেদের উদ্যোগে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করেছে তারা।
এ ঘটনায় গভীর হতাশা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইফতি আহমেদ। তিনি উল্লেখ করেন, মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকদের জন্য ম্যানচেস্টারপ্লাৎস একটি আবেগের জায়গা।
স্মৃতিসৌধটির দেখভাল এবং দ্রুত মেরামতের কাজে সহযোগিতার জন্য মিউনিখের স্থানীয় বন্ধুদের, বিশেষ করে ‘রেড ডকস’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইফতি।
তিনি বলেন, "দুর্বৃত্তরা স্মৃতিবাক্স ভেঙে স্মারকসামগ্রী চুরি করতে পারলেও মানুষের স্মৃতি কিংবা দুই শহরের বন্ধুত্বের বন্ধন নষ্ট করতে পারবে না।" যাদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে, তাদের অবদান ও স্মৃতি সব সময় অম্লান থাকবে। একই সঙ্গে ম্যানচেস্টার ও মিউনিখের মধ্যকার সম্পর্কও অটুট থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্ডিয়া জোট প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের প্রস্তাবিত ‘গণ-ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচি একদিন পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার রাজধানী দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির কারণে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এই ঘোষণা করেন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের দিল্লির বাসভবনে বিকাল ৪টায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এখন সেটি শনিবার একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের সামনে বিরোধী নেতাদের পাশে বসে বলেন, জ্যেষ্ঠ নেতাদের কথা মাথায় রেখে সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা বৃষ্টির কারণে আজকের কর্মসূচি আগামীকাল একই সময়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা মনে করেছি, বৃষ্টিতে জ্যেষ্ঠদের বসে থাকা কঠিন হবে।"
রামলীলা ময়দানে বড় উপস্থিতির আহ্বান
১ নভেম্বর ইন্ডিয়া জোটের প্রস্তাবিত রামলীলা ময়দান অভিমুখী পদযাত্রায় সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার অভিযোগ তোলেন।
গান্ধী বলেন, "দুটি কর্মসূচিই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সিইসি জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের দলবল কর্তৃক ভারতীয় গণতন্ত্র ধ্বংসের বিরুদ্ধে।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও তেলেঙ্গানা থেকে মানুষকে দিল্লিতে বিক্ষোভে আসা ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। তার ভাষ্য, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানুষের দিল্লিতে আসা ঠেকাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন।" তিনি বলেন, "এসব বিধিনিষেধ পেরিয়ে কতজন মানুষ আসতে পারলেন, রামলীলা ময়দানের উপস্থিতিই তা দেখিয়ে দেবে।"
সূত্র: উইয়ন নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ