০২:১৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টি শনিবার ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইপর্বে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঙ্গরাজ্যগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাছাইপর্বের শুরু হবে সাউথ ক্যারোলিনা ও নেভাদায়।
দলটির চেয়ারম্যান কেন মার্টিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, নতুন সময়সূচি ‘সত্যিকার অর্থে আমাদের দল ও মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করে। এটি ২০২৮ সালে হোয়াইট হাউস পুনর্দখলে আমাদের সহায়তা করবে।’
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে। আফ্রিকান-আমেরিকান জনগণের একটি বড় অংশ সাউথ ক্যারোলিনায় বসবাস করেন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঙ্গরাজ্যে ২০২৮ সালের ২২ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে। এরপর পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য নেভাদায় ১ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নেভাদার জনসংখ্যার ৩০ শতাংশের বেশি লাতিনো।
আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে
এরপর নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ মেক্সিকো, মিশিগান ও ভার্জিনিয়া ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাছাইয়ের প্রথম ছয় অঙ্গরাজ্যের তালিকায় স্থান পাবে। ডেমোক্রেটিক পার্টি বলেছে, নতুন সময়সূচির লক্ষ্য হলো প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের মুখোমুখি বৈচিত্র্যময় ভোটারদের সামনে নিয়ে আসা। পাশাপাশি সাধারণ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতেও তাদের পরীক্ষা নেওয়া।
২০২০ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে জো বাইডেনের সফলতা পেছনে সাউথ ক্যারোলিনা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাকে সেই অঞ্চলের প্রতি প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের প্রাথমিক বাছাইয়ে সাউথ ক্যারোলিনাকে প্রথম অঙ্গরাজ্য করার জন্য তিনি নিয়ম পরিবর্তন করেছিলেন।
তবে নিউ হ্যাম্পশায়ার নতুন এই নিয়মকে মানার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির আইনে দেশের সকলের আগে প্রাথমিক বাছাই অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সুতরাং ২০২৪ সালের নির্বাচনেও সাউথ ক্যারোলিনার আগেই সেখানে ভোট হবে।
এ ধরনের পদক্ষেপ ঠেকানোর জন্য শনিবার দলীয় কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়সূচি না মানা অঙ্গরাজ্যগুলোর জন্য শাস্তি বাড়ানোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। নিউ হ্যাম্পশায়ার নতুন সময়সূচি মেনে চলবে কিনা, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। আইওয়ার বিষয়টিও অনিশ্চিত। অঙ্গরাজ্যটির আইনে জানানো হয়েছে, অন্যান্য সব অঙ্গরাজ্যের আগে সেখানে ককাস অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ককাস হলো ভোট গ্রহণের একটি বিকল্প পদ্ধতি।
আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০
সাউথ ক্যারোলিনা বা নেভাদার তুলনায় আগে ভোট দেওয়া নিউ হ্যাম্পশায়ার ও আইওয়ার জনসংখ্যা কম এবং বৈচিত্র্যও কম। যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ লাখ জনসংখ্যার নিউ হ্যাম্পশায়ারে ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ শ্বেতাঙ্গ। আর ৩২ লাখ জনসংখ্যার আইওয়ায় ৮৮ শতাংশ মানুষ শ্বেতাঙ্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন