ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি


দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি

দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) এক বিবৃতিতে জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা না করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিল্পখাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের গড় দাম ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ প্রায় ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়িয়েছে। এর ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্টিল মিল মালিকরা জানান, কোভিড-পরবর্তী সময়ে শিল্পখাত দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ ব্যয় চাপে রয়েছে। ব্যাংক ঋণের সুদহার বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, নির্মাণ খাতে মন্দা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেক কারখানা বর্তমানে লোকসান বহন করে চলছে।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা সন্দেহে আটক হায়দার আলীকে জামায়াত নেতারা ছাড়িয়ে নিলেন

তারা আরও উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের ট্যারিফ প্রায় ৩৬ শতাংশ এবং ডিমান্ড চার্জ ১২৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে গ্যাসের দামও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

বিবৃতিতে বলেছে, স্টিল শিল্পের বড় কারখানাগুলো ৩৩ কেভি, ১৩২ কেভি ও ২৩০ কেভি লাইনের সরাসরি গ্রাহক হলেও ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও অন্যান্য অতিরিক্ত খরচের কারণে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের সাবস্টেশন থাকার পরেও এসব ব্যয় থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

স্টিল মিল মালিকরা সতর্ক করে দেন যে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে, বিনিয়োগ কমে যাবে এবং দেশের শিল্প প্রতিযোগিতার সক্ষমতা দুর্বল হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান ও শিল্প স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে।

তারা জানাচ্ছেন যে, বিদ্যুৎ মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি একটি ট্যারিফ নয়, বরং এটি শিল্প টিকে থাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই তারা নতুন মূল্যহার অবিলম্বে প্রত্যাহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বার্তা

বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করে।

বিইআরসি’র চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বেড়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঞ্চালন ব্যয় বিবেচনায় বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার (হুইলিং চার্জ) ভারিত গড়ে প্রতি ইউনিট ৩১.৩৫ পয়সা থেকে ৩৮.৮৬ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে ৭.৫১ পয়সা বা প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

কিন্তু বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণির বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কমিশনের এই আদেশ ২০২৬ সালের জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন: সরাইল থানায় গিয়ে ওসির ওপর চটলেন এমপি রুমিন ফারহানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


জামায়াতের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে থেমে নেই জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। দলটি বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) এক বিবৃতিতে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি জনগণের জন্য ক্ষতিকর।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকার সাধারণ মানুষের পকেট কাটার চরম নিষ্ঠুর খেলায় প্রবৃত্ত হয়ে পড়েছে। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বড় ধরনের জুলুম করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে এবং বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি সেটাকে আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।

গোলাম পরওয়ার আবার বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষির উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে কলকারখানাগুলো, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কৃষি খাতে স্থবিরতা আসবে। চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত কখনোই সম্ভব হত না।

বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও লুটপাট বন্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণবিরোধী ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। এ দাবিতে ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ৪ জুন বিকেল পাঁচটায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির নেতাকর্মীদের জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে হবে : মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


বিএনপির নেতাকর্মীদের জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে হবে : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে জনগণ বিএনপি এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখেছেন। সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়িত্ব খুবই বেড়ে গেছে। তাদের জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে হবে।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লী উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের পতন এ কথা প্রমাণ করেছে যে, ধমকিয়ে ও পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে ভালো কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পতিত সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে তাদের দলবল নিয়ে এমনভাবে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে যে, এখন তারা ইচ্ছে করলে আর ফিরতে পারছে না। বিএনপি এসব চায় না। বিএনপি চায় একটি সুন্দর, সুস্থ ও সহনশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমরা উদার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে আমাদের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন আমরা সেই সময় পার করে এসেছি। এখন আমরা বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারি। তারা চেয়েছিল ধমকিয়ে ও পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে। কিন্তু ধমকিয়ে ও পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না।

তিনি উল্লেখ করেন, গত নির্বাচনের সময় একটি রাজনৈতিক দল এমন অপপ্রচারের আবহাওয়া সৃষ্টি করেছিল যেন বিএনপি শেষ হয়ে গেছে, তারেক রহমান সম্পর্কেও মিথ্যা গুজব ছড়ানো হয়েছিল। কিন্তু সকল গুজবকে মিথ্যা প্রমাণ করে জনসাধারণ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী করেছে।

পতিত সরকারের অপকর্ম এবং গণতন্ত্র ধ্বংসের নানা বিষয় তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে ফেলেছে, ব্যাংক রিজার্ভ খালি করে রেখেছে এবং অর্থনীতিকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। সেখান থেকে এই অর্থনীতিকে উন্নতির শিখড়ে নিয়ে যেতে আমাদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। এটা কোনো সহজ কাজ নয়।

তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান কোনোটিই ভুলে যাওয়ার মতো নয়। কারণ এগুলোই আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতায় আসা মানে আপনাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। আপনারা ভালো কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করুন। তাহলে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো শক্তিশালী হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলার উন্নয়নে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে রুহিয়া এবং ভূল্লীকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওবাসীর বহুল প্রত্যাশিত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে এবং পরিত্যক্ত বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী এ সময় জানান, জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যেমন- মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের উন্নয়নসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খড় তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল মা-ছেলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৬ এম


খড় তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল মা-ছেলের

গাইবান্ধায় বজ্রাঘাতে মা ও ছেলের মৃত্যু ঘটে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার আগে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মান্দুরা গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস (৫৫) এবং তাঁর ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২)।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন এবং এবার ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ফিরে আসেন। আজ শেষ বিকেলে আকস্মিকভাবে কালো মেঘে আকাশ গাঢ় হয়ে উঠলে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজের মা কল্পনা রাণীর সঙ্গে বাড়ির বাইরে শুকাতে দেওয়া খড় তুলতে যান।

এসময় বজ্রাঘাতের শিকার হন তারা।

মান্দুরা গ্রামের ইউপি সদস্য সাহিন আলম জানায়, বজ্রাঘাতে মা-ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা সাথে সাথে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে অত্যন‍্ত দুঃখজনকভাবে, পথেই তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যবসা সহজীকরণ, ডিরেগুলেশন ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


ব্যবসা সহজীকরণ, ডিরেগুলেশন ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানো, সরকারি সেবায় ডিজিটালাইজেশন জোরদার এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার পরিকল্পনা করছে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি সীমিত গোষ্ঠীর আধিপত্য এবং অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশের অর্থনীতি একটি ‘পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনীতি’ বা পেট্রোনাইজড ইকোনমিতে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে বিধিনিষেধ ও নিয়ন্ত্রণের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিন্তু এসব বিধিনিষেধ অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযোজ্য হলেও প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো সেগুলোর বাইরে থেকে যায়। এতে ব্যবসার ক্ষেত্রে সমান সুযোগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছে দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য কামার-কুমার, তাঁতি, কারুশিল্পী ও ক্ষুদ্র উৎপাদক প্রজন্মের পর প্রজন্ম কাজ করে গেলেও তাদের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। কারণ তারা কখনোই কার্যকর নীতি সহায়তা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বা বাজার সুবিধার আওতায় আসতে পারেননি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোক্তাদের জন্য রাজধানীর কাছে প্রায় ১৬০ একর জমির ওপর একটি ‘ক্রিয়েটিভ ডিস্ট্রিক্ট’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে সরকার।

তিনি বলেন, সরকার এসব উদ্যোক্তাকে সহজ ঋণ, কাঁচামাল সহায়তা, ডিজাইন উন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং, বিপণন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ প্রদানের পরিকল্পনা করছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় কারুশিল্প ও সৃজনশীল পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

আমির খসরু বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ মডেল সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বাংলাদেশেও স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, একজন উদ্যোক্তা এক জায়গায় আবেদন করলেই সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। লাইসেন্স ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিরেগুলেশন, ডিজিটালাইজেশন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে, যেখানে দেশের প্রত্যেক নাগরিক সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে এবং উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%