শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০৫ এম
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সড়কের কাজ তদারকির সময় নূরই আকরাম নামের একজন উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে দেড় লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের গিদালপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
নূরই আকরাম বোদা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাকোয়া-নয়াদীঘি ভায়া বোয়ালমারী পাকা সড়কের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা বারবার অভিযোগ করার পরও কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী বিষয়টিতে গুরুত্ব দেননি। কাজের মান ও বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে প্রকৌশলী সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা তার পথ আটকে ব্যাগ তল্লাশি করতে চাইলে এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আটক উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে থাকা ব্যাগ নিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করছেন স্থানীয় কয়েকজন। একইসঙ্গে ব্যাগে টাকা থাকার দাবিও করা হয়। এসময় উপসহকারী প্রকৌশলী দাবি করেন, তার কাছে পার্সোনাল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও টাকা রয়েছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে থাকা মোট দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে এবং তাকে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সময় প্রকৌশলী নূরই আকরাম দাবি করেন, টাকাগুলো তার ব্যক্তিগত এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য তিনি সঙ্গে রেখেছিলেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন।
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা সময় সংবাদকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার পর থেকে তাকে পুলিশের হেফাজতে থানায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি এলজিইডির জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) পঞ্চগড় জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ফলে দাঙ্গা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী কয়েক দিন ‘অবৈধ’ বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হবে। একইসঙ্গে, সরকার দেশজুড়ে নতুন বিক্ষোভের মোকাবিলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করছে।
ম্যাক্রোঁ
বৃহস্পতিবার গোয়েন্দাপ্রধান ও জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, স্বীকৃত সংগঠনগুলোর আয়োজনে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে, প্রয়োজন হলে বিক্ষোভের নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করা হতে পারে। অন্যদিকে, ‘বৈধ কর্তৃত্ব নেই’ এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আয়োজনে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হবে। ট্রেড ইউনিয়নের মতো সংগঠনগুলোর আবেদনের বিষয়টি আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হবে, তবে তাদেরও বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, শহরের কেন্দ্রীয় এলাকা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন রক্ষায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আগামী কয়েক দিন বিক্ষোভ না করার পরামর্শও দেন।
ম্যাক্রোঁ গত সপ্তাহান্তের অস্থিরতা ও লুটপাটের জন্য মূলত দাঙ্গাবাজদের দায়ী করেছেন, যারা কেবল লুটপাটের উদ্দেশ্যে এসেছিল। তিনি আরও বলেন, সহিংসতার সবচেয়ে ভয়াবহ অংশের পেছনে ছিল চরম বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, যাদের লক্ষ্য ছিল প্রজাতন্ত্রকে অস্থিতিশীল করে তোলা।
ম্যাক্রোঁ বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করা এখন প্রধান অগ্রাধিকার। শনিবার ও পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে নতুন বিক্ষোভের ঘোষণা আসায় পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য শুক্রবার প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠকে বসবেন তিনি।
গত সপ্তাহে চলা বিক্ষোভ এবং দাঙ্গায় ফ্রান্সের তৃতীয় বৃহত্তম শহর লিওঁতে ২০০ থেকে ৩০০টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। শহরটির পর্যটন কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে শনিবার শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। মার্সেই, নিস ও তুলন শহরেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্যারিসে শনিবারের একটি মিছিলের অনুমতি দেওয়া হলেও সেটিকে শহরের কেন্দ্রের দিকে যেতে দেওয়া হবে না। তবে শিক্ষার্থী ও ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের কয়েকজন সদস্যের পরিকল্পিত পৃথক মিছিল নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই আন্দোলন ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।
দেশটির বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানাঁ জানিয়েছেন, গত সপ্তাহান্তে দাঙ্গা শুরুর পর থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৭৪ জনকে বিচারিক হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং ৯০০ জনের বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। লিমোজ শহরের পৌর ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, প্যারিসসহ কয়েকটি শহরের কিছু এলাকায় রাতের বেলায় আংশিক কারফিউ জারি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এলিসি প্রাসাদ, পার্লামেন্ট ও প্রধান রেলস্টেশনগুলোর আশপাশেও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গত মাসে প্যারিসের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ক্রেতেই শহরের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর সংকট ও জরাজীর্ণ ভবনের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়। পরে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ছয় মাস পর অনুষ্ঠেয় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদও এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় আয়োজকরা বাউল গানের আসর বন্ধ করে দিয়েছেন, কারণ সেখানে নারী শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কুলঞ্জ ইউনিয়নের হাতিয়া-রাধানগর গ্রামে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠানে নীলা ও তানিশা নামের দুই নারী শিল্পী গান গাইবেন বলে জানা যায়। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শওকত আলী, যিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন, অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেন। কয়েক দিন ধরে এই আয়োজনের প্রচার চলছিল এলাকায়।
তবে বুধবার, নারী শিল্পীদের গান পরিবেশন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা আতাহার আলী রাহাত ও কামরুল হাসান মিটু।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হাতিয়া গ্রামটি দীর্ঘকাল ধরে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। গ্রামে একটি আলিম মাদরাসা, একজন আল্লাহর ওলির মাজার এবং অনেক আলেম-ওলামার বসবাস রয়েছে। আয়োজকদের প্রচার অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে নারী শিল্পীদের গান পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীরা ধর্মীয় ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন, যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা, সংঘাত ও সহিংসতা এড়ানো যায়।
আয়োজক শওকত আলী বলেন, ‘বাউল গান নিয়ে আপত্তি নয়, নারী শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন আবেদনকারীরা। আমরা আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছি।’
অভিযোগকারী কামরুল হাসান মিটু বলেন, ‘আমাদের গ্রামটি ইসলামি ঐতিহ্যের। আমরা গ্রামে ইসলামি ঐতিহ্য অনুসারে গান-বাজনা হলে মুসলিম জনতা ক্ষুব্ধ হতে পারে। গ্রামের পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তাই আমরা গান-বাজনা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছি।’
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘নারী শিল্পীদের উপস্থিতি না চেয়ে দুজন আবেদন করেছেন। আয়োজক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন, যা প্রায় ৬.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে জাপান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘নিক্কেই এশিয়া’ একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই বিশাল বিনিয়োগ প্রবাহ দেশের বেসরকারি খাতের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসবে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বিনিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
এই অর্থনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা বহুগুণে বৃদ্ধি করা এবং বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান শিল্প ও বিনিয়োগ হাব হিসেবে গড়ে তোলা।
জাপানি বিনিয়োগের প্রধান অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলো অন্তর্ভুক্ত করছে—দেশে অটোমোবাইল শিল্প এবং উন্নত উৎপাদন খাতের বিকাশ; বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামো আধুনিকায়ন ও নতুন সংযোগ স্থাপন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি।
জাপানি ট্রেডিং হাউস সুমিতোমো করপোরেশনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে’ নতুন নতুন জাপানি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক উপস্থিতি ও উৎপাদন ইউনিট স্থাপন হবে।
নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, এই বিনিয়োগ চুক্তির পাশাপাশি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি সমন্বিত ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের এই পাঁচ বছর মেয়াদী ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের শিল্প খাত, অবকাঠামো ও সার্বিক বৈদেশিক বিনিয়োগে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশ ফিরোজ ওরফে কেন্তা ফিরোজকে গ্রেপ্তার করেছে। ফিরোজ সাতটি মামলার আসামি, যার মধ্যে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তারটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মোহাম্মদপুরের ফিউচার মডেল টাউনের ৫ নম্বর সড়কের আলমের গ্যারেজের পাশে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানিয়েছেন, ফিরোজ একজন কিশোর গ্যাং লিডার হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, মারামারি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফিরোজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দুটি মাদক মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে মারামারি, ছিনতাই ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়। ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুটি মামলা এবং ২০২৫ সালে সংঘবদ্ধভাবে অনধিকার প্রবেশ, মারধর, চুরি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের হয়।
এডিসি জুয়েল রানা বলেন, ফিরোজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ