০২:১২ পি.এম
সৌরজগতের সৃষ্টি ও পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তির রহস্য উন্মোচনে সহায়ক হতে পারে এমন নমুনা সংগ্রহের জন্য জাপানি বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের উপগ্রহে অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে, প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের একটি অভিযান তার আগেই নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
জাপানের তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছেন।
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে মনুষ্যবিহীন ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন’ বা এমএমএক্সের। এই অভিযান ভবিষ্যতে মানুষের মঙ্গল পাঠানোর পথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন
গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে মহাকাশযানটি উন্মোচন করা হয়েছে। এটি প্রায় তিন বছর ধরে মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করবে এবং এ সময় মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোসে অবতরণের চেষ্টা করবে।
মহাকাশযানটি ফোবোসের পৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে। একই সময়ে, ফরাসি নামের কমিক চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের নাম অনুসারে ‘আইডেফিক্স’ নামের রোভারটি উপগ্রহটির পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে।
মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডেইমোসকেও পর্যবেক্ষণ করবে। তবে, সেখানে অবতরণ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। এরপর একটি ফেরত ক্যাপসুল পৃথিবীর উদ্দেশে রওনা হবে এবং ২০৩১ সালের দিকে অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মিতসুবিশি ইলেকট্রিকের প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা জানান, জাপানের মনুষ্যবিহীন স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (এসএলআইএম) বা ‘মুন স্নাইপার’ ২০২৪ সালে পৃথিবীর চাঁদে অবতরণের পরে কাত হয়ে পড়ে। তবে, সেটি তথ্য পাঠানোর সামর্থ্য রাখে এবং চাঁদের দুই সপ্তাহব্যাপী কয়েকটি রাত বেঁচে থাকে।
আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া
মহাকাশ থেকে নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার অভিজ্ঞতা জাপানের রয়েছে। ২০২০ সালে জাক্সার মনুষ্যবিহীন হায়াবুসা-২, পৃথিবী থেকে কয়েকশ কোটি কিলোমিটার দূরের একটি গ্রহাণু থেকে ৫.৪ গ্রাম পাথর ও ধুলার নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন