ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনসিপি সমর্থিত রিকশা ও ভ্যানচালক সংগঠনের যাত্রা শুরু


এনসিপি সমর্থিত রিকশা ও ভ্যানচালক সংগঠনের যাত্রা শুরু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির নতুন ইউনিট জাতীয় রিকশা-ভ্যান চালক শক্তির উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে নেভি গলিতে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রমিক শক্তির নতুন এই ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এনসিপির সদস্যসচিব সংসদ সদস্য আখতার হোসেন এই নতুন ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করেন। এতে ফয়সাল আহমেদকে আহ্বায়ক এবং মুহাম্মদ ওবায়দুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

ফরিদুল ইসলাম সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন, ওহিদুল ইসলাম ও মুহাম্মদ জয়নাল যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন। সুমন রহমান সালেহ সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন এবং মুহাম্মদ রাজু, সাকা নূর ও মিসেস দিলরুবা বেগম যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ ইসহাক নতুন ইউনিটের তত্তাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

জাতীয় রিকশা-ভ্যান চালক শক্তির মুখ্য সংগঠক হিসেবে মুহাম্মদ হানিফ মিয়া রয়েছেন। মুহাম্মদ সানোয়ার, মোহা. রফিক, মোহা. হুমায়ুন, আলাউদ্দিন খান, মোরশেদ আলম, আনোয়ার হোসেন, মোহা. শাহজালাল, মোহা. খোকন ও লিটন আকন সংগঠক হিসেবে কাজ করবেন।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে বাবুল শিকদার, মো. বাচ্চু, রবিউল ইসলাম, মো. বাবুল, মনির হোসেন, মো. মুরাদ, মো. হাবীব, মো. মাসুদ, মো. জুয়েল, তাসলিমা আক্তার লিপি, মো. মোস্তফা, মো. রমজান, মো. জাফর, মো. শাহজালাল, রজ্জব আলী, লোকমান হোসেন, আক্তার হোসেন এবং সাদা মিয়া রয়েছেন।

শ্রমিক সমাবেশে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ছাড়াও সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সাইফ মোস্তাফিজ, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহার ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ, মুখ্য সংগঠক আরমান হেসেনসহ অনেক উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন। শ্রমিক সমাবেশের শেষে গণসংগীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন খন্দকার দিদারুল আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল যুবকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল যুবকের

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মো. রাজীব ফরাজী (২৫) নামে একটি যুবকের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনা ঘটে রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে, উপজেলায় রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের আমলীবাড়িয়া গ্রামে। নিহত যুবক রাজীব ফরাজী হচ্ছেন ওই গ্রামের মহিউদ্দিন ফরাজীর ছেলে। তার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায় যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগীরোগে ভুগছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরের সময় রাজীব বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। কিন্তু একপর্যায়ে তিনি ফিরে আসেননি, তখন তার স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অবশেষে পুকুর থেকে রাজীবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের ধারণা অনুযায়ী, গোসলের সময় হঠাৎ করে মৃগীরোগের খিঁচুনি উঠলে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় এক অপূরণীয় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ: আইপিসির বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ: আইপিসির বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে এখন প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে অবস্থান করছে। এটি বিশ্লেষণভুক্ত মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার মানুষ যারা জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে ভুগছেন।

অন্যদিকে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৮১ লাখে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে পড়ে যেতে পারেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট হাঙ্গার, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশনের (গেইন) যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি)’র সর্বশেষ বিশ্লেষণে উল্লিখিত তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

আইপিসি হলো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার তীব্রতা ও ব্যাপ্তি বিশ্লেষণ এবং শ্রেণিবিন্যাসের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি কাঠামো। এর বিশ্লেষণ সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের মানবিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিকল্পনার জন্য একটি অভিন্ন প্রমাণভিত্তিক ভিত্তি প্রদান করে।

সম্প্রতি ঢাকায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও তদারকি ইউনিটের (এফপিএমইউ) নেতৃত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় এই বিশ্লেষণের ফলাফল প্রকাশ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মাত্রা সবচেয়ে বেশি পার্বত্য চট্টগ্রাম, হাওরাঞ্চল, কয়েকটি উপকূলীয় জেলা এবং কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মধ্যে।

কর্মশালায় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণকে নীতি ও বিনিয়োগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইপিসির এই বিশ্লেষণ আমাদের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে সাহায্য করবে।’

খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা উল্লেখ করেন, ‘কার্যকর নীতিনির্ধারণে তথ্য ও প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, এই আইপিসি প্রতিবেদনের ফলাফল নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং মানবিক সংস্থাগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ড. মোহাম্মদ জকরিয়া বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, সমাজ, এনজিও, উন্নয়ন সহযোগী, জাতিসংঘের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিকূল জলবায়ু, বন্যা, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে, কোটি মানুষের প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্যে প্রবেশাধিকার আরো সীমিত হয়ে পড়বে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা জরুরি খাদ্য সহায়তা সম্প্রসারণ, দুর্যোগ-সাড়া সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি সম্প্রসারণ, জীবিকা পুনরুদ্ধারে সহায়তা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুপারিশ করেন।

বাংলাদেশে এফএওর প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি বলেন, ‘বারবার বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার সহনশীলতা বাড়ানো এখন অত্যন্ত জরুরি। জরুরি কৃষি কৌশল, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, টেকসই জীবিকা এবং স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট মোকাবিলা করতেই নয়, বরং ভবিষ্যৎ সংকট থেকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেবে।’

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, ‘এই আইপিসি বিশ্লেষণের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো, এটি সংকট আরও গভীর হওয়ার আগেই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। বিশ্লেষণে চিহ্নিত অনেক এলাকা বর্তমানে ভারী বৃষ্টি ও বন্যার মুখে রয়েছে, বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম। সেখানে ডব্লিউএফপি আগাম পদক্ষেপ (Anticipatory Action) গ্রহণ করেছে এবং সরকারের দুর্যোগ-সাড়া সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করছে। জরুরি সাড়ার পাশাপাশি আইপিসি ভবিষ্যৎ সংকটের পূর্বাভাস, আরও কার্যকরভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

কর্মশালায় খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং অংশীদার সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলা, ভবিষ্যতের দুর্যোগে সহনশীলতা বৃদ্ধি তথা সবার জন্য টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


বাংলাদেশ-মালদ্বীপের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য এবং যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেইসঙ্গে অভিবাসন, প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি এবং সামুদ্রিক সংযোগ জোরদার করার বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

বৈঠকের সময় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার জন্য অভিবাসন ও প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্লু-ইকোনমি এবং সামুদ্রিক যোগাযোগের বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। ওই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং যোগাযোগ সহজ করার উদ্দেশ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়টিও আলোকপাত করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি, দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরো গভীর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (স্টেট মিনিস্টার) ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: মুহূর্তেই পুড়ে ছাই বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস ইউএনওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


কাউখালীতে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: মুহূর্তেই পুড়ে ছাই বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস ইউএনওর

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডটি গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং মুহূর্তের মধ্যে একটি বসতঘর সম্পূর্ণরূপেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাণ রক্ষার্থে দরজা খুলে বাইরে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পেয়েছে একই পরিবারের চার সদস্য। তবে, তাদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয়ের মাধ্যমে তৈরি হওয়া ঘর, আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় সবকিছুই আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে স্বজনের বাড়িতে অত্যন্ত কষ্টকর জীবন যাপন করছে। রবিবার (২৬ জুলাই) উপজেলার বদরপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের দাবি, আগুনে আনুমানিক ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মালামাল এবং প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যুবক মুরাদ হোসেন রাঢ়ী জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হতে দেখার পর তার মা সুমি বেগম চাচা নাসির উদ্দিনকে বিষয়টি জানায়। তাৎক্ষণিকভাবে নাসির উদ্দিন এসে সিলিন্ডারটি পরীক্ষা করতে শুরু করেন। কিন্তু, ঠিক সে সময় লিক হওয়া গ্যাসে পুরো ঘর ভরে যায়। পরিস্থিতি বুঝতে পারার আগেই সিলিন্ডার চালু করে আগুন জ্বালানোর পর বিকট শব্দে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরো জানিয়েছেন, ওই সময় ঘরে থাকা তিনি, তার মা সুমি বেগম, ভাগ্নি ওজিহা এবং চাচা নাসির উদ্দিন প্রাণভয়ে দরজা খুলে বাইরে ঝাঁপ দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আগুন পুরো ঘরকে গ্রাস করে। পরিবারের সদস্যরা প্রাণে বেঁচে গেলেও তাদের চোখের সামনে পুড়ে যায় তাদের সমস্ত সম্বল। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করল ঠিকই কিন্তু তারা সফল হননি। খবর পেয়ে কাউখালী ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, বাড়ির সঙ্গে সংযোগকারী প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা এমন অবস্থায় ছিল যে, যান চলাচলের জন্য অনুপযোগী ছিল, ফলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে নি। কাউখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ সাজিবুল ইসলাম বলেন, "সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হই। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার এক কিলোমিটার রাস্তা যানবাহনের চলাচলের জন্য অনুপযোগী হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সেখানে পৌঁছাতে পারিনি। পরে হাতে এবং ভ্যানগাড়িতে করে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই পুরো বাড়িটি আগুনে পুড়ে যায়।" ক্ষতিগ্রস্ত মুরাদ হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে তার বাবা ফারুক হোসেন মারা গেছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সে পরিবারটির দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়েছে। বর্তমানে নিজের কোনো বসতঘর না থাকায় তিনি চাচার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু সেখানে একসঙ্গে এতজনের বসবাস করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে। পরিবারের দাবি, পরনের কাপড় ছাড়া প্রায় সবকিছুই আগুনে পুড়ে গেছে। ঘটনার খবর পাওয়ার পর কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান তৎক্ষণাৎ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য শুকনো খাবার, চাল এবং কম্বল পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। সংবাদ পাওয়ার পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার, চাল এবং কম্বল পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির পাশে থাকবে। সরকারি বিধি অনুযায়ী তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছি। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে, যাতে পরিবারটি দ্রুত সরকারি সহায়তা পায়। সব হারিয়ে দিশেহারা পরিবারটি সরকারের কাছে জরুরি পুনর্বাসন, একটি নতুন বসতঘর নির্মাণে সহায়তা এবং আর্থিক অনুদানের আবেদন জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%