ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব


মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার এক মহোৎসব। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি বাড়ার সাথে সাথে শতশত চায়না জালে ছেয়ে গেছে।

চায়না জালকে একটি ফিক্সড ইঞ্জিন বলা হয়। এই জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছগুলো বেশি আটকা পড়ে এই চায়না জালে। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালের মধ্যে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট বড় সব ধরনের মাছই আটকা পড়ছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত বছর সামান্য কিছু দেশীয় মাছ বাজারে দেখা যেতো কিন্তু এবছর বর্ষা শুরুর সাথে সাথে সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এভাবে ছোট বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বিশিষ্টজনেদের মতে, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধংস করালেই হবেনা, বরং আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে, তাহলেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে।

এবছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করা হলেও আর কোথাও বিশেষ কোনো অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। স্থানীয় লোকজন জানাচ্ছেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি, যার ফলে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। একেক জনের ৪টি থেকে ৮টি পর্যন্ত চায়না জাল রয়েছে। এছাড়াও থলথাট হতে টিকরী পর্যন্ত বংশাই নদীর দুপারে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে এবং পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ

সারাদেশের সাথে সাথে নোয়াখালীতেও টানা বর্ষণের প্রভাব পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টির ফলে নোয়াখালী পৌরসভার জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক এবং অন্যান্য বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে পৌরসভার প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার বাসিন্দার জন্য চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বর্ষার শুরুতেই আগাম জলাবদ্ধতার এই চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিন দিনের বৃষ্টিতে জেলার শহর মাইজদীর প্রধান সড়কের বিভিন্ন স্থানে পায়ের গোড়ালি সমান পানি জমে গেছে। পুলিশ লাইন্স রোড, হাউজিং রোড, সার্কিট হাউজ সংলগ্ন এলাকা, ফকিরপুর রোড, পুরাতন জেলখানা সড়কসহ শহরের অধিকাংশ সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার ফলে যান চলাচলে বিপর্যয় ঘটেছে। এতে করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সালাউদ্দিন পিয়াস জানান, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সড়কের তুলনায় উঁচু ড্রেন, নিয়মিত পরিষ্কার ও সংস্কারের অভাব এবং কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন অনেক স্থানে কার্যকর হচ্ছে না। এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে শহরের খালগুলো খনন ও পরিষ্কার না হওয়ার ফলে বৃষ্টির পানি আটকে থাকে এবং জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, সদর হাসপাতাল সড়ক, পুরাতন জেলখানা সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় জর্জরিত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার কাজ চলমান থাকায় অনেক সড়কের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪-২৫ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষত থেকে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি পাচ্ছে না নোয়াখালীবাসী। বর্ষার শুরুতেই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও বাসাবাড়ির আশপাশে পানি জমে নতুন করে জলাবদ্ধতার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, বর্ষা পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগে নোয়াখালী পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকর সংস্কার, শহরের খাল পুনঃখনন এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে জলাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য বন্যার ঝুঁকি কমে যাবে এবং জেলা শহর আবারও স্বাভাবিক ও বাসযোগ্য পরিবেশ ফিরে পাবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের নোয়াখালীর উপপরিচালক ডা. মো. শেখ ছাদেক বলেন, নোয়াখালী পৌরসভা একটি ঐতিহ্যবাহী এবং নিম্নাঞ্চলভিত্তিক পৌরসভা হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে। জনদুর্ভোগ কমাতে পৌরসভা কাজ করছে। গত অর্থবছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮টি খাল ও ৭টি ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে। তবে অনেক স্থানে আবর্জনা ফেলার কারণে ড্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। পৌরসভার সক্ষমতা অনুযায়ী সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ ডাকাতকে ধরল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ ডাকাতকে ধরল পুলিশ

 

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ডাকাতি এবং চুরি মামলার ছয় আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত দুদিন ধরে দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজেদুল ইসলামের সহযোগিতায় গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী এবং কুমিল্লা জেলার বুড়িচং, সদর দক্ষিণ ও কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিন্ন ভিন্ন চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি মামলার ছয় আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন জেলার মুরাদনগর উপজেলার মুগসাইর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন, দড়িকান্দি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ আনিছ, দিঘীরপাড় গ্রামের হবি মিয়ার ছেলে মোঃ আলী আক্কাস, ভোলা সদরের শিবপুর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে সুমন, দাউদকান্দির সরকাপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে রবিউল আওয়াল এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আব্দুল্লাহর ছেলে মোঃ করিম।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুই জন দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজার ও সুনামগঞ্জের স্বর্ণ চুরির ঘটনায় জড়িত বলে জানা গেছে। আসামী মোঃ আলাউদ্দিনের নামে ২১টি মামলা এবং মোঃ আনিছের নামে ১৭টি মামলা রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন থানায় স্বর্ণ চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে দায়ের করা হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম থেকে আন্ত:জেলা ডাকাত চক্রের সদস্যসহ বহু ডাকাতি ও ছিনতাই মামলার ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যাওয়া অবস্থায় অজ্ঞান পার্টির চক্রের খপ্পরে পড়ে স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরীক্ষার প্রবেশপত্র হারিয়ে ফেলেন দুই পরীক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা হলেন জান্নাতুল নাঈমা (১৯) ও প্রাহিমা আক্তার শশী (১৯)। উভয়েই নোয়াখালী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল সোনাপুর কলেজ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে মাইজদী শহরের মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে এই ঘটনার উৎপত্তি হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নাঈমা ও প্রাহিমা একই এলাকার বাসিন্দা এবং সখ্যবান বান্ধবী। শনিবার সকালে তারা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সোনাপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠেছিলেন। কিন্তু অটোরিকশাটি মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছালে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে তাদের অচেতন করে ফেলে। এরপর তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার এবং সঙ্গে থাকা পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে সিএনজিচালক দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় রেখে চলে যান। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। বর্তমানে তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার কারণে তারা নির্ধারিত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, "পরীক্ষার্থীদের স্বজনরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি জানায়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে ২০০ রানের চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে ২০০ রানের চ্যালেঞ্জ

ধবলধোলাই এড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে আজ ২০০ রানের লক্ষ্য স্থির করেছে জিম্বাবুয়ে।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রীড়া ডেস্ক জানায়, সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশ পারেনি। ফলে মেহেদী হাসান মিরাজের দলের সামনে ধবলধোলাইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশকে ২০০ রান করতে হবে, এই লক্ষ্যই আজ ছিল জিম্বাবুয়ের, যারা প্রথমে ব্যাট করে অলআউট হয়েছে ১৯৯ রানে।

হারারেতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল একটি কঠিন মিশন। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে তাদের প্রথম এলিমিনেশন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে আরও কম রানে অলআউট করার সুযোগ তৈরি করেছিল।

দলীয় ১০৮ রানে ৬ উইকেট তুলে নেওয়ার পরও বাংলাদেশ সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি।

তবে জিম্বাবুয়ের দুই হাফসেঞ্চুরিয়ান ওয়েসলি মাধেভেরে ও ব্র্যাড ইভান্স ধাক্কা সামলে দিয়েছেন। প্রথমে শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের শুরু ধাক্কা সামলে ৩০৬ রান গড়ায় মাধেভেরে, যিনি এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন।

চতুর্থ উইকেটে ইনোসেন্ট কাইয়ার সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়ে তারা দুইশোর ভিত গড়েন।

ব্যক্তিগত ২৫ রানে কাইয়া আউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে আবারও ধাক্কা খায়। সপ্তম উইকটে ইভান্সের সঙ্গে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল মাধেভেরে। তবে ৭৫ রানে আউট হলে তাদের ৪৩ রানের জুটি ভেঙে যায়।

৫ চার ও ১ ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি বিদায় নিলে পরে ইনিংস একাই টানেন ইভান্স। ৫ চার ২ ছক্কায় কাঁটায় কাঁটায় ৫০ রান পুর্ন করেন এবং জিম্বাবুয়ে দুইশোর কাছাকাছি পৌঁছে দেয়।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। তাসকিন ও তানভির ইসলাম দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ এর আগে এই হারারেতেই প্রথম দুই ওয়ানডে পরপর হেরে সিরিজ খুইয়েছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৫ রানের বিপরীতে ১৩ রানে পরে হারতে হয় বাংলাদেশকে। এছাড়া একমাত্র টেস্টে ৮৫ রান ও ইনিংস ব্যবধানেও হেরেছে বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%