০৯:০৮ পি.এম
বাংলাদেশ ব্যাংক সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা করে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না। তবে, কোনো প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম খতিয়ে দেখার সময় যদি কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ তথ্য সবার সামনে তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জানান।
আরিফ হোসেন বলেন, শাহাবুদ্দিন দেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে ছিলেন, তাই তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান চালানো হবে না। তবুও, দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারের জন্য ব্যাংকভিত্তিক যে তদন্তগুলো চলছে, সেখানে যদি কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
এদিকে শুক্রবার (২৪ জুলাই) মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজ রবিবার তিনি বঙ্গভবন ছাড়ার পরে গুলশানের নিজ বাসায় ওঠেন।
এছাড়া, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের স্থায়ীত্ব কামনায় মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগটি করা হয়।
রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবির বিষয়ে সচিবালয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যে সময় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন তা ছিল স্বৈরাচারের শেষদিকে ও অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়। বর্তমান সরকারের প্রায় ৬ মাস তিনি সাংবিধানিকভাবে পদে ছিলেন। বিধি-বিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে তিনি রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা পেয়েছেন। সেই সময়ে তিনি সংবিধান অনুযায়ী প্রিভিলেজেড ছিলেন; ফলে, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ কিংবা এ বিষয়ে আদালতে কোনো মামলা করা সম্ভব নয়। বরং এর বাইরে কোনো সময়ে কেউ যদি মন্তব্য করে থাকে, তাদের স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু এখানে আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় দেখতে পাচ্ছি না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে যারা বক্তব্য দিচ্ছেন, তাদের সেটির অধিকার রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পরের সময়ের কথা চিন্তা করে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম- মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, এবং তা রয়েছে। ENCP সহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো উত্থাপিত হয়েছে; কিন্তু সেখান থেকে আমলে নেওয়ার মতো কথোপকথন কিছু নেই।
আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন